আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

তিন মেয়াদে নয় গুণ সম্পদ বেড়েছে এমপি আবু জাহিরের, স্ত্রীর ২৬

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

হবিগঞ্জ-৩ (সদর-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ) আসনে টানা তিনবারের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির। ১৫ বছরে তার আয় ও সম্পদ মিলে বেড়েছে ৯ গুণ। আর তার স্ত্রীর আয় ও সম্পদ মিলে বেড়েছে সাড়ে ২৬ গুণ। একমাত্র ছেলে হয়েছে আড়াই কোটি টাকার মালিক।

তার এসব তথ্য নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দেওয়া ২০০৮ ও ২০২৩ সালের হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেন, নিজের বাৎসরিক আয় ২ লাখ ৪২ হাজার ৭৯০ টাকা। নগদ টাকা, ২৬ ভরি সোনা, গাড়ি, আসবাবপত্রসহ অস্থাবর সম্পত্তি ৩৬ লাখ ২ হাজার ৮০৪ টাকার এবং কৃষি, অকৃষি, আবাসিক/বাণিজ্যিক দালানসহ স্থাবর সম্পত্তি ৩৫ লাখ ২৩ হাজার টাকার। সব মিলিয়ে ৭৩ লাখ ৬৮ হাজার ৫৯৪ টাকার সম্পদ ছিল। আর স্ত্রীর নামে ১৫ ভরি সোনা, আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৮ লাখ ৬০ হাজার ৫৮৪ টাকার অস্থাবর এবং স্থাবর সম্পত্তি ১৪ শতাংশ ভূমি। সব মিলিয়ে ৯ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৪ টাকার সম্পত্তি। তবে সন্তানদের কোনো সম্পদ নেই।

২০২৩ সালে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলফনামায় দেওয়া তথ্যে জানা যায়, নিজের বাৎসরিক আয় হয় ৩৭ লাখ ১৬ হাজার ৯১৬ টাকা। যা আইন পেশা, পরামর্শক ও সংসদ সদস্য হিসেবে ভাতা এবং বাড়ি ভাড়া ও কৃষি খাত থেকে হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় হয় আইন পেশা, পরামর্শক ও সংসদ সদস্য হিসেবে প্রাপ্ত ভাতা থেকে। এ খাতে তার বছরে আয় হয় ৩১ লাখ ৬৬ হাজার ৯১৬ টাকা। ৩১ ভরি সোনা, গাড়ি, আসবাবপত্রসহ অস্থাবর সম্পত্তি আছে ২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার ৫৯ টাকা। কৃষি জমি, হবিগঞ্জ ও ঢাকায় বাড়ি, দোকান ভিটা, অকৃষি জমিসহ ৩ কোটি ৭৫ লাখ ২৭ হাজার ৭৪৬ টাকার স্থাবর সম্পত্তি আছে।

মোট সম্পত্তি বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৬২ লাখ ৭৪ হাজার ৭২১ টাকা। স্ত্রীর নামে ব্যবসাসহ বিভিন্ন খাতে আয় ৬৭ লাখ ৮ হাজার ৭৯ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তি ১০০ ভরি সোনা, গাড়ি, আসবাবপত্রসহ ৮৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা এবং স্থাবর সম্পত্তি কৃষি, অকৃষি জমি ১ কোটি ৭ লাখ ২০ হাজার টাকার। স্ত্রীর মোট সম্পত্তি আছে ২ কোটি ৫৭ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯ টাকা। ছেলের কৃষি, ব্যবসা ও বিভিন্ন খাত থেকে আয় ৯৩ লাখ ৪১ হাজার ৬৫৯ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তি ১০৮ ভরি সোনা ও ইলেকট্রিক পণ্য ৬৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পত্তি কৃষি ও অকৃষি জমি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা। তার নামে মোট সম্পত্তি আছে ২ কোটি ৫২ লাখ ৫ হাজার ১৫৯ টাকা।


আরও খবর



সুন্নাতে খাতনা ইসলামে কেন গুরুত্বপূর্ণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ধর্ম ও জীবন

Image

ইসলামি বিধানে পুরুষ মানুষের খাতনা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। এটি ইসলামের মৌলিক নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফিতরাত (তথা নবীদের সুন্নত) পাঁচটি। তা হলো, খাতনা করা, নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করা, বগলের উপড়ে ফেলা, নখ কাটা এবং গোঁফ খাটো করা। -(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৮৮৯)

