আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

টানা তিনদিন পুঁজিবাজারে সূচকের বড় পতন

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১৩ অক্টোবর) পুঁজিবাজারে সূচকের বড় পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এ নিয়ে টানা তিনদিন সূচকের পতন হলো।

তবে, এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন বাড়লেও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কমেছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বুধবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৬৫ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ২৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে শরীয়াহ সূচক ২৪ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৩২ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১৫৬৬ ও ২৭১৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

বুধবার ডিএসইতে এক হাজার ৯৫২ কোটি ৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৮৯ কোটি টাকা বেশি। আগের দিন বাজারটিতে লেনদেন হয়েছিল মোট এক হাজার ৮৬৩ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

এদিন ডিএসইতে মোট ৩৭৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট হাতবদল হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৬টি কোম্পানির, কমেছে ২৪১টি। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের দর।

বুধবার লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ প্রতিষ্ঠান হলো- ফরচুন সু, লাফার্জ-হোলসিম, আইএফআইসি ব্যাংক, অরিয়ন ফার্মা, বেক্সিমকো লিমিটেড, ডেল্টা লাইফ, বিএটিবিসি, জেনেক্স, সোনালী পেপার ও পাওয়ার গ্রিড।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৭৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২১ হাজার ১৮৩ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ৩১৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৮৯টির, কমেছে ২০৩টির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টির কোম্পানির শেয়ার দর।

বুধবার সিএসইতে ৬১ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ৩ কোটি টাকা কম। আগের দিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৬৩ কোটি ৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

 


আরও খবর
নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনায় আরও দুই জন আটক

প্রকাশিত:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | ৬১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আরো দুই জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে ১৪ এপিবিএন সদস্যরা। আটক রোহিঙ্গারা হচ্ছে- জিয়াউর রহমান ও আব্দুস সালাম।

শুক্রবার (০১ অক্টোবর) মধ্যরাতে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের একটি টিম উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। আটক দুই জনকে রাতেই উখিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে এপিবিএন।

ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ১৪ এপিবিএন'র পুলিশ সুপার নাঈমুল হক শনিবার (০২ অক্টোবর) সকালে দুই জন রোহিঙ্গা আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শুক্রবার দুপুর ১২ টারদিকে এপিবিএন'র সদস্যরা মোহাম্মদ সেলিম প্রকাশ লম্বা সেলিমকে আটক করেছিল। পরে তাকে উখিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। এ নিয়ে মুহিব্বুল্লাহ হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত তিন সন্দেহভাজন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে।

রোহিঙ্গা নেতা মুহিব্বুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জেলা পুলিশ ও এপিবিএন এর টহল বাড়ানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন ১৪ এপিবিএন এর অধিনায়ক পুলিশ সুপার নাঈমুল হক।

বৃহস্পতিবার রাতে রোহিঙ্গা নেতা মুহিববুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের ভাই হাবিবুল্লাহ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।


আরও খবর



ব্যাংকার মোরশেদের মামলা আড়াল করতেই মুনিয়ার নাটক?

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১ | ৬০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামের ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুল মোরশেদ চৌধুরীর আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা তদন্ত করছে পিবিআই। গত ৭ এপ্রিল পাঁচলাইশ থানার হিলভিউ আবাসিক এলাকায় নাহার ভিলার একটি ফ্লাটে আত্মহত্যা করেন ব্যাংকার মোরশেদ চৌধুরী। এ ঘটনায় তার স্ত্রী ইশরাত জাহান বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোরশেদের ফুফাতো ভাই জাবেদ ইকবাল চৌধুরী, পারভেজ ইকবাল চৌধুরী সহ ৪ জনকে আসামি করা হয়, ঘটনার নেপথ্যে হুইপপুত্র শারুন চৌধুরী জড়িত মর্মে গণমাধ্যমে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ইশরাত জাহান ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলন করে তার স্বামীর মৃত্যুর জন্য শারুনকে দায়ী করেছেন। এই ঘটনার তদন্ত দেয়া হয়েছে পিবিআইকে। ৭ এপ্রিলের এই ঘটনার তিন সপ্তাহের মধ্যেই ঢাকায় মুনিয়া মৃত্যুবরণ করেন।

