আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

উগান্ডায় সমকামিতার বিরুদ্ধে কঠোর আইন

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

সমকামিতার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর আইন করেছে আফ্রিকার দেশ উগান্ডা। প্রেসিডেন্ট ইউরি মুসাভেনি আইনটি সই করেছেন বলে সোমবার দেশটির স্পিকার জানিয়েছেন।

আল জাজিরা জানিয়েছে, উগান্ডায় সমকামী সম্পর্ক এমনিতেই অবৈধ। আফ্রিকার আরও ৩০ টির বেশি দেশেও সমকামী সম্পর্ক অবৈধ। কিন্তু উগান্ডার নতুন আইন এক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। কেউ সমকামিতায় দোষী সাব্যস্ত হলে তার যাবজ্জীবন জেল হতে পারে।

আরও পড়ুন: উত্তর কোরিয়াকে জাপানের হুঁশিয়ারি

তাছাড়া, ১৮ বছরের নিচে কারও সঙ্গে সমকামী যৌন সম্পর্ক থাকলে কিংবা সমকামী যৌন সম্পর্ক থেকে কারও মধ্যে এইচআইভি/এইডস এর মতো প্রাণঘাতী রোগ সংক্রমিত হলে নতুন আইনে হতে পারে মৃত্যুদণ্ডও।

আরও পড়ুন: ঘানায় নৌ দুর্ঘটনায় ৫ জন নিহত

সমকামিতার প্রচার চালানোর ক্ষেত্রেও ২০ বছরের সাজার বিধান রাখা হয়েছে নতুন আইনে।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




রুশ যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

রাশিয়ার মস্কোর কাছে একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। দেশটির জরুরি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে মস্কোর কাছাকাছি এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। সুখোই সুপারজেট ১০০ নামের বিমানটি বনাঞ্চল এলাকায় তিনজন ক্রু নিয়ে বিধ্বস্ত হয়। ধারণা করা হচ্ছে তাদের কেউ বেঁচে নেই। বিমানটিতে কোনো যাত্রী ছিল না। শুক্রবার (১২ জুলাই) এই ঘটনা ঘটেছে বলে রুশ সংবাদ সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এএফপি।

দেশটির সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিমানটি মেরামতের পরই পরীক্ষামূলকভাবে উড্ডয়নের পর বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১২ জুলাই) পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনা করতে বিমানটি উড্ডয়ন করা হয়।

রাশিয়া নিজেদের তৈরি সুখোই সুপারজেট বিমান বিভিন্ন অঞ্চলে মোতায়েন করেছে। মূলত দেশটির যেসব অঞ্চলে পশ্চিমাদের তৈরি বিমান ব্যবহার করা হয়েছে, সেখানে এই বিমান ব্যবহার হচ্ছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর পর নিজেদের তৈরি বিমান ব্যবহারে ব্যাপকভাবে ঝুঁকেছে মস্কো।

শুক্রবার রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিমানটি গভীর জঙ্গলে বিধ্বস্ত হয়েছে এবং এতে স্থানীয় কোনো ব্যক্তি আহত ও নিহত হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে দেখা যাচ্ছে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হচ্ছে। বিধ্বস্তের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জিআই স্বীকৃতি পেল গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গহনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে গোপালগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ব্রোঞ্জের গহনা। এটি জেলার দ্বিতীয় পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতি অর্জন করেছে। গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গহনা নিবন্ধনের জন্য ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন, ২০১৩-এর ধারা ১২ অনুসারে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তর কর্তৃক জার্নালে প্রকাশ করা হয়।

এই স্বীকৃতির ফলে জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড়ের ব্রোঞ্জের গহনার ঐতিহ্যকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। এ ছাড়া ব্রোঞ্জের গহনা তৈরির  সঙ্গে সম্পৃক্ত কারিগরদের কর্মসংস্থান ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। ব্রোঞ্জ শিল্পভিত্তিক অর্থনীতি আরো গতিশীল হবে। এলাকার আর্থ-সামজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।

চলতি বছরের ১২ মার্চ জলিরপাড়ের ব্রোঞ্জের গহনার জিআই পণ্যের স্বীকৃতি চেয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোতে আবেদন করা হয়। এর আগে গোপালগঞ্জের রসগোল্লা জেলার প্রথম পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতি লাভ করেছিল।

ব্রোঞ্জ গহনা প্রস্তুতকারক জলিরপাড় গ্রামের জগদীশ শীল বলেন, ব্রোঞ্জ গহনা তৈরির তামা, দস্তা ও পিতলের দাম বেড়েছে। সহজ প্রাপ্যতা কমেছে।

ভারতসহ অন্যান্য দেশের ব্রোঞ্জ গহনার রং খুব চকচকে। আমাদের গহনার রং তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। সুদৃশ্য, মনোহর ও শোখিন দামি গহনার বাজার ভারত ও চীনের দখলে চলে গেছে। তাই কানের দুল, হাতের বয়লাসহ যেসব গহনার চাহিদা রয়েছে এমন সব গহনা আমরা তৈরি করি। সরকার এ শিল্পকে আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ও সব ধরনের সহযোগিতা করলে আমরা ব্রোঞ্জ গহনার শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারব।


আরও খবর



ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের আদেশ বহাল

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখায় ভর্তিকৃত প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

রোববার (১৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে শিক্ষার্থীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক, ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। ভিকারুননিসার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রাফিউল ইসলাম।

এর আগে ৭ জুলাই বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখায় ভর্তিকৃত প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ।

গত ২৭ জুন বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখায় ভর্তিকৃত প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল থাকবে বলে হাইকোর্টের দেওয়া রায় প্রকাশ করা হয়।

বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিকআলজলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চের দেওয়া রায়ে বলা হয়, ১৫ দিনের মধ্যে ১৬৯ শিক্ষার্থীর শূন্য আসনে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে সিরিয়াল অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করতে ভিকারুননিসা নূন স্কুল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আর ভালো ভর্তি প্রক্রিয়া, জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নিতে একটি অনুসন্ধান কমিটি করতে বলা হয়েছে।

পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা।

ভিকারুননিসায় ভর্তি নিয়ে বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগ এনে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি-ইচ্ছুক দুই শিক্ষার্থীর মা গত ১৪ জানুয়ারি রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। তার ধারাবাহিকতায় ২৮ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) একটি স্মারক হাইকোর্টে উপস্থাপন করে।

মাউশির ওই আদেশ মতে, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা অনুসরণ করেনি। ১ জানুয়ারি ২০১৭ সালের আগে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার প্রক্রিয়া ছিল বিধিবহির্ভূত। এসব ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০১৫ সালে জন্মগ্রহণকারী ১০ জন ও ২০১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৫৯ জন। এসব শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করে শিগগিরই মাউশিকে অবহিত করার অনুরোধ করা হলো।

এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ ১৬৯ জনের ভর্তি বাতিল করে। ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের পর এখন অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে শূন্য আসনে ভর্তি নিতে গত ৬ মার্চ নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে বাতিলকৃত শিক্ষার্থীর অভিভাবক আপিল বিভাগে আবেদন করেন।

আপিল বিভাগ ২০ মার্চ হাইকোর্টে জারি করা রুল দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলেন। এই সময় পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিল ও অপেক্ষমাণদের ভর্তির ওপর স্থিতাবস্থা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ভর্তি বাতিল হওয়া ১২০ শিক্ষার্থীর পক্ষে আরেকটি রিট করা হয়।

প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ২৫ মার্চ হাইকোর্ট রুল দেন। পৃথক রুলের ওপর একসঙ্গে শুনানি শেষে ২১ মে রায় ঘোষণা করা হয়।

রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট বয়সসীমার পরিপ্রেক্ষিতে প্রার্থীদের (আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের) ফিল্টার করার জন্য সফটওয়্যারে কোনো প্রোগ্রাম স্থাপন করা হয়নি। এরমধ্যে গত বছরের ২ ডিসেম্বর অযোগ্য ১৬৯ শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও অন্যান্য অনিয়মে জড়িতদের চিহ্নিত করতে অনুসন্ধান করতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের পুনরাবৃত্তি না হয় এবং নিষ্পাপ শিশুরা কর্তৃপক্ষের অবহেলা, অদক্ষতা ও অপকর্মের বিষয়বস্তু না হতে হয়।

রায়ে আরও বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভিকারুননিসার পুরো ভর্তি প্রক্রিয়া অনুসন্ধান করবে। অনুসন্ধান কমিটি আরও ভালো ভর্তি প্রক্রিয়া চালু করার এবং অপরাধীদের খুঁজে বের করার পরামর্শ দেবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আইন অনুযায়ী চিহ্নিত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

এ জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ বিভাগের সচিবকে ৩ সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি করতে বলা হয়। অতিরিক্ত সচিব মর্যাদার নিচে নয় এমন কর্মকর্তার নেতৃত্বে কমিটি করতে বলা হয়। বাকি দুই সদস্যের মধ্যে একজন শিক্ষা বোর্ড থেকে অপরজন আইটি এক্সপার্ট বুয়েট থেকে যুক্ত করতে বলা হয়।

এই রায়ের অনুলিপি শিক্ষা সচিব, বুয়েটের উপাচার্য এবং শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠাতে বলা হয়।

উল্লেখ্য, ভিকারুননিসায় ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা (নিজেদের নির্ধারিত) অনুসরণ না করে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে বিধিবহির্ভূতভাবে ভর্তি হওয়া ২০১৫ সালে জন্মগ্রহণকারী ১০ জন এবং ২০১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী ১৫৯ জনসহ মোট ১৬৯ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল চেয়ে আবেদন করেন একজন অভিভাবক। স্কুল কর্তৃপক্ষ সাড়া না দেওয়ায় তিনি হাইকোর্টে রিট করেন।


আরও খবর
কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রোববার

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ঈদ-গ্রীষ্মের ছুটি শেষে খুলল প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি মিলিয়ে ২০ দিনের ছুটি কাটানোর পর আজ বুধবার (৩ জুলাই) খুলে দেওয়া হলো দেশের সব প্রাথমিক স্কুল। গত ১৩ জুন থেকে শুরু হয় ছুটি। শিক্ষাপঞ্জি হিসেবে মঙ্গলবার (২ জুলাই) পর্যন্ত বন্ধ ছিল এসব স্কুল।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন বলেন, ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন ২০ দিনের ছুটি শেষে প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলছে। বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে স্কুলের ছুটি বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেই।

এর আগে, শিখন ঘাটতি পূরণে মাধ্যমিকে ঘোষিত ছুটি এক সপ্তাহ কমিয়ে গত ২৬ জুন থেকে খুলে দেওয়া হয় স্কুল-কলেজ। তবে প্রাথমিকে পূর্ব ঘোষিত ছুটি বহাল রাখা হয়। এদিকে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারাদেশে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। বন্যার কবলে পড়েছে সিলেট। এ পরিস্থিতির মধ্যেই খুলছে প্রাথমিক স্কুল।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বছরের শুরুতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা, বিভিন্ন পরীক্ষা ও মূল্যায়নের সূচি ঘোষণা করে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে স্কুল এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়।

অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ছুটির তালিকা, বিভিন্ন পরীক্ষা ও মূল্যায়নের সূচি জানানো হয়।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যাটারি কারখানায় আগুন, ২০ মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি লিথিয়াম ব্যাটারি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ২০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। সোমবার (২৪ জুন) দ্য পেনিনসুলার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি ব্যাটারি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে দমকল বাহিনী। বিশাল কারখানাটির দ্বিতীয় তলায় স্টোরেজে আনুমানিক ৩৫ হাজার ব্যাটারি সেল ছিল। এছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে আরও ব্যাটারি সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

কারখানা থেকে প্রায় ৭৫ জনকে নিরাপদে বের করে আনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে এখনো অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন।

দমকল কর্মী কিম জিন-ইয়ং গণমাধ্যমকে জানান, কারখানাটির দ্বিতীয় তলা থেকে যখন লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি পরীক্ষা ও প্যাকেটজাত করা হয়, তখন শ্রমিকরা কারখানার দ্বিতীয় তলা থেকে সিরিজ বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। এরপর ঘটনাস্থলে প্রায় ২০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

কিম বলেন, আরও বেশি বিস্ফোরণের আশঙ্কায় ভেতরে ঢুকতে অসুবিধা হচ্ছিল। যেহেতু এটি একটি লিথিয়াম ব্যাটারি প্রস্তুতকারক, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে স্প্রে করা পানি দিয়ে আগুন নেভানো যাবে না, তাই আমরা বর্তমানে শুকনো বালি ব্যবহার করছি।

তিনি আরও বলেন, একটি উদ্ধারকারী দল কারখানার ভেতরে গেছে এবং তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।

উল্লেখ্য, লিথিয়াম ব্যাটারি প্ল্যান্টটি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাথমিক ব্যাটারি প্রস্তুতকারক অ্যারিসেলের মালিকানাধীন। এটি রাজধানী সিউলের দক্ষিণে হোয়াসিয়ং শহরে অবস্থিত। লিথিয়াম ব্যাটারি ল্যাপটপ থেকে বৈদ্যুতিক যানবাহন পর্যন্ত সবকিছুতে ব্যবহৃত হয় । তবে এটি অত্যন্ত বিস্ফোরক হতে পারে। কারণ লিথিয়াম ব্যাটারি গরম এবং দ্রুত জ্বলে ওঠে এবং প্রচলিত অগ্নি নির্বাপক পদ্ধতির সাথে এটিকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