আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

টানা ১৫ দিন ইন্টারনেট না থাকলে বিল দিতে হবে না

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | ৯৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টানা ১৫ দিন ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকলে গ্রাহককে ওই মাসে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে কোনো বিল দিতে হবে না। বৃহস্পতিবার আগের নিয়ম সংশোধন করে নতুন এ নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

এর আগে গত ৫ অক্টোবর বিটিআরসি জানিয়েছিল, টানা ৩ দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে ওই মাসের কোনো মাসিক বিল গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া যাবে না।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, টানা পাঁচ দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মোট বিলের ৫০ ভাগ নিতে পারবে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। আর টানা ১০ দিন ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মোট বিলের ২৫ ভাগ নেওয়া যাবে। আর ১৫ দিন ইন্টারনেট না থাকলে সে মাসে কোনো বিলই নেওয়া যাবে না।

ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিম জানান, আমরা বৃহস্পতিবার বিটিআরসির চিঠি পেয়েছি। আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিটিআরসি এই সিদ্ধান্ত দিয়েছে। এতে করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে এক দেশ এক রেট বাস্তবায়ন আরও সহজ হবে।

এর আগে বিটিআরসি গত পাঁচ অক্টোবর গণমাধ্যমগুলোতে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এক দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মোট বিলের ৫০ ভাগ নিতে পারবে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। দুই দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মোট বিলের ২৫ ভাগ নেওয়া যাবে। আর টানা তিন দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে ওই মাসের কোনো মাসিক বিল গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া যাবে না।



আরও খবর
বিজয়ের মাসেই ফাইভ-জি

বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১




পরিবেশ দূষণের কারণেই হুমকির মুখে সুন্দরবন

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাহাজ ডুবে বা জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সুন্দরবনে দূষণ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে পর্যটকের উপস্থিতি। সুন্দরবনে প্রতিদিন বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা। প্রতি বছর কয়েক লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেন সুন্দরবন। পর্যটকের আনাগোনা যত বাড়ছে ততই বাড়ছে পরিবেশ দূষণ।

পরিবেশ দূষণই এখন সুন্দরবনের জন্য সবচেয়ে বেশি হুমকির কারণ হয়ে উঠছে। বাগেরহাটের শরণখোলা থেকে শুরু করে মোংলা প্রান্ত, সাতক্ষীরা এলাকায় একই পরিস্থিতি। কোথাও পরিবেশ দূষণ আটকানো যাচ্ছে না।

পুরো সুন্দরবন এলাকায় গেলেই চোখে পড়ছে নানা ধরনের মনুষ্য ব্যবহৃত জিনিসপত্র। মানব বসতি থেকে গভীর জঙ্গলের মধ্যে গেলেও দেখা যাচ্ছে নানা ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ। এর মধ্যে  নানা ধরনের প্লাস্টিক, বোতল, জুতা, পলিথিন, খাবার প্যাকেট, বস্তা, দড়ি, জালের টুকরা, কৌটা, ওষুধের খালি প্যাকেটসহ কাপড়ের জিনিসপত্রে সয়লাব হয়ে থাকছে এলাকা।

সম্প্রতি সুন্দরবন ঘুরে দেখা গেছে, মোংলা প্রান্তের করমজল থেকে শুরু করে দক্ষিণে ডিমচর পর্যন্ত সব স্পটেই পরিবেশ দূষণের নানা বর্জ্য পদার্থ।  মোংলা বন্দরে বিভিন্ন কারখানায় ব্যবহৃত জিনিসপত্রও দেখা মেলে এসব স্পটে। এই রুটের স্পটগুলো হচ্ছে করমজল, হারবাড়িয়া, কটকা, কটকা বিচ, জামতলা, ডিমচর। নদীর পাড়ে কিংবা সৈকতে শুধু নয়, গভীর জঙ্গলের মধ্যে ঢুকলেও দেখা মেলে নানা ধরনের ক্ষতিকর বর্জ্য। ডিমচর একেবারে বঙ্গোপসাগর লাগোয়া।

ডিম্বাকৃতির বলে এই চরটির নাম ডিমচর। এখানে নানা ধরনের পাখি, হরিণের অভয়ারণ্য। হাজার হাজার হরিণের পদচারণ ও পাখির কলতানে মুখরিত থাকে। মোংলা থেকে কয়েক শ কিলোমিটার দূরে পুরো চরটি নদী দ্বারা বেষ্টিত। এখানে স্পষ্ট সূর্যোদয় ও সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। এই নির্জন চরের সৈকতে গিয়ে দেখা গেছে, নানা বর্জ্য। এসব বর্জ্যরে মধ্যে প্লাস্টিক বোতল, কাচের বোতল, ওষুধের প্যাকেট, জালের অংশ, প্লাস্টিকে বস্তার সমাহার।

