আজঃ মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

শ্যামনগরে ১ লক্ষ ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ করবে ব্র্যাক-লিডার্স-উত্তরণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১ | ১৩৬জন দেখেছেন
Image

দিলীপ কুমার দেব, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলা বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক-লিডার্স-উত্তরণ এর যৌথ উদ্যোগে দরিদ্র মানুষের মাঝে ১ লাখ ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ জুন) শ্যামনগর উপজেলা বাসস্টান্ডে করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দূর্গ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মসূচি শুরু করা হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাস্ক বিতরণ করেন শ্যামনগর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এড. এস.এম জহুরুল হায়দার বাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক এর স্বাস্থ্য পুষ্ঠি ও জনসংখ্যা কর্মসূচীর এলাকা ব্যবস্থাপক মোঃ আব্দুল মান্নান শেখ। আরও উপস্থিত ছিলেন লিডার্স এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার এস.এম মনোয়ার হোসেন, উত্তরণের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোঃ আমিনুর রহমান, লিডার্স এর প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ শওকৎ হোসেন, মোঃ বাবর আলী, শম্পা রাণী বিশ্বাস ও  মোঃ আবুল হাসান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কোভিট-১৯ প্রতিরোধে হটস্পট গুলিতে যারা মাস্ক ব্যবহার করছেন না তাঁদেরকে ম্যাস্ক ব্যবহার করা, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম এড়িয়ে চলা, নিয়মিত হাত ধোয়া বিষয়ে পরামর্শ দেন। এ সময়ে পুনঃব্যবহার যোগ্য মাস্ক বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, শ্যামনগর উপজেলায় ১ লাখ ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: সাতক্ষীরা

আরও খবর



ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদককে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ জুলাই ২০২১ | ১০৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আশিকুর রহমান রকিকে (২৫) গত রবিবার রাত সাড়ে ১০টায় গাইবান্ধা পৌরসভার পূর্বপাড়ার হালিম বিড়ি ফ্যাক্টরী সংলগ্ন রাস্তার মোড়ে দুর্বৃত্তরা প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে। নিহত রকি ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের মধ্য কঞ্চিপাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি মেম্বার মৃত ছইদার রহমানের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, আশিকুর রহমান রকি রাতে শহরের পুরাতন বাজার এলাকার ফার্মেসী থেকে ওষুধ কিনে সোহেল ও প্লাবনকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে নিজ বাড়ি ফুলছড়ির কঞ্চিপাড়ার দিকে যাচ্ছিল। এসময় পথিমধ্যে শহরের পূর্বপাড়ার হালিম বিড়ি ফ্যাক্টরী সংলগ্ন রাস্তার মোড়ে পৌঁছলে পূর্ব থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা পূর্বপাড়ার নবাব আলীর ছেলে কাঞ্চন ও তার সহযোগীরা রকির উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এসময় অপর এক মটরসাইকেলে রকির সঙ্গে আসা তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে আব্দুল মমিন মাস্টার গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রকির চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসার আগেই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় রকিকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহফুজুর রহমান জানান, নিহত রকির বড় ভাই আতিকুর রহমান সরকার সোমবার বাদি হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় কাঞ্চনকে প্রধান আসামি এবং ৩ জনের নামসহ আরও অজ্ঞাত ৭/৮ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এব্যাপারে গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আসিফ সরকার জানান, গত দুই মাস আগে পূর্বপাড়া এলাকার নবাব আলীর ছেলে কাঞ্চনের সাথে রকির মোটরসাইকেলের হর্ণ বাজানো নিয়ে বাকবিতন্ডা হয়। এরই জের ধরে উভয়ের মধ্যে শত্রুতার সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে কাঞ্চন তার দলবলসহ রকির উপর হামলা চালায়। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অতিসত্বর হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম সেলিম পারভেজ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, হত্যাকারী কাঞ্চন ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তোহিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। আশা করি অল্প সময়ের মধ্যেই প্রকৃত কারণসহ হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



শরীয়তপুরের ৫০ গ্রামে চলছে ঈদ উৎসব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ জুলাই ২০21 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ জুলাই ২০21 | ১২২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শরীয়তপুরের ৬ উপজেলার ৫০ গ্রামের মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। মঙ্গলবার (২০ জুলাই) জেলার বেশ কয়েকটি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হলেও প্রধান ও বড় জামায়াত অনুষ্ঠিত হয় নড়িয়ার সুরেশ্বর দরবার শরীফ মাঠ প্রাঙ্গণে।

জানা গেছে, সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬৯ দেশে সোমবার (১৯ জুলাই) চাঁদ দেখা যাওয়ায় মঙ্গলবার (২০ জুলাই) ওইসব দেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। তাই সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে শাহ্ সুরেশ্বরীর (রা.) অনুসারীরা ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন।

সুরেশ্বর দরবার শরীফের গদিনীনিশিল পীর সৈয়দ তৌহিদুল হোসাইন শাহীন নূরী জানান, আমরা শুধু ঈদ না সব ধর্মীয় উৎসব সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পালন করি। তাই মঙ্গলবার (২০ জুলাই) আমরা কোরবানির ঈদ পালন করছি।

তিনি আরও বলেন, সুরেশ্বর দরবার শরীফ মাঠ প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।


আরও খবর



নগদের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর সাথে বিকাশের সংশ্লিষ্টতা

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | ১৪৫জন দেখেছেন
Image

মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) কোম্পানি নগদের বিরুদ্ধে প্রচারণার পেছনে এটির প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানি বিকাশের যোগসাজশ পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে পুলিশের এই সংস্থাটি।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নগদের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (লিগ্যাল অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স) তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বিকাশের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।

এজাহারে বলা হয়, নগদের সুনামে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি অপরাধী চক্র সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক ক্ষতি ও জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে লিফলেট মুদ্রণ ও বিতরণ করছে।

সারা দেশে নগদ লিমিটেডের প্রায় ৩ লাখ আউটলেটসহ বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল স্থানে বিভিন্ন সময়ে একটু ভেবে দেখবেন কী শিরোনামে একটি লিফলেট ছড়ানো হয়। এর মাধ্যমে নগদের আর্থিক ও সামাজিক সুনামের ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান নগদের ৫১ শতাংশ শেয়ার ডাক বিভাগের। বাকি ৪৯ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের।

এজাহারে আরও বলা হয়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে অপপ্রচার, প্রতারণা ও মানহানিকর গুজব রটিয়ে কোম্পানির সুনাম ও আর্থিক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।

মামলা গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দেয় আদালত। ২৮ ফেব্রুয়ারি মামলা তদন্ত শুরু করে পিবিআই। তদন্ত শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয় সংস্থাটি।

তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মেছবা উদ্দিন বলেন, নগদের অভিযোগ সত্য কি না যাচাই করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয় আমাদের। আমরা রিপোর্ট করে দিয়েছি যে, ঘটনার সত্যতা আছে। নগদের অভিযোগ সঠিক।

পিবাআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে বিকাশের ১৬ কর্মকর্তার জড়িত থাকার তথ্যপ্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তারা হলেন এ কে এম নাজমুল করিম (ক্লাস্টার বিজনেস হেড, সেন্ট্রাল নর্থ ক্লাস্টার, বিকাশ লিমিটেড), মশিউর রহমান (নারায়ণগঞ্জ রিজিওনাল ম্যানেজার, বিকাশ লিমিটেড), আব্দুহ সুফী (রিজিওনাল ম্যানেজার, বিকাশ লিমিটেড), আলামিন হোসেন (রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর, বিকাশ লিমিটেড), আবু হেনা গোলাম কিবরিয়া (এরিয়া ম্যানেজার, বিকাশ লিমিটেড), গোলাম সারোয়ার (ডি এমপি ঢাকা, টেরিটরি অফিসার, বিকাশ লিমিটেড), রফিকুল ইসলাম (ম্যানেজার, ট্রিলজি ডিস্ট্রিবিউশন লি., বিকাশ লিমিটেড), নাহিদ হাসান (সুপারভাইজার, ট্রিলজি ডিষ্ট্রিবিউশন লি., বিকাশ লিমিটেড), নুমানুল হক (টেরিটরি ম্যানেজার, বিকাশ লিমিটেড), মির্জা শিহাব উদ্দিন (জেনারেল ম্যানেজার, জারাফ সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং লি, বিকাশ লিমিটেড), রামানন্দ চন্দ্র সরকার (ডিস্ট্রিবিউটর অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং মানেজার, জারাফ সেলস এন্ড মার্কেটিং), মাজহারুল ইসলাম শাওন (ডিএসও, জারাফ সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং, বিকাশ লিমিটেড), আরিফ (ডিএসও, ট্রিলজি ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, বিকাশ লিমিটেড), তরিকুল ইসলাম (ডিএসও, ট্রিলজি ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, বিকাশ লিমিটেড), শেখ ফরিদ (ডিএসও, এ আই ডি ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, বিকাশ লিমিটেড) ও নাঈম (ডিএসও, মাজিম অ্যাগ্রো লিমিটেড।)

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তদন্তকালে সাক্ষ্যপ্রমাণে জানা যায়, বিকাশ লিমিটেডের ক্লাস্টার বিজনেস হেড নাজমুল করিম এবং রিজিওনাল ম্যানেজার আব্দুহু সুফী তাদের মোবাইল নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ সেন্ট্রাল নর্থ ক্লাস্টার থেকে লিফলেট সরবরাহ করার জন্য অন্যদের কাছে পাঠিয়েছিলেন।

লিফলেট শেয়ার, প্রিন্ট ও সরবরাহ শেষে লিফলেটটি তারা সকলে ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে মুছে ফেলেন। তাদের বক্তব্য পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, চাকুরির স্বার্থে, বিকাশ কোম্পানিকে আর্থিকভাবে লাভবান করতে ও নগদকে হেয় প্রতিপন্ন ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে তারা এ কাজ করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্যে রাজি হয়নি বিকাশ কর্মকর্তারা।

প্রতিষ্ঠানের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম আজকের দর্পণকে বলেন, এই বিষয়টা এখন তদন্তাধীন। পিবিআই তাদের প্রতিবেদন কোর্টে জমা দিয়েছে। একটা হেয়ারিং হবে। এই প্রতিবেদন তারা গ্রহণ করবে কি করবেন না, এটা কি পরবর্তীতে মামলা চলবে কি চলবে না, এটার অনেকগুলো প্রক্রিয়া রয়েছে।

এই তদন্তাধীন অবস্থায় মন্তব্য করা সমীচীন না। তদন্তে তারা যা পেয়েছে, সেটা তো কোর্টে প্রমাণ করতে হবে, সে যে পক্ষই হোক। এটা একটা লম্বা প্রক্রিয়া। তাই প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো মন্তব্য করতে পারব না।


আরও খবর



মানা হচ্ছে না শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:শনিবার ১০ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুলাই ২০২১ | ১১৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ফেরিতে যাত্রীবাহী গাড়ি এবং যাত্রী পরিবহণ বন্ধ ঘোষণা করা হলেও, তা মানা হচ্ছে না। সরকারের সর্বাত্মক বিধিনিষেধের অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবার থেকে জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া অন্য কোনো গাড়ি বা যাত্রী ফেরিতে নেওয়া হবে না বলে জানায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)।

পুলিশের চেকপোস্ট, ঘাট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা আর কঠোর বিধিনিষেধ সত্ত্বেও শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরিতে যাত্রীবাহী গাড়ি ও যাত্রী পারাপার থামছে না। আজ শনিবার সকাল থেকে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট হয়ে ফেরিতে শতশত যাত্রী ও যাত্রীবাহী গাড়ি পদ্মা পার হতে দেখা যায়। এতে ফেরিতে উপেক্ষিত থাকছে স্বাস্থ্যবিধি।

ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, আসন্ন ঈদ ও সর্বাত্মক বিধিনিষেধের সময় বাড়ানোয় ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রীরা ভেঙে ভেঙে ঘাটে পৌঁছাচ্ছে। এরপর নির্দেশনা উপেক্ষা করে ফেরিতে নদী পার হচ্ছে তারা।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহমেদ জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে বর্তমানে ১০টি ফেরি চালু রয়েছে। যাত্রীবাহী গাড়ি ও যাত্রী পারাপারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে, ঢাকা থেকে সড়কপথে পুলিশের চেকপোস্ট উপেক্ষা করে যাত্রীরা ঘাটে আসছেন। তাদের ফেরিতে ওঠা থামানো যাচ্ছে না। তাই এখন যে যাত্রীরা ঘাটে আসছে, তাদের স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য উৎসাহিত করা করা হচ্ছে।


আরও খবর



করোনায় খুলনা বিভাগে আরও ৪৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়া জেলায়। একই সময়ে বিভাগে করোনায় পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৮৬ জন।

সোমবার (২৬ জুলাই) বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে। এর আগে গতকাল রবিবার বিভাগে ৪৫ জনের মৃত্যু এবং ১ হাজার ২৭৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে সর্বোচ্চ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়া জেলায়। বাকিদের মধ্যে খুলনায় ১১ জন, যশোরে ১১ জন, বাগেরহাট ও মেহেরপুরে তিনজন করে; নড়াইল ও মাগুরায় ২ জন করে এবং ঝিনাইদহে একজন মারা যান।

করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে আজ সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৮৮ হাজার ২৪৮ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ হাজার ২১৭ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬২ হাজার ৫৮২ জন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৯ মার্চ খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায়।



আরও খবর