আজঃ শনিবার ২১ মে ২০২২
শিরোনাম

টিকা নিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী, ভাইরাল ভিডিওটি ভুয়া

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ মার্চ ২০২১ | ২৭৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক


গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সচিবালয় ক্লিনিকে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। মন্ত্রীর ভ্যাকসিন নেয়ার ভিডিওটি গণমাধ্যমের কাছে সংরক্ষিত আছে। যদিও তার টিকা নেয়ার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভুয়া ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে অনলাইনে-অফলাইনে চলছে সমালোচনার ঝড়।

জানা গেছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি সাড়ে সকাল ১০টায় ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। ওই সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, প্রথমে মন্ত্রী ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন, সে সময় ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করেন সাংবাদিকরা। পরে একজন গণমাধ্যমকর্মী ফুটেজ পাননি উল্লেখ করে মন্ত্রীর কাছে পুনরায় ভিডিও নেয়ার জন্য আরেকবার ভ্যাকসিন দেয়ার চিত্র ধারণের সুযোগ চেয়ে অনুরোধ করেন। এসময় মন্ত্রী পুনরায় সাংবাদিকের সুবিধার্থে বসে ভ্যাকসিন নেয়ার ফুটেজ নিতে সহায়তা করেন।

সেসময় টিকা নেয়ার পর অনুভূতি জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, খুবই স্বাভাবিক, মনেই হয়নি যে টিকা নিলাম। বুঝতেই পারিনি কখন টিকা পুশ করেছে। কোনো রকম খারাপ কিছু মনে হওয়া বা ব্যথা পাওয়া এমন কিছুই নয়। অত্যন্ত সুন্দরভাবে টিকা দিয়েছে। আমার ভ্যাকসিন নেয়ার তারিখ আগে ছিল, জ্বরের কারণে আমি প্রথমদিন টিকা নিতে পারিনি। পরে আবার রেজিস্ট্রেশন ট্রান্সফার করে আজ টিকা নিয়ে নিলাম।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্ত্রী ভ্যাকসিন নিচ্ছেন না- এমন একটি ভুয়া ভিডিও আজ শনিবার ভাইরাল হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নিয়ে জানতে চাইলে আ ক ম মোজাম্মেল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ১৭ তারিখে (১৭ ফেব্রুয়ারি) আমি ভ্যাকসিন নিয়েছি। ভ্যাকসিন নেওয়ার পর সচিবের সঙ্গে আমরা যখন বাইরের দিকে যাচ্ছি, ওই সময় একটি চ্যানেলের সাংবাদিক এসে বলেন, তারা ফুটেজ পাননি। ওই সাংবাদিক অনুরোধ করেন, আমি যেন আবার একটু ভ্যাকসিন নেওয়ার ডেমো করি। মূলত তার অনুরোধেই আবার একটু ভ্যাকসিন নেওয়ার ডেমো করতে হয়েছে।

আ ক ম মোজাম্মেল হক আরও বলেন, আমার ভ্যাকসিন নেওয়ার ফুটেজ বিটিভির কাছে রয়েছে। কেউ যদি চ্যালেঞ্জ করতে চায় যে আমি ভ্যাকসিন নিইনি, আমি ওই ফুটেজ দেখাতে পারব।

এর আগে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সচিবালয় ক্লিনিকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও সচিব তপন কান্তি ঘোষ ভ্যাকসিন নিয়েছেন বলে জানিয়েছিল মন্ত্রণালয়। সব গণমাধ্যমেই সে খবর প্রকাশ পেয়েছিল।

তবে শনিবার ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ ও স্বাস্থ্য সচিব মো. আব্দুল মান্নানের সঙ্গে সংসদ সচিবালয় ক্লিনিকের কোভিড ভ্যাকসিন প্রয়োগ কেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন আ ক ম মোজাম্মেল হক। কিছুক্ষণ পর তারা একটি রুমে প্রবেশ করেন। এসময় মন্ত্রী চেয়ারে বসলে একজন নার্স একটি সিরিঞ্জ নিয়ে তার বাম হাতে ভ্যাকসিন প্রয়োগের অভিনয় করেন। এসময় হাসিমুখে চেয়ারে বসেছিলেন মন্ত্রী। পরে বের হয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলছেন, এই অভিনয়টুকু করলেও এর আগেই ভ্যাকসিন নিয়েছেন তিনি। গণমাধ্যমের অনুরোধ ফেলতে না পেরেই তিনি এই অভিনয় করেছেন।

