আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নামে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | ১৭২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে বারী নাজিরপুরে যোগদানের পর পরই হাসপাতালকে দালালমুক্ত করেছেন। হাসপাতালের জমি অবৈধ দখলবাজদের থেকে উদ্ধার করেছেন

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে বারীর নামে মিথ্যাচার ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শুভ ওঝা, অফিস সহকারী মো. আবুল খানসহ কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয়রা।

বক্তারা বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে বারী নাজিরপুরে যোগদানের পর পরই হাসপাতালকে দালালমুক্ত করেছেন। হাসপাতালের জমি অবৈধ দখলবাজদের থেকে উদ্ধার করেছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেকে একটি উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নিরালস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

এ কারণে এখন দালাল চক্র হাসপাতাল থেকে রোগীদের বেসরকারি বিভিন্ন ক্লিনিকে নিতে না পেরে ডা. ফজলে বারীর বিরুদ্ধে নানা রকম মিথ্যাচার ও মনগড়া খবর ছড়াচ্ছে।

এছাড়া, পত্রিকায় যে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে প্রতিবাদ জানিয়েছে বক্তারা।


আরও খবর



৪৫০০ টাকা ভাড়ায় আধুনিক ফ্ল্যাট পেল বস্তির তিনশ পরিবার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর মিরপুরে বস্তিবাসীদের জন্য ১৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বহুতল ভবনে ৫৩৩টি আধুনিক ফ্ল্যাট নির্মাণ করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার।

এর মধ্যে প্রথম দফায় ৩০০টি ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা হয়েছে।

বস্তির ঝুপড়ি ঘরের সমান বা তার চেয়েও কম ভাড়ায় এসব আধুনিক ফ্ল্যাট পাচ্ছেন বস্তিবাসীরা।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের স্ব-অর্থায়নে বস্তিবাসীদের জন্য মিরপুরে নির্মিত ভাড়াভিত্তিক ৩০০টি ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দ্বিতীয় দফায় বাকি ২৩৩টি ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা হবে।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে নির্বাচিত ৩ জন উপকারভোগী বস্তিবাসীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে বরাদ্দপত্র তুলে দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

এ সময় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

বিভিন্ন সময় বস্তি পরিদর্শনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিভিন্ন সময় বস্তিতে ঘুরার সময় দেখেছি তাদের মানবেতর জীবন। 

তিনি বলেন, বস্তিতেও তাদের ভাড়া দিয়ে থাকতে হয়। সেখানে রান্নার আলাদা ব্যবস্থা থাকে না, বাথরুমের জন্য লাইন ধরতে হয়, নোংরা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। এসব ফ্ল্যাট স্বাস্থ্য সম্মত, উন্নত-আধুনিক সুবিধা সম্বলিত। আজকে ফ্ল্যাট পেয়ে বস্তির এ মানুষগুলো সুন্দর জীবন পাবে এটা ভালো লাগছে।

পর্যায়ক্রমে বস্তিবাসীদের জন্য আরও ভাড়াভিত্তিক ফ্ল্যাট করার পরিকল্পনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

দেশের সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে টানা তিনবারের সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না।

একই অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ঢাকায় নির্মিত ২৪৭৪টি ফ্ল্যাট সংবলিত ৫টি আবাসন প্রকল্প এবং মাদারীপুরে নির্মিত সমন্বিত অফিস ভবন উদ্বোধন করেন।

এ সময় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার।

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে মিরপুরের ১১ নম্বর সেকশনের বাউনিয়া বেড়িবাঁধ এলাকায় ছয় বিঘা জমির ওপর ১৪তলার পাঁচটি ভবনে ৫৩৩টি আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রতিটি ভবনে রয়েছে কমিউনিটি হল, দুটি লিফট ও প্রশস্ত সিঁড়ি, অগ্নিনির্বাপণ ও সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা, ৪০ কেভিএ জেনারেটর ও ২৫০ কেভিএ সাব-স্টেশন, প্রশস্ত ওয়াকওয়ে ও সৌন্দর্যবর্ধনের লাইটিংসহ আধুনিক সুবিধা।

