আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

টিফিনের টাকা জমিয়ে রাস্তা সংস্কার করলেন শিক্ষার্থরা

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

কয়েক বছর ধরে বেহাল সড়কে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে পৌরবাসী। সংস্কারের জন্য মেয়রকে বারবার তাগাদা দিয়েও কোনো সুরহা পায়নি তারা। এবার টিফিনের টাকা জমিয়ে রাস্তা সংস্কারের কাজ করছে শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি ইতোমধ্যে আলোরণ সৃষ্টি করেছে। শুরুতে একতা বন্ধন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে তোলে ঠাকুরগাঁও আমানাতুল্লা স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

সংগঠনের সদস্যরা টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে মানবিক কাজে ব্যয় করে থাকে। তাদের ইচ্ছে ছিলো ভবিষ্যতে প্রয়োজন মতো খরচ করার। সেই টাকা টাকা রাস্তা সংস্কারের কাজে তুলে দিয়েছে তারা।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, ১৯৫৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তী এটি প্রথম শ্রেণিতে উন্নিত হয়। পৌরসভা এলাকার ১২টি ওয়ার্ডে মোট জনসংখ্যা ১লাখ ২০হাজার। পৌর এলাকায় ১৯৫ কিলোমিটার রাস্তা রয়েছে। এর মধ্যে ১৩৫ কিলোমিটার সড়ক পাকা করা হলেও প্রায় ৮০ শতাংশই বেহাল।

পৌর শহরের হাজিপাড়া এলাকায় স্কুলের সামনের গিয়ে দেখা যায়, স্কুল থেকে শুরু করে শহরে বিভিন্ন রাস্তার কয়েক কিলোমিটার অংশ ভাঙাচোড়া। সামান্য বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি জমে যায়। এ কারণে রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের। এ সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসে একতাবন্ধন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। নিজেরাই নেমে পড়েছে রাস্তা সংস্কারের কাজে। স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা সংস্কার করেছে আমানাতুল্লাহ ইসলামী একাডেমির ছাত্ররা।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে রাস্তাটির বিভিন্ন জায়গায় গর্ত হয়ে গেছে। বৃষ্টি হলে রাস্তায় কাদা-পানি জমে যায়, রাস্তা দিয়ে যাওয়ার উপায় থাকে না। জনপ্রতিনিধিরা সংস্কার করে না, তাই নিজ উদ্যোগে আমরা সংস্কারে নেমেছি।

ওই এলাকার বাসিন্দারা বলেন, এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির সংস্কারের জন্য জনপ্রতিনিধিদের কাছে গেলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। আজ ছাত্ররা নিজস্ব অর্থায়নে এবং স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতেই রাস্তাটির সংস্কার করেছে। এটি একটি মহৎ কাজ।

একাডেমিক সহকারী শিক্ষক আবদুল সালাম বলেন, রাস্তাটি বেশ পুরোনো। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা ছাত্রদের সঙ্গে নিয়ে সংস্কার করছি। এতে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমবে।

গোয়ালপাড়া এলাকার জুয়েল, সেনুয়া পাড়া এলাকার রাকিব বলেন, প্রথম শ্রেণির ঠাকুরগাঁও পৌরসভা হলেও ১০-১৫ বছর সড়কের সংস্কার হয়নি, ড্রেনেজ ব্যাবস্থা নেই; নেই বর্জ ব্যবস্থাও।

জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁও পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম সাংবাদিকদের বলেন রাজস্বের টাকা দিয়ে যতটুকু সম্ভব উন্নয়নের কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু অর্থ সংকটের কারণে সড়কগুলোর উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। ইতোমধ্যে ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হয়েছে, একনেকের সভায় পাশ হলেই বরাদ্দ পাওয়া যাবে। তখন পৌরসভা এলাকাকে ঢেলে সাজানো হবে বলে জানান তিনি।

নিউজ ট্যাগ: ঠাকুরগাঁও

আরও খবর



পরীক্ষায় বসলো এইচএসসি ও সমমানের ১৪ লাখ শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সারাদেশে ২০২৪ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়ে পরীক্ষা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্র, মাদরাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসির (বিএম/বিএমটি) বাংলা-২ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ বছর পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচি (সিলেবাস) অনুযায়ী সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বর ও পূর্ণ সময়ে পরীক্ষা হবে।

