আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

ট্রলি-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আলীগঞ্জ এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রবিবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের রানীগঞ্জ সড়কে একটি অটোরিকশার সঙ্গে ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশার চালকসহ দুই জন ঘটনাস্থলে নিহত হন।

নিহতদের একজন একই ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আমির আলী (৪৫), আরেকজনের নাম পরিচয় জানা যায়নি। জগন্নাথপুর থানার এসআই ওবায়েদ উল্লাহ ঘটনাস্থল থেকে দুই জন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ৯ ফেব্রুয়ারি

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২ | ১৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিয়েকাণ্ডে ক্রিকেটার নাসির হোসেন, তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি ও তামিমার মা সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেওয়া হবে।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচারমানহানির অভিযোগে দায়ের দায়ের করা হয় এ মামলা। গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে তামিমার সাবেক স্বামী মো. রাকিব হাসান মামলাটি দায়ের করেন।

পরে গত ৩০ সেপ্টেম্বর নাসির ও তার স্ত্রী তামিমের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের মিজানুর রহমান। মামলার তদন্তে ক্রিকেটার নাসির হোসেন, তামিমা সুলতানা তাম্মী ও তামিমার মা সুমি আক্তারকে দোষী উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। অভিযুক্তদের আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছিলেন আদালত।

পরদিন আদালতে আসামিরা উপস্থিত হয়ে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের জন্য আবেদন করেন। অপরদিকে বাদী পক্ষের আইনজীবী জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা মুচলেকা নিয়ে জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

২২ গজের ক্রিকেটীয় পারফর্মেন্সে নয়, ব্যক্তিগত জীবনের কারণে বার বার আলোচনায় ক্রিকেটার নাসির। গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বিয়ে করেছিলেন নাসির হোসেন। আর সেই বিয়ে নিয়ে বিপাকে পড়েন তিনি। মূলত ডিভোর্স না দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে এ সমস্যায় পড়েন নাসির। তামিমা ও রাকিব হাসানের বিবাহবিচ্ছেদ সংক্রান্ত নথি জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।


আরও খবর



৭ লাখ টাকা হলেই বেঁচে যাবে মেধাবী ছাত্র নাঈম

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাঁচার আকুতি মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী মেধাবী ছাত্র নাঈম মোল্যার (২০)। তিনি ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে রাজধানী ঢাকার পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নাঈমের চিকিৎসায় এ পর্যন্ত কয়েক লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। উন্নত চিকিৎসা করাতে প্রয়োজন আরও অন্তত ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা। কিন্তু তার দরিদ্র বাবার পক্ষে এত টাকা সংগ্রহ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসা চালিয়ে নিতে জরুরি ভিত্তিতে সমাজের বিত্তবান-হৃদয়বান ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়ে আকুল আবেদন জানিয়েছে নাঈমের পরিবার।

নাঈম ফরিদপুরের সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের পাটপাশা গ্রামের মো. সোরহাব মোল্যার একমাত্র ছেলে। নাঈম ২০২০ সালে সালথা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন।

ছোটবেলা থেকে মেধাবি ছিলেন নাঈম। তার স্বপ্ন লেখাপড়া করে মানুষের মতো মানুষ হওয়া। কিন্তু মরণব্যাধি ক্যান্সারের থাবায় ভাঙতে যাচ্ছে তার সেই স্বপ্ন। নাঈমের বাবা-মা তাদের একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। কিন্তু অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে না পারার কষ্টে নাঈমের অসহায় বাবা-মা এখন বাকরুদ্ধ।

নাঈমের প্রতিবেশীরা জানান, মেধাবী ছাত্র নাঈম। কয়েক মাস আগে তার মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। নাঈম অত্যন্ত বিনয়ী ও ভালো ছেলে। হঠাৎ তার এমন ব্যাধি ধরা পড়ল, যা সত্যিই দুঃখজনক। নাঈমের বাবা একজন খেটে খাওয়া মেহনতি দিনমজুর। তার সামর্থ্য নেই ছেলের চিকিৎসা খরচ চালিয়ে যাওয়া। এমন পরিস্থিতিতে সমাজের বিত্তবান-সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা নাঈমের চিকিৎসা খরচ চালাতে আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে, হয়তো বেঁচে যাবে এ মেধাবী ছাত্রের প্রাণ।

নাঈমকে সাহায্য পাঠানোর জন্য:

ইউসিবি ব্যাংক, সালথা উপশাখা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট- ইতালি টেলিকম, অ্যাকাউন্ট নম্বর: ০৬৯২১১২০০০০০১০৯৮


আরও খবর



পঁচাত্তরের পরের সরকারগুলো ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয় : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | ২২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হত্যার পর যেসব সরকার রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল, তাদের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, পঁচাত্তরের পরে যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য তারা ছাত্রদের হাতে, মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়। তাদের ব্যবহার করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্ত্রের ঝনঝনানি ছিল তখন।

বৃহস্পতিবার সকালে নবনির্মিত জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তর-পরবর্তী সরকারগুলোর ফোকাস ছিল ক্ষমতা ভোগ করা এবং কুক্ষিগত করা। জনগণের কী প্রয়োজন সেদিকে তাদের দৃষ্টি ছিল না।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।


আরও খবর



সন্তান জন্ম দেওয়ার এত দরকার কেন : তসলিমা নাসরিন

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | ৭৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সন্তান জন্ম দেওয়ার এত দরকার কেন? মেয়েরা, এমনকী প্রতিষ্ঠিত, সমাজের নানা নিয়ম ভেঙে ফেলা সাহসী মেয়েরাও, তিরিশ পার হলেই সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে! মঙ্গলবার রাত থেকে তসলিমা নাসরিনের এই পোস্ট প্রশ্ন তুলে দিয়েছে, নাম না করে প্রথম সারির নায়িকা পরীমণিকেই কি বিঁধলেন তিনি? সোমবার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর ফেসবুকে নিজেই জানান অভিনেত্রী।

