আজঃ শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩
শিরোনাম

ঠাকুরগাঁওয়ে জরাজীর্ণ ভবনেই বন্দিদের বসবাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক, ঠাকুরগাঁও

Image

ব্রিটিশরা ১৮৯২ সালে নিশ্চিন্তপুর বর্তমান ঠাকুরগাঁও স্বর্ণপট্টি এলাকায় ২ দশমিক ৮৩ একর জমিতে স্থাপন করা হয় একটি উপ-কারাগার। যার মূল ওয়ালের ভেতরে দশমিক ৮২ একর ও বাইরে ২ দশমিক শূন্য ১ একর জমি রয়েছে। পরে ১৯৮৪ সালে তৎকালীণ সরকার এটিকে জেলা কারাগারে রূপান্তর করে।

বর্তমানে বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে কারাগারটি। যেকোনো সময় হুড়মুড় করে ধসে পড়তে পারে বলে কারাগারে আটক বন্দীরা আশঙ্কা করছেন। তারপরও জরাজীর্ণ এ ভবনে চলছে বন্দিদের বসবাসসহ সব ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রম।

১৩০ বছরের পুরোনো এই কারাগারটি আধুনিকায়ন করতে ২০১৮ সালের শুরুর দিকে সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চব্বিশ টিউবওয়েল এলাকায় ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে ১৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। অধিগ্রহণের পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো শুরু হয়নি নির্মাণ কাজ। এতে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কয়েদিরা।

সূত্রে জানা গেছে, কারাগারটিতে ১৬৮ পুরুষ হাজতি ও তিনজন নারী হাজতি থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। থাকার জন্য রয়েছে একটি মাত্র ভবন। নারী হাজতিদের জন্য রয়েছে টিনশেডের একটি রুম। ১৬৮ জন পুরুষ হাজতি ধারণ ক্ষমতার ভবনে এখন থাকছেন ৪২০ জন। তিনজন নারী হাজতির জন্য টিনশেডের সেই রুমে থাকছেন তিন শিশুসহ ৯ জন নারী।

অন্যদিকে, বিএনপি-জামায়াতের চলমান আন্দোলনকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ধরপাকড়ে কারাগারে চাপ বেড়েছে বন্দিদের। ধারণ ক্ষমতার প্রায় তিন গুণ বন্দি রয়েছে এ কারাগারে।

এ ছাড়া জেলায় জঙ্গি, জেএমবি, মৃতদণ্ডসহ অন্য কারাবন্দিদের রাখার জন্য কোনো সেল নেই। সেল না থাকায় জেলার চার জেএমবিকে পঞ্চগড় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সারাদেশে জেলা কারাগারগুলোয় হস্তশিল্প, কারিগরি প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন বন্দিরা। শুধু অবকাঠামোগত কারণে এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ঠাকুরগাঁওয়ের কারাগারে বন্দিরা।

কারাগার থেকে জামিনে একব্যাক্তি জানান, রাতে এক রুমে ৬০-৭০ জনকে থাকতে হয়। ৬০-৭০ জনের জন্য মাত্র একটি টয়লেট। এক রুমে আমাদের প্রায় ১২-১৩ ঘণ্টা থাকতে হয়। এতে রাতে তেমন ঘুম হয় না। আমরা খুব গাদাগাদি করে ছিলাম। রুমের মধ্যে পা ফেলানোর মতো জায়গা থাকে না। বেশির ভাগ সময় দেখা যায় বাথরুমে পানি থাকে না। গোসলের জন্য যে পানি দেওয়া হয় সেটাও অল্প সময় থাকে।

অর্থ বরাদ্দের জন্য প্রাক্কলন প্রস্তুত করে ২০ বারেরও অধিক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও সেটি পাশ হয়নি বলে জানান ঠাকুরগাঁও গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউর রহমান। তিনি বলেন, আমরা আবারো প্রাক্কলন করে পাঠাব। ইতোমধ্যে নতুন কারাগারের জন্য জমি অধিগ্রহণ করেছি।

