আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় রফিকুল ইসলাম মাদানী আটক

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | ১৫৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
রফিকুল ইসলাম মাদানীকে নেত্রকোনা থেকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে

রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে রফিকুল ইসলাম মাদানীকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

বুধবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে শিশুবক্তাকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি ইমরান জানান, রফিকুল ইসলাম মাদানীকে নেত্রকোনা থেকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে।

গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে রফিকুল ইসলাম মাদানীকে মতিঝিল থেকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরে হেফাজতে ইসলামের সহিংস কর্মকাণ্ড এবং হেফাজত নেতা মামুনুল হককে নারীসহ সোনারগাঁয়ের একটি রিসোর্টে অবরুদ্ধ হওয়ার ঘটনার পর অনলাইনে আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন এই শিশুবক্তা’। ফেসবুক লাইভে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী নানা বক্তব্য দেন তিনি।


আরও খবর



রাজশাহীতে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৩

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | ১০৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহীতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক দম্পতিসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের পবা উপজেলার মুরারিপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার ঘাসিয়ালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার (৫৫), তাঁর স্ত্রী ফেরদৌসি বেগম (৪৭) এবং গোমস্তাপুর উপজেলার বাগডাস গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক আনসার আলী (৪৫)।

দামকুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব হোসেন জানান, আব্দুস সাত্তার তাঁর অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে গোমস্তাপুর থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। পথে রাজশাহীর গোদাগাড়ী থেকে ওই অটোরিকশায় রায়হান শুভ নামের আরেক যুবক উঠেন। সিএনজি অটোরিকশাটি পবা উপজেলার মুরারিপুর এলাকায় আসার পর চাঁপাইনাবগঞ্জগামী একটি খালি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ফেরদৌসি বেগম ও সিএনজির চালক আনসার আলী নিহত হন। আহত হন দুজন। স্থানীয়রা আহত আব্দুস সাত্তার ও রায়হান শুভকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুস সাত্তার মারা যান। আহত শুভর অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

ওসি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক-হেলপার পালিয়েছেন। ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া সিএনজিচালিত অটোরিকশাটিও উদ্ধার করা হয়েছে।


আরও খবর
গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪

শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১




লকডাউনের বিরুদ্ধে নিউমার্কেট এলাকায় ফের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ এপ্রিল ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লকডাউন প্রত্যাহারের দাবিতে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। লকডাউনের প্রথম দিন সোমবার সকালে নিউমার্কেটের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।

এর আগে গতকাল রবিবার দুপুরের পর অবিলম্বে লকডাউন প্রত্যাহার দাবিতে ব্যবসায়ীরা মিছিল বের করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সকালেও রাস্তায় নামেন তারা।

গাউছিয়া, নুর ম্যানশন, চাঁদনী চক মার্কেটের হাজার হাজার দোকান মালিক এবং কর্মচারীরা সকাল সাড়ে ১০ টায় মিছিল নিয়ে রাস্তায় বের হলে গাউছিয়া মার্কেটের মোড়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে।

এ সময় তারা অবিলম্বে লকডাউন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে লকডাউন মানি না, দোকানপাট খুলবো ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

ব্যবসায়ীরা বলেন, আমরা কোনো লকডাউন চাই না। এটাই আমাদের এক দফা দাবি। কারণ আমাদের পরিবার আমাদের আয়ের ওপর নির্ভর করে। দোকান বন্ধ থাকলে আমরা সংসার চালাবো কীভাবে?

অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নিউমার্কেট থানা পুলিশ।

ডিএমপির নিউমার্কেট অঞ্চলের এডিসি ইহসানুল ফেরদৌস জানান, ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকদের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক আছে।

এর আগে গত শনিবার রোজা ও ঈদ সামনে রেখে লকডাউনের এক সপ্তাহ ৪ ঘণ্টার জন্য দোকান খোলা রাখার দাবি জানায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।

প্রসঙ্গত, দেশে করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে আগামী এক সপ্তাহের জন্য লকডাউনের ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।


আরও খবর



হেফাজতকে আর ছাড় নয়: শেখ সেলিম

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | ১২১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
হেফাজত ও বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আরও কঠোর হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। জন্মশতবার্ষিকী আর সুবর্ণজয়ন্তীর জন্য অনেক কিছু আমরা সহ্য করেছি। আর কোনো কিছু সহ্য করা হবে না

হেফাজতে ইসলাম, নামেই হেফাজতে ইসলাম। প্রকৃতপক্ষে তারা ইসলামবিরোধী, জঙ্গি ও স্বাধীনতাবিরোধী। তারা রাষ্ট্রের শত্রু। তাদের আর কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। দরকার হলে ট্রাইব্যুনাল করে অবিলম্বে তাদের বিচার করতে হবে। আজ শনিবার (৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

তিনি আরও বলেন, হেফাজত ও বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আরও কঠোর হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। জন্মশতবার্ষিকী আর সুবর্ণজয়ন্তীর জন্য অনেক কিছু আমরা সহ্য করেছি। আর কোনো কিছু সহ্য করা হবে না। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী আপনাকে আরও কঠোর হতে হবে। আপনার পেছনে ১৪ কোটি মানুষ আছে। এই অপশক্তিকে ছাড় দেওয়া যাবে না। ইসলাম শান্তির ধর্ম, মানবতার ধর্ম। ইসলাম ধ্বংস করে না। ইসলাম সৃষ্টি করে। ইসলামকে হেফাজত কোনো সন্ত্রাসী জঙ্গি করতে পারে না। ইসলামকে হেফাজত করবে আল্লাহ।

যারা বাংলাদেশকে স্বীকার করে না তাদের বাংলাদেশে থাকার অধিকার নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা বিশ্ববাসীর কাছে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে, দেশের অর্জন ও স্বাধীনতার গৌরবকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দরকার হলে ট্রাইব্যুনাল করে অবিলম্বে তাদের বিচার করতে হবে।

শেখ সেলিম বলেন, একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি। সেই শক্তি আমাদের সুন্দর অনুষ্ঠানটিকে কলঙ্কিত করার জন্য চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহিংস ঘটনা ঘটিয়েছে উল্লেখ করে শেখ সেলিম বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বিএনপি-জামায়াত ও স্বাধীনতাবিরোধী হেফাজতে ইসলাম হাটহাজারীতে তাণ্ডব চালায়। তারা থানায় আক্রমণ করে পুলিশের ওপর হামলা করে, পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়। তারা ১০ জন পুলিশকে বোমা মেরে আহত করে। পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। ভূমি অফিস ও বিভিন্ন স্থাপনা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতি যাদের বিন্দুমাত্র বিশ্বাস রয়েছে তারা কোনোদিন এই জঘন্য কাজ করতে পারে না।

২০১৩ সালে হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে শেখ সেলিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে থেকে বিভিন্ন স্থানে বিনাকারণে কী তাণ্ডব করেছিল তারা। সেদিন খালেদা জিয়া বিএনপিকে হেফাজতের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তারা বায়তুল মোকাররমে মসজিদে আক্রমণ করে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন মুসলিম দেশ সফর প্রসঙ্গে সরকার দলের সিনিয়র এই এমপি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন মুসলিম দেশে সফর করেছেন। সেই সব দেশের সরকার ও জনগণ তাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছে। সেখানে কেউ টু শব্দ করেনি। আর বাংলাদেশে মোদি এলে মুসলমানদের সর্বনাশ হয়ে যাবে। তার আসা নিয়ে এই ধরনের জঘন্য রাজনীতি যারা করেছে তারা পাকিস্তানের নিয়াজী, রাও ফরমান আলী ও তালেবানের অনুসারী।

তিনি আরও বলেন, সরকার বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১০দিনের যে অনুষ্ঠান করেছে তাতে ২৭টি দেশের প্রধান ও ১২টি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এই অনুষ্ঠান ও ভিতিও বার্তা বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।


আরও খবর



পুরান ঢাকার ইফতার বাজারে নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাক

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের কারণে সারা দেশে সপ্তাহব্যাপী চলছে কঠোর লকডাউন। এরমধ্যে ঢাকা ছেড়েছে অর্ধকোটি মানুষ। ফলে পুরান ঢাকা আগের তুলনায় কিছুটা ফাঁকা। হাতেগোনা দুই একটা স্থায়ী দোকান ছাড়া প্যান্ডেলে শামিয়ানা টানিয়ে এবার অস্থায়ী কোনো ইফতারের দোকান বসেনি পুরান ঢাকায়। যে কারণে নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাক।

বিশেষ করে সমগ্র ঢাকার মানুষেরাই পুরান ঢাকার ইফতারের আলাদা একটা কদর করেন। আর এ এলাকার মানুষের বড় বাপের পোলায় খায় ছাড়া ইফতার যেন জমেই না। তবে এবার করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের দেওয়া লকডাউনে পুরান ঢাকার চকবাজারে বসেনি ইফতারের বাজার।

করোনা মহামারির কারণে গতবছরের ন্যায় এবারও ফুটপাতে বসেনি ইফতারের পসরা। শুধু মাত্র স্বল্প পরিসরে হোটেলে বিক্রি হচ্ছে ইফতার। ফুটপাতে কোনো ইফতারি বিক্রি হচ্ছে না।

প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ ইফতারের জন্য ফুটপাতের দোকানগুলোর ওপর নির্ভরশীল ছিল। নিম্ন মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে একেবারে নিম্ন আয়ের ভাসমান মানুষ ফুটপাত থেকে ইফতার ক্রয় করতেন। দুই বছর করোনার কারণে মৌসুমী ইফতার সামগ্রী বিক্রেতারা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত তেমনি সাধারণ ক্রেতারাও ফুটপাত থেকে ইফতার সামগ্রী ক্রয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

নিউজ ট্যাগ: ইফতার বাজার

আরও খবর



‘প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়নে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি কার্যকর করা হচ্ছে’

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | ৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়নে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। শনিবার (০৩ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন উপকরণ ও প্রাণিজাত খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগারের কার্যক্রম ও বিধি-বিধান বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এসময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। টেকসই উন্নয়নের জন্য বিজ্ঞানের আবিষ্কার সঙ্গে নিয়ে আমাদের চলতে হবে। এ কারণে আমরা মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার স্থাপন করেছি। প্রাণিজাত যে খাদ্য আমরা বিদেশে রপ্তানি করবো অথবা বিদেশ থেকে আমদানি করবো সেটা মানসম্মত কীনা, পুষ্টিসম্মত কীনা এটা এ গবেষণাগারে পরীক্ষা-নিরিক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি বিদেশ থেকে আনা প্রাণী খাদ্য মানসম্মত কীনা, এর মধ্যে বিষাক্ত পদার্থ রয়েছে কীনা সেটাও মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার থেকে জানা সম্ভব হবে। এভাবে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

এসময় তিনি আরো যোগ করেন, যেকোন পরিস্থিতিতে দেশকে চলমান রাখতে হবে। যে পরিবেশই আসুক না কেন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা সবকিছু চালু রাখতে হবে। মানুষের পুষ্টি, আমিষসহ অন্যান্য খাবারের চাহিদা মেটাতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে এসকল বিষয় অব্যাহত রাখতে হবে। করোনার মধ্যেও উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে, গবেষণা অব্যাহত রাখতে হবে। চাল, ডাল, শস্য, মাছ মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন না হলে খাদ্যের সরবরাহ থাকবে না। আমাদের বিপন্ন অবস্থা সৃষ্টি হবে। সেজন্য খাদ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে। প্রতিকূলতা যতই আসুক মোকাবিলা করতে হবে।

প্রাণিসম্পদ অনেক গুরুত্বপূর্ণ খাত উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ খাত একসময় চরম অবহেলিত ছিল। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবহেলার অধ্যায় অতিক্রম করে এ খাতে একটা আমূল পরিবর্তন এসেছে। এ পরিবর্তনে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ত হয়েছে। সবাই মিলে কাজ করার ফলে এ খাত এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের একার পক্ষে একটি দেশের সবকিছু নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। এজন্য আমরা বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করছি। কারণ বেসরকারি খাত রাষ্ট্রের উন্নয়নেরই অংশ। বেসরকারি খাতকে সরকার সকল সহযোগিতা করবে।

অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে প্রাণিসম্পদ খাতকে অব্যাহতভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সরকার কাজ করছে বলেও এসময় জানান মন্ত্রী।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক ও বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আব্দুল জলিল অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডাঃ আবদুল জব্বার শিকদারসহ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট অংশীজন, বিজ্ঞানী ও গবেষকরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগারের কার্যক্রম ও বিধি-বিধান বিষয়ে উপস্থাপন করেন উক্ত গবেষণাগার স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ মোস্তফা কামাল।


আরও খবর