আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্কুলের বরাদ্দের টাকা আত্মসাতে গুলসান আরা বেগম নামে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ করেছে আব্দুর রশীদ নামে এক ব্যক্তি। গুলসান আরা বেগম ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের বোচাপুকুর পোকাতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত রয়েছে। আর আব্দুর রশীদ ওই এলাকার মৃত খাদেম আলীর ছেলে।

গত সোমবার জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে রুখব দুর্নীতি গড়ব দেশ, হবে সোনার বাংলাদেশ স্লোগানে আয়োজিত গণশুনানিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের সামনে ওই প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উত্থাপিত হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন দশ দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসককে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলে।

গত রোববার (৯ জুন) দ্বিতীয় শুনানিতে তাদের উভয় পক্ষকে ডাকা হয় এবং সোমবার (১০) দুইজন উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রবিউল আলম ও মুমিনুল ইসলাম সরেজমিনে তদন্তের জন্য ওই স্কুলে যান।

তবে তদন্তের বিষয়ে এই দুই কর্মকর্তা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

দুদকে দেওয়া সেই অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, বোচাপুকুর পোকাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৪৫ সালে স্থাপিত হয়। বিদ্যালয়টির ২.৮৩ একর জমি রয়েছে। প্রধান শিক্ষিকা গুলসান আরা বেগমের স্বামীর বাড়ি পোকাতিতে হওয়ার সুবাদে তিনি এ বিদ্যালয়ে প্রায় ১৫ বছর ধরে কর্মরত আছেন।

প্রধান শিক্ষিকা বিদ্যালয়ের জমি নিজের ইচ্ছামতো চুক্তি দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করছে। এলাকার নিজস্ব লোকজন নিয়ে স্কুলের কমিটি করেন। ইতিপূর্বে জমি দাতাগণ ও ছাত্র অভিভাবকগণ অবৈধ স্কুল কমিটির অনুমোদন না দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের বরাবরে আবেদন করেন। তৎকালীন প্রধান শিক্ষক মতিয়র রহমান বিদ্যালয়ের জমিতে ৪২টি কাঁঠাল গাছ, ৪টি আম গাছ, ৩টি ডাব গাছ ও বিভিন্ন বনজ গাছ আছে বলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিত ভাবে জানান। কিন্তু বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা বনবিভাগকে না জানিয়ে উক্ত গাছগুলোর মধ্যে কতগুলো গাছ বিক্রি করে দেয়। প্রতিনিয়তই প্রধান শিক্ষিকা সরকারি নিয়মনীতি অমান্য করে আসছে বলে অভিযোগে পাওয়া যায়।

অভিযোগকারী আব্দুর রশীদ বলেন, প্রধান শিক্ষিকা ১৫ বছর ধরে একই স্কুলে থাকার সুবাদে বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছে। তিনি ব্যক্তির স্বার্থে স্কুলের জমি ও হাট লিজ দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করছেন। স্কুলের গাছ বিক্রি করেছে। তিনি তাঁর লোক দিয়ে রাতের অন্ধকারে কমিটি গঠন করেন। জমিদাতার কোনো নাম নেই। যারা জমি দান করেছে তাদের তিনি স্কুলে ঢুকতে দেয় না। প্রবেশ করলে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেয় বলে জানান তিনি।

অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষিকা গুলসান আরা বেগম বলেন, স্কুলের কোন জমি বা হাট লিজ দেওয়ার কোন প্রশ্নেই আসে না। আর সকলের সামনে প্রকাশ্যে কমিটি করা হয়েছে। আমার নামে যেসকল অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা-বানোয়াট।

তিনি আরো বলেন, আইন অমান্য করার কোন সুযোগ আমার নাই। যদি কোনো অন্যায় করে থাকি তাহলে অবশ্যই শিক্ষা অফিস আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

আর স্কুল কমিটি সভাপতি ও নারগুন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেরেকুল ইসলাম বলেন, গুলসান আরা বেগম চাকুরি আর বেশি দিন নেই। তাকে হয়রানি করার জন্যই আব্দুর রশীদ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করছেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্নীতি বা টাকা আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই। স্বচ্ছভাবেই কমিটি করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষিকাকে মানসিকভাবেই দুর্বল করার জন্য তিনি মামলা ও অভিযোগ দিয়ে আসছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সৈয়দ মো: মোকাদ্দেস ইবনে সালাম জানান, প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তা তদন্তের জন্য দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া অবধি এ ব্যাপারে কোন কিছুই বলা যাবে।