যোগাযোগ করলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষও জানান, মন্ত্রী ভ্যাকসিন নিয়েছেন। তিনি বলেন, সেদিন আমরা দুজনেই ভ্যাকসিন নিয়েছি। মন্ত্রী আমার আগেই ভ্যাকসিন নিয়েছেন। উনি নেওয়ার পর আমি নিয়েছি।


আরও খবর



রাস্তায় ভ্যান রাখায় চালককে বেত্রাঘাত করলেন সিলেট মেয়র

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | ৬৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তাকে কখনো দেখা যায় নায়ক হিসেবে আবার কখনো তিনি পরিণত হন খলনায়কে।

শনিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর থেকে সিলেটের বিভিন্ন জনের ফেসবুক ওয়ালে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে তাকে খলনায়ক হিসেবে দেখা গেছে।

ছবিটিতে দেখা যায়, নগরীর জিন্দাবাজার আল হামরা শপিং সিটির সামনের রাস্তায় এক ভ্যানচালককে বেত্রাঘাত করছেন মেয়র আরিফ। এ নিয়ে ফেসবুকে নিন্দার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন নাগরিক সমাজের কেউ কেউ।

জানা যায়, হজরত বিনয় ভদ্র নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে শনিবার দুপুরে ছবিসহ একটি পোস্ট করা হয়। মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

একজন নিপীড়ক মেয়র এবং আমাদের বিবেক শিরোনামের ফেসবুক পোস্টটিতে লেখা হয়- 

একজন সিগারেট কোম্পানির কর্মচারী ভ্যান রেখে ডেলিভারি দিতে গেছে পাশের দোকানে। সেই সময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিল মেয়রের গাড়ি। তাকে দেখে এই ভ্যানচালক ভ্যান সরিয়ে নিতে গেলে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী তাকে হাত পাততে বলেন এবং উনার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে দুটো বাড়ি দেন। একটু সামনেই রাস্তার পাশে একটি প্রাইভেট কার পার্ক করা ছিল, কিন্তু কবি সেখানে নীরব। কী বলব? এই শহরের অনেক রিকশাচালক ও খেটেখাওয়া মানুষের পিঠ খুঁজলে মেয়র আরিফের লাঠির আঘাতের অনেক দাগ খুঁজে পাওয়া যাবে।

আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ভাইরাল হওয়া ফেসবুক পোস্টটি শেয়ার করে লেখেন, কাজটি সঠিক নয়।

সরেজমিনে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বেত্রাঘাত করা সেই স্থানে গিয়ে জানা যায়, মেয়র আরিফ দুপুরে একটি কোম্পানির ভ্যানচালককে তার গাড়িতে বসে বেত্রাঘাত করেছেন।

এ বিষয়ে সেখানকার এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মেয়রের এই ধরনের আচরণ শিষ্টাচার পরিপন্থি। এ ঘটনার জন্য তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পাশের দোকানের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, তিনি একজন নগরপিতা। তার কাছ থেকে রোজার দিনে এই ব্যবহার আমরা আশা করি না।

তবে বেত্রাঘাতের কথা অস্বীকার করেছেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কেবল লাঠি দিয়ে তাকে ভয় দেখিয়েছি। এখন এটা নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’


আরও খবর



নান্দাইলের সেই আতশবাজি কারখানার মালিক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহের নান্দাইলের অবৈধ আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণে ২ নারী শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় কারখানাটির মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির একটি দল অভিযান চালিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম বোরহান উদ্দিন (৫০)।

২০ এপ্রিল ভোরে নান্দাইলের চণ্ডিপাশা এলাকায় ওই কারখানায় আতশবাজি তৈরীর সময় বারুদ ও রাসায়নিক দ্রব্য হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান দুই শ্রমিক নাছিমা আক্তার (৩০) ও আফিয়া খাতুন (৪৫)। পরদিন কারখানার মালিক বোরহান উদ্দিনের বিরুদ্ধে নান্দাইল থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে এবং হত্যা মামলা করা হয়।

আসামিকে গ্রেফতারের পর শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তাধর বলেন, বোরহান ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে সেই কারখানায় অবৈধভাবে আতশবাজি তৈরি করে আসছিলেন।

৫০ শ্রমিকের ওই কারখানায় ছোট ছোট চকলেট বাজি, তারাবাজি, পটকা ইত্যাদি তৈরি করা হত। তা স্থানীয় বিভিন্ন বাজার ও আশেপাশের এলাকার বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হত।

মুক্তা ধর বলেন, ঘটনার দিন ভোরে আতশবাজি তৈরির সময় দুজন নারী শ্রমিক আতশবাজির প্রচণ্ড বিস্ফোরণে মারা যান।

বোরহান জানিয়েছেন তিনি ঢাকার চকবাজার থেকে আতশবাজি তৈরির জন্য কাঁচামাল কিনতেন। তার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে নান্দাইল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছিল বলে জানায় সিআইডি।


আরও খবর



জুনেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সময় দিলে আগামী জুন মাসের শেষেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বুধবার (১১ মে) রাজধানীর বনানীতে সেতু ভবনে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বোর্ড সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে ধোঁয়াশার কোনো কারণ নেই। আমি মন্ত্রী হিসেবে জেনে-শুনেই বলছি, জুনেই সেতু উদ্বোধন করা হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী মাসের শেষ দিকে আমরা পদ্মা সেতু উদ্বোধনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা এ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ পাঠাচ্ছি। আমরা শেষ দিকে আছি, সামান্য কিছু কাজ বাকি। এটা মে মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সময় দিলে জুনের শেষেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হবে।

তিনি বলেন, আজকের বোর্ড সভায় আমরা কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেতু বিভাগের আওতায় বেশকিছু জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এরমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্প পদ্মা বহুমুখী সেতু।

সেতুর কাজের অগ্রগতি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, মূল সেতু বাস্তবায়ন কাজের অগ্রগতি ৯৮ ভাগ, নদী শাসন ৯২ ভাগ, মূল সেতুর কার্পেটিং ৯১ ভাগ, সার্বিক সেতু প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজের অগ্রগতি ৯৩ দশমিক ৫০ ভাগ।

সেতুর নাম করণ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আমরা বারবার প্রধানমন্ত্রীকে বলার চেষ্টা করেছি, সেতুর নাম শেখ হাসিনা পদ্মাসেতু করার জোরালো দাবি এসেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী রাজি হচ্ছেন না। উদ্বোধনের যে সামারি আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাব সেখানে আবারও নাম শেখ হাসিনা পদ্মাসেতু প্রস্তাব করা হবে। তিনিই নাম ঠিক করবেন, সেটা ওনার এখতিয়ার।

পদ্মা সেতুর টোল প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল বলেন, আমরা টোলের সামারি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছি। তিনি যেটা অনুমোদন করবেন সেটাই হবে।’ পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জুলাই থেকে রেল সংযোগের কাজ শুরু হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কর্ণফুলীর তলদেশে টানেল নির্মাণ। টানেল প্রকল্পের সার্বিক কাজের অগ্রগতি ৮৫ ভাগ। আশা করছি এ বছরই টানেল আলোর মুখ দেখবে।


আরও খবর



বাড়িতেই সিজার করা সেই পশু ডাক্তার গ্রেফতার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | ৭৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নেত্রকোনার বারহাট্টায় প্রসূতিকে সিজার করা সেই পশু চিকিৎসক আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে নেত্রকোনা আদালতে সোপর্দ করলে বিজ্ঞ বিচারক জেল হাজতে পাঠান।বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুল হক।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই থানায় মামলা হয়েছে। মৃত প্রসূতির স্বামী মহসিন মিয়া বাদী হয়ে থানায় মামলাটি করেন। অভিযুক্ত পশু চিকৎসক একই উপজেলার জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা। ওসি বলেন, রাতেই ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে উপজেলা প্রশাসন নিজ উদ্যোগে অভিযোগ ছাড়াই বৃহস্পতিবার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সন্ধ্যায় ওই এলাকা পরিদর্শন করেন।

গত বুধবার চন্দ্রপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে শরীফা আক্তার নামের প্রসূতির সিজার করলে নবজাতকসহ তিনি মারা যান। শরীফা বারহাট্টা সরকারি কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পাস করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর এলাকায় বিয়ে হয় তার। সন্তান প্রসবের সময় ঘনিয়ে এলে ঈদের আগে গত সপ্তাহে চন্দ্রপুর বাবার বাড়িতে নিয়ে আসা হয় তাকে। চন্দ্রপুর গ্রামের বাবার বাড়ি দক্ষিণপাড়ায় পশু ডাক্তারের করা সিজারের পর নবজাতকসহ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পরদিন বৃহস্পতিবার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) সানজিদা চৌধুরী ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শিহাব উদ্দিন। প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাজহারুল ইসলাম এ তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান তদন্ত কমিটির সদস্যরা। সেখানে উপস্থিত এলাকাবাসী, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।


