আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ১৭ কিলোমিটার যানজট

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের পৌলি থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (১৯ জুলাই) সকালে ওই এলাকায় গিয়ে এই দৃশ্য দেখা যায়। ঈদে ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় গেলো কয়েকদিন ধরে মহাসড়কটিতে যানজট লেগেই আছে।

জানা গেছে, ঢাকা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত যানবাহন চার লেনে চলাচল করলেও এলেঙ্গা থেকে সেতু পূর্ব পর্যন্ত দুই লেনে যাচ্ছে। এছাড়াও সেতুর পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জ অংশে চার লেনের কাজ চলমান ও সড়কে খানাখন্দ থাকায় এর প্রভাব টাঙ্গাইল অংশে এসে পড়ছে। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। এতে করে যাত্রী ও চালকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত জানান, গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় মহাসড়কের পৌলি থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পর্যন্ত যানবাহনের ধীরগতি রয়েছে। তবে মাঝে মধ্যেই যানজট তৈরি হচ্ছে।


আরও খবর
কপালের বলিরেখা দূর করার উপায়!

শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

অভিযানেও স্বস্তি ফেরেনি চালের বাজারে

শুক্রবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৪




ঠাকুরগাঁওয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৪ মে) রাত ১০টার দিকে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের বর্মতোল গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে।

মৃত দুই ভাই তমিজ উদ্দিন (৫০) ও রবিউল ইসলাম (৪৫)। তারা ওই গ্রামের দবিজ উদ্দিনের ছেলে।

পরিবারের স্বজনরা জানান, রাতে নিজ বাড়িতে তমিজ উদ্দিন বৈদ্যুতিক ফ্যান মেরামত করছিলেন। এসময় সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে ছোট ভাই রবিউল ইসলামও বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায়। এদিকে আপন দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত তমিজ উদ্দিন ও রবিউল ইসলামের সাত সন্তান রেখে গেছেন। এমন অবস্থায় দুঃশ্চিন্তায় মৃতের স্বজনরা।

এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবির বলেন, বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে আপন দুই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তাই সকলকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।


আরও খবর



জাতিসংঘের কালো তালিকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের গাজায় শিশুদের ওপর হামলার কারণে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। গাজায় ইহুদিবাদী সেনাদের হামলায় হাজার হাজার শিশু নিহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নিল বিশ্ব সংস্থাটি।

কালো তালিকায় ইসরায়েলের অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত গিলাদ আরদান। তিনি সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম এক্সে বলেছেন, তিনি প্রজ্ঞাপন পেয়েছেন এবং এই পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ।

তিনি বলেন, এটি একটি লজ্জাজনক সিদ্ধান্ত। আমাদের সেনাবাহিনী হল বিশ্বের সবচেয়ে নৈতিকতাসম্পন্ন বাহিনী। মাত্র এক ব্যক্তি আমাদের বাহিনীকে কালো তালিকাভুক্ত করেছেন। তিনি হলেন জাতিসংঘের মহাসচিব। তিনি সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করছেন। তিনি ইসরায়েলের প্রতি ঘৃণায় পরিচালিত।”

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলে জাতিসংঘের বার্ষিক চিল্ড্রেন ইন আর্মড কনফ্লিক্ট’ প্রতিবেদনে ইসরায়েলের তালিকাভুক্তির বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, বিষয়টি যাতে ফাঁস না হয়, সেজন্য এমনটা করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি আগামী ১৪ জুন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপন করা হবে।

ডুজারিক বলেন, ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতকে ফোন কলটি দুঃখজনক এবং অগ্রহণযোগ্য। স্পষ্টভাবেই বলা যায়, এ ধরনের কিছু আমি আমার ২৪ বছরে এই সংগঠনের সাথে দায়িত্ব পালনকালে দেখিনি।”

সশস্ত্র সংঘাতে শিশুবিষয়ক জাতিসংঘের বার্ষিক প্রতিবেদনটিতে শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় পক্ষগুলোর সম্পৃক্ততার’ তালিকা দেওয়া হয়। এতে হত্যা এবং আহত করার প্রমাণ এবং যৌন সহিংসতার তথ্য থাকে।

এই তালিকায় রাশিয়া, গণপ্রজাতান্ত্রিক কঙ্গো, সিরিয়া ও সোমালিয়ার নাম রয়েছে। এছাড়া ইসলামিক স্টেট (আইএস), আল-শাবাব, তালেবান, আল-কায়েদার মতো সংগঠনও আছে।

গাজার সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় উপত্যকায় ১৫,৫৭১ এর বেশি শিশু নিহত হয়েছে।

ইউনিসেফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার প্রতি ১০ ফিলিস্তিনি শিশুর ৯জনই ভয়াবহ খাদ্য সঙ্কটে’ রয়েছে। ক্ষুধা, পিপাসা এবং মারাত্মক অপুষ্টির কারণে অনেক ফিলিস্তিনি শিশু মারা গেছে।

বিশ্ব খাদ্য সংস্থা হু গত সপ্তাহে জানিয়েছে, গাজার প্রতি ৫ শিশুর ৪জনই প্রতি তিন দিনে অন্তত একদিন পুরো দিন না খেয়ে থাকে।’


আরও খবর



আগামী ৭ জুন শেষ কর্মদিবস

গেটস ফাউন্ডেশনে আর থাকছেন না মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গেটস ফাউন্ডেশনের থেকে বিদায় নিচ্ছেন মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস। দাতব্য সংস্থাটির কোচেয়ারের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে তিনি। এক প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

বিশ্বের একসময়ের শীর্ষ ধনী বিল গেটসের সাবেক স্ত্রী মেলিন্ডা সোমবার তার এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করা এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন সোমবার এক্সে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, এটা এমন কোনো সিদ্ধান্ত নয়, যেটা আমি হালকাভাবে নিয়েছি।

ফ্রেঞ্চ গেটস বলেছেন, আগামী ৭ জুন বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনে শেষ কর্মদিবস কাটাবেন মেলিন্ডা। তারপর থেকে ঐ সংস্থার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা থাকবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

মেলিন্ডা বলেছেন, তার স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ চুক্তি অনুসারে, তিনি অতিরিক্ত ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার পাবেন। এই অর্থ তিনি নারী এবং চাহিদা সম্পন্ন পরিবারের জন্য কাজ চালিয়ে যেতে ব্যবহার করবেন।

তবে এ ব্যাপারে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

এদিকে বিল গেটস এক্স হ্যান্ডলে এক পোস্টে বলেছেন, মেলিন্ডার চলে যাওয়া দেখে আমি দুঃখিত। কিন্তু আমি নিশ্চিত যে সে তার ভবিষ্যতের জনহিতকর কাজে বিশাল প্রভাব ফেলবে।

মেলিন্ডা গেটস ২০০০ সালে তার তৎকালীন স্বামী বিশ্বের অতি ধনী বিল গেটসকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন গঠন করেছিলেন। বিয়ের ২৭ বছর পর ২০২১ সালে বিল-মেলিন্ডা জুটি তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের ঘোষণা দেয়। তবে তারা যৌথ জনল্যাণমূলক কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন। এ ফাউন্ডেশন থেকে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ধরনের দাতব্য কার্যক্রম পরিচালনা ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়ে থাকে।


আরও খবর



বাজেট ২০২৪-২৫: রাজস্ব আদায়ে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

কয়েক বছর ধরেই কমেছে অর্থের যোগান। তাই ব্যহত হচ্ছে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম। পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়াও ঋণ পরিশোধসহ নানামুখী চাপে সরকার। টানাপোড়েনের এই সময়ে অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধি করা ছাড়া বিকল্প নেই। তাই বাজেটে আবারও উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা করছে সরকার। নতুন বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ কোটি টাকা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঘাড়েই চাপছে সিংহভাগ দায়িত্ব।

এদিকে, সার্বিক অর্থনৈতিক মন্দায় কমেছে উৎপাদন। স্বাভাবিকভাবেই কমেছে অভ্যন্তরীণ আয়। তাই চলতি অর্থবছরের বাজেটেও ধরা হয় বড় রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য। তবে, দশ মাসের হিসাব বলছে, ঘাটতি ২৬ হাজার কোটি টাকা। অর্থবছরের বাকি দুই মাসেও ঘাটতির পরিমাণ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ অবস্থায় আগামী বাজেটে কর আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে দরকার ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি। প্রশ্ন হচ্ছে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে করণীয় কী?

এনবিআর এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রশাসনকে যদি সমৃদ্ধ করা যায়, তাহলে আইন, নিয়ম-নীতি প্রয়োগের ক্ষেত্রে তা জোরদার করা যায়। কর আদায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি হয়। সেক্ষেত্রে কর রাজস্ব জিডিপির ২-৩ শতাংশ বাড়ানো যায়। কর ফাঁকি হচ্ছে কি না তা দেখা দরকার।

নতুন বাজেটে কর বিন্যাস করবে সরকার। বিপুল সংখ্যাক পণ্যে বসবে শুল্ক। এমপিদের গাড়ী আমদানিতে শুল্কারোপের চিন্তা আছে। একই সঙ্গে আবগারি শুল্কেও আসছে পরিবর্তন। মূলত রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করাই উদ্দেশ্য।

অর্থনীতি বিশ্লেষক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, খালি লক্ষ্য দিলে হবে না। লক্ষ্যের সাথে কেন-কীভাবে বাড়বে, কোন কোন জায়গায় হস্তক্ষেপ করা হবে, অটোমেশনটা কীভাবে হবে। আমরা সবসময় বলি, রাজস্ব বিভাগ এবং কর প্রশাসন ও কর নীতি আলাদা করতে হবে। এটা দরকার আছে। কিন্তু এনবিআর এটি জীবনেও করবে না। সরকার থেকে তাদের চাপ দিতে হবে।

সরকারও মনে করে অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধি ছাড়া বিকল্প নেই। কারণ, ঋণ করলে বাড়ছে দায়, অন্যদিকে কাঙ্খিত মাত্রায় পাওয়া যাচ্ছে না সহায়তাও।

অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান বলেন, ৮ শতাংশের কম কর-জিডিপি নিয়ে একটা দেশের অর্থনীতি কি এগিয়ে যেতে পারে? যতটা কর আদায় হয়, তার প্রায় সমপরিমাণ ছাড় আছে কিন্তু, মানে লাখ-কোটি টাকার উপরে। আমরা যদি ছাড় দিতে থাকি তাহলে আমাদের রাজস্ব আয়-জিডিপি বৃদ্ধি কঠিন হয়ে পড়বে।

বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, স্বস্তির জন্য একক নির্ভরতা বাদ দিয়ে করজাল বৃদ্ধি, রাজস্ব আদায়ের নামে হয়রানি বন্ধ এবং কর ফাঁকির প্রবণতা কমানোর বিকল্প নেই।


আরও খবর



সাতক্ষীরায় ট্রাক উল্টে ২ শ্রমিক নিহত, আহত ১১

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

Image

সাতক্ষীরার তালায় ট্রাক উলটে ২ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১১ জন। শনিবার (১৮ মে) সকাল ৬টার দিকে খুলনা-পাইকগাছা সড়কের হরিশচন্দ্রকাটী সরদারবাড়ী বটতলা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে।

নিহতরা হলেন, কয়রা উপজেলার বামিয়া ইউনিয়নের বগা গ্রামের তালেব গাজীর ছেলে সাইদুল গাজী (৩৮) ও মহারাজপুর ইউনিয়নের মাদারবাড়িয়া গ্রামের তোফাজ্জেল সরদারের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৩০)।

কয়রা এলাকার শ্রমিক জাহিদুল ইসলাম জানান, কয়রা থেকে ১৩ জন শ্রমিক গোপালগঞ্জ এলাকায় ধান কাটতে গিয়েছিল। মজুরি হিসাবে তারা ২০ থেকে ৩০ মণ ধান পায়। ধান নিয়ে ট্রাকে করে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় সাইদুর ও মনি নিহত হয়।

স্থানীয়রা জানান, সড়কের দুই ধারের রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য খুঁড়ে রাখার কারণে মূলত এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

তালা থানার ওসি মো. মমিরুল ইসলাম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুইজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে এবং ট্রাকটি আটক করা হয়েছে।


আরও খবর