তবে বন্যার কারণে সিলেট শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। আগামী ৯ জুলাই থেকে যে পরীক্ষাগুলো হওয়ার কথা ছিল সেগুলো যথারীতি হবে।

এবার প্রায় ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসবে। এরমধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার ২৮১ জন এবং ছাত্রী সংখা ৭ লাখ ৫০৯ জন। গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৯১ হাজার।

শিক্ষাবোর্ডের রুটিন অনুযায়ী, সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা আজ থেকে শুরু হয়েছে। যা শেষ হবে ১১ আগস্ট। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট শুরু হয়ে ২১ আগস্ট শেষ হবে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট শুরু হয়ে ২১ আগস্ট শেষ হবে। কারিগরি বোর্ডে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে ১৮ জুলাই। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৯ জুলাই শুরু হয়ে ৪ আগস্ট শেষ হবে। পরীক্ষা শেষে গত দেড় দশকের ধারাবাহিকতায় নির্ধারিত ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন। এরমধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮০ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৬০১ জন। মোট কেন্দ্র ১ হাজার ৫৬৬টি এবং মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৪ হাজার ৮৭০টি।

আলিম পরীক্ষায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৮ হাজার ৭৬ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৪৭ হাজার ৫৯২ জন এবং ছাত্রী ৪০ হাজার ৪৮৪ জন। মোট কেন্দ্র ৪৫২টি এবং মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২ হাজার ৬৮৫টি।

এইচএসসি (বিএম/বিএমটি) এইচএসসি (ভোকেশনাল)/ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষা (কারিগরি) বোর্ডে চলতি বছরে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৩ জন। এরমধ্যে ছাত্র সংখ্যা ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৬৫ হাজার ৪২৪ জন। মোট কেন্দ্র ৭০৭টি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১ হাজার ৯০৮টি। ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৯১ হাজার ৪৪৮ জন। মোট প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ২৯৪টি, মোট কেন্দ্র বেড়েছে ৬৭টি।

বিদেশে এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা মোট ২৮১টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে জেদ্দায় ৪৭টি, রিয়াদে ৪৩টি, ত্রিপোলিতে দুটি, দোহায় ৬৩টি, আবুধাবিতে ৪৪টি, দুবাইয়ে ২২টি, বাহরাইনে ৩৪টি এবং ওমানে ২৬টি।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




প্রাথমিক শিক্ষা পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৩ তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী টুসি।

এবারের জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা দিবসের প্রতিপাদ্য শিশুবান্ধব প্রাথমিক শিক্ষা, স্মার্ট বাংলাদেশের দীক্ষা

২০২২ সালে প্রাথমিক শিক্ষা পদক নীতিমালায় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে কয়েকটি নতুন পদক সংযোজন করে মোট ১৮ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে নিজ সংস্কৃতির উন্নয়ন, আত্ম-উন্নয়ন, আত্ম-নির্ভরশীলতা অর্জন এবং দেশ ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজ দেশের সংস্কৃতি উন্মোচন করা।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি: বিপুল রাজস্ব ফাঁকি সাদিক অ্যাগ্রোর

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ছাগলকাণ্ডে আলোচনায় আসার পর রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রামচন্দ্রপুর খালের ওপর গড়ে তোলা পশুর খামার সাদিক অ্যাগ্রোর অবৈধ অংশ গুঁড়িয়ে দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

মো. ইমরান হোসেন, গবাদি পশুর খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) সভাপতি। মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকার আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর স্বত্বাধিকারী। তাঁর খামারে বিভিন্ন প্রজাতির গরু-মহিষ-উটের দাম হাঁকিয়ে বিক্রি করা হয় কোটি টাকা। তবে ছাগল ইস্যুতে ফার্মটি দেশজুড়ে বিপুল আলোচনায়।

অথচ কর দেওয়ার সময় কোটি টাকায় বিক্রি করা গরুর দাম দেখানো হয়েছে ১৪ হাজার টাকারও কম।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) প্রদর্শন করা হিসাব অনুযায়ী, সাদিক অ্যাগ্রোর বছরে আয় মাত্র ৮১ লাখ ২১ হাজার ২৬৯ টাকা। সাদিক অ্যাগ্রোর প্রদর্শিত বার্ষিক আয় প্রতিষ্ঠানটির একটি গরু বিক্রির টাকার চেয়েও কম। এ ধরনের ত্রুটিপূর্ণ তথ্যকে বিশ্বাসযোগ্য মনে করছেন না খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশ্লেষকরা।

