আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

টানা পঞ্চাশ বছর গোসল করেননি, গায়ে পানি ঢালতেই মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ অক্টোবর ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্থানীয়দের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে ময়লা মানুষ হিসাবেই পরিচিত ছিলেন ইরানের বাসিন্দা আমু হাজি। কারণ বছর ৯৪-এর বাসিন্দা আমু, জীবনের প্রায় অর্ধশতাব্দী গোসল না করেই কাটিয়ে দিয়েছিলেন। দীর্ঘ দিন গোসল না করে, গায়ে প্রথম বার পানি ঢালার মাসখানেকের মধ্যেই প্রাণ গেল আমুর।

সূত্রের খবর, অসুস্থ হয়ে পড়ার ভয়ে গোসল করতেন না দক্ষিণ ইরানের দেজগা গ্রামের বাসিন্দা আমু হাজি। এই ভাবে দীর্ঘ দিন সকলের থেকে আলাদা হয়ে থাকতেই অভ্যস্ত ছিলেন তিনি। পরিবারে আর কেউ ছিল না। তাই মাসখানেক আগে গ্রামবাসীরা এক রকম জোর করেই আমুকে গোসল করিয়ে দেন। তার পর থেকেই অসুস্থ বোধ করছিলেন তিনি। গত রবিবার মৃত্যু হয় তাঁর।

রাস্তার ধারে, ধুলো মেখে এক রকম ভবঘুরে হয়েই দিন কাটত তাঁর। পথচলতি মানুষের কাছে চেয়েচিন্তে যা খাবার জুটত, তাই খেতেন। দীর্ঘ দিন ধরে গোসল না করা এই আমুর জীবন নিয়ে ২০১৩ সালে তৈরি হয়েছিল দ্য স্ট্রেঞ্জ লাইফ অফ আমু হাজি শীর্ষক তথ্যচিত্রটি।


আরও খবর
আজ আন্তর্জাতিক কাঁঠাল দিবস

শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪




জামালপুরে যমুনার পানি বিপদসীমার ওপরে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জামালপুর প্রতিনিধি

Image

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জামালপুরে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। নদীতীরবর্তী অঞ্চলের মানুষেরা পানিবন্দী হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) দুপুরে যমুনা নদীর বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, ঝিনাই ও জিঞ্জিরামসহ সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে জেলার ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ ও মাদারগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকেছে। যমুনার পানি দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায় সড়ক ভেঙে ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সঙ্গে উপজেলা শহরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

জামালপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কার্যালয় ও ইসলামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ইসলামপুর উপজেলার ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১২ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও মেলান্দহ উপজেলায় দুই টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ১৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পানি ঢুকেছে। তবে এখন পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। পানি আর একটু বৃদ্ধি পেলে সেগুলো বন্ধ করা হবে।

ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে যমুনার পানি বাড়তে শুরু করে। রাত থেকে বিভিন্ন খাল, বিল ও যমুনার ছোট ছোট শাখা প্লাবিত হয়। এ সময় পানি লোকালয়ে ঢুকতে শুরু করে। পানি বাড়ায় ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলী, কুলকান্দি, বেলগাছা, নোয়ারপাড়া ও সাপধরী ইউনিয়ন; দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চুকাইবাড়ী, বাহাদুরাবাদ ও চিকাজানী ও মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়ক, মাহমুদপুর, নাংলা ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল এবং দুর্গম চরাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। বিভিন্ন গ্রামের ফসলি মাঠ তলিয়ে গেছে। পানি গ্রামের কিছু বাসিন্দার আঙিনায় যেতে শুরু করেছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ার শঙ্কা করছেন তারা।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা সুলতানা বলেন, উপজেলার ১৫ টি প্রাথমিক শিক্ষা বিদ্যালয়ের মাঠে পানি ঢুকেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার যেহেতু বন্ধ তাই এখনো বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। তবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কার্যালয়ের চারপাশে বন্যার পানি চলে এসেছে।

ইসলামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, বন্যার পানি বিদ্যালয়ে ঢুকে পড়ায় ১২ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

জামালপুর জেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অবু তারেক মো. রওনাক আখতার বলেন, বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইসলামপুর উপজেলায় ১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এবং মেলান্দহ উপজেলায় ২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, দেওয়ানগঞ্জের যমুনার বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আরো কয়েকদিন পানি বৃদ্ধির আশংকা রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: জামালপুর