৬২০ থেকে ৭১৯ বর্গফুট আয়তনের প্রতিটি ফ্ল্যাটে রয়েছে দুটি করে বেডরুম, একটি বারান্দা, একটি ড্রয়িং রুম, বেসিন, রান্নাঘর ও দুটি বাথরুম। ফ্ল্যাটের দুই পাশে ফাঁকা জায়গা। ফ্ল্যাটগুলো টাইলস করা।

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী আধুনিক এসব ফ্ল্যাটের ভাড়া সাড়ে ৭ হাজার টাকা রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে, এ ভাড়া আরও কমতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

রাজধানীর বিভিন্ন বস্তিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাধারণত বস্তিতে টিনের ঝুপড়ি ঘরে এ আকারের একেকটি রুমের ভাড়া ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা। বস্তিতে অনেকগুলো পরিবারকে অত্যন্ত নিম্নমানের একই টয়লেট, রান্নাঘর ও গোসলখানা ব্যবহার করতে হয়। আধুনিক সুবিধা বলতে কিছুই থাকে বস্তিতে।

তুলনা করলে অর্থের পরিমাণের দিক থেকে বহুতল ভবনে নির্মিত এসব ফ্ল্যাটের ভাড়া বস্তির ঝুপড়ি ঘরের সমান বা কম।

আধুনিক ফ্ল্যাটগুলোর ভাড়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক ও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ফ্ল্যাটগুলোর ভাড়া আমাদের ডিপিপিতে সাড়ে সাত হাজার টাকা আছে। এখন এটা হয়তো পুর্নবিবেচনা করবে। কমাতে পারে, এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবে বস্তিতে ভাড়া যে রকম সে রকমই নেওয়া হবে। ওখানে আশপাশে বস্তিতে যারা থাকেন, সেখানে তারা একটা রুম ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে থাকেন।

৫৩৩টি ফ্ল্যাটের মধ্যে প্রথম দফায় ৩০০টি হস্তান্তরের পর বাকিগুলো কবে নাগাদ হস্তান্তর করা হবে জানতে চাইলে মোস্তফা কামাল বলেন, ডিসেম্বরে প্রকল্পের মেয়াদ শেষের মধ্যে বাকি ২৩৩টি ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামীতে বস্তিবাসীর জন্য এ রকম আরও ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

মঙ্গলবার বস্তিবাসীর মধ্যে ভাড়াভিত্তিক এসব ফ্ল্যাট হস্তান্তর ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রাজধানীর মতিঝিল, আজিমপুর, মিরপুর, মালিবাগ ও তেজগাঁও এলাকায় পাঁচটি আবাসন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন।


আরও খবর



ঈদুল আযহায় সারাদেশে মোট ৯০ লাখ ৯৩ হাজার ২৪২টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ১২১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এবছর পবিত্র ঈদুল আযহায় সারাদেশে মোট ৯০ লাখ ৯৩ হাজার ২৪২টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। যার মধ্যে ৪০ লাখ ৫৩ হাজার ৬৭৯টি গরু-মহিষ, ৫০ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৮টি ছাগল-ভেড়া ও অন্যান্য ৭১৫টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে।

ঢাকা বিভাগে ৯ লাখ ৭৩ হাজার ৮৩৩টি গরু-মহিষ, ১২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৬টি ছাগল-ভেড়া ও অন্যান্য ৩৬৩টিসহ মোট ২২ লাখ ৩৯ হাজার ২৫২টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০ লাখ ৭১ হাজার ২৩১টি গরু-মহিষ, ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮৬টি ছাগল-ভেড়া ও অন্যান্য ২০১টিসহ মোট ১৮ লাখ ৯৯ হাজার ৫১৮টি, রাজশাহী বিভাগে ৬ লাখ ১৬ হাজার ৭৩৩টি গরু-মহিষ, ১২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৩টি ছাগল-ভেড়া ও অন্যান্য ১২৯টিসহ মোট ১৮ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৫টি, খুলনা বিভাগে ২ লাখ ৩৯ হাজার ১৪৭টি গরু-মহিষ, ৬ লাখ ১৮ হাজার ৪৪৩টি ছাগল-ভেড়া ও অন্যান্য ১১টিসহ মোট ৮ লাখ ৫৭ হাজার ৬০১টি, বরিশাল বিভাগে ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬২১টি গরু-মহিষ, ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫৮টি ছাগল-ভেড়াসহ মোট ৪ লাখ ৬১ হাজার ৯৭৯টি, সিলেট বিভাগে ২ লাখ ৯ হাজার ৫৬৯টি গরু-মহিষ, ১ লাখ ৯৯ হাজার ৩৬৪টি ছাগল-ভেড়া ও অন্যান্য ৮টিসহ মোট ৪ লাখ ৮ হাজার ৯৪১টি, রংপুর বিভাগে  ৪ লাখ ৯৬ হাজার ২২০টি গরু-মহিষ, ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৬৩৯ টি ছাগল-ভেড়াসহ মোট ১০ লাখ ৪৪ হাজার ৮৫৯টি এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১ লাখ ৮০ হাজার ৩২৫টি  গরু-মহিষ, ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬১৯টি ছাগল-ভেড়া ও অন্যান্য ৩টিসহ মোট ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে।

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সরকার এবছর অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গবাদিপশু ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম গ্রহণ করে। সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও আইসিটি বিভাগসহ অন্যান্য দপ্তর-সংস্থা, জেলা-উপজেলা প্রশাসন, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশসহ অন্যান্য বেসরকারি সংগঠন ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে গবাদিপশুর ডিজিটাল হাট পরিচালনা করে। যার প্রেক্ষিতে এবছর অনলাইনে মোট ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৫৭৯টি গবাদিপশু বিক্রয় হয়েছে যার আর্থিক মূল্য ২ হাজার ৭৩৫ কোটি ১১ লাখ  ১৫ হাজার  ৬৭৮ টাকা। গতবছর অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গবাদিপশু বিক্রয় হয়েছিল ৮৬ হাজার ৮৭৪টি যার আর্থিক মূল্য ছিল ৫৯৫ কোটি ৭৬ লাখ ৭৪ হাজার ৭৪ হাজার ৮২৯ টাকা। এবছর গতবছরের তুলনায় প্রায় ৫ গুণ বেশি গবাদিপশু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিক্রয় হয়েছে। আগামী বছর অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গবাদিপশু ক্রয়-বিক্রয়ের পরিসর আরো বাড়ানোর লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কাজ করবে।

করোনা মহামারির মধ্যেও গবাদিপশু উৎপাদন, কোরবানির পশু প্রস্তুতকরণ, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা ও খামারিদের উদ্বুদ্ধকরণ, পশুর হাটে ভেটেরিনারি মেডিকেল সেবা প্রদানসহ সুষ্ঠুভাবে কোরবানির সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্য ষংশ্লিষ্ট সকল প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। একইসাথে স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রাণিসম্পদ খাতের খামারি, উদ্যোক্তা, ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনসহ কোরবানির সাথে সম্পৃক্ত সকল সরকারি-বেসরকারি দপ্তর-সংস্থা ও সংগঠনকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও সচিব।


আরও খবর



গার্মেন্টস খোলায় করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ আগস্ট ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে গার্মেন্টস খুলে দেয়ায় করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, একদিনের ঘোষণায় শ্রমিকরা ঝুঁকি নিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে, এটা আমাদের জন্য আরও ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি নিয়ে আসতে পারে।

রবিবার (১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর বিসিপিএস মিলনায়তনে প্রথমবর্ষের এমবিবিএস ক্লাসের (২০২০-২১) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, আজ থেকে গার্মেন্টস খুলে দেয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু তারা স্বাস্থ্যবিধি মানেনি। ফলে করোনা সংক্রমণ আরও বাড়বে। তবে জীবনের জন্য জীবিকার দরকার হয়। সরকারকে সবকিছুই ভাবতে হয়।

তিনি বলেন, এখন দেশের উত্তরাঞ্চলে সংক্রমণ কম। মধ্যাঞ্চলে সংক্রমণ স্থিতিশীল আছে। পূর্বাঞ্চল তথা কুমিল্লায় বাড়ছে। কিন্তু হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।

জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ খুলে দিয়েছিল আবার বন্ধ করে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়াতে কারফিউ দিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে মাস্ক পড়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছিল কিন্তু আবার পড়তে বলেছে। অনেক জায়গায় রেস্টুরেন্ট খুলে দিয়েছিল আবার বন্ধ করে দিয়েছে। সবজায়গায় একই অবস্থা। সেজন্য আমাদেরকেও সাবধানে এগুতে হবে। সবকিছু ভেবেই এগুতে হবে যাতে সংক্রমণ বৃদ্ধি না পায়। কারণ সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে মৃত্যুর হার বাড়বে।

বিধিনিষেধ থাকবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিধিনিষেধ থাকতে হবে। আমরা তো এখনও করোনা ফ্রি হইনি। আমাদের দেশে এখনও করোনা ঊর্ধ্বমুখী। বিধিনিষেধ অবশ্যই থাকতে হবে। বিধিনিষেধের মধ্যেই তা মেনে কাজ করতে হবে। টিকা কর্মসূচি শুরু করেছি আমরা, এটাও একটা বড় হাতিয়ার করোনার বিরুদ্ধে। টিকা আমরা আগে সেভাবে পাইনি যার ফলে দিতে পারিনি। এখন প্রত্যেক সপ্তাহে টিকা আসছে। আমরা টিকা দেওয়ার একটা বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।

আগামী এক সপ্তাহে এক কোটি মানুষকে করোনা টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, আগামী ৭ আগস্ট থেকে টিকার ক্যাম্প করা হবে। টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করা লাগবে না। ভোটার আইডিকার্ড নিয়ে কেন্দ্রে গেলেই হবে। যাদের কার্ড নেই তাদের বিশেষ ব্যবস্থায় টিকা দেয়া হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব আলী নূর প্রমুখ বক্তব্য দেন। এসময় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন বিএমএর সভাপতি মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন।


আরও খবর



মৌলভীবাজারে সাপে কামড়ের ঘটনা বাড়লেও নেই কোন চিকিৎসা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | ১১৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মৌলভীবাজারের পাহাড়ী এলাকা ও বনাঞ্চলে বেড়েছে বিষাক্ত সাপ। প্রায়ই সাপের দংশনের খবর পাওয়া যায়। ইতিমধ্যে মারাও গেছেন একজন, আহত হয়েছে আরও অনেকে। কিন্তু জেলার কোন হাসপাতালে নেই সাপে কামড়ের চিকিৎসা এন্টিভেনম। একমাত্র উপায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।

চিকিৎসকরা বলেন, বিষাক্ত সাপে কামড়ের পর যত দ্রুত সম্ভব এন্টিভেনম দিতে হবে, না হলে মানুষকে বাঁচানো যাবেনা। কিন্তু শ্রীমঙ্গল বা কমলগঞ্জ থেকে সিলেট পৌঁছাতে অন্তত দুই থেকে আড়াই ঘন্টা সময় প্রয়োজন। ততক্ষণে সাপের কামড় খাওয়া ব্যক্তি শরীরে বিষক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ার কারণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এ অবস্থায় জরুরি হয়ে পড়েছে মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলের হাসপাতালে এর চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি পাহাড়ী এলাকায় বিশেষ করে শ্রীমঙ্গলের দোকান, বাড়ি, বাজার ও গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিষধর সাপ। কামড় খেয়েছেন তিনজন, এর মধ্যে একজন মারা গেছেন। সর্বশেষ গত ২৪ জুলাই শ্রীমঙ্গল নোয়াগাও গ্রামে সাপের কামড়ে ৮ বছরের এক শিশু আহত হয়েছে। ২৩ জুলাই ডুলুছড়া এলাকায় একটি দোকান থেকে বিশাল একটি দাঁড়াশ সাপ উদ্ধার করা হয়। ১৯ জুলাই জেরিন চা বাগান থেকে ৩টি জীবিত ও ২টি মৃত সাপ উদ্ধার করা হয়।

গত ৫ জুলাই শ্রীমঙ্গল এম আর খান চা বাগানে সাপের কামড়ে আহত হন চা শ্রমিক প্রবাসী নেপালী। ১১ জুলাই পৌরসভার কাঁচা বাজার ও ১০ জুন নতুন বাজার কাঁঠালবাহী জীপ গাড়ি থেকে বিপন্ন প্রজাতির দুটি সাপ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়াও চলতি বছরে অসংখ্য সাপ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান, শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক সজল দেব।

মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বধায়ক ডা: বিনেন্দু ভৌমিক জানান, এ হাসপাতালে সাপে কামড়ের এনন্টিভেনম নেই। এ ভেনম প্রদানের বেশ কৌশল রয়েছে প্রশিক্ষণ ছড়া এটি দেয়া সম্ভব না। এর জন্য জনবল প্রয়োজন। আইসিউ বেড থাকলে ভালো। কারণ এন্টিভেনম প্রদানের সময় এনাফাইলেকটিক শক হয়ে (বিরূপ প্রতিক্রিয়া) রোগী মারা যেতে পারেন।

সিভিল সার্জন ডা: জালাল উদ্দিন চৌধুরী জানান, মৌলভীবাজার জেলায় সম্প্রতি সাপের কামড় ও উপদ্রবের বিষয়টি তিনি অবগত রয়েছেন। ইতিমধ্যে অনলাইনে সাপে কামড়ের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরাও এতে অংশ নেন। সাপের কামড়ের চিকিৎসা চালুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।



আরও খবর



দেশে করোনায় একদিনে আরও ২২৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে আবারও করোনায় একদিনে মৃত্যু ২০০ পার হলো। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২২৮ জন। আর তাতে করে এক ধাক্কায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বেড়ে গেলো ৩৩ জন। গতকাল (২৪ জুলাই) ১৯৫ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর।

মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে ১১ হাজার ২৯১ জন শনাক্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে অধিদফতর। গতকাল (২৪ জুলাই) ছয় হাজার ৭৮০ জন আর তার আগের দিনে ছয় হাজার ৩৬৪ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল অধিদফতর।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২২৮ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত মোট মারা গেলেন ১৯ হাজার ২৭৪ জন। আর শনাক্ত হওয়া ১১ হাজার ২৯১ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৩৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১০ হাজার ৫৮৪ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনা থেকে সুস্থ হলেন নয় লাখ ৯৮ হাজার ৯২৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে রোগী শনাক্তের হার ৩০ দশমিক শূন্য চার শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ১৫ দশমিক ৬২ শতাংশ। আর শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৬৫ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩৭ হাজার ৯৭২টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৭ হাজার ৬৮৭ টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৪ লাখ ৫৫ হাজার ২৮১টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৫৪ লাখ ৭৭ হাজার ৫৩ টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১৯ লাখ ৭৮ হাজার ২২৮টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২২৮ জনের মধ্যে পুরুষ ১২৫ জন আর নারী ১০৩ জন। দেশে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে পুরুষ মারা গেলেন ১৩ হাজার ১৯৯ জন আর নারী মারা গেলেন ছয় হাজার ৭৫ জন।

তাদের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে রয়েছেন দুজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩৩ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৭০ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২২ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে আটজন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে দুইজন আর শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে রয়েছে একজন।

মারা যাওয়া ২২৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ৬৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৪০ জন, রাজশাহী বিভাগের ২১ জন, খুলনা বিভাগের ৫০ জন, বরিশাল বিভাগের ছয়জন, সিলেট বিভাগের ১১ জন, রংপুর বিভাগের ১৬ জন আর ময়মনসিংহ বিভাগের আছেন ১৫ জন।

আর স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছেন, ২২৮ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ১৭৪ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৪০ জন আর বাড়িতে মারা গেছেন ১৪ জন।


আরও খবর
করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১