ইমরান হোসেন কর অঞ্চল-৬-এর ১৩১ নম্বর সার্কেলে তাঁর কর রিটার্ন জমা দেন। তাঁর করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর ৫৬৫০৩৭৯১০৬৭০। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ৭৩২৩৯৮৯২২১৫। ২০২২-২৩ করবর্ষের নথি সূত্রে জানা গেছে, সাদিক অ্যাগ্রো ছাড়াও তিনি ইমরান হোসেন ফিশ ফার্মের স্বত্বাধিকারী।

এ ছাড়া জালালাবাদ স্টিল লিমিটেড, জালালাবাদ স্টিল বিল্ডিং লিমিটেড, জালালাবাদ মেটাল লিমিটেড ও লাকি স্টিল করপোরেশনের পরিচালক। বর্তমানে তিনি রাজধানীর বনানীর ১৩ নম্বর রোডের ই ব্লকের ১০৩ নম্বর বাসায় থাকেন। তবে তাঁর স্থায়ী ঠিকানা : বাসা নম্বর-৮৬, কলাবাগান।

২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সাদিক অ্যাগ্রোর মোট বিক্রির পরিমাণ দুই কোটি আট লাখ ১৫ হাজার ২৩৬ টাকা। তবে এই সময়ে তিনি বাছুর কেনা বাবদ খরচ করেছেন ছয় লাখ ১২ হাজার ৪৭০ টাকা।

পশুখাদ্য কিনেছেন ৫১ লাখ সাত হাজার ৮১০ টাকার। ওষুধ কেনার খরচ আট লাখ ৬৫ হাজার ৩৬৬ টাকা। কর্মীদের মজুরি দিয়েছেন ১২ লাখ ৭২ হাজার ৪২৫ টাকা। এভাবে রক্ষণাবেক্ষণ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং অন্যান্য খাতে সর্বমোট ব্যয় করেছেন ৮৪ লাখ ৮২ হাজার ৮৩৪ টাকা। এর সঙ্গে অন্য সব খরচ বাদ দিয়ে তাঁর বাৎসরিক আয় ৮১ লাখ ২১ হাজার ২৬৯ টাকা।

কিন্তু তাঁর এই হিসাবের সঙ্গে বাস্তবতার বিশাল ফারাক। শুধু কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করেই তাঁর দেড় হাজার পশু বিক্রি হয়। এর মধ্যে রয়েছে ব্রাহমা, ইন্দো ব্রাজিল, হোলস্টাইন, দেশাল, শাহীওয়ালসহ বেশ কয়েকটি জাতের গরুর পাশাপাশি মহিষ ও ছাগল। এ ছাড়া তাঁর ফার্মে উটও বিক্রি করা হয়।

তাঁর ফার্মে বেশির ভাগই কোটি টাকা দামের গরু। বছরজুড়ে দেড় হাজার গরু বিক্রি করলেও সাদিক অ্যাগ্রোর বছরের আয়ের হিসাবের সঙ্গে করের হিসাব মেলানো দুষ্কর। ইমরানের বিক্রয়ের তথ্যানুযায়ী, দুই কোটি আট লাখ ১৫ হাজার ২৩৬ টাকায় তিনি দেড় হাজার গরু বিক্রি করেছেন। সে ক্ষেত্রে প্রতিটি গরুর দাম পড়েছে ১৩ হাজার ৮৭৭ টাকা। বর্তমান বাজারে এই দামে একটি মাঝারি মানের ছাগলও কিনতে পাওয়া যায় না। তাঁর ফার্মের একটি ছাগল ১২ লাখ টাকায় বিক্রির ইস্যুতে পুরো দেশ এখন সরগরম।

অন্তত ১০ লাখ টাকা গড়ে প্রতিটি গরু বিক্রি করলেও দেড় হাজার গরুর দাম দাঁড়ায় এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তবে তিনি কর দিতে গিয়ে এই বিশাল অঙ্কের টাকার তথ্য গোপন করেছেন। এর আগেও এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ইমরানের কর ফাঁকির বিষয়ে তদন্ত করেছিল। ওই অনুসন্ধানে কর ফাঁকির তথ্য প্রমাণিত হয়েছিল। তবে সিআইসি সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে আবার তদন্ত হতে পারে। আগের তদন্তের চেয়ে এখন তাঁর বিষয়ে অনেক বেশি তথ্য হাতে রয়েছে। আগামী সপ্তাহে তাঁর ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ইমরান খুবই চতুর ব্যক্তি। সাদিক অ্যাগ্রো কম্পানি হিসেবে ২০১৭ সালে নিবন্ধিত হলেও কম্পানির নামে কোনো রির্টান নেই। এ ছাড়া তিনি জটিলতা এড়িয়ে যেতে ব্যাংক হিসাবে খুব বেশি টাকা রাখেন না। সম্ভবত তিনি নিয়মিত বিভিন্ন কৌশলে টাকা পাচার করেন। অথবা আত্মীয়-স্বজনের নামে সম্পদ কিনে রাখেন।