আরও খবর



কয়রায় নির্মাণ হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন গুচ্ছগ্রাম

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
তারিক লিটু, কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

Image

খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ মদিনাবাদ গ্রামে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ৪৯টি দৃষ্টিনন্দন সেমি পাকা ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। সাড়ে ৪ একর জমির উপর পরিকল্পিত ডিজাইনের দৃষ্টিনন্দন গুচ্ছগ্রাম দেখতে হাজির হচ্ছে এলাকার মানুষ।

দৃষ্টিনন্দন এই গুচ্ছগ্রামে প্রতিটি ঘর নির্মাণের জন্য ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা বরাদ্দে দুটি কক্ষ, একটি রান্নাঘর ও একটি বাথরুম আছে। উপজেলায় যে কয়টি গুচ্ছগ্রাম আছে তারমধ্যে মদিনাবাদে নির্মাণধীন গুচ্ছগ্রামটি সব দিক দিয়ে গুনে মানে সেরা। উপজেলা সদরে আশ্রয়ণ প্রকল্পটি নির্মিত হওয়ায় সব ধরণের আধুনিক সুযোগ সুবিধা পাবে গুচ্ছগ্রামের মানুষেরা।

বুধবার (৩ জুলাই) দুপুরে মদিনাবাদ গুচ্ছগ্রামে সরেজমিন গেলে চোখে পড়ে, সারি করে সাজানো রঙিন টিনের ঘর। প্রতিটি ঘরের সাথে রয়েছে উন্নতমানের শৌচাগার ও রান্না ঘর। দুই কক্ষ ঘরে একটি পরিবার সুন্দন ভাবে থাকতে পারবে। লাল ও নীল রংয়ের টিনের ঘর দেখে মনে হবে, যেন পরিপাটি সাজানো একটি গ্রাম। গুচ্ছগ্রাম নির্মাণে সবচেয়ে ভাল মানের ইট ও উন্নতমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। কাগজে সর্বোনিম্ন ০.৩২০ মিমি ঘনত্বের টিন ব্যবহার করার কথা থাকলেও ব্যবহার করা হয়েছে সর্বোচ্চ মানের ০.৩৬০ মিমি ঘনত্বের টিন।

গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের কাজের দায়িক্তে থাকা কামরুল ইসলাম জানান, প্রকল্পের নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে। কোন অনিয়মের সুযোগ নেই। সদরে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ায় প্রকল্পের সভাপতি এক দিন পর পর এসে সব কিছু চেক করে দিক নির্দশনা দিয়ে যান। শুরুকে কিছু ঘরের বেস ঢালাই ভাল না হওয়ায় সেগুলো ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কাজ করছি।

সরকারের এই প্রকল্পে অসহায় ভূমিহীন মানুষের জীবন বদলে যাবে বলে মনে করছেন কয়রা উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভাপতি মাস্টার খায়রুল আলম। তিনি বলেন আমি খোঁজ নিয়েছি গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পটিতে সুন্দর ভাবে কাজ শেষের পথে।নির্মাণ কাজে কোন অভিযোগ নেই। গুচ্ছগ্রামে আশ্রয় পাবে এলাকার ভূমিহীন দিনমজুর, ভিক্ষুক পরিবার। যাদের ঘর করার সামর্থ্য নেই। এমন সুন্দর ঘর পেয়ে হত-দরিদ্র মানুষেরা খুব খুশি হবে। এতে সরকার, ইউএনওর পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিরা প্রশংসিত হবেন।


আরও খবর



ঘাটাইল পৌরসভায় ৫০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরসভায় ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের ৫০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (১ জুন) সকালে পৌরসভার সভাকক্ষে উক্ত বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠিত হয়।

পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রসিদ মিয়ার সভাপতিত্বে বাজেট উপস্থাপন করেন হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. হেলান উদ্দিন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্যানেল মেয়র মো. হেকমত আলী, মো. সোহানুর রহমান (মাজহারুল), পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান, সকল কাউন্সিলরবৃন্দ ও পৌরসভার কর্মকর্তা সহ কর্মচারীরা।

পরে আলোচনা সভা শেষে পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রসিদ মিয়া পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের ৫০ কোটি ৫৫ লাখ ২৬ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করেন।


আরও খবর



ছাগলকাণ্ডের মতিউরের জমির হিসাব চেয়ে দুদকের চিঠি

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিষয়ে এবার নড়েচড়ে বসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (৩০ জুন) মতিউর দম্পতির জমিজমার হিসাব চেয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে চিঠি দিয়েছে দুদক।

জানা গেছে, এই কর্মকর্তা ও তার পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ক্রয়কৃত কোনো জমি আছে কিনা, সেটি জানতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

তবে এরআগে, চারবার মতিউরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পায় দুদক। কিন্তু প্রতিবারই নানা কৌশলে নানা প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে ক্লিন চিট পেয়েছিলেন ছাগলকাণ্ডের মতিউর রহমান।

মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম দুদকে অভিযোগ আসে ২০০৪ সালে। সে সময় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচারের। অভিযোগ আছে, হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করা টাকা প্রবাসী কোনো এক আত্মীয়র মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে তা রেমিট্যান্স বাবদ দেখিয়ে দিয়েছিলেন ট্যাক্স ফাইলে।

২০০৮ সালে আবারও দুদকে অভিযোগ জমা পড়ে তার বিরুদ্ধে। এবার অভিযোগ বিলাসবহুল পণ্যের শুল্ক মাফ করিয়ে দেয়ার মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন। কিন্তু তদন্ত শুরু হতে না হতেই প্রভাবশালীদের চাপে তা চাপা পড়ে যায়, ক্লিন চিট পান মতিউর। এরপর ২০১৩ ও ২০২১ সালে আরও দুবার দুদকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়। অভিযোগ ছিল অবৈধ সম্পদ ও সম্পত্তির। কিন্তু কৌশলী মতিউর অবৈধ সম্পদকে পারিবারিক ব্যবসা ও ঋণ দেখিয়ে প্রস্তুত করেন ট্যাক্স ফাইল। ফলে আবারও ক্লিনচিট।

তবে পঞ্চমবারের মতো তদন্তে নেমে দুদক আগের চারবারের প্রতিটি বিষয়ে পর্যালোচনা করার আশ্বাস দিয়েছে। একইসঙ্গে আশ্বাস দিয়েছে, যে বা যাদের মাধ্যমে বারবার দায়মুক্তি পেয়েছে মতিউর, তা-ও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের।

সম্প্রতি ঈদুল আজহার আগে মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাতের ১৫ লাখ টাকায় ছাগল কেনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এর প্রেক্ষিতেই এনবিআরের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জেলে থাকা আসামিদের বড় অংশ মাদকে আসক্ত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, জেলখানায় থাকা আসামিদের বড় একটি অংশ মাদকে আসক্ত। যারা বিভিন্ন অপকর্ম করে জেল খাটছেন। বিভিন্ন সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান মাদকাসক্ত নিরাময়ে কাজ করছে। আমাদের সন্তানেরা কী করে তা আমাদের অভিভাবকদের খেয়াল রাখা উচিত।

রোববার (১৪ জুলাই) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মাদকাসক্তি সারা বিশ্বে হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের দেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। আমরা মাদক উৎপাদন করি না। কিন্তু ভৌগোলিক কারণে এর প্রভাব আমরা ফেস করে আসছি। মাদকাসক্তি নিয়ে যদি আমরা কাজ না করি তাহলে এর ব্যাপ্তি আরও ছড়াবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেমন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কাজ করছেন। তেমনি মাদকের বিরুদ্ধেও জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। মাদকের থাবা থেকে আসক্তদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে বেশকিছু নিরাময়কেন্দ্রে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। পুনর্বাসনের জন্য জাতীয় গাইডলাইন প্রণয়ন করা হয়েছে। আমরা চাই আসক্তদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে। মাদক সরবরাহ রোধে বিজিবি, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা জোরদার করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাশের যে দেশগুলো থেকে মাদক আসছে, আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। আমাদের অভিযোগের বিরুদ্ধে তারাও কাজ করছে। ভারত আমাদের আশ্বস্ত করেছে। মিয়ানমারকে বহুবার অনুরোধ করা হলেও তারা সেটি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারছে না তাদের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ বিগ্রহের কারণে। আমরা আশা করি, তারাও আমাদের সহায়তা করবে। নিয়মিত বৈঠক চলছে। আমাদের সবাইকে মাদকের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেনজির আহমেদ ও সুরক্ষা সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মশিউর রহমান।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