আজঃ রবিবার ১৬ জুন ২০২৪
শিরোনাম

তানজিম সাকিবের জোড়া আঘাত, দারুণ শুরু বাংলাদেশের

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

প্রথম বল দেখে খেলেছিলেন কুইন্টন ডি কক। দ্বিতীয় বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে বসলেন তিনি। পরের বলে বাউন্ডারি। এরপর সিঙ্গেল। স্ট্রাইকে গেলেন অপর ওপেনার রিজা হেন্ডরিকস। মারমুখী ব্যাটার হিসেবে পরিচিত। কিন্তু তানজিম সাকিবকে খেলতে সমস্য হলো তার। ওভারের শেষ বলে হলেন পরাস্ত। এলবিডব্লিউ হয়ে গেলেন প্রোটিয়া ওপেনার রিজা হেন্ডরিকস।

প্রথম ওভারেই বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু উপহার দিলেন তরুণ পেসার তানজিম হাসান সাকিব। ১১ রান হজম করলেও ১টি উইকেটের পতন তো ঘটাতে পেরেছেন তিনি।

নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় ওভারে বল করতে এসে যেন আরও বেশি বিধ্বংসী তানজিম সাকিব। এবার ওভারের তৃতীয় বলে সরাসরি বোল্ড করে দেন কুইন্টন ডি কককে। ১১ বলে ১৮ রান করে আউট হন ডি কক। মাঝের ওভারে অবশ্য তাসকিন আহমেদকেও ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন কুইন্টন ডি কক। এ রিপোর্ট লেখার সময় দক্ষিণ আফ্রিকার রান ৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৯। ১৮ রান করেন ডি কক। এইডেন মারক্রাম ৩ বল খেলে রান করতে পারেননি। ট্রিস্টান স্টাবসও ৩ বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি।

এর আগে নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন প্রোটিয়া অধিনায়ক এইডেন মারক্রাম।

বাংলাদেশ একাদশ

তানজিদ হাসান তামিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয়, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলি অনিক, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, তাসকিন আহমেদ এবং মোস্তাফিজুর রহমান।

দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ

কুইন্টন ডি কক (উইকেটরক্ষক), রিজা হেন্ডরিকস, এইডেন মারক্রাম (অধিনায়ক), হেনরিক ক্লাসেন, ডেভিড মিলার, ট্রিস্টান স্টাবস, মার্কো ইয়ানসেন, কেশভ মাহারাজ, কাগিসো রাবাদা, অ্যানরিখ নরকিয়া, ওটনিয়েল বার্টম্যান।

নিউজ ট্যাগ: তানজিম সাকিব

আরও খবর



সাংবাদিকের কার্ড ঝুলিয়ে ভোটকেন্দ্রে ছাত্রলীগ নেতা

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাংবাদিকের কার্ড বুকে ঝুলিয়ে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের কক্ষে ঘুরে বেড়াচ্ছেন উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আবদুল জলিল। বুধবার (৫ জুন) নাঙ্গলকোটের মৌকরা ইউনিয়নের চাঁনগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ওই ছাত্রলীগ নেতাকে দেখা গেছে।

আবদুল জলিল নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। বুকে লাগানো সেই কার্ডে লেখা রয়েছে, নাম - মো. আবদুল জলিল। পত্রিকার নাম- দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র।

সাংবাদিক কার্ড লাগিয়ে কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ করেছেন দোয়াত-কলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমুল হাসান ভূঁইয়া বাছির। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রলীগ নেতা আবদুল জলিল সাংবাদিক কার্ড লাগিয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরছেন। তিনি আনারস প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে প্রভাব বিস্তার করছেন। প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।

একই অভিযোগ করেন পালকী প্রতীকের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী বাপ্পা সোহাগ। তিনি বলেন, এ ছাত্রলীগ নেতা কেন্দ্রে অবস্থান করে আমার ভোটে বাধা দিচ্ছেন। তিনি কখনো সাংবাদিক ছিলেন না। নির্বাচন উপলক্ষে সাংবাদিক কার্ড নিয়ে আধিপত্য বিস্তার করছেন।

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগের নাঙ্গলকোট উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলকে ফোন দিলে তিনি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দেন। তিনি সাংবাদিক কি না এমন প্রশ্নের পর নেটওয়ার্ক সমস্যা বলে ফোন কেটে দেন।

কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, সে ছাত্রলীগ নেতা কি না সেটা জানি না। সে কোনো একটি পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দেখিয়ে আবেদন করায় আমরা কার্ড ইস্যু করেছি।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান গণমাধ্যমকে বলেন, এমন খবর পাইনি। দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেটকে বলেছি তাকে পেলে যেন ধরে ফেলে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি।


আরও খবর



চট্টগ্রামে রেমালের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

চট্টগ্রামে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে বৃষ্টিপাতে নগরের অধিকাংশ এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে দুর্ভোগ পড়েছে নগরবাসী। টানা বৃষ্টির ফলে হাঁটু থেকে বুক পরিমাণ পানিতে তলিয়ে গেছে বেশিরভাগ এলাকা। এতে গণপরিবহনের সংখ্যা কমেছে। ফলে রিকশায় অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে যাত্রীদের। ভারী বৃষ্টির সাথে ঝড়ো হাওয়ার কারণে নগরের অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।

চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক প্রকল্পে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ব্যয় হয়েছে আট হাজার কোটি টাকা। বিশাল টাকা ব্যয় হলেও সামান্য বৃষ্টিতে ডুবে যাচ্ছে চট্টগ্রাম নগরীর সকল এলাকা।

সোমবার (২৭ মে) দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, অতি বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় নগরের কাপাসগোলা, বহদ্দারহাট, বাদুরতলা, চকবাজার, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, দুই নম্বর গেইট, ওয়াসার মোড়, তিন পোলের মাথা, মেহেদীবাগ সিডিএ কলোনি, আগ্রাবাদ, পতেঙ্গা, হালিশহর শুলকবহর এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। উপকূলীয় এলাকা পতেঙ্গার আকমল আলী রোড সংলগ্ন জেলেপাড়া জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে।

নগরের প্রধান সড়কগুলো হাঁটু থেকে কোমর পানি, অনেক স্থানে ‍বুক সমান পানিতে ডুবে গেছে। সড়কের অনেক দোকানপাট পানিতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধ ব্যবসা। নগরের ব্যস্ততম পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জ ডুবে গেছে পানিতে। এতে জিনিসপত্রের দাম বাড়ার শঙ্কা বাড়ছে নগরবাসীর।

সুমন নামের এক যাত্রী বলেন, জলাবদ্ধতার থাকায় গাড়িতে বেড়েছে তিনগুণের বেশি। গাড়ি কম থাকায় গন্তব্য পৌঁছাতে রিকশা হচ্ছে একমাত্র ভরসা, কিন্তু বাধ্য হয়ে তিনগুণ ভাড়া দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।'

রাস্তায় চলাচলকারী নগরবাসী ক্ষোভ ছেড়েছেন দুই সেবা সংস্থা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) প্রতি। সামান্য বৃষ্টির পানিতেই রাস্তাঘাট ডুবে যায়। এত টাকা খরচের কোনো সুফল জনগণ পাচ্ছে না।

বাকলিয়ার এলাকার বাসিন্দা এডভোকেট জয়শ্রী নন্দী বলেন, আমি সকালে কোর্টে যাওয়ার উদ্দেশ্য রাস্তায় বের হয়ে দেখি, পুরো রাস্তা পানি ডুবে গেছে, কিন্তু কাজের তাগিদে আমাকে বের হতে হচ্ছে। তাই সকালে কোমর পানিতে অফিসে যেতে হয়েছে। সারা বছর দেখি খালে কাজ চলছে। কিন্তু এই কাজের কোনো সুফল পেলাম না।

তবে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, রোববার রাত ৮টার দিকে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত করে ঘূর্ণিঝড় রিমাল। এরপর বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে। রিমালের প্রভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। আগামীকাল মঙ্গলবারও ভারী বৃষ্টিপাত হবার আভাস দিয়েছেন। ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে নগরজুড়ে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২০৫ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

সোমবার জেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক ও সমপর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এছাড়া চসিক পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রাকৃতিক সম্পদের ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৪’ পালন করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও অদূরদর্শী কর্মকাণ্ডের বিরূপ প্রভাবে সৃষ্ট পরিবেশ ও প্রতিবেশগত অবক্ষয় রোধ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ দিবসটির পালন তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

তিনি বলেন, পৃথিবীতে এখন আটশ কোটিরও বেশি মানুষ বসবাস করছে। সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে এ বিশাল জনগোষ্ঠীর ক্রমবর্ধমান চাহিদার যোগান দিতে গিয়ে দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে ভূমির ব্যবহার। ভূমি সম্পদের অপরিমিত ও অপরিণামদর্শী ব্যবহারে বিশ্বজুড়ে ভূমির অবক্ষয় তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে ইউনাইটেড নেশন্স কনভেনশন টু ডিজার্টিফিকেন্স (ইউএনসিসিডি) বিশ্বব্যাপী টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ২০৩০ সালের মধ্যে ল্যান্ড ডিগ্রিডেশন নিউট্রালিটি (এলডিএন) অর্জনের রূপরেখা প্রদান করেছে।

তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত ভূমি অবক্ষয় নিরপেক্ষতা বা এলডিএন অর্জন করা সম্ভব না হলে ২০৪৫ সালের মধ্যে পৃথিবীব্যাপী ১৩৫ মিলিয়ন মানুষ খরার কারণে উদ্বাস্তু হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপরদিকে, জলবায়ু পরিবর্তন ও এর অভিঘাত আমাদের জন্য চরম বাস্তবতা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বব্যাপী মরুময়তা ও খরার প্রবণতা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হচ্ছে, যার কারণে টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। কাজেই, বিশ্ব পরিবেশ দিবসের এবছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে করবো ভূমি পুনরুদ্ধার, রুখবো মরুময়তা, অর্জন করতে হবে মোদের খরা সহনশীলতা।’ যা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক এবং সময়োপযোগী হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বময় ভূমির অবক্ষয় রোধ, মরুকরণ ও খরার প্রভাব প্রশমনের লক্ষ্যে সরকার জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ইউএনসিসিডিতে বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে এ সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন রিপোর্ট দাখিল করে যাচ্ছে। জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল অ্যাকশন প্রোগ্রাম (ন্যাপ) টু কমব্যাট ডির্জাটিফিকেশন, ল্যান্ড ডিগ্রেডিটিশন অ্যান্ড ড্রট ২০১৫-২০২৪ প্রণয়ন করা হয়েছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রতিবেশের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা ও জনসম্পৃক্ততা আরো বৃদ্ধি পাবে বলেও দৃঢ় আশাবাদ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।


আরও খবর



২৯ জুন থেকে দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আগামী ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। বুধবার (৫ জুন) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা-২০২৪ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

সভা শেষে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে তিনি কোচিং সেন্টার বন্ধের কথা জানান।

২০২৪ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৩০ জুন শুরু হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে শেষ করতে হবে।

রুটিন অনুযায়ী, অধিকাংশ বিষয়ের পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তবে কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ জুন প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা হবে।

২ জুলাই বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ৪ জুলাই ইংরেজি প্রথমপত্র, ৭ জুলাই ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র, ৯ জুলাই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আবশ্যিক), ১১ জুলাই পদার্থ বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়); হিসাব বিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা প্রথমপত্র, ১৪ জুলাই পদার্থ বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়); হিসাব বিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র, ১৬ জুলাই সকালে ভূগোল (তত্ত্বীয়) প্রথমপত্র; বিকেলে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত (তত্ত্বীয়); আরবি; পালি প্রথমপত্র, ১৮ জুলাই সকালে ভূগোল (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয়পত্র; বিকেলে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত (তত্ত্বীয়); আরবি; পালি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

২১ জুলাই রসায়ন (তত্ত্বীয়); ইসলামের ইতিহাস ও সস্কৃতি; ইতিহাস; গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন; উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন প্রথমপত্র, ২৩ জুলাই রসায়ন (তত্ত্বীয়); ইসলামের ইতিহাস ও সস্কৃতি; ইতিহাস; গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন; উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন দ্বিতীয়পত্র, ২৫ জুলাই অর্থনীতি; প্রকৌশল অঙ্কন ও ওয়ার্কশপ প্রাকটিস প্রথমপত্র, ২৮ জুলাই অর্থনীতি;  প্রকৌশল অঙ্কন ও ওয়ার্কশপ প্রাকটিস (তত্ত্বীয় ঐচ্ছিক-১, ২ ও ৩) দ্বিতীয়পত্র, ২৯ জুলাই সকালে পৌরনীতি ও সুশাসন; জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়); ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথমপত্র, বিকেলে খাদ্য ও পুষ্টি প্রথমপত্র; ৩১ জুলাই সকালে পৌরনীতি ও সুশাসন; জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়); ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা দ্বিতীয়পত্র; বিকেলে খাদ্য ও পুষ্টি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

১ আগস্ট সকালে মনোবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়); কৃষিশিক্ষা (তত্ত্বীয়); মৃত্তিকা বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়); চারু কারুকলা (তত্ত্বীয়); নাট্যকলা প্রথমপত্র, বিকেলে পরিসংখ্যান (তত্ত্বীয়); ব্যবহারিক শিল্পকলা ও বস্ত্র পরিচ্ছদ প্রথমপত্র, ৪ আগস্ট মনোবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়); কৃষিশিক্ষা (তত্ত্বীয়); মৃত্তিকা বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়); চারু কারুকলা (তত্ত্বীয়); নাট্যকলা দ্বিতীয়পত্র, বিকেলে পরিসংখ্যান (তত্ত্বীয়); ব্যবহারিক শিল্পকলা ও বস্ত্র পরিচ্ছদ দ্বিতীয়পত্র, ৫ আগস্ট সকালে উচ্চতর গণিত; ইসলাম শিক্ষা প্রথমপত্র, বিকেলে গার্হস্থ্য বিজ্ঞান; সংস্কৃত; লঘু সঙ্গীত (তত্ত্বীয়) প্রথমপত্র, ৭ আগস্ট সকালে উচ্চতর গণিত; ইসলাম শিক্ষা দ্বিতীয়পত্র, বিকেলে গার্হস্থ্য বিজ্ঞান; সংস্কৃত; লঘু সঙ্গীত (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয়পত্র, ৮ আগস্ট সকালে ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা; শিশু বিকাশ প্রথমপত্র, বিকেলে সমাজ বিজ্ঞান, সমাজকর্ম, ক্রীড়া (তত্ত্বীয়) প্রথমপত্র এবং ১১ আগস্ট সকালে ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা; শিশু বিকাশ দ্বিতীয়পত্র, বিকেলে সমাজ বিজ্ঞান, সমাজকর্ম, ক্রীড়া (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



রাহুল গান্ধীই হচ্ছেন ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের লোকসভায় রাহুল গান্ধীকেই বিরোধীদলীয় নেতা করার প্রস্তাব করেছে তার দল সর্বভারতী কংগ্রেস। আজ শনিবার কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটিতে এ প্রস্তাব পাস হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে দলের ৯৯টি আসন জয়ের জন্য রাহুল গান্ধীকেই কৃতিত্ব দিচ্ছেন কংগ্রেস নেতারা। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মাত্র ৫২টি আসন জিতেছিল কংগ্রেস। এবার সেটা একেবারে ৯৯টি পৌঁছানোয় রাহুলের নেতৃত্বের প্রশংসা করছেন দলীয় নেতারা। এ জন্য রাহুল গান্ধীকে বিরোধীদলীয় নেতা করার প্রস্তাব করেন কংগ্রেস নেতারা।

কংগ্রেস নেতা মানিকম ঠাকুর এর আগে বলেছিলেন, কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আমরা ২০২৪ সালের নির্বাচনে কংগ্রেস দলের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করতে যাচ্ছি। কংগ্রেস পার্টি সিপিপির চেয়ারপারসন নির্বাচন করবে। লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা হিসেবে আমরা সবাই মনে করি রাহুল গান্ধীকে দায়িত্ব দেওয়া উচিত। এই দায়িত্ব গ্রহণ করলে তিনি ভারতের ২৩৪ জন সংসদ সদস্যের (এমপি) নেতৃত্ব দেবেন

তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি যে বিজেপি গত লোকসভায় একক বৃহত্তম দল হিসাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। চন্দ্রবাবু নাইডু এবং নীতীশ কুমারের ওপর তাদের নির্ভরতাই সরকার গঠনের একমাত্র উপায়।

কংগ্রেস নেতা মানিকম ঠাকুর আগেই বলেছিলেন, ভারত জোটের নেতারা অপেক্ষা করার এবং দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং আমরা সঠিক সময়ে একটি সিদ্ধান্ত নেব।

এদিকে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপারসন পদে ফের নির্বাচিত হতে চলেছেন সোনিয়া গান্ধী।

ওয়ানাড় ও রায়বরেলি থেকে লোকসভা ভোটে জয়ী রাহুল গান্ধী তার মাকে এই পদ গ্রহণ করার জন্য আওয়াজ তুলবেন বলে মনে করা হচ্ছে।


আরও খবর