একজন ছেলে শিশু শারীরিকভাবে শক্ত-সামর্থ্যবান হওয়ার পরই সুবিধাজনক সময়ে তার খাতনা করিয়ে দেয়া অভিভাবকের নৈতিক দায়িত্ব। আর কোনো কারণে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে যদি খাতনা না করা হয় অথবা বয়স্ক হওয়ার পর কেউ ইসলাম গ্রহণ করে তাহলে তারও খাতনা করা জরুরি।

সর্বপ্রথম সুন্নাতে খাতনা পালন করেছেন হজরত ইবরাহিম (আ.)। হজরত সাইদ ইবনে মুসাইয়াব (রহ.) থেকে বর্ণিত, হজরত ইবরাহিম (আ.) হলেন খাতনার সুন্নত পালনকারী সর্বপ্রথম ব্যক্তি। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ২৬৪৬৭)

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, স্মরণ করো, যখন ইবরাহিম (আ.)-কে তার রব কয়েকটি বাণী দিয়ে পরীক্ষা করেন, অতঃপর তিনি তা পূর্ণ করেন। তিনি বলেন, আমি তোমাকে মানুষের জন্য নেতা বানাব। সে বলল, আমার বংশধরদের থেকেও? তিনি বলেন, জালিমরা আমার ওয়াদাপ্রাপ্ত হয় না। (সুরা বাকারা, আয়াত : ১২৪)

সুরা বাকারার এ আয়াতের ব্যাখ্যায় আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) ইমাম আবদুর রাজ্জাক (রহ.)-এর সূত্রে বর্ণনা করেন, ইবরাহিম (আ.)-এর পরীক্ষাগুলোর মধ্য থেকে একটি শারীরিক পরীক্ষা হলো খাতনা করা। (তাফসিরে ইবনে কাসির : ১/৪০৬)

হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর পর সব নবী-রাসুলই খাতনা করিয়েছিলেন। অনেক হাদিসে এ সুন্নত পালনের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে।

সুন্নাতে খাতনার স্বাস্থ্যগত উপকারিতা

খাতনা করার মাধ্যমে শরীর অধিক পাকপবিত্র ও পরিচ্ছন্ন থাকে। খাতনা করালে শিশুদের মূত্রপথের সংক্রমণ প্রতিরোধ হয়। এর ফলে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, জ্বর, খাবারে অনীহা এবং স্বাস্থ্য ভালো না হওয়া ইত্যাদি রোগ থেকে ঝুঁকিমুক্ত থাকে। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের ক্ষেত্রে খাতনা করালে লিঙ্গের ক্যান্সার প্রতিরোধ হয় ও যৌনবাহিত রোগের ঝুঁকি কমে।

পুরুষাঙ্গের মাথার বাড়তি চামড়ার নিচে এক ধরনের সাদা পদার্থ জমে এবং এটিই পুরুষাঙ্গের ক্যান্সারের জন্য দায়ী। লিঙ্গের মাথায় প্রদাহ, চুলকানি ও জ্বালাপোড়া করলেও খাতনা করালে তা সেরে যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পুরুষের খাতনা এইচআইভি বা এইডস প্রতিরোধে একটি কার্যকর ভূমিকা রাখে, এটি আংশিক সুরক্ষা দেয়। আফ্রিকার যেসব দেশে খাতনার হার বেশি, সেসব দেশে এইডসের হার তুলনামূলক কম।

সুন্নাতে খাতনার প্রসঙ্গে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

পুরুষের খাতনাকে আধুনিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানীরা অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মত বলে মনে করেন। খাতনার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ছত্রাকজাতীয় (ব্যাকটেরিয়া) রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। খাতনার প্রধান সুবিধা হলো, এর ফলে লিঙ্গের অগ্র ত্বকে যে তরল জমে নোংরা অবস্থার সৃষ্টি করে, তা থেকে রেহাই পেতে পারে। দেড় হাজার বছর আগে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাতনার কথা বলেছেন, ব্যাপক গবেষণা শেষে আজকের আধুনিক বিজ্ঞান স্বীকার করেছে, খাতনার ব্যাপক উপকারিতা আছে।

অস্ট্রেলিয়ার মেডিকেল সায়েন্সের অধ্যাপক ড. ব্রায়ান মরিস তার গবেষণায় উল্লেখ করেছেন, যেসব বালকের সারকামসিশন (খাতনা) করা হয়নি, তাদের অপেক্ষাকৃত কিডনি, মূত্রথলি ও মূত্রনালির ইনফেকশন চার থেকে ১০ গুণ বেশি হয়। তিনি মনে করেন, সারকামসিশনের (খাতনা) মাধ্যমে অন্তত এক-চতুর্থাংশ মূত্রনালির ইনফেকশন হ্রাস করা যায়।

ওয়াশিংটনের সৈনিক মেডিকেল কলেজের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. বিজবেল বলেন, আমি প্রথমে খাতনার বিরোধী ছিলাম, পরে দীর্ঘ গবেষণার ফলে প্রমাণিত হলো যে মূত্রথলি ও মূত্রনালিবিষয়ক অনেক জটিল রোগের সমাধান হলো খাতনা।

এ ব্যাপারে ইউরোলজি জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূত্রনালির প্রদাহ শিশুদের বেশি হয় এবং এতে কিডনির সমস্যা, জ্বর ও রক্তের ইনফেকশন পর্যন্ত হতে পারে। এমনকি খাতনা মরণব্যাধি এইডস ও যৌনরোগ প্রতিরোধে সহায়ক। সাধারণ অর্থে লিঙ্গের ক্যান্সার হলো অপরিচ্ছন্নতার ব্যাধি। পুরুষাঙ্গের শীর্ষে ঘা হয়ে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে একসময় ক্যান্সারে রূপ নেয়, এমন রোগীর ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে, খাতনা করানো পুরুষের চেয়ে খাতনা না করানো পুরুষ এ ধরনের ক্যান্সারে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।

যৌনবিজ্ঞানীরা বহুকাল আগে থেকেই বলে আসছেন যে পুরুষের খাতনা করালে স্পর্শকাতরতা বেড়ে যায়। এতে যৌন মিলনে অধিক আনন্দ উপভোগ করে নারী-পুরুষ উভয়ই। বর্তমানে ইংল্যান্ড, আমেরিকাসহ ইউরোপেও প্রচুর পরিমাণে খাতনা করানো হয়। সেখানে গুরুত্বের সঙ্গে এটা দেখা হয়।

নিউজ ট্যাগ: সুন্নাতে খাতনা

আরও খবর
শবে বরাত সম্পর্কে হাদিসে যা বলা হয়েছে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রিচা চাড্ডা ও আলি ফজল মা-বাবা হচ্ছেন

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বলিউড অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম মা হচ্ছেন। গতকালই এই আনন্দের খবর শেয়ার করেছেন সবার সঙ্গে। তার এক দিন পরই জানা গেল বলিউডের আরেক তারকা দম্পতি রিচা চাড্ডা ও আলি ফজলের ঘরে আসছে নতুন অতিথি। তাদের নতুন অতিথি আসার খবর অভিনব উপায়ে জানিয়েছেন তারা।  একটি পোস্ট দিয়ে তাঁরা লিখেছেন, ১‍+১=২; এরপর  থেকেই ভক্ত-অনুসারীরা তাঁদের শুভকামনা জানিয়েছেন।

নিজেদের আরেকটি ছবি দিয়ে তাঁরা লিখেছেন, ছোট্ট একটা হৃৎস্পন্দন এখন আমাদের দুনিয়ার সবচেয়ে প্রবল শব্দ।

এ ছাড়া তাঁদের অভিনন্দন জানিয়েছেন শ্বেতা বসু প্রসাদ, সায়ামি খের, শ্রিয়া পিলগাওকর, ম্রুনাল ঠাকুর, কৃতি খরবান্দা, এলনাজ নুরানিসহ অনেক বলিউড তারকা।

ফুকরে সিনেমা ফ্র্যাঞ্চাইজি দিয়ে জনপ্রিয়তা পান রিচা চাড্ডা ও আলি ফজল। ২০২২ সালে তাঁর বিয়ে করেন। অভিনয় ছাড়াও রিচা ও আলি চলচ্চিত্র প্রযোজনাও করেছেন। তাদের প্রযোজিত সিনেমা প্রদর্শিত হয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে।


আরও খবর
ভারতীয় পরিচালক কুমার সাহানি আর নেই

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের ধৈর্য ধরার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের ধৈর্য ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সংসদে সংসদে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তরদান পর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের পক্ষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ কথা জানান।

 সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু জানতে চান, মিয়ানমারের সীমান্তে যে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এতে সীমান্তের পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে এবং উত্তেজনা বাড়ছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং ইনসার্জেন্সির যে ঘটনা, এর পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ সরকার কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে?

এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে আইনমন্ত্রী বলেন, সীমান্তে উত্তেজনার পরিস্থিতি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রেখেছে। মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি দেখছে। বিজিবি সদস্যদের ধৈর্য ধরার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী স্কুলগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে এখন পর্যন্ত দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ৯৫ সদস্য অস্ত্রসহ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদেরকে নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 অপরদিকে সোমবার দুপুরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জলপাইতলি এলাকায় মিয়ানমারের ছোড়া মর্টারশেলের আঘাতে বাংলাদেশিসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে হোসনে আরা (৫৫) ওই এলাকার বাদশা মিয়ার স্ত্রী। তবে নিহত রোহিঙ্গা পুরুষের (৫৫) পরিচয় জানা যায়নি।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইজতেমা ময়দানে লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায়

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশ নেনে দেশি-বিদেশি কয়েক লাখ মুসল্লি। শুক্রবার (০২ ফেব্রুয়ারি) বেলা দেড়টায় অনুষ্ঠিত জুমার নামাজে কাকরাইল মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জুবায়ের ইমামতি করেন।

ইজতেমা ময়দানে জুমার খুতবা পাঠ শুরু হয় দুপুর ১ বেজে ৩৭ মিনিটে এবং জামাত শুরু হয় দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে। নামজের আগে মাওলানা জুবায়ের বয়ান করেন। জুমার নামাজে অংশ নিতে ইজতেমার মূল প্যান্ডেলের বাইরেও তৈরি হয় দীর্ঘ সারি।

ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত জুমার নামাজে অংশগ্রহণ করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার মাহবুব আলম, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

শুক্রবার (০২ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমা। ইজতেমার প্রথম পর্বে অংশগ্রহণ করেন মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের অনুসারীরা। আজ বাদ ফজর ভারতের মাওলানা আহমদ লাটের বয়ানের মাধ্যমে ইজতেমার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। বাদ আছর বয়ান করবেন মাওলানা জুবায়ের। বাদ মাগরিব বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা আহমদ লাট। আগামী রবিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে প্রথম পর্ব শেষ হবে। এরপর আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ড. ইউনূসের আবেদন খারিজ, দিতে হবে ৫০ কোটি টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীন টেলিকম ট্রাস্টকে ৫০ কোটি টাকা জমা দিয়ে ২০১১ থেকে ১৩ করবর্ষের আয়কর আপিল ফাইল করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি মো. খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ ড. ইউনূসের আবেদন খারিজ করে এ রায় দেন। একই সঙ্গে বলেন, আইন অনুযায়ী যেটা দেওয়ার সেটাই ড. ইউনূসকে দিতে হবে। এখানে অনুকম্পা দেখানোর কোনো সুযোগ নেই।

এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি বেলা ১১টায় আদালতে উপস্থিত হয়ে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় শ্রম আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন ড. ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের অন্য তিন শীর্ষ কর্মকর্তা।

ওইদিন ড. ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, নিম্ন আদালতের আদেশে এক মাসের জামিন দেওয়া হয়েছিল। সেটিও বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছেন তারা। আগের দিন ২৭ জানুয়ারি তিনি জানান, রায়ের বিরুদ্ধে ২৫ থেকে ৩০টি পয়েন্টসহ একটি পিটিশন জমা দেবেন তারা। 

আরও পড়ুন>> ভারতের সঙ্গে রুপিতে বাণিজ্য চুক্তি : খালিদ মাহমুদ

গত ১ জানুয়ারি ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান শেখ মেরিনা সুলতানা এক মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনূস এবং এর পরিচালক আশরাফুল হাসান, নুরজাহান বেগম ও এম শাহজাহানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাদের চারজনকেই ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ২৫ দিন কারাদণ্ড দেন আদালত। আর রায়ের পরই পৃথক জামিন আবেদন করলে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে চারজনকেই জামিন দেন আদালত।

এর আগে গত ১৬ নভেম্বর মামলাটিতে তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে রাষ্ট্রপক্ষ। তারও আগে গত বছরের ৬ জুন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হলে রাষ্ট্রপক্ষের চার সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বিভাগের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) এসএম আরিফুজ্জামান। নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৬ আগস্ট আইএফইডি কর্মকর্তারা রাজধানীর মিরপুরে গ্রামীণ টেলিকমের অফিস পরিদর্শন করে শ্রম আইনের সঙ্গে কিছু লঙ্ঘন দেখতে পান।


আরও খবর