সাদিক অ্যাগ্রোর বছরে ৮১ লাখ টাকা আয়কে অবাস্তব বলে মনে করেন কর অঞ্চল ৬-এর কমিশনার মো. লুত্ফুল আজিম। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, আমি জানি না তাঁর ফাইলে তিনি কিভাবে হিসাব দেখিয়েছেন। এই মুহূর্তে তাঁর ফাইলটা আমার সামনে নেই, ফলে এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। ঢাকা শহরের ভেতরে এত বড় অ্যাগ্রো ফার্ম আছে সেটাও আমাদের জানা ছিল না। এখন বিষয়টা জানলাম। এখন আমরা অনুসন্ধানে যাব। তবে দুগ্ধখামারের ওপর করহার কম।

তিনি বলেন, সাদিক অ্যাগ্রোর বিষয়ে আগেও সিআইসি থেকে তদন্ত হয়েছিল। এরপর অ্যাসেসমেন্ট কী হয়েছে তা আমি জানি না।

ইমরানের দেখানো হিসাব অনুযায়ী, সাদিক অ্যাগ্রোর স্থায়ী ও চলতি সম্পত্তির পরিমাণ এক কোটি ২০ লাখ ৬৮ হাজার ৯২৪ টাকা। ইকুইটি ও দায়ের পরিমাণ ৯১ লাখ ৩২ হাজার ৩৮ টাকা। ব্যাংক দায় ১৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৪৬ টাকা। চলতি দায়ের পরিমাণ ১৫ লাখ ১২ হাজার ৩৪০ টাকা। সর্বমোট ইকুইটি ও দায়ের পরিমাণ এক কোটি ২০ লাখ ৬৮ হাজার ৯২৪ টাকা।

ইমরানের সম্পত্তির বিবরণীতে দেখা গেছে, সাভারের জামুর মুচিপাড়া মৌজায় বিভিন্ন দলিল নম্বরে ১৫ লাখ ৬১ হাজার ৪৫০ টাকার জমির মালিকানা রয়েছে তাঁর। একই এলাকার বিলামালিয়া মৌজায় ৬৬ লাখ ১৯ হাজার ৫২৫ টাকার জমির মালিকানা রয়েছে। এ ছাড়া মালিকানা ও পরিচালক হিসেবে ছয় কোটি ২৬ লাখ ২৯ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। এর মধ্যে জালালাবাদ স্টিল বিল্ডিং লিমিটেডে তাঁর মালিকানামূল্য ৪০ লাখ টাকা, জালালাবাদ স্টিল লিমিটেডে এক কোটি পাঁচ লাখ চার হাজার টাকা, জালালাবাদ মেটাল লিমিটেডে এক কোটি ৯৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, সাদিক অ্যাগ্রোতে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং জালালাবাদ মেটাল লিমিটেডে দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা।

এক বছরে ইমরান সম্মানি বাবদ পেয়েছেন ১৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৬০ টাকা। এ ছাড়া বিভিন্ন সুবিধা যোগ করলে তাঁর আয়ের পরিমাণ ২৯ লাখ ২৯ হাজার ৭৬০ টাকা। বেতন বাবদ তাঁর করযোগ্য আয় দেখিয়েছেন ২৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭৬০ টাকা। এ ছাড়া কৃষি খাত থেকে আয় বাবদ (সাদিক অ্যাগ্রো) ৮১ লাখ ২১ হাজার ২৬৯ টাকা, ব্যবসা থেকে আয় করেছেন ৯ লাখ ৯ হাজার ৮৮৩ টাকা, ফার্মের লাভের অংশ হিসেবে পেয়েছেন ১২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৭০ টাকা, অন্যান্য খাত থেকে তাঁর আয় এক লাখ আট হাজার ৭৪৭ টাকা। বছর শেষে তাঁর মোট আয় এক কোটি ২৮ লাখ ৬৪ হাজার ৩২৯ টাকা। এর বিপরীতে তাঁর প্রদেয় কর ১৭ লাখ ২২ হাজার ৮৯২ টাকা। সেই হিসাবে তাঁর কর দাঁড়ায় ১৮ লাখ চার হাজার ৩৬৬ টাকা। সব ধরনের মওকুফ বাদ দিয়ে তাঁর করের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৪ লাখ ৮৯ হাজার ৩৬৬ টাকা। এই টাকা তিনি ইসলামী ব্যাংকের বংশাল শাখা থেকে চেকের মাধ্যমে চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি পরিশোধ করেছেন। চেক নম্বর এমসিএইচ ০৬৮৮১৭৮।

