আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

তাজরীন ট্র্যাজেডি ৯ বছর: দুঃসহ যন্ত্রণায় ভুগছে বেঁচে যাওয়া শ্রমিকরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
Image

সাভার থেকে আসাদুজ্জামান খাইরুল

আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নিকাণ্ডের ৯বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০১২ সালের ২৪শে নভেম্বর সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড কেড়ে নেয় ১১৩জন শ্রমিকের প্রাণ। পঙ্গু হয়ে সংসারের বোঝা হয়েছেন কয়েক'শ শ্রমিক। যারা এখনো ভুলতে পারেন না দুর্বিষহ সেই স্মৃতি।

তাজরীন ফ্যাশন নামের আটতলা পোশাক কারখানাটি ৯ বছর ধরে নিশ্চিন্তপুরবাসীর কাছে বধ্যভূমি হয়ে আছে। আগুনে আটতলা ভবনটির প্রায় সব মালামাল পুড়ে যায়। যার চিহ্ন এখনো রয়েছে ভবনটির গায়ে। মালামালের সঙ্গে পুড়ে যায় সেখানে কর্মরত অধিকাংশ শ্রমিক ও তাদের স্বজনদের স্বপ্ন।

সংসারে সচ্ছলতা আনতে গিয়ে ওই পোশাক কারখানায় যারা কাজ করছিলেন, তারা উল্টো সংসারের বোঝায় পরিণত হয়েছেন। সব হারিয়ে গত ৯ বছরে নিশ্চিন্তপুর ছেড়ে চলে গেছেন প্রায় সব শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। কেউবা সেখানে থেকে আশপাশের পোশাক কারখানায় কাজ নিয়েছেন। কিন্তু অন্য শ্রমিকদের মতো স্বাভাবিক কাজের মানসিকতা আজও ফিরে পাননি তারা। এক অজানা আতঙ্ক এখনো তাদের পিছু তাড়া করছে।

অগ্নিকাণ্ড আহত জরিনা বেগম (২৬) নামের এক শ্রমিক আগুনের হাত থেকে বাঁচতে পাঁচতলা থেকে মাটিতে লাফিয়ে পড়েছিলেন। এখন স্থানীয় অন্য একটি কারখানায় কাজ করছেন। কিন্তু সেই দুর্বিষহ স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি তিনি। জরিনা বেগম বলেন, দগ দগ কইরা আগুন জ্বলছিল। সিঁড়ি দিয়ে নামতে যাইয়্যা দেখি তালা দেওয়া। উপায় না পাইয়া পাঁচতলা থেইকা লাইফা পড়ি। তারপর আর কইতে পারি না। 

জরিনার ক্ষোভ, প্রথমে আগুনের বিষয়টি বুঝতে পেরে শ্রমিকরা বের হতে চাইলে মালিকপক্ষের লোকেরা একে গুজব বলে শ্রমিকদের কাজ করতে বলেন। এমনকি,  শ্রমিকরা যেন বের হতে না পারে, সে জন্য কারখানার সিঁড়ির প্রধান ফঁটকেও তালা ঝুঁলিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। এর ফলেই এত প্রাণহানি ঘটে।