অনেকেই মনে করছেন যে, ব্যাংকার মোরশেদ চৌধুরীর মৃত্যু আড়াল করতে চৌধুরীর মৃত্যু আড়াল করতেই মুনিয়ার নাটক সাজানো হয়েছে। মুনিয়ার মৃত্যুর পরই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুনিয়ার কথোপকথনের বিভিন্ন অডিও রেকর্ড প্রকাশিত হয়। এই সমস্ত অডিও রেকর্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ছিল মুনিয়ার সঙ্গে হুইপপুত্র শারুনের আলাপচারিতা এবং তাদের মধ্যে মেসেঞ্জার এবং হোয়াটসঅ্যাপে আলাপ বিনিময়। সেই আলাপ বিনিময় পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, মুনিয়ার সঙ্গে শারুনের একটি সম্পর্ক ছিল। আর এই সম্পর্কের জের ধরেই শেষ পর্যন্ত মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে কিনা সেটি একটি তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে জানা গেছে। কারণ মোরশেদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর যখন তার স্ত্রী ইশরাত জাহান সরাসরি শারুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন তার ক'দিনের মধ্যেই মুনিয়ার মৃত্যু ঘটলো। তার অর্থ কি এই দাঁড়ায় যে মোরশেদ চৌধুরীর আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলাকে অন্যখাতে প্রবাহিত করার জন্যই মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। যেভাবেই মুনিয়া মৃত্যুবরণ করুক না কেন সেই ঘটনার সঙ্গে ব্যাংকার মোরশেদ চৌধুরীর আত্মহত্যার প্ররোচনার ঘটনা জড়িত। কারণ দুটি ঘটনাতেই একজন ব্যক্তির উপস্থিতি পাওয়া যায়, তিনি হলেন হুইপপুত্র শারুন চৌধুরী।

যখন ব্যাংকার মোরশেদ চৌধুরীর আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় এবং এ নিয়ে সকল মহলে সমালোচিত শারুন চৌধুরী তখনই মুনিয়া মারা গেল এবং সেই মারা যাওয়ার ঘটনায় এমন সব ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হলো যারা শারুনের বিভিন্ন রকম অপকর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল। তাই সংশ্লিষ্টরা মনে করেন যে, মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে যে মামলা ঘটেছে সেই তদন্তে মোরশেদের আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলাটি একই সাথে সম্পৃক্ত করা উচিত। তাহলে আসল তথ্য বেরিয়ে যাবে। কারণ, মুনিয়ার মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি লাভবান মোরশেদের অপমৃত্যু মামলার আসামিরা। মুনিয়ার মৃত্যুর ফলে এই ঘটনা আড়ালে চলে গেছে। মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনাটি সামনে এসেছে।

মোরশেদ চৌধুরীর মামলাটি প্রথমে পাঁচলাইশ থানা তদন্ত করলেও পরে এটি মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর হয়। তদন্ত কর্মকর্তা একজনকে গ্রেপ্তারও করেছিলেন কিন্তু এজহারভুক্ত আসামিদেরকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেননি। আর এরপরই যখন মুনিয়ার ঘটনাটি ঘটে তখন মূল আসামিরা আড়ালে চলে গেছে এবং এ মামলা নিয়েও এখন আর কোন কথাবার্তা নেই। অর্থাৎ যে উদ্দেশ্যে মুনিয়ার মৃত্যু ঘটানো হয়েছিল সেই উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। কারণ যখন মোরশেদের স্ত্রী ২৪ এপ্রিল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলন করে শারুন চৌধুরী সহ সকল আসামির গ্রেপ্তার দাবি করলেন ঠিক তার দুদিন পরেই মুনিয়ার মৃত্যু ঘটলো। এটি কি কাকতালীয় নাকি এর পিছনে সুনির্দিষ্ট একটি মহলের কারসাজি ছিল। মুনিয়ার ট্রাম্পকার্ড ব্যবহার করে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে থেকে রেহাই পাওয়ার কোন প্রচেষ্টা ছিল কিনা সেটি তদন্ত করা দরকার। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন যে, মোরশেদ চৌধুরীর আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলা তদন্ত করলেই মুনিয়ার মৃত্যুর আসল রহস্য বেরিয়ে আসতে পারে।


আরও খবর



‘বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারকে রক্ষা করতে না পারা বাঙালি জাতির বড় ব্যর্থতা’

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ | ২৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারকে রক্ষা করতে না পারা বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে শেখ রাসেল দিবস ২০২১ উপলেক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি বলেন, "শেখ রাসেলকে হত্যার মাধ্যমে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবিকে হত্যা করতে চেয়েছিল, বঙ্গবন্ধুর ধারাবাহিকতাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। জাতির পিতার পরিবারকে রক্ষা করতে না পারা জাতি হিসেবে আমাদের বড় ব্যর্থতা। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে জাতির ইতিহাসের এ গ্লানিকে আরো জঘন্যতম অধ্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যে কারণে শেখ রাসেলের জন্মদিনে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পরিবর্তে আমাদের হৃদয় থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে"।

মন্ত্রী আরো বলেন, "শেখ রাসেল ছিলেন বঙ্গবন্ধুর রক্ত ও আদর্শের উত্তরসূরি। জন্মের পরই তার ধমনীতে রাজনীতি সূচিত হয়েছিল। অসাধারণ, অকল্পনীয় ব্যক্তিত্বের বিকাশ তার মধ্যে হয়েছিল। শিশু রাসেলকে পর্যবেক্ষণ করে অনুধাবন করা যায়, তিনি বেঁচে থাকলে আজ জাতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসুরি হতেন। কিন্তু আমরা সে সুযোগ নিতে পারিনি। এটা বাঙালি জাতির দুর্ভাগ্য"।

শ ম রেজাউল করিম যোগ করেন, "শেখ রাসেলের মতো নিষ্পাপ শিশুকে যারা নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে, সে মানুষগুলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না, তারা বাংলাদেশে বিশ্বাস করেনা, বঙ্গবন্ধুতে বিশ্বাস করে না, তারা হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান-এর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশে বিশ্বাস করে না। এই মানুষগুলো বাংলাদেশ থেকে নিঃশেষ হয়ে যায়নি। তাদের উত্তর প্রজন্ম এখনো বাংলাদেশে রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে এখনো তারা ধ্বংস করতে চায়"।

"শেখ রাসেলের জন্মদিনের মনে রাখতে হবে, আমাদের শিশুরা যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত নির্যাতনের শিকার না হয়, নির্দয় আচরণের শিকার না হয়। আগামী দিনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য শিশুদের মেধা ও চিন্তা-চেতনায় আদর্শ ও সততার বিকাশ ঘটাতে হবে। এভাবে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে পারলে তাদের ভেতরে শিশু শেখ রাসেলকে আমরা খুঁজে পাবো"-যোগ করেন মন্ত্রী।

তিনি আরো বলেন, "শিশু শেখ রাসেলকে যারা হত্যা করেছে, জাতির জনককে যারা হত্যা করেছে, তারা একটি অপশক্তি, তারা একটি প্রতিক্রিয়াশীল চক্র। তাদের হাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা জন্য আমরা বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরসূরি শেখ হাসিনাকে পেয়েছি। তাঁর মধ্যে আমরা বঙ্গবন্ধুকে খুঁজে নিতে চাই, শেখ রাসেলকে খুঁজে নিতে চাই। তাঁর মধ্যে ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ খুঁজে নিতে চাই। তাঁর মধ্যে খুঁজে নিতে চাই হাজার বছরের সম্প্রীতির বাংলাদেশ"।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল এবং মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন ওয়াসিম মকসুদ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার। মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে মন্ত্রী মন্ত্রণালয় এবং আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে মৎস্য অধিদপ্তরে স্থাপিত শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন।


আরও খবর



সংঘাতের উত্তেজনায় চীন-তাইওয়ান

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ৪০ বছরের মধ্যে চীনের সাথে তাইওয়ানের সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী চিউ কুয়ো-চেং। এই উত্তেজনা থেকে দুপক্ষের মধ্যে দুর্ঘটনাক্রমে যেকোনও সময় লড়াই শুরু হয়ে যেতে পারে বলেও সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।

চলতি অক্টোবরের প্রথম চারদিনই চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) তাইওয়ানের আকাশসীমায় প্রায় ১৫০টি যুদ্ধবিমারে অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে। চীনের গণমাধ্যমের খবরে যুদ্ধবিমানের এই অনুপ্রবেশকে শক্তিপ্রদর্শন বলে মন্তব্য করা হয়েছে। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার চীনের এ ধরনের কার্যক্রমকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং আগ্রাসন হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে।

মঙ্গলবার মার্কিন ফরেইন অ্যাফেয়ার্স সাময়িকীতে লেখা নিবন্ধে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন তাইওয়ানের পতন হলে তা এশীয় অঞ্চলে ‌বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনবে বলেও হুঁশিয়ার করে দেন। তিনি বলেন, যদি তাইওয়ানের গণতন্ত্র এবং জনগণের জীবন হুমকির মুখোমুখি হয়; তাহলে নিজেদের রক্ষায় প্রয়োজনীয় সবকিছুই করবে তাইওয়ান।

তাইওয়ানকে নিজেদের একটি প্রদেশ হিসেবে মনে করে চীন এবং প্রয়োজনে বলপ্রয়োগ করে তা দখলে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে দেশটি। সাই ইং-ওয়েন নেতৃত্বাধীন সরকারকে চীন বিচ্ছিন্নতাবাদী মনে করে। ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্ট সরকার চীনের শাসন ক্ষমতা দখল করার পর তাইওয়ান মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

চীনা জঙ্গি বিমান তাইওয়ানের আকাশ সীমা অতিক্রম না করলেও চলমান উত্তেজনার জেরে ‌ভুলক্রমে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী চিউ কুয়ো-চেং বলেছেন, ২০২৫ সালের মধ্যে তাইওয়ানে সর্বাত্মক হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করতে পারে চীন। তাইপের সংসদীয় এক কমিটিতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধজাহাজ কেনার জন্য শত শত কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা বিল নিয়ে যখন আলোচনা চলছে তখন চিউ এই মন্তব্য করেছেন।

নিউজ ট্যাগ: চীন-তাইওয়ান

আরও খবর



‘বিএনপি ইউপি নির্বাচনে লুকিয়ে অংশ নিচ্ছে’

প্রকাশিত:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | ৪৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি জানে নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতার হাতবদলের অন্য কোনো বিকল্প নেই। তাই তারা মুখে যত কথাই বলুক, নির্বাচনে তারা আসবে। ইউপি নির্বাচনেও বিএনপি পরিচয় লুকিয়ে অংশ নিচ্ছে। এটা তাদের বর্ণচোরা রাজনীতি। আজ রোববার নিজের সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

গণতন্ত্রকে নিরুদ্দেশ করা হয়েছে- বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের এ ধরনের অভিযোগ উদোরপিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর মতো। বিএনপিই গণতন্ত্রের এগিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। তারাই গণতন্ত্রের পথে না হেঁটে অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় যেতে পথ খুঁজছে।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা প্রকাশ্যে যা বলে তা করে না। আর যা গোপনে করে, তা প্রকাশ্যে বলে না। তাইতো জনগণ বিএনপির দ্বিচারিতা বুঝতে পেরে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।


আরও খবর