এ প্রসঙ্গে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, দৃশ্যত এটি যৌক্তিক বলে মনে হয় না। এখানে আয় লুকানোর একটা সম্ভাবনা থাকতে পারে। এ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা দরকার। একটা অবৈধ জায়গায় তারা ফার্ম করেছিল। বছরে ৮১ লাখ টাকা আয় প্রকৃতপক্ষে তাদের বাস্তব আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এখানে সম্ভাব্য বড় কর ফাঁকির ঝুঁকি রয়েছে।

এসব বিষয়ে বক্তব্য নিতে সাদিক অ্যাগ্রোর স্বত্বাধিকারী ইমরান হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


আরও খবর



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি প্রতিনিধি

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক সীতেশ চন্দ্র বাছার।

এর আগে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যুতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সারা দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শ্রেণি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার রাত ১১টায় দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশনা দেয় ইউজিসি। কমিশনের সচিব ড. ফেরদৌস জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিকেল, টেক্সটাইল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্যান্য কলেজসহ সব কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশনা দিয়ে নিরাপদ আবাসস্থলে অবস্থানের নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

এছাড়া, রাত সাড়ে ১০টা ২০ মিনিটে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় বিষয়টি বিবেচনায় অনির্দিষ্টকালের সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এতে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সব কলেজ ও প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চীন সফর নিয়ে আয়োজিত রোববারের সংবাদ সম্মেলনে কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিপুতিরা সব পাবে?

প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যে বিক্ষোভে ফেটে কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে আহত হয়েছেন অনেকেই।

কোটা সংস্কার ও সারা দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। এতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীর যোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়।

যাত্রাবাড়ী (ঢাকা): কোটা বিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।  সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাজলা মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজার সামনে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন।

এসময় ঢাকা-চটগ্রাম মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অফিসগামীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শতশত মানুষ পায়ে হেঁটে চলাচল করতে দেখা যায়।

শিক্ষার্থীদের মিছিলে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা। মিছিলে মিছিলে মুখরিত হয়ে উঠে গোটা এলাকা।

মিছিলে তাদের স্লোগান প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ভুয়া ভুয়া,  কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা কেন বিচার চাই বিচার চাই, তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার, আমার সোনার বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই, কোটা না মেধা মেধা মেধ , আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম

বাড্ডায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ: বাড্ডায় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন শুরু করেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাস্তার এক পাশ অবরোধ করে রাখেন তারা। শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে বাড্ডা থেকে কুড়িল বিশ্বরোডমুখী সড়ক বন্ধ রয়েছে। এতে করে বনশ্রী ও আবুল হোটেল হয়ে আসা গণপরিবহণ দীর্ঘ জটে পড়ে। ফলে অনেকে বিকল্প রাস্তা হিসেবে হাতিরঝিলকে বেছে নিচ্ছেন। একই এলাকায় ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরাও আন্দোলন করছেন।

এসআই মোজ্জামেল হক বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার পর শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন করছেন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে রামপুরা থেকে কুড়িল বিশ্বরোডগামী রাস্তার যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। তবে মেরুল বাড্ডা থেকে রামপুরাগামী রাস্তার যান চলাচল আংশিক ভাবে চালু রয়েছে।

নতুনবাজারে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ: রাজধানীর নতুনবাজারে বেসরকারি ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ হয়েছে। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান ডিএমপির বাড্ডা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) রাজন কুমার সাহা।

চট্টগ্রামে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ শিক্ষার্থীদের: কোটা সংস্কার ও সারা দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীরা সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছেন।  বেলা ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস থেকে রাস্তায় নেমে আসেন।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