ঘটনার পর বিভিন্ন তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানেও প্রাণহানির জন্য কারখানার মালিকপক্ষকে দায়ী করা হয়। ইনস্যুরেন্সের টাকা আদায়ের জন্য মালিকের নির্দেশে ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ তোলে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন। এ ঘটনায় সে সময় দুটি মামলা হয়। যাতে তাজরীন ফ্যাশনের মালিক দেলোয়ার হোসেন গ্রেপ্তার হন। তবে বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন। মামলা দুটির তদন্ত এবং বিচারে ধীরগতির কারণে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা যাবে কি না, সেই বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ইউনাইটেড ফেডারেশন অব গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স এর সাভার-আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মোঃ ইমন শিকদার বলেন, তাজরীন ফ্যাশনের ট্রাজেডির দীর্ঘ ৯বছর অতিবাহিত হলেও আজও পর্যন্ত মালিক দেলোয়ারের সুষ্ঠ বিচার হয়নি। সে গ্রেফতার হলেও জামিনে বের হয়ে মহাসুখে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। অথচ অনেক হতাহত শ্রমিকরা এখনও মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। বর্তমানে যে সব শ্রমিকরা বিকলাঙ্গভাবে জীবন-যাপন করছে তাদের জন্য তাজরীন ফ্যাশনের পরিত্যক্ত ভবনটিতে বসবাসের সুযোগ করে দিলে তাহলে তারা একটু হলেও মনে প্রশান্তি পাবে বলেও এই শ্রমিক নেতা আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। অন্যদিকে এ বিষয়ে বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অরেবিন্দু বেপারী বিন্দু বলেন, তোবা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান তাজরিন ফ্যাশনের মালিক দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সুপরিকল্পিতভাবে কারখানায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। এঘটনায় ১১৪জন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করেন। এই হত্যাযজ্ঞের কর্মকাণ্ডের মূলহোতা কারখানার মালিক দেলোয়ার হোসেনসহ দোষীদের এখন পর্যন্ত শাস্তি হয়নি। নিহত শ্রমিকের পরিবার ও আহত শ্রমিকরা সম্মানজনক ক্ষতিপূরণ বাবদ টাকা পয়সাও পায়নি। আর্থিক ক্ষতিপূরণ, পূর্ণবাসন ও সুচিকিৎসার অভাবে শ্রমিকরা এখনও মানবেতর জীবন-যাপন করছে। এবিষয়ে সরকারের নজর থাকলেও কোনো প্রকার শ্রমিকদের সহায়তা করছে না। কারখানার মালিক গ্রেপ্তার হয়েছিলো বটে নামমাত্র কিন্তু জামিনে বের হয়ে শরীরে হাওয়া লাগিয়ে ঠিকই ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাই হত্যাকারীদের যথাযথ শাস্তির আওতায় আনাসহ নিহতের পরিবার ও আহতদেরকে পুর্নবাসন এবং আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে জোর দাবী জানাচ্ছি।

২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর তুবা গ্রুপের মালিকানাধীন তাজরীন ফ্যাশনস লিমিটেডে অগ্নিকাণ্ডে সরকারি হিসাবে প্রাণ হারান ১১১জন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরো দুজন। বহু শ্রমিক জীবন বাঁচাতে ভবন থেকে লাফিয়ে পড়েন মাটিতে। তাদের অনেককে বিকলাঙ্গ জীবন যাপন করতে হচ্ছে।


আরও খবর



জ্ঞানবাপী মসজিদে পূজা চলবে: হাইকোর্টের রায়

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের জ্ঞানবাপী মসজিদের চত্বরে পূজা চলবে বলে রায় বহাল রেখেছেন এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আজ সোমবার এলাহাবাদ হাইকোর্ট মুসলিম পক্ষের আবেদন খারিজ করে দেয়। অর্থাৎ জ্ঞানবাপী মসজিদের 'ব্যস জি কা তয়খানাতে' হিন্দুদের পুজোপাঠ জারি থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ভারতের উত্তরপ্রদেশের জ্ঞানবাপী মসজিদের তহখানায় পূজা করার অনুমতি দিয়েছিলেন বারাণসীর জেলা আদালত। পরে এ নির্দেশনা বাতিল চেয়ে মুসলিমদের পক্ষ থেকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। এবার রায়ে পূজার পক্ষেই নির্দেশনা আসলো।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি জ্ঞানবাপী মসজিদের তহখানায় পূজা করার অনুমতি দেন বারাণসী জেলা আদালত। এ অনুমতির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেখানে পূজা ও আরতি করা হয়। পূজার সময় উপস্থিত ছিল প্রশাসনের লোকজনও। জেলা আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি।

হিন্দুত্ববাদী শাসক যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের একদল হিন্দু দাবি করেছে, জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানা চত্বরে অসম্পূর্ণ শিবলিঙ্গের অস্তিত্ব মিলেছে। এ ছাড়া মসজিদটিতে হনুমান, বিষ্ণু, নান্দীর মূর্তিও থাকারও দাবি করছে তারা। তাই তাদের পূজা করতে দিতে হবে। এক পর্যায়ে ঘটনাটি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। বারাণসি ও এলাহাবাদ হাইকোর্টে রায় আসে যে সেখানে পূজা চলবে। বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়ালের সিঙ্গেল বেঞ্চ এদিন এই রায় দেয়।

এই জয়ের পর আইনজীবী বিষ্ণু শংকর জৈন বলেন, 'আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়ার প্রথম আবেদনই খারিজ করে দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। ১৭ এবং ৩১ জানুয়ারি বারাণসী জেলা আদালতের রায় বহাল রাখার কথা জানিয়েছে হাইকোর্ট। অর্থাৎ জ্ঞানবাপী মসজিদের ব্যস জি কা তহখানাতে পূজা চলবে।'

নিউজ ট্যাগ: হাইকোর্ট মসজিদ

আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ফের বুরকিনা ফাসোতে নামাজের সময় মসজিদে হামলা, নিহত বহু মুসল্লি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

সহিংসতায় বিধ্বস্ত পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোর নাতিয়াবোনিতে নামাজ চলাকালীন একটি মসজিদে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বহু মুসল্লি নিহত হয়েছেন। তারা ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে উপস্থিত হয়েছিলেন এবং তখনই হওয়া এই হামলায় প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে।

এর আগে দেশটির একটি ক্যাথলিক গির্জায় হামলার ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গির্জায় হামলা চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার একই দিনে একটি মসজিদে কয়েক ডজন লোককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে বুরকিনা ফাসোর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ভোরে নামাজের সময় বন্দুকধারীরা আফ্রিকার এই দেশটির নাতিয়াবোয়ানি শহরের ওই মসজিদটি ঘিরে ফেলে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেছে, নিহতরা সবাই মুসলিম, তাদের বেশিরভাগই পুরুষ।

বুরকিনা ফাসোর এক তৃতীয়াংশেরও বেশি এলাকা বর্তমানে ইসলামপন্থি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হামলাকারীরা ইসলামপন্থি যোদ্ধা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, তারা একই দিনে স্থানীয়ভাবে অবস্থানরত সৈন্য এবং মিলিশিয়াকেও লক্ষ্যবস্তু করে।

(ফরাসি ভাষায়) স্থানীয় মিডিয়া জানিয়েছে, মোটরবাইকে করে এবং মেশিনগান নিয়ে শত শত জঙ্গি মসজিদটিতে আক্রমণ চালায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় অযাচাইকৃত বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, মসজিদে হামলায় নিহতের সংখ্যা কর্মকর্তাদের দেওয়া সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।

বিবিসি বলছে, বুরকিনা ফাসোর নাতিয়াবোয়ানি শহরটি দেশটির অশান্ত পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলে একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে।

পৃথক প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, বুরকিনা ফাসোর পূর্বাঞ্চলে একটি মসজিদে হামলায় কয়েক ডজন মুসলমান নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় ও নিরাপত্তা সূত্র বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে।

সোমবার একটি নিরাপত্তা সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, রবিবার ভোর ৫টার দিকে সশস্ত্র ব্যক্তিরা নাতিয়াবোনির একটি মসজিদে হামলা চালায়, যার ফলে কয়েক ডজন লোক নিহত হয়।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা টেলিফোনে বলেছেন, নিহতরা সবাই মুসলমান, তাদের বেশিরভাগই পুরুষ, তারা ভোরে নামাজের জন্য মসজিদে এসেছিল।

অন্য একটি স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, সন্ত্রাসীরা খুব ভোরে শহরে প্রবেশ করে। তারা মসজিদটি ঘেরাও করে এবং মুসল্লিদের ওপর গুলি চালায়। এসব মুসল্লি সেখানে দিনের প্রথম নামাজের জন্য জড়ো হয়েছিল। তাদের মধ্যেই একজন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় নেতাসহ বেশ কয়েকজনকে গুলি করা হয়।

ডিফেন্স অব ফাদারল্যান্ড (ভিডিপি) নামে একটি বেসামরিক বাহিনী সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করে থাকে। এই বাহিনীর সৈন্য এবং স্বেচ্ছাসেবকদের ওপরও হামলা করা হয়েছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত, বুরকিনা ফাসোর এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি এলাকা বর্তমানে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে। দেশটির কর্তৃপক্ষ আল-কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেটের সাথে যুক্ত ইসলামপন্থি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এসব গোষ্ঠী সাহেল অঞ্চলের বিশাল অংশ দখল করেছে এবং লাখ লাখ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে।