আরও খবর



‘জরুরি পরিষেবা ছাড়া রাজধানীতে রাত ৮টার পর সবকিছু বন্ধ থাকবে’

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৫৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীতে সার্বিক শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং সড়কে যানজট নিরসনে জরুরি পরিষেবা ছাড়া রাত ৮টার পর সব দোকানপাট, শপিং মল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। আজ সোমবার দায়িত্ব পালনের দুই বছর পূর্তিতে নগর ভবনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র তাপস বলেন, ঢাকার ধারণক্ষমতা সব সীমাবদ্ধতা ছাড়িয়েছে। এ থেকে দ্রুত পরিত্রাণ ছাড়া উপায় নাই। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পয়োনিষ্কাশন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা চাই, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করতে। এ জন্য রাত ৮টার মধ্যেই ঢাকার সব দোকানপাট, শপিং মল বন্ধ করতে হবে। শুধু খাবারের দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এ ছাড়া ওষুধের দোকানসহ জরুরি প্রয়োজনীয় সেবাগুলো তাঁদের সুবিধামতো সময় খোলা রাখতে পারবেন।

মেয়র বলেন, বিশ্বের অন্যান্য বড় শহরে দোকানপাট, শপিং মল একটি নির্দিষ্ট সময় অর্থাৎ রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যেই তাদের কার্যক্রম শেষ করে। আমাদেরও ঢাকার শৃঙ্খলা ফেরাতে এ উদ্যোগ নিতে হবে। এ জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। ঢাকার ওপর চাপ কমাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহার আমার গ্রাম, আমার শহর পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। এতে করে ঢাকার ওপর চাপ অনেকটাই কমে আসবে।

মেয়র আরও বলেন, রাত ৮টার পর দোকানপাট বন্ধ করলে যানজট কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসবে। এর আরও বেশ কিছু ভালো দিক আছে। এটি কার্যকর করতে পারলে, আমরা পরিবারকে আরও বেশি সময় দিতে পারব। পারিবারিক বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। এখন দেখা যায়, অনেক ব্যবসায়ী তাঁর প্রতিষ্ঠান মধ্যরাত পর্যন্ত খুলে রাখেন। বাড়ি ফিরতেও দেরি করেন। রাত ৮টার পর দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেলে শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। আমরা এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করব।

ডিএসসিসির মেয়র বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের দুই বছর পূর্তিতে দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই দুর্নীতিমুক্তির দিক থেকে আমরা আমাদের অবস্থান তৈরি করেছি। যদি সরকারের পক্ষ থেকে তালিকা করা হয়, তাহলে নিশ্চিত করে বলতে পারি এই দুর্নীতিমুক্তির দিক থেকে ১ নম্বর প্রতিষ্ঠান হবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। অগ্রযাত্রার দিক থেকে ডিএসসিসিকে কেউ দাবায় রাখতে পারবে না।

নিবন্ধন ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান ব্যবসা করতে পারবে না উল্লেখ করে তাপস আরও বলেন, আমরা পরিকল্পনা করেছি, সেই অনুযায়ী খুব দ্রুত উদ্যোগ নেব। সবাইকে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমোদন নিতে হবে। এ ছাড়া দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় যেসব বাজার আছে, সেগুলো আমাদের আওতায় আনব। কীভাবে সেই বাজার পরিচালনা হবে, কয়টি বাজার থাকবেএগুলো সব আমরা একটি নীতিমালার আওতায় আনব। এই বাজারগুলোকে নিবন্ধন দেব।

জলাবদ্ধতার বিষয়ে দক্ষিণ সিটির মেয়র বলেন, আশা করছি এ বছর রাজধানীতে জলাবদ্ধতা আগের চেয়ে কম হবে। আগে জলাবদ্ধতা হলে তা নিরসন হতে এক ঘণ্টা সময় লাগত। কাজ করার ফলে, চলতি বছরে আধা ঘণ্টার মধ্যে পানি নিষ্কাশন হয়ে যাবে। আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছি।


আরও খবর