আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

টঙ্গীতে টুপির কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

গাজীপুরের টঙ্গীর সাতাইশ এলাকায় একটি টুপি তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট কাজ করছে।

টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রোববার (৭ মে) রাত সাড়ে ৯টায় গাজীপুরের সাতাইশ এলাকার জিজে ক্যাপ অ্যান্ড হেডওয়ার লিমিটেড নামক কারখানাটিতে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে টঙ্গী, গাজীপুর ও উত্তরাসহ ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিটের কর্মীরা কাজ করছে।

স্থানীয়রা জানান, রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কারখানাটির পাঁচতলায় আগুন লাগে। এ সময় কারখানার ভেতরে শ্রমিকরা কাজ করছিলেন। কারখানার ভেতর আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়লে শ্রমিকরা তাড়াহুড়ো করে কারখানা থেকে নেমে সড়কে অবস্থান নেন। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে প্রথমে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে গাজীপুর ও উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের আরও ৫টিসহ মোট ৮টি ইউনিটের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা চালাচ্ছেন।

টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, কারখানার ভেতরে কোনো শ্রমিক নেই। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছেন।

কারখানাটির মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, কারখানাটিতে প্রায় ১ হাজার ৬৫০ জন শ্রমিক রয়েছে। আগুন লাগার পর শ্রমিকরা কারখানা থেকে বেরিয়ে সড়কে অবস্থান নেন। এখনও কোনো শ্রমিক নিখোঁজের সংবাদ পাইনি।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




প্রথমবারের মতো গ্রহাণুতে পানির অস্তিত্ব শনাক্ত

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

প্রথমবারের মতো গ্রহাণুর পৃষ্ঠে পানির অণু শনাক্ত করা হয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন, আমাদের বসবাসযোগ্য এই গ্রহে বিধ্বস্ত হওয়া এমন সব গ্রহাণুর প্রভাবে আদি পৃথিবীতে পানি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান তৈরি হয়েছিল।

ইনফ্রারেড অ্যাস্ট্রোনমি এয়ারবর্ন টেলিস্কোপের জন্য তৈরি স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারিক অবজারভেটরির একটি যন্ত্র থেকে ডেটা সংগ্রহ করা হয়। সোফিয়া নামে পরিচিত ইনফ্রারেড টেলিস্কোপটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উপরে স্ট্রাটোস্ফিয়ারের মধ্য দিয়ে একটি বোয়িং ৭৪৭এসপি উড়োজাহাজে চড়ে মহাবিশ্ব পর্যবেক্ষণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

সোফিয়া টেলিস্কোপে সংযোজিত ফেইন্ট অবজেক্ট ইনফ্রারেড ক্যামেরার মাধ্যমে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মঙ্গল এবং বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথের মধ্যে অন্যতম গ্রহাণু বেল্টের দুটি গ্রহাণু-আইরিস এবং ম্যাসালিয়াতে এমন পানির অণু শনাক্ত করেছেন। গ্রহাণু দুটোই সূর্য থেকে ২২ কোটি ৩১ লাখ মাইলেরও বেশি দূরে রয়েছে। সাময়িকী প্ল্যানেটারি সায়েন্স জার্নালের বরাতে শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংবাদমাধ্যম সিএনএন। 

আরও পড়ুন>> সৌরজগতে ধোঁয়াসদৃশ নক্ষত্রের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা

সান আন্তোনিওর সাউথওয়েস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান গবেষক ড. অ্যানিসিয়া অ্যারেডোন্ডো বলেন, টেলিস্কোপের মাধ্যমে চাঁদে পানির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার পর জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা গ্রহাণুতে নতুনভাবে গবেষণা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত হন।

এর আগে, ২০২২ সালের জুলাইতে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে এবার গ্রহে পানির অস্তিত্ব ধরা পড়েছে। আমাদের আকাশগঙ্গার ছায়াপথের দূরতম স্থানে পৃথিবীর মতো একটি গ্রহে পানি থাকার চিহ্ন শনাক্ত করা হয়েছে। এর আগে নতুন টেলিস্কোপটি দিয়ে তোলা মহাবিশ্বের কয়েকশ কোটি বছর আগের প্রথম সম্পূর্ণ রঙিন ও চমকপ্রদ ছবি প্রকাশ করে নাসা। মঙ্গলবার নাসা আরও ছবি প্রকাশ করবে।

নাসার পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়-১ হাজার ১৫০ আলোকবর্ষ দূরে ডব্লিউএএসপি-৯৬বি নামের ওই গ্যাসীয় গ্রহটির অবস্থান। সূর্যের মতো একটি নক্ষত্রকে ঘিরে আবর্তন করা উষ্ণ বায়ুমণ্ডলের পৃথিবীর মতো ওই গ্রহে (এক্সোপ্লানেট) মেঘ ও কুয়াশা থাকার প্রমাণও মিলেছে। 


আরও খবর



বিএনপিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান কাদেরের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল বৃহস্পতিবার জেল থেকে বের হয়ে নেতাকর্মীদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে বলেছেন। ফখরুলের এমন মন্তব্যের পর বিএনপিকে আন্দোলনের কথা না ভেবে পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর সঙ্গে যৌথসভা শেষে এই আহ্বান জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আন্দোলনের দিবাস্বপ্ন দেখছে।

তিনি বলেন, জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকলে আন্দোলনের ইস্যু খুঁজে পাওয়া যায় না, এটা বিএনপির টের পাওয়া উচিত।

মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের বিষয়ে কাদের বলেন, মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো দেশের জন্য সম্মানের এবং গর্বের। অতীতে কখনও এটা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কঠিন ষড়যন্ত্র ও বাধার মুখে নির্বাচন করেছেন জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে যারা মনোনয়ন পাননি তাদের ধৈর্য ধরতে হবে।


আরও খবর



রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের প্রতিবেদনে ভুল তথ্য আছে : আরাফাত

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) ২০২৩ সালের মে মাসে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাতে ভুল তথ্য আছে এবং সেখানে বাস্তবতার প্রতিফলন নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) এর প্রতিবেদন ও র‌্যাংকিং নিয়ে প্রেস ব্রিফ্রিংকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)-এর ওয়েবসাইটে যে প্রতিবেদন ও র‌্যাংকিং প্রকাশ হয়েছে, তা নিয়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও সাধারণ জনগণের মধ্যে হতাশা আছে। ওয়েবসাইটে ভুল, অর্ধসত্য ও অপর্যাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে ১৬৩তম দেখানো হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ক্রমবিকাশ, সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার জন্য বর্তমান সরকারের অব্যাহত উদ্যোগকে অস্বীকার করা হয়েছে। দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার অবাধ স্বাধীনতার প্রকৃত চিত্রের বিপরীতে আরএসএফের মূল্যায়ন অগ্রহণযোগ্য, পক্ষপাতদুষ্ট এবং সত্যের বিচ্যুতি বলে সরকার মনে করে।

তিনি আরও বলেন, আরএসএফের ওয়েবসাইটে ছয়জন সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম রতন, আহমেদ খান বাবু, গোলাম মোস্তফা রফিক, খলিলুর রহমান, মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান এবং এস এম ইউসুফ আলী সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে তারা আটক হয়ে জেলে আছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী তাদের নিয়ে আরএসএফের এ দাবি অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন।

ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, আরেএসএফ এর প্রতিবেদনে প্রচুর ভুল, অর্ধসত্য, অসত্য তথ্যের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশকে র‌্যাংকিং করা হয়েছে। এ ধরণের সূচক বা র‌্যাংকিংকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অনেকেই আমাদের সাথে কথা বলার সময় বলতে চান যে আমাদের গণতন্ত্র, মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই। এ র‌্যাংকিং পুনর্মূল্যায়নের জন্য আরএসএফকে দাপ্তরিকভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও যোগ করেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আরএসএফ-এর বাংলাদেশ অধ্যায়ে বর্ণিত তথ্য অসম্পূর্ণ, অপর্যাপ্ত, এবং বিভ্রান্তিকর। আরএসএফ এর দাবির বিপরীতে দেখা যায় ২০০৯ সাল থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সরকারি গণমাধ্যমের চেয়ে বেসরকারি টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেল সম্প্রসারণে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতার শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, গ্রামীণ জনগণের ক্ষমতায়নসহ উন্নয়নমুখী নানা অনুষ্ঠান ও সংবাদ প্রচার করে। জনকল্যাণে সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত সব উন্নয়ন কাজ জনগণের কাছেই তুলে ধরে এ দুটি সম্প্রচার মাধ্যম। ফলে সরকার ও জনগণের মধ্যে প্রতিনিয়তই সেতৃবন্ধন তৈরি করছে বিটিভি ও বেতার। অথচ আরএসএফ রিপোর্টে উল্টোভাবে বলা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী এ সময় আরও বলেন, সাইবার স্পেসকে সন্ত্রাসী, মৌলবাদী ও দুর্বৃত্তদের হাত থেকে রক্ষা করতে বাংলাদেশ সরকার ২০১৮ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) চালু  করে। তবে আইনের কিছু ধারা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষিতে সরকার ডিএসএ বাতিল করে এর পরিবর্তে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) প্রণয়ন করে বাংলাদেশ সরকার। এই আইনে সংবাদ প্রকাশের সাথে সম্পর্কিত মানহানি মামলায় সাংবাদিকদের গ্রেফতারের পরিবর্তে আইনী তলব করার বিধান রাখা রয়েছে। আইনগত প্রেক্ষাপট নিয়ে আরএসএফের সর্বশেষ প্রতিবেদনের উদ্বেগ এই মুহুর্তে প্রাসঙ্গিক নয়। এ বিষয়গুলো আরএসএফ এর পুনর্মূল্যায়ন করা উচিত এবং তার একটা প্রতিফলন তাদের পরবর্তী প্রতিবেদনে থাকা উচিত।

এ সময় তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা বজায় রাখতে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। তবে বর্তমান সরকার গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে সাথে নিয়ে এই চ্যালেঞ্জগ মোকাবিলায় বহুমুখী প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার, সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও তাদের মর্যাদা পুনরুদ্ধারে সাংবাদিক পরিচয়পত্র নীতিমালা,২০২২ চূড়ান্ত করেছে, ২০১৪ সালে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করেছে, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছে। সাংবাদিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে, মান সম্মত বেতন ও জীবিকা নিশ্চিত করতে সরকার নবম ওয়েজ বোর্ড গঠন করেছে, এবং দশম ওয়েজ বোর্ড গঠনের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ভালো উদ্যোগগুলো আরএসএফ এর প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হয়নি।

তিনি যোগ করেন, আরএসএফ এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বর্তমান র‌্যাংকিং একবারেই বাস্তবতা বহির্ভুত। আরএসএফের এ ধরণের রিপোর্টকে পূর্ণাঙ্গ বলা যায় না। বাংলাদেশ সরকার চায় আরএসএফ বাস্তবাতার প্রতিফলন ঘটাতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরুক এবং যে প্রতিবেদন অর্ধসত্য এবং ভুল তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে তার পুনর্মূল্যায়ন করুক।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সত্য দিয়ে অসত্য মোকাবিলা করতে চাই। গণমাধ্যমের পরিবেশ নিয়ে যেখানে সত্যিই উন্নতি করার সুযোগ আছে সেখানে সরকার তা করবে। আমরা সত্যিকার অর্থেই আরএসএফ এর র‌্যাংকিং এ উপরে উঠতে চাই।


আরও খবর



ইসরায়েলের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক সীমান্ত মেতুলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গত বছর ২০২৩ এর ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়েছে ইসরায়েল। কারণ, ওই দিন ইসরায়েলের শক্তিশালী গোয়েন্দা বিভাগ ও সীমান্তরক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে দেশটির অভ্যন্তরে নজিরবিহীন অভিযান চালায় ফিলিস্তিনের গাজাভিত্তিক গোষ্ঠী হামাস। ওই দিন ইসরায়েলে প্রায় এক হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয়। আহত হয় দুই হাজারেরও বেশি। এছাড়াও আড়াই শতাধিক মানুষকে ইসরায়েল থেকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে আসে হামাস যোদ্ধারা। হামাসের এই কর্মকাণ্ডে হতবিহ্বল হয়ে পড়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

হামাসের ওই হামলার জবাবে অবিলম্বে গাজায় আগ্রাসন শুরু করে ইসরায়েল। তারা ঘোষণা দেয়, হামাসকে নির্মূল করা ও জিম্মিদের উদ্ধার করা এই যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু দীর্ঘ চার মাসেও সেই লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়নি ইসরায়েল। বরং এখনও গাজায় স্থল অভিযানে হামাস যোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে নাস্তানাবুদ হচ্ছে ইসরায়েলি সৈন্যরা। শুধু তাই নয়, আকাশপথেও গাজা থেকে ইসরায়েলে আঘাত হানতে রকেট সক্ষমতাও দেখিয়ে যাচ্ছে হামাস।

তবে গাজার চেয়েও ইসরায়েলের জন্য বিপজ্জনক দেশটির সর্ব উত্তরের মেতুলা সীমান্ত। তিন দিক থেকে লেবানন বেষ্টিত এ শহরটি একরকম নিঃসঙ্গভাবে পাহারা দিচ্ছে ইসরায়েলি সীমান্তরক্ষীরা। অর্থাৎ ইসরায়েলের এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় হুমকি ইরান-সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেতুলা সীমান্তের এক সীমান্তরক্ষী তার আঙ্গুল দিয়ে হিজবুল্লাহর অবস্থান নির্দেশ করছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আমরা তিন দিক থেকে হিজবুল্লাহর নজরে রয়েছি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বিপজ্জনক সীমান্ত পাহারা দিচ্ছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সীমান্তরক্ষীর বরাতে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ইসরায়েলের এই শহরটি পশ্চিমে এক চুতার্থাংশ, উত্তরে আধা মাইল এবং পূবে আধা মাইল লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর নজরে রয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর থেকেই দেশটির মেতুলা সীমান্তে সৈন্য জমায়েত করে হিজবুল্লাহ। পরে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতে জড়ায় ইসরায়েল। তবে এই সীমান্তে চূড়ান্ত যুদ্ধের পক্ষে নন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। কারণ এ অঞ্চলের সীমান্তরক্ষীরা জানেন হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো মানে তাদের এখানে বৃহৎ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সীমান্তরক্ষী জানিয়েছেন, আমরা জানি হিজবুল্লাহ হামাসের চেয়ে বেশ আধুনিক এবং শক্তিশালী বাহিনী। হামাসের চেয়ে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা বেশি। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার আল-আসাদের পক্ষে লড়াই করে আসছে।

এছাড়া হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘাতে জড়িয়ে পড়া ওয়াশিংটনেরও মাথা ব্যাথার কারণ বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। হামাস-ইসরায়েল সংঘাত যদি আঞ্চলিকভাবে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে এই যুদ্ধে ইরানও জড়িয়ে পড়তে পারে। তাই মেতুলা সীমান্তে ইসরায়েলের জন্য হিজবুল্লাহ বড় ধরনের বিপদ বলে মনে করা হচ্ছে।


আরও খবর



যৌন হয়রানির অভিযোগে ভিকারুননিসার শিক্ষক প্রত্যাহার

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাসের দিবা শাখার এক সিনিয়র শিক্ষককে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরীর সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে। এ কারণে শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে এবং এ বিষয়ে আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ওই শিক্ষককে আজ থেকে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মুরাদ হোসেন সরকার। তাদের অভিযোগ, ওই শিক্ষক কোচিংয়ে পড়ানোর সময় ছাত্রীদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালাতেন।

অবশ্য ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ কী, তা অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়নি।


আরও খবর