ডিমচরের সঙ্গে কোনো ধরনের সংযোগ নেই অন্য স্পটের। বিশাল জলরাশির মাঝে মনে হয় সমুদ্রের মধ্যে একটি সবুজ ডিম। এর কাছাকাছি স্পটের নাম কচিখালী। কচিখালীর চরে গেলে দেখা মেলে নোনা জলের কুমির। কচিখালীর নির্জন সরু খালের মধ্যে ঢুকলে দুই পাশে জঙ্গলের মধ্যেই চোখে পড়ে হরিণের পদচারণ।

এই খালের পাড়েও দেখা গেছে বিভিন্ন ধরনের মনুষ্য ব্যবহৃত জিনিসপত্র। কচিখালীর আগে কটকা স্পট। কটকা স্পটে রয়েছে মোবাইল টাওয়ার। এখানে সহজে দেখা মেলে বাঘের। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে যে কেউ বাঘ দেখার সৌভাগ্য অর্জন করেন। রয়েছে হরিণের পাল। অন্যান্য স্পটের তুলনায় এখানে সবচেয়ে বড় হরিণের পালের দেখা মেলে। পুরো কটকা স্পটেই দেখা গেছে চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিক দ্রব্য। কোনো ভ্রমণ ক্রুজ বা জাহাজ থেকে এসব ফেলা হয় না বলে জানান ক্রুজের কর্মীরা। বিষয়টি রেঞ্জ কর্মকর্তাও স্বীকার করেন। রেঞ্জ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জেলে, মধু আহরণকারী, গোলপাতা সংগ্রহকারী,  ছন সংগ্রহকারীরা বেশি অসচেতন।


আরও খবর



খালেদার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি না করার অনুরোধ ড. হাছানের

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বেগম জিয়ার বিষয়ে বিএনপির ভূমিকাই রহস্যজনক। আর সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। বাংলাদেশে যাতে বেগম জিয়া সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান সেটা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে অসুস্থ রাজনীতি না করতে বিএনপিকে অনুরোধ জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সভাকক্ষ চট্টগ্রাম জার্নালিস্ট ফোরামের নবনির্বাচিত পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, বেগম জিয়াকে অসুস্থ রেখে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায় বিএনপি। এতে করে বেগম জিয়াকে অসম্মান জানানো হচ্ছে। খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন এটি কে বলেছেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রিজভীসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। কোনো ডাক্তার এখনও বলেনি বেগম খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন। এখন বিএনপির নেতারা চিকিৎসক হয়ে গেছেন। এখন বিএনপি নেতাদের প্রেসক্রিপশনে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে কি না সেটাও ভেবে দেখার বিষয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতেও আমরা দেখেছি, বেগম জিয়া যখন অসুস্থ হয়েছেন তখন তারা দাবি তুলেছে বেগম জিয়াকে বিদেশ পাঠাতে হবে। হাঁটু ও গাঁয়ের তাপমাত্রা বেড়ে গেলেও তাকে বিদেশ পাঠাতে হবে। কিছু হলেই বিদেশ পাঠাতে হবে এই জিকির তোলার কারণ কি? কারণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা বেগম জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে চান। তারা বিশেষত বেগম জিয়াকে পাঠাতে চান লন্ডনে যেখানে তারেক জিয়া আছে।

তিনি বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়েও বেগম জিয়া যাতে সেখান থেকে আবার রাজনীতি করতে পারেন। তারেক রহমানও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়ে সেখান থেকে রাজনীতি করছেন। বেগম জিয়াকে পাঠিয়ে দিয়ে তারা সেই কাজটি করতে চান। আসলে বেগম জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর দাবি, তার স্বাস্থ্যগত কারণে নয়, রাজনৈতিক কারণে এ দাবি উত্থাপন হচ্ছে। ডাক্তাররা এই দাবি করছে না, এ দাবি করছেন বিএনপি নেতারা। তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এ দাবি করছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বেগম জিয়ার যাতে সঠিক চিকিৎসা হয় সেজন্য সরকার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করে দিতে বদ্ধপরিকর। দেশের অভ্যন্তরে যেকোনো ব্যবস্থা নিতে চায় সরকার। দেশের অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছে, তারা কি বলেছেন? তারা কি সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন? দেশের সর্বোচ্চ চিকিৎসক দিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে বেগম জিয়ার আসলে কি হয়েছে সেটা পরীক্ষা করার কথা সেটা তো তারা বলছেন না। তারা বলছেন, বিদেশ পাঠিয়ে দিতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি শুধু নানা কথাবার্তা বলছেন, সভা-সেমিনার করছেন। আর এই সভা-সেমিনার করার একটি প্রতিযোগিতাও দেখা দিয়েছে তাদের মধ্যে। কারণ তাদের আবার পদ রক্ষা করতে হয়। দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হয় বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের। সেজন্য তারা আবার অনশনও করছেন। এটি হচ্ছে বাস্তবতা। আমি বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো, বেগম জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে অসুস্থ রাজনীতি না করার জন্য। বেগম জিয়াকে অসুস্থ রেখে তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়। এতে করে বেগম জিয়াকে অসম্মান জানানো হচ্ছে।