এছাড়া গত তিন বছরে দেশটির মসজিদ ও গির্জাগুলোকে বারবারই লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং বহু মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।

এই মাসের শুরুতে বুরকিনা ফাসোর সামরিক-সমর্থিত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে বলেছিলেন, প্রয়োজনে পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য রাশিয়ান সেনা মোতায়েন করা হতে পারে।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




লোহিত সাগরে ব্রিটিশ জাহাজে হুতির ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

লোহিত সাগরে যুক্তরাজ্যের একটি জাহাজে আঘাত হেনেছে ইয়েমেনভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির ক্ষেপণাস্ত্র। গোষ্ঠীটির দাবি, এডেন উপসাগর পার হওয়ার সময় জাহাজটিতে হামলা চালানো হয় এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে। আরব নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

গত ৭ অক্টোবর গাজা থেকে ইসরায়েল অভিমুখে হাজার হাজার রকেট ছুড়ে মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিদের সশস্ত্র সংগঠন হামাস। এতে ইসরায়েলে নিহত হয়েছেন এক হাজার ৪০০ জন। এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছে ২৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন অন্তত ৩৫ হাজার। যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক। এই সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য অঞ্চলেও। অভিযান শুরুর পর থেকে একাধিকবার ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরাও। এরপর থেকে নিয়মিত লোহিত সাগরে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠী।

শুক্রবারের (১৬ ফেব্রুয়ারি) হামলা নিয়ে হুতি মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারিয়ি বলেন, ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে।

এর আগে পশ্চিমা দুটি মেরিটাইম সিকিউরিটি এজেন্সি জানিয়েছিল যে, ইয়েমেনের উপকূলে একটি জাহাজের কাছে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া, ব্রিটিশ মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্স এক বিবৃতিতে বলেছে, ইয়েমেনের উপকূলে একটি জাহাজের কাছে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এরপর জাহাজটি পরবর্তী বন্দরের দিকে যাত্রা করে।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




গ্যাসের প্রিপেইড মিটারের আওতায় আসবে গ্রাহকরা : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

এই সরকারের মেয়াদকালের মধ্যেই দেশের সব গ্যাসের গ্রাহকরা প্রিপেইড মিটারের আওতায় চলে আসবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেটে ডাটা সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিলেটের ৫০ হাজার গ্রাহককে ইতিমধ্যে প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি শীঘ্রই আরও দেড় লাখ গ্রাহককে প্রিপেইড মিটারের আওতায় নিয়ে আসতে পারবো। এই পরিকল্পনা দিকেই এগুচ্ছে জালালাবাদ গ্যাস। পর্যায়ক্রমে সিলেট বিভাগের সব গ্রাহক প্রিপেইড মিটারের আওতায় চলে আসবে।

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের তিন দিনের সিলেট সফরে বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধনসহ নানা কর্মসূচি রয়েছে। 


আরও খবর



ভাসানচর যাচ্ছে আরও দুই সহস্রাধিক রোহিঙ্গা

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ক্যাম্প থেকে দুই সহস্রাধিক রোহিঙ্গা ভাসানচরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। তার মধ্যে ভাসানচর থেকে বেড়াতে আসা ৬১৭ জন রয়েছে।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উখিয়ার ডিগ্রী কলেজ মাঠ থেকে নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে তাদেরকে ভাসানচরে পাঠানো হয়। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. ইকবাল।

তিনি বলেন, উখিয়া-টেকনাফের ক্যাম্প থেকে ২৩তম ধাপে ভাসানচরের উদ্দেশে যাওয়া রোহিঙ্গাদের প্রথমে উখিয়া ডিগ্রী কলেজ মাঠে নিয়ে আসা হয়। তার মধ্যে নতুন ছিল ১৫২৭ জন ও ভাসানচর থেকে আত্মীয়-স্বজনের কাছে বেড়াতে আসা ৬১৭ জন। সব মিলিয়ে ২ হাজার ১৪৪ জন রোহিঙ্গাকে নোয়াখালী ভাসানচরের উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে পৌঁছানোর পর চট্টগ্রাম থেকে নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে তাদের ভাসানচর আশ্রয় শিবিরে স্থানান্তর করা হবে।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