আরও খবর



কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং করতে নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং শুরু করতে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় তিনি এ নির্দেশ দেন।

আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আজকে নির্ধারিত ইস্যুর বাইরে দুটি বিষয় ছিল। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে কঠোরভাবে বলেছেন, বাজার মনিটরিং যেন জোরালোভাবে হয় এবং ভালোভাবে নজর দিতে বলেছেন। বাজারে পণ্যের সরবরাহ বা সাপ্লাই যেন ঠিক থাকে, সে নির্দেশনাও দিয়েছেন।

তিনি বলেন, কিছু কিছু পণ্যের সরবরাহ ঠিক আছে। আবার ক্রাইসিস না থাকা সত্ত্বেও বাজারে কৃত্রিমভাবে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির প্রবণতার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কঠোরভাবে যেন বাজার মনিটরিং শুরু করা হয়, সেজন্য প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্টভাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন।


আরও খবর



অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন পি কে হালদার

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে ১৪ দিনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছেন বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারে অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদার। প্যারোলে (অন্তর্বর্তী জামিন) মুক্তি পাচ্ছেন তার ভাই এবং এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রাণেশ হালদারও।

এই মুহূর্তে তারা কলকাতার প্রেসিডেন্সি কারাগারে বন্দি। সূত্র জানিয়েছে, আজ বুধবার (৫ জুন) সন্ধ্যার দিকে তারা ছাড়া পেতে পারেন।

মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য মানবিক কারণে পি কে হালদার ও প্রাণেশ হালদারের পক্ষে গত সোমবার (৩ জুন) ১৫ দিনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেন তাদের আইনজীবী বিশ্বজিৎ মান্না। এর বিরোধিতা করে মাত্র চারদিনের প্যারোলের দাবি জানান ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী। মঙ্গলবার ফের তার শুনানি ছিল।

এদিন দুপক্ষের আইনজীবীদের কথা শোনার পর কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিশেষ ইডি কোর্ট-১র বিচারক প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় তাদের দুই ভাইকে ১৪ দিনের অন্তর্বর্তী জামিন দেন।

এ প্রসঙ্গে ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী জানান, আদালত জানিয়ে দিয়েছেন, অভিযুক্তরা প্যারোলে মুক্তি পেলেও কলকাতা পুলিশ কমিশনারেট এবং বিধান নগর পুলিশ কমিশনারেটের এখতিয়ারের বাইরে বেরোতে পারবেন না। তারা সারাক্ষণ জেল কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে থাকবেন। ১৪ দিনের প্যারোলের মেয়াদ শেষে আগামী ১৮ জুন আদালতে এসে তাদের আত্মসমর্পণ করতে হবে।

পি কে হালদারের মা প্রয়াত লীলাবতী হালদারের বিরুদ্ধেও দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন রোগে ভোগার পর গত ২৮ মে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় লীলাবতী দেবীর। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট থেকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আপাতত লীলাবতীর মরদেহ সংরকক্ষণ করা রয়েছে কলকাতার পিস ওয়ার্ল্ডে।

কিন্তু তার দুই সন্তান এই মামলার অন্যতম দুই অভিযুক্ত পি কে হালদার এবং প্রাণেশ কুমার হালদার কারাগারে বন্দি থাকায় এখন পর্যন্ত মায়ের সৎকার সম্ভব হয়নি। ফলে হিন্দু ধর্মমতে প্রয়াত মায়ের অন্ত্যেক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আদালতের কাছে অন্তর্বর্তী জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন অভিযুক্তদের আইনজীবী।


আরও খবর



শেরপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ এর প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
মো. নাজমুল হোসাইন, শেরপুর

Image

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলাতে দ্বিতীয় শ্রেণির আদিবাসী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদ এবং ধর্ষক ফাহিম এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রোববার (২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদের সম্মুখে আধাঘন্টা ব্যাপী এই কর্মসূচী পালন করা হয়।