সঙ্গে সঙ্গে তোলপাড় দুই বাংলা। পরী জানান, তিনি অভিনেতা শরিফুল রাজের সন্তান গর্ভে ধারণ করেছেন। ওই দিনই রাজ-পরীর গোপন বিয়ের খবরও জানেন সবাই। তার পরেই তসলিমার পোস্ট নজরে পড়ে সবার। দুই তারকার অনুরাগীদের অনুমান, এই পোস্ট সম্ভবত বাংলাদেশি নায়িকার উদ্দেশেই লেখা।

যৌন হেনস্থা থেকে মাদক মামলা সম্প্রতি পরীমণির জীবনে ঘটে যাওয়া একের পর এক অঘটনে তাঁকে খোলাখুলি সমর্থন জানিয়েছেন জনপ্রিয় এই লেখিকা। পরীমণির সাহস তাঁকে মুগ্ধ করেছিল সে সময়ে। তার পরেই বাকি মেয়ের মতোই গোপনে বিয়ে এবং প্রকাশ্যে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়া বোধ হয় ব্যতিক্রমী নায়িকার থেকে আশা করেননি তিনি।

তসলিমা যে কোনও বিষয়েই তাঁর মতপ্রকাশের জন্য বেছে নেন ফেসবুককে। এ বারেও তার অন্যথা হয়নি। লেখিকার মতে, এই ব্যাকুলতা কতটা নিজের জন্য, কতটা পুরুষতান্ত্রিক রীতিনীতি মানার জন্য? আমি কিন্তু মনে করি নিজের জন্য নয়। মেয়েরা সন্তান জন্ম দিতে চায় সমাজের দশটা লোকের জন্য। বাল্যকাল থেকে শুনে আসা, শিখে আসা 'মাতৃত্বেই নারীজন্মের সার্থকতা' জাতীয় বাকোয়াজ মস্তিস্কে কিলবিল করে বলেই মনে করে ইচ্ছেটা বুঝি নিজের।

তসলিমার এই কথার কিছুটা সমর্থন মিলেছে পরীমণির কথাতেই। মঙ্গলবার রাতে  একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে গুণিন ছবির ছোট্ট ঝলক পোস্ট করা হয়। সেখানে নেপথ্য কাহিনি হিসেবে রাজ-পরীর বিয়ের দৃশ্য (পর্দায় না বাস্তবে?) দেখানো হয়েছে। বেনারসি, গয়নায় সেজে ওঠা পরী প্রতি মুহূর্তে নিজেকে আয়নায় দেখতে ব্যস্ত। তার পর রাজের সঙ্গে মালাবদল। পাল্কি চড়ে তিনি শ্বশুরবাড়ির পথে। সেখানেই তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, এই রকম বিয়ের স্বপ্নই আমি বরাবর দেখে এসেছি!’’ তা হলে কি তসলিমার কথাই ঠিক?

উত্তর অজানা। তবে তস যুক্তি, পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা প্রায় আটশ' কোটি। এত ভিড়ের পৃথিবীতে আপাতত কোনও নতুন জন্ম কাঙ্ক্ষিত হওয়ার কথা নয়। কিন্তু মেয়েরা যদি ভেবে নেয় জন্ম না দিলে তাদের জীবনের কোনও অর্থ নেই, তা হলে তারা যে ভুল তা তাদের বোঝাবে কে! সন্তানের জন্ম তারা দিতেই পারে যদি এমনই তীব্র তাদের আকাঙ্ক্ষা, তারপরও এ কথা ঠিক নয় জন্ম না দিলে তাদের জীবনের কোনও অর্থ নেই। কোনও কোনও মানুষ তাদের জীবনকে শখ করে অর্থহীন করে। তা ছাড়া, কারও জীবনই অর্থহীন নয়। বরং যে ভ্রূণ আজও জন্মায়নি, সে ভ্রূণ অর্থহীন! যুগে যুগে পৃথিবীর প্রচুর শিক্ষিত, স্বনির্ভর, সচেতন মেয়ে বিয়ে করেননি, সন্তান জন্মও দেননি!


আরও খবর



রবিবার সংসদে উঠছে নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইন

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২ | ২১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নির্বাচন কমিশন নিয়োগ বিল জাতীয় সংসদের অধিবেশনে উঠছে রবিবার (২৩ জানুয়ারি)। আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক 'প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল ২০২২' সংসদে উত্থাপন করবেন। বিলটি সংসদে তোলার জন্য ওই দিনের কার্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য বিলটি আনা হয়েছে। আইনমন্ত্রী বিলটি তুললে তা আইন, বিচার ও সংসদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংসদীয় কমিটির রিপোর্টের জন্য বিলটির সময় খুব কম দেওয়া হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব বিলটি পাস করা হবে। এটি পাস হওয়ার পরেই নতুন নির্বাচন কমিশন এর আলোকে নিয়োগ করা হবে।

এর আগে গত সোমবার (১৭ জানুয়ারি) এ আইনটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। সেদিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের জন্য একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হবে। সেটা মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে।

ইসি ও সিএসই নিয়োগে যোগ্যতার বর্ণনা করে তিনি জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার হতে হলে তাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। বয়স কমপক্ষে ৫০ বছর হতে হবে। একইসঙ্গে কোনও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি বা বিচার বিভাগীয় পদে কমপক্ষে ২০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: নির্বাচন কমিশন

আরও খবর