এ বিষয়ে জেল সুপার মো. আবু তালেব এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের জেলকোডে এ বিষয়ে মন্তব্য করার কোনো নিয়ম নেই।

তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ কিছুটা উন্নয়নে ব্যাঘাত ঘটেয়েছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে নতুন কারাগার ভবন নির্মাণ করা হবে বলে জানান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন।

নিউজ ট্যাগ: ঠাকুরগাঁও

আরও খবর



তৃতীয় দিনে ১৫৫ প্রার্থীর আপিল ইসিতে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের তৃতীয় দিনে ১৫৫ জন প্রার্থী নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন। এ নিয়ে মোট আপিলকারীর সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩৮ জন। বৃহস্পতিবার বিকেলে কমিশন অফিসে ইসি সচিব জাহাংগীর আলম এই তথ্য জানান।

সচিব জানান, ঢাকা অঞ্চলে ২৬, রংপুর অঞ্চলে ২৪, কুমিল্লা অঞ্চলে ৩৩, চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১১, ফরিদপুর অঞ্চলে ৪, সিলেট অঞ্চলে ৯, ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৮, বরিশাল অঞ্চলে ৪, খুলনা অঞ্চলে ১৭ এবং রাজশাহী অঞ্চলে ১৭ জন প্রার্থী আপিল আবেদন করেছেন।

এবারের জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছিল ২ হাজার ৭১৬টি। এর মধ্যে বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তারা মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন ৭৩১ জনের। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে শনিবার পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থীরা ইসিতে আপিল করতে পারবেন। ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর আপিল নিষ্পত্তি করবে কমিশন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ দেবেন ১৮ ডিসেম্বর। এরপর নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়ে চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি।


আরও খবর



আজ লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত দিবস

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

Image

আজ (৪ ডিসেম্বর) লক্ষ্মীপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিন ভোরে লক্ষ্মীপুর শহরের বাগবাড়িস্থ মিলেশিয়াদের প্রধান ঘাঁটি আক্রমণ করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল গুলি বর্ষণের মুখে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় ওই ঘাঁটির দুই শতাধিক রাজকার ও হানাদার সদস্য। এটাই ছিল লক্ষ্মীপুরে হানাদার বিরোধী মুক্তিযোদ্ধাদের শেষ প্রতিরোধ।

লক্ষ্মীপুরের প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কমান্ডার রফিকুল ইসলাম মাষ্টারের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ১ ডিসেম্বর মিলেশিয়াদের বাগবাড়ী ক্যাম্প অনেক দূর থেকে ঘেরাও শুরু করে। প্রবল গুলি বর্ষণ করতে করতে উক্ত ঘাঁটির রাজাকার ও হানাদারদের অবরুদ্ধ রেখে ৩ ডিসেম্বর ঘাঁটির খুব কাছাকাছি ঘিরে ফেলে। মুক্তিযোদ্ধাদের শাড়াঁশি আক্রমণের মুখে অসহায় হয়ে যায় তারা। ৪ ডিসেম্বর ভোরে হানাদাররা আত্মসমর্পণ শেষে লক্ষ্মীপুর ছেড়ে চলে যায়। এদিকে ৯ মাসে লক্ষ্মীপুরের রনাঙ্গণের ৩৭টি সম্মূখ্যযুদ্ধে অংশ নেন। এতে ৩৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