বাগাছাস ঝিনাইগাতী উপজেলা শাখার সভাপতি সৌহার্দ্য চিরানের সভাপতিত্বে এবং রুবেল নকরেক এর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন, ট্রাইবাল ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের ঝিনাইগাতী উপজেলা শাখার চেয়ারম্যান মি. নবেশ খকসী, শ্রীবরদী উপজেলা শাখার চেয়ারম্যান প্রাঞ্জল এম সাংমা, বাগাছাস ছাত্র সংগঠনের নেতা আলবা মৃ, অ্যান্টনী রেমা, সুমন্ত বর্মন, স্বতির্থ চিরানসহ আরো অনেকেই।

এর আগে শহরের প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা, গ্রেপ্তারকৃত ধর্ষক ফাহিম এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মে ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের উত্তর গান্ধিগাঁও গ্রামের দ্বিতীয় শ্রেণির এক আদিবাসী শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়। একইদিন পুলিশ ধর্ষক কিশোর ফাহিমকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে।


আরও খবর



স্বরূপকাঠিতে বাস চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
হযরত আলী হিরু, স্বরূপকাঠি

Image

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় পিষ্ট হয়ে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। রবিবার (৯ জুন) সকালে স্বরূপকাঠি-বরিশাল মহাসড়কের কুনিয়ারি প্রাইমারি স্কুলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন মো. সাইফুল (৩৭) ও শরিফুল ইসলাম সাকিল (২৬)।

নিহত সাইফুল উপজেলার সদর ইউনিয়নের জগন্নাথকাঠি গ্রামের মো. ফজলুল করিমের ছেলে এবং সাকিল একই এলকার সাবেক ইউপি সদস্য মো. শাহিদুল ইসলামের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাকিল ও সাইফুল মোটরসাইকেলে করে বরিশালের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তাঁরা বাসটি দেখে ধীরগতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে কুনিয়ারি প্রাইমারি স্কুলের সামনে আসলে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা শুভেচ্ছা নামের একটি যাত্রীবাহী বাস তাঁদের চাপা দেয়। পরে স্থানীয়রা হাত ইশারা দিয়ে ড্রাইভারকে থামতে বললেও তা না শুনে তাদের চাপা দিয়ে মোটরসাইকেলসহ অনেক দূর নিয়ে যায়।

শাকিল ও সাইফুলকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মো. শাহারুখ মল্লিক।

নেছারাবাদ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. পনির খান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর বাসটি জব্দ করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে বাসটির চালক ও তাঁর সহকারীকে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।


আরও খবর



জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে এলআইইউপিসি: আফরোজা কালাম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এলআইইউপিসি গত পাঁচ বছরে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ গরীব পরিবারকে স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশে বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউ হলে এলআইইউপিসি প্রকল্পের উদ্যোগে অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চসিক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আফরোজা কালাম একথা বলেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছালেহ্ আহমদ চৌধুরী, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী (জয়)। বক্তব্য রাখেন- ডিপিএইচই এর সিনিয়র অফিসার ইঞ্জিনিয়ার মো. গোলাম মোরশেদ, কারিতাস চট্টগ্রামের প্রকল্প সমন্বয়ক অজয় ব্রায়েন এন্থনি, কমিউনিটি ডেভেলাপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি কৌহিনুর আক্তার, কমিউনিটি হাউজিং ডেভেলাপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক নিলুফার আক্তার ও ক্লাষ্টার লিডার নুর আক্তার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এলআইইউপিসির টাউন ম্যানেজার মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন খান।

ভারপ্রাপ্ত মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় নগরীর ২২টি ওয়ার্ডে পাঁচ লক্ষ জনগনের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এলআইইউপিসি। বিশেষ করে দরিদ্র নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ৪০ হাজার পরিবারকে বিভিন্ন ধরণের অনুদান প্রদান করা হয়ছে। এর মধ্যদিয়ে গরীব মানুষ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়েছে এবং আমি মনে করি প্রকল্পের এ ধরনের কার্যক্রম মানুষকে দরিদ্র অবস্থা থেকে বের করে আনতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। ইতোমধ্যে তারা স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ গড়ার লক্ষ্যে দরিদ্র বসতি এলাকায় রাস্তা, ড্রেন, ফুটপাত, লেট্রিন, গোলসখানা, ডিপ টিউবওয়েল, সড়কবাতিসহ  অবকাঠামো এবং পরীক্ষামূলকভাবে একটি পানি শোধণ ব্যবস্থা নির্মাণ করেছে। ভারপ্রাপ্ত মেয়র প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধিসহ নগরীর অন্যান্য ওয়ার্ডকে প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত করার পরামর্শ দেন।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর