আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

উপসর্গহীন আক্রান্তরা কী করবেন!

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে কী করা যাবে, কী করা যাবে না সে সম্পর্কে নানা বিধি-নিষেধ জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আবার করোনায় আক্রান্ত হলেই যে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে, এমনটাও কিন্তু নয়। বিশেষ করে যারা করোনায় আক্রান্ত কিন্তু উপসর্গহীন, তারা বাড়িতেই হোম আইসোলেশনে থাকতে পারেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে তাদের বেশকিছু নিয়মনীতি কঠোর ভাবে মেনে চলতে হবে। এমনটাই প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

উপসর্গহীন কারা?

পরীক্ষা করানোর পরে করোনা পজেটিভ এলেও অনেকের ক্ষেত্রে তেমন কোনো উপসর্গ দেখা যায় না। বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের কফ, শ্বাসকষ্ট, পেশি-সহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ব্যথা, ক্লান্তি, মাথার যন্ত্রণা, স্বাদ ও গন্ধহীনতা ইত্যদি নেই, তারাই উপসর্গহীন।

উপসর্গহীন আক্রান্তদের থেকে করোনা ছড়াতে পারে, কিন্তু তার সম্ভাবনা প্রবল উপসর্গ রয়েছে যাদের, তাদের তুলনায় কম। উপসর্গহীনদের তেমন কোনো চিকিৎসার দরকার নেই। অন্যদিকে, মৃদু উপসর্গযুক্ত করোনা আক্রান্তদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, বাড়িতে থাকার পাশাপাশি ঘরোয়া চিকিৎসা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া।

বাড়িতে যেসব ব্যবস্থা রাখা উচিত

উপসর্গহীন বা মৃদু উপসর্গের রোগী হলেও তার সার্বক্ষণিক দেখাশোনার জন্য একজন লোক থাকা জরুরি। অক্সিজেনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। থাকতে হবে পালস অক্সিমিটার, ডিজিটাল থার্মোমিটার, পিপিই।

হোম আইসোলেশন শুধুমাত্র ৫০ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। গর্ভবতী নারীদের কোনোভাবেই হোম আইসোলেশনে রাখা যাবে না।

করোনায় আক্রান্ত কারো হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস, ওবেসিটি, থাইরয়েড হলে উপযুক্ত চিকিৎসাসহ হোম আইসোলেশনে থাকা সম্ভব। কিন্তু ক্যান্সার, কিডনির সমস্যা, হার্টের রোগ, এইচআইভি পজিটিভ, যক্ষায় ভুগছেন, এমন করোনায় আক্রান্তদের হোম আইসোলেশনে রাখা যাবে না।

হোম আইসোলেশনে থাকা করোনায় আক্রান্তের সঙ্গে দেখা করতে কেউ আসতে পারবেন না। কিন্তু রোগীকে আনন্দে রাখা, সাহস দেয়ার কাজটা করতে পারেন আত্মীয়স্বজন এবং প্রতিবেশীরা। অকারণে আতঙ্কিত না হয়ে রোগীকে সাহস জোগালে সহজেই জয় করা যাবে মরণঘাতি এই ভাইরাসকে।



আরও খবর
যেভাবে রান্না করবেন মেজবানি মাংস

বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১




চীনে আগুনে পুড়ে ১৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৬১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চীনের জিলিন প্রদেশের একটি গুদামে অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে গুরুতর আহত হন অন্তত ১২ জন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

স্থানীয় সময় শনিবার বিকালে চীনের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটির শহর চাংচুনের একটি গুদামে ভয়াবহ আগুন লাগে। কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় আকাশ। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে দমলকল বাহিনীর সদস্যরা। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

আগুনে পুড়ে এখন পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যাম সিনহুয়া। গুরুতর দগ্ধদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা না গেলেও তদন্ত নেমেছে কর্তৃপক্ষ।

গত জুনে একটি মার্শাল আর্ট স্কুলে অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ১৮ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিল শিক্ষার্থী।


আরও খবর
ভারতে আবারও বেড়েছে মৃত্যু

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




রাজধানীতে বিধি-নিষেধ অমান্য করায় আটক ৫৫৫

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কঠোর বিধি-নিষেধ অমান্য করায় মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাজধানীতে ৫৫৫ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ২৩৬ জনকে ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৯৭৫ টাকা জরিমানা করা হয়।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকে দিনভর ডিএমপির বিভিন্ন থানা এলাকায় একযোগে পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক ও জরিমানা করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম জানান, এ দফায় কঠোর বিধিনিষেধের পঞ্চম দিনে ডিএমপির ৮টি বিভাগে বিভিন্ন থানা পুলিশ একযোগে অভিযান চালায়। বিধিনিষেধ অমান্য করে বাইরে বের হওয়ার অভিযোগে সারাদিনে ৫৫৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২৩৬ জনকে ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৯৭৫ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে, পঞ্চমদিন বিধি-নিষেধ অমান্য করায় ৪৯৭ টি গাড়িকে ১১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। এ দফায় শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধ চলবে আগামী ৫ আগস্ট দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত।


আরও খবর



করোনায় খুলনা বিভাগে আরও ৪৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়া জেলায়। একই সময়ে বিভাগে করোনায় পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৮৬ জন।

সোমবার (২৬ জুলাই) বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে। এর আগে গতকাল রবিবার বিভাগে ৪৫ জনের মৃত্যু এবং ১ হাজার ২৭৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে সর্বোচ্চ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়া জেলায়। বাকিদের মধ্যে খুলনায় ১১ জন, যশোরে ১১ জন, বাগেরহাট ও মেহেরপুরে তিনজন করে; নড়াইল ও মাগুরায় ২ জন করে এবং ঝিনাইদহে একজন মারা যান।

করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে আজ সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৮৮ হাজার ২৪৮ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ হাজার ২১৭ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬২ হাজার ৫৮২ জন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৯ মার্চ খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায়।



আরও খবর



ফকির আলমগীরের দাফন সম্পন্ন

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ১০৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক, দেশবরেণ্য গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীরের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জোহরের নামাজের পর দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর খিলগাঁও মাটির মসজিদে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তার দাফন সম্পন্ন হয়।

ফকির আলমগীরের ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বেলা ১১টায় পল্লীমা সংসদে ফকির আলমগীরের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুপুর ১২টায় ফকির আলমগীরের মরদেহ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সবশেষ বাদ যোহর রাজধানীর খিলগাঁও মাটির মসজিদে শেষ জানাজা শেষে তাকে তালতলা কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এর আগে, দুপুর পৌনে ১২টায় তার মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়া হয়। সেখানে তার মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। আর সকালেই খিলগাঁওয়ের পল্লীমা সংসদ মাঠে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তার প্রথম জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর বেলা ১১টার দিকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় মারা যান একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা, গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীর। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ফকির আলমগীর এর মৃত্যুতে শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও বিশিষ্টজনরা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। শোক বার্তায় রহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। শোকাহত পরিবারের সদস্য ও ফকির আলমগীরের অগণিত ভক্তের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।

ফকির আলমগীর ১৯৬৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলনে তাকে বহুবার দেখা গেছে। তিনি ষাটের দশক থেকে গণসংগীতের সঙ্গে যুক্ত। ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে শামিল হন এ গণসংগীত শিল্পী। এরপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। তিনি একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত।

স্বাধীনতার পর পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে দেশজ সুরের মেলবন্ধন ঘটিয়ে বাংলা পপ গানের বিকাশে ভূমিকা রাখেন এ শিল্পী। সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার ১৯৯৯ সালে ফকির আলমগীরকে একুশে পদক দেয়।

জগন্নাথ কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করা ফকির আলমগীর গানের পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখিও করেন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান, গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান, আমার কথা, যারা আছেন হৃদয় পটেসহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ হয়েছে তার।


আরও খবর



করোনার টিকা নিতে নিবন্ধন করলেন খালেদা জিয়া

প্রকাশিত:সোমবার ১২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ জুলাই ২০২১ | ১২২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা প্রতিরোধের জন্য টিকা নিতে চাইছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এরই মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করেছেন তিনি। তবে এখন পর্যন্ত তাকে টিকা নেয়ার তারিখ জানানো হয়নি।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসক দলের সদস্য এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাত দিয়ে চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবীর খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

খালেদা জিয়া মহাখালীর ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে টিকা নেবেন জানিয়ে শায়রুল বলেন, ৯ জুলাই সুরক্ষা ওয়েবসাইটে গিয়ে টিকার জন্য নিবন্ধন ফরম পূরণ করেন খালেদা জিয়া। নিবন্ধন ফরমে উল্লিখিত মুঠোফোন নম্বরে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে টিকা দেয়ার তারিখ জানানো হয়। এখন পর্যন্ত ওই এসএমএস পাননি বেগম জিয়া।

৭৫ বছর বয়সী খালেদা জিয়া এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ৫৪ দিন চিকিৎসার পর গত ১৯ জুন রাতে তিনি গুলশানের বাসায় ফেরেন। পুরোপুরি সুস্থ না হলেও হাসপাতালে জীবাণু এবং দেশে করোনার ডেল্টা ধরনের সংক্রমণের মধ্যে ঝুঁকি এড়াতে খালেদা জিয়াকে বাসায় নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি বাসায়ই আছেন।

এভারকেয়ার হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এখনো খালেদা জিয়ার করোনা-পরবর্তী চিকিৎসা চলছে।


আরও খবর
করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১