বীর শহীদরা হলেন- মনসুর আহমেদ, রবীন্দ্র কুমার সাহা, আলী আজম, লোকমান মিয়া, জয়নাল আবেদিন, মোহাম্মদ হোসেন, আবদুল বাকির, জহিরুল ইসলাম, আহাম্মদ উল্লাহ, আবদুল মতিন, মাজহারুল মনির সবুজ, চাঁদ মিয়া, নায়েক আবুল হাশেম, মো: মোস্তফা মিয়া, নুর মোহাম্মদ, রুহুল আমিন, আবুল খায়ের, আবদুল হাই, মমিন উল্যা, আবু ছায়েদ, আব্দুল হালিম বাসু, এসএম কামাল, মিরাজ উল্ল্যা, মোঃ আতিক উলাহ, মো. মোস্তফা, ইসমাইল মিয়া, আবদুল্লাহ, আবুল খায়ের ভুতা, সাহাদুলা মেম্বার, আবুল কালাম, মোস্তাফিজুর রহমান, বেনু মজুমদার, আলী মোহাম্মদ, শহীদ নজরুল ইসলাম ও আবদুল রশিদ। তবে জেলায় মোট শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ১১৪।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থেকে জানা গেছে, ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পুরো সময় জুড়ে লক্ষ্মীপুর জেলায় বর্বর পাকিস্থানি হানাদার ও এদেশীয় রাজাকার বাহিনীর হত্যা, লুট, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণের ঘটনায় ক্ষত বিক্ষত ছিল। অপরদিকে, মুক্তিযোদ্ধাদের অপ্রতিরোধ্য গেরিলা যুদ্ধ তাদের জন্য আতঙ্কের কারণ ছিলো। ৪ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে লক্ষ্মীপুর হানাদার ও রাজাকার মুক্ত হয়।

লক্ষ্মীপুর শহরের মাদাম ব্রীজ, বাগবাড়ি গণকবর, দালাল বাজার গালর্স হাই স্কুল, মডেল হাই স্কুল, মদিন উল্যা চৌধুরী (বটু চৌধুরী) বাড়ি, পিয়ারাপুর বাজার, মান্দারী মসজিদ ও প্রতাপগঞ্জ হাই স্কুল, রায়পুর আলীয়া মাদ্রাসা, এল.এম. হাই স্কুল ও ডাকাতিয়া নদীর ঘাট, রামগতির চর কলাকোপা মাদরাসা, ওয়াপদা বিল্ডিং, আলেকজান্ডার সিড গোডাউন, কমলনগরের হাজিরহাট মসজিদ, করইতলা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন গোডাউন, রামগঞ্জ গোডাউন এলাকা, রামগঞ্জ সরকারী হাই স্কুল, জিন্নাহ হল (জিয়া মার্কেট) ও ডাক বাংলো ছিলো হানাদার ও রাজাকার ক্যাপ এবং গণহত্যার স্থান।

এদিকে, স্বাধীনতা যুদ্ধের ৯ মাসে লক্ষ্মীপুর-বেগমগঞ্জ সড়কে প্রতাপগঞ্জ হাই স্কুল, মান্দারী মসজিদ, মাদাম ঘাট ও বাগবাড়ি, লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জ সড়কে দালাল বাজার, কাজীর দিঘীর পাড়, কাফিলাতলী, পানপাড়া, মিরগঞ্জ, পদ্মা বাজার, মঠের পুল এবং রামগঞ্জের হাই স্কুল সড়ক ও আঙ্গারপাড়া, লক্ষ্মীপুর- রামগতি সড়কে চর কলাকোপার দক্ষিণে জমিদার হাট সংলগ্ন উত্তরে, করুণানগর, হাজির হাট আলেকজান্ডার এবং রামগতি থানা ও ওয়াপদা বিল্ডিং এলাকা, রায়পুর আলীয়া মাদ্রাসা ও এল.এল হাই স্কুল এলাকায় অধিকাংশ যুদ্ধ সংগঠিত হয়। এ সময় হাজার হাজার নিরীহ মানুষ এবং ৩৫ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। এছাড়া মুক্তিবাহিনীর হাতে শত শত হানাদার ও রাজাকার নিহত হয়।

 বিভিন্ন ইতিহাস এবং মুক্তিযোদ্ধাদের দেওয়া তথ্য মতে, যুদ্ধের নয় মাস লক্ষ্মীপুর শহরের বাগবাড়িস্থ বিশাল সারের গুদামটি ছিল মিলেশিয়াদের প্রধান ঘাঁটি। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাকামী স্থানীয় বাঙ্গালীদের ধরে এনে এখানে অমানুষিক নির্যাতন করা হতো। শেষে এদেরকে সন্নিকটস্থ রহমতখালী খালের উপর মাদামব্রীজে ফায়ার করে হত্যা করে খালে ভাসিয়ে দেয়া হতো লাশ। বাগবাড়ির এই জায়গাটিকে বলা হয় টর্চার সেল। যুদ্ধশেষে এই টর্চার সেল লাগোয়া গণকবর স্থাপিত হলেও সংরক্ষণ করা হয়নি মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিবিজড়িত মাদাম ব্রীজ এলাকা। ভগ্নদশা নিয়ে পরিত্যাক্ত মাদাম ব্রীজটি মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতনের ক্ষত চিহৃ ও স্মৃতি নিয়ে আজও কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এ স্থানটি সংরক্ষণ করা হয়নি।

সূত্র আরও জানায়, নভেম্বরের শেষের দিকে রায়পুর আলীয়া মাদরাসায় হানাদারদের ক্যাম্প আক্রমণ করে মুক্তিযোদ্ধারা। কমান্ডার হাবিলদার আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা এখানে হানাদারদের সাথে সম্মুখ্য যুদ্ধে লিপ্ত হয়। এই যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম বাসু শহীদ হন।

শহীদ আব্দুল হালিম বাসুর নিজ এলাকা সদর উপজেলার বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের প্রধান সড়কটি তাঁর নামে নামকরণ করা হয়। বিজয়র নগর এলাকায় তাঁর নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাসু বাজার

১৯৭১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ২ নং সেক্টর কমান্ডার মেজর এ কে এম আলী হায়দারের নেতৃত্বে তৎকালীন বৃহত্তর নোয়াখালীর বাঁধের হাট এলাকার রাজগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধারা হানাদারদের বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন মাজহারুল মনির সবুজ। তাঁর নামানুসারে নিজ এলাকা ভবানীগঞ্জের পিয়ারাপুরে শহীদ মাযহারুল মনির সুবজ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।


আরও খবর



মিতু হত্যা মামলায় ৩৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় আরও একজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। জেরাও শেষ হয়েছে। এ নিয়ে মামলার ৭৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

আগামী ১৬ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ঠিক করেছেন তৃতীয় অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক জসিম উদ্দিন। এ তথ্য নিশ্চিত করেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী নেছার আহম্মেদ।

আদালত সূত্র জানায়, এ নিয়ে মামলায় মোট ৩৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এ সময় মিতুর স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারসহ অন্যান্য আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আবদুর রশীদ বলেন, সাক্ষীকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জেরা করেছেন। আগামী ১৬ জানুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।

২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রামের ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে খুন হন মিতু।


আরও খবর



ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ব্রিটিশ রাজনীতিতে তোলপাড়। হঠাই করেই ব্যাপক রদবদল হয়েছে ঋষি সুনাকের মন্ত্রিসভায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্র্যাভারমানকে বরখাস্ত করার পর পরিবর্তন আনা হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। যার মধ্যদিয়ে আবারও রাজনীতিতে ফিরলেন তিনি।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়া (ব্রেক্সিট) নিয়ে অনুষ্ঠিত গণভোটে হেরে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর পদের পাশাপাশি সংসদ সদস্য পদও ছাড়েন ডেভিড ক্যামেরন।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ খবর নিশ্চিত করেছে ফিনান্সিয়াল টাইমস। প্রতিবেদন মতে, প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক সরকারের মন্ত্রিসভায় হঠাই করেই ব্যাপক রদবদল আনা হয়েছে। সেই রদবদলের অংশ হিসেবেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ডাক পেয়েছেন ডেভিড ক্যামেরন। 

ক্যামেরন ২০১০ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বের হয়ে যাওয়া (ব্রেক্সিট) নিয়ে অনুষ্ঠিত গণভোটে হেরে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর পদের পাশাপাশি সংসদ সদস্যপদও ছাড়েন তিনি।

এরপর গত কয়েক বছর অনেকটা আড়ালেই ছিলেন ক্যামরন। তবে হঠাৎ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আবারও বিস্ময়করভাবে প্রত্যাবর্তন করলেন তিনি। ক্যামেরন এখন সংসদ সদস্য নন। তবে বিশেষ বিবেচনায় তাকে মন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ক্যামেরন জেমস ক্লিভারলির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। আর ক্লিভারলিকে করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সদ্য বরখাস্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্র্যাভারম্যানের জায়গা নিয়েছেন তিনি।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থিদের বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান। এর মধ্য দিয়ে ঋষি সুনাকের কর্তৃত্বকে অস্বীকার করেন তিনি। আর এ কারণেই তাকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

সমালোচকরা বলেছেন, ফিলিস্তিনপন্থিদের বিক্ষোভ নিয়ে ব্র্যাভারম্যানের অবস্থান চলমান উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে এবং ডানপন্থি বিক্ষোভকারীদের লন্ডনের রাস্তায় নামতে উৎসাহিত করেছে। মূলত এরপরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য চাপে পড়েন সুনাক।

ইসরাইল-হামাস সংঘাত নিয়ে শনিবার (১১ নভেম্বর) লন্ডনের রাস্তায় ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ করেন তিন লাখেরও বেশি মানুষ। সেখানে ডানপন্থি বিক্ষোভকারীরা অতর্কিত হামলা চালানোয়, শতাধিক বিক্ষোভকারীকে (ডানপন্থি) গ্রেফতার করে লন্ডন পুলিশ।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভকারীদের থামাতে অপর একদল বিক্ষোভকারী মিছিলে অতর্কিত হামলা চালানোয় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

পরে এ হামলার নিন্দা জানান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান ফিলিস্তিনিদের পক্ষে লাখো জনতার এ বিক্ষোভ সমাবেশকে আখ্যায়িত করেন ঘৃণা সমাবেশ হিসেবে। এমনকি ফিলিস্তিনপন্থিদের বিক্ষোভ বন্ধ করে দিতে লন্ডন পুলিশকে অনুরোধও জানিয়েছিলেন তিনি।


আরও খবর
আটক ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ

শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩




১৯ নভেম্বর : ইতিহাসে আজকের এই দিনে

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ রোববার ১৯ নভেম্বর ২০২৩। একনজরে দেখে নেওয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:

১৮১৬ - পোল্যান্ডের ওয়ারশ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৬৩ - মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গে তার বিখ্যাত স্বাধীনতার ভাষণ দেন।

১৯৪২ - সোভিয়েত ইউনিয়ন স্তালিনগ্রাদে জার্মান বাহিনীর ওপর পাল্টা আক্রমণ শুরু করে।

১৯৭৭ - মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত অধিকৃত বায়তুল মোকাদ্দাস সফর করেন।

১৯৮২ - দিল্লিতে নবম এশিয়ান গেমস শুরু।

১৯৯০ - ওয়ারশ ও ন্যাটো জোটের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর নেতারা প্যারিসে এক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে পূর্ব ও প্রাচ্যের দুই ব্লকের মধ্যকার শীতল যুদ্ধের অবসান ঘটান।

১৯৯৯ - চীন প্রথমবারের মতো শেন ঝু স্পেসক্রাফট মহাকাশে প্রেরণ করে।

জন্ম:

১৭১১ - মিখাইল লোমনোসভ, তিনি ছিলেন রাশিয়ান পদার্থবিদ, রসায়নবিদ, জ্যোতির্বিদ ও ভূগোলবিদ।

১৮০৫ - সুয়েজ খালের নকশাকার ফরাসি প্রযুক্তিবিদ ভিকঁৎ ফ্যের্দিনা মারি দ্যা ল্যেসেপস ।

১৮৩১ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিংশতিতম রাষ্ট্রপতি জেমস গারফিল্ড।

১৮৩৫ - ঝাঁসির রাণী ও ১৮৫৭ সালের ভারতীয় বিদ্রোহের পথিকৃৎ লক্ষ্মী বাঈ।

১৮৩৮ - ব্রাহ্ম সমাজের নেতা ও সমাজ সংস্কারক কেশবচন্দ্র সেন।

১৮৪৩ - রিচার্ড আভেনারিউস, জার্মান বংশোদ্ভূত সুইস দার্শনিক ও অধ্যাপক।

১৮৭৭ - কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৮৮৭ - জেমস ব্যাচেলার সামনার, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

১৮৯৩ - চীনের কমিউনিস্ট নেতা মাও সে তুংয়ের জন্ম।

১৯১২ - জর্জ এমিল পালাডে, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী রোমানীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান জীববিজ্ঞানী ও চিকিৎসক।

১৯১৫ - আর্ল উইলবার সাদারল্যান্ড জুনিয়র, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান ফার্মাকোলজিস্ট ও প্রাণরসায়নবিদ।

১৯১৭ - ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জওহের লাল নেহরুর কন্যা ইন্দিরা গান্ধী ।

১৯১৮ - দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, তিনি ছিলেনভারতের একজন প্রখ্যাত মার্কসবাদী দার্শনিক।

১৯২৩ - গীতিকার সলিল চৌধুরী ।

১৯৩৬ - ইউয়ান টি. লি, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী তাইওয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

১৯৫১ - ভারতের প্রখ্যাত অভিনেত্রী জিনাত আমান ।

১৯৫৪ - আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসি, তিনি মিশরের ফিল্ড মার্শাল, রাজনীতিবিদ ও মিশরের ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।

১৯৬১ - মেগ রায়ান, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

১৯৮৫ - ক্রিস্টোফার ঈগলস, তিনি ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৭ - সিলভিয়া সোলার এস্পিনসা, তিনি স্প্যানিশ টেনিস খেলোয়াড়।

মৃত্যু:

১৬৬৫ - নিকোলাস পউসিন, তিনি ছিলেন ফরাসি বংশোদ্ভূত ইতালীয় চিত্রশিল্পী।

১৮২৮ - অষ্ট্রিয়ার খ্যাতনামা সঙ্গীতজ্ঞ ফ্রান্তেয সোবের্ট।

১৮৩১ - ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী সৈয়দ মীর নিসার আলী ( তিতুমীর )।

১৯৪২ - ব্রুনো সচুলয, তিনি ছিলেন পোলিশ চিত্রশিল্পী ও সমালোচক।

১৮৫০ - রিচার্ড মেন্টর জনসন, তিনি ছিলেন আমেরিকান কর্নেল, আইনজীবী ও রাজনীতিক।

১৯৮৮ - জাতীয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের রূপকার ও চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান।

১৯৮৯ - বাংলাদেশের একজন মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ ও সামরিক কর্মকর্তা এম এ জলিল ।

২০০৪ - জন রবার্ট ভেন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ ফার্মাকোলজিস্ট ও অধ্যাপক।

২০০৭ - সাংবাদিক, সঙ্গীত শিল্পী, প্রথা বিরোধী মানুষ, দলছুট ব্র্যান্ডের গায়ক সঞ্জীব চৌধুরী।

২০১১ - ব্যাসিল ডিঅলিভেইরা, তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ইংরেজ ক্রিকেটার।

২০১৩ - ফ্রেডরিক স্যাঙ্গার, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ প্রাণরসায়নী ও অধ্যাপক।

দিবস:

বিশ্ব টয়লেট দিবস ৷

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস।


আরও খবর
৮ ডিসেম্বর : ইতিহাসে এই দিনে

শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩

৬ ডিসেম্বর: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

বুধবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