বেগম জিয়ার বিদেশ যাওয়া নিয়ে সরকার রহস্যজনক আচরণ করছে- বিএনপির এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়ার বিষয়ে বিএনপির ভূমিকাই রহস্যজনক। আর সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। বাংলাদেশে যাতে বেগম জিয়া সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান সেটা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। দেশের সব বড় বড় চিকিৎসকদের নিয়ে বেগম জিয়ার চিকিৎসা করাতে চাইলে সেটাও করতে চায় সরকার। কিন্তু বেগম জিয়া অসুস্থ হলে বিদেশ নিতে চায় এটিই আসলে রহস্যজনক।

দিন দিন হাতির মৃত্যু বেড়ে যাচ্ছে এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আসলে দিন দিন যেভাবে হাতির মৃত্যু বেড়ে যাচ্ছে গত কয়েক বছরে ১৩৭টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। এটি সত্যিই উদ্বেগজনক। এর অনেকগুলো কারণ আছে। যেমন- নানা কারণে বনভূমি কমে গেছে, হাতির আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জন্য হাতির আবাসস্থল ধ্বংস হয়েছে। আবাসস্থলগুলোতে মানুষ বসবাস করছে, চাষাবাদ করছে। হাতি যাতে আসতে না পারে সেজন্য ফাঁদ পাতা হচ্ছে। এগুলো সত্যিই উদ্বেগজনক। এক্ষেত্রে খুব দ্রুত আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে। সবাইকে বিনীত অনুরোধ জানাবো পৃথিবী শুধু মানুষের জন্য নয়, মহান স্রষ্টার সব সৃষ্টির বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে।


আরও খবর



২০৩১ সালের বিশ্বকাপ বাংলাদেশে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | ৪৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী দশ বছরের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) ছেলেদের ইভেন্টের সূচি ঘোষণা করেছে। যেখানে ২০৩১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে যৌথ আয়োজক হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশের নাম।

আজ এক বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, ভারতের সঙ্গে মিলে আগামী ২০৩১ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হবে বাংলাদেশ।

বিবৃতিতে আরও জানা যায়, আনুষ্ঠানিকভাবে ৮টি নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিয়েছে আইসিসি। এই ৮টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে ১২টি ভিন্ন ভিন্ন দেশ। সেই সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরেছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিও।

আইসিসির প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পরের বছর পাকিস্তানের মাটিতে বসবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আসর।

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে ভারত-শ্রীলঙ্কা। পরের বছর ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ মিলিতভাবে আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া।

২০২৮ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। পরের বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আসর বসবে ভারতে।

২০৩০ সালে ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড মিলে আয়োজন করবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। পরের বছর বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন করবে।

এর আগে, ২০১১ সালের পর ২০ বছর বিরতি দিয়ে আবারও ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার মর্যাদা পাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০১১ সালে ভারত এবং শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যৌথ আয়োজক ছিল বাংলাদেশ।


আরও খবর
মেসির সামনেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন এমবাপে

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১




রাজধানীতে মাদকসহ গ্রেফতার ৭৫

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৭৫ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

শনিবার সকাল ৬টা থেকে রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত সময়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪৮ হাজার ৯৩৪ পিস ইয়াবা, ৩৮৯ গ্রাম ১৭৫ পুরিয়া হেরোইন, ১২ কেজি ৮৯৪ গ্রাম ৫০ পুরিয়া গাঁজা ও ৪৩ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৫৮টি মামলা হয়েছে।


আরও খবর



দুপুর ১২টায় ‘লালকার্ড’ দেখাবেন শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সড়কে অনিয়মের প্রতিবাদে লালকার্ড দেখানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ (৪ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে রামপুরা ব্রিজ এলাকায় লাল কার্ড প্রদর্শন করা হবে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শুক্রবার রাজধানীর রামপুরার শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাবে বলে জানায় তারা। তারই প্রেক্ষিতে সড়কের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে এ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে।

এর আগে গতকাল শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে রামপুরা ব্রিজে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে মারধরের ঘটনা ঘটে। আন্দোলনের সময় রামপুরা আইডিয়াল স্কুল ও কলেজের এক শিক্ষার্থীকে পুলিশের মারধরের অভিযোগ আনা হয়। এতে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। চালকদের লাইসেন্স না থাকায় গাড়ি থামিয়ে দিলে এমন ঘটনা ঘটে বলে জানায় ওই শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী জানায়, আমার ঘাড়ে চাপ দিয়ে ধরে আমার কানে ডলা দেয়। তারপর আমার কাছ থেকে ওই গাড়ির চাবি নিয়ে নেয়। আমার ব্যাগ চেক করার সময় আমি বললাম স্যার আমার ব্যাগে কিছু নেই। বলে আমারে নাকি রিমান্ড দিবে। তারপর ওই পুলিশ বলেন, ওরে চিপায় রাখো। তবে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য বিষয়টি অস্বীকার করেন।

আন্দোলনকারীরা বলেন, সারাদেশের শিক্ষার্থীকেই হাফ পাস দিতে হবে। এদিকে, এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে সীমিত আকারে আন্দোলন চালিয় যাওয়ার ঘোষণা দেয় শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর