আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

ভালোবাসা দিবসে শাহবাগে ২০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। একই দিনে বসন্তের শুরু, পহেলা ফাল্গুন। বছরের অন্যান্য সময়ের চাইতে এ সময়টাতে ভালো ব্যবসার আশা করেন ব্যবসায়ীরা। দিবসটিকে কেন্দ্র করে বাড়তি প্রস্তুতিও নিয়ে রাখেন অনেকে। ক্রেতার চাপ সামলাতে অনেক দোকানি দুই-তিন দিনের জন্য নেন বাড়তি কর্মচারী।

সরেজমিনে ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত ফুল মার্কেটে গিয়ে দেখা যায়, বছরের অন্য সময়ের চাইতে এখন ক্রেতা সমাগম কিছুটা বেশি। কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলছেন, এসময় বিবাহসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান বেশি হয়ে থাকে। তাই ক্রেতার সংখ্যাও বেশি। তবে ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে বাড়তি লাভের আশা দেখছেন ব্যবসায়ীরা। সাধারণ একটি দিনের তুলনায় এদিন কয়েকগুণ বেশি বিক্রির প্রত্যাশা তাদের।

শাহবাগের এ ফুল মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, এখানে ফুলের দুটি মার্কেট রয়েছে। একটি খুচরা ফুল বিক্রির মার্কেট। আরেকটি পাইকারি মার্কেট। খুচরা মার্কেটে মোট দোকান ৫০টি। পাইকারি ফুলের মার্কেট সরগরম থাকে রাত ১টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত। দিনের বেলা এ মার্কেটে তেমন ক্রেতা-বিক্রেতা থাকেন না। মূলত ঢাকা শহরের ক্ষুদ্র ফুল ব্যাবসায়ীরা এ পাইকারি মার্কেট থেকে ফুল কিনে সেগুলো দোকানে বিক্রি করেন। ঢাকার আসেপাশের অনেক কৃষক সরাসরি এ মার্কেটে এসে ফুল বিক্রি করে থাকেন। সব মিলিয়ে প্রতি রাতে প্রায় ৪০০ জনের মতো বিক্রেতা এখানে ফুল বিক্রি করতে বসেন।

এসব ফুল মার্কেটের ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভালোবাসা দিবসে বাড়তি বিক্রি হবে এ আশায় তারা বাগানে আগেভাগেই ফুলের অর্ডার দিয়ে রেখেছেন।

শাহবাগের এ ফুল মার্কেটের মালঞ্চ পুষ্প কেন্দ্রের দোকানি আব্দুল বারেক বলেন, এখন দিনে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার ফুল বিক্রি হয়। বছরের অন্য সময়ে বিক্রি মোটামুটি থাকে। তবে এখন বিক্রি ভালো। আসছে ভালোবাসা দিবসে ভালো বিক্রি হবে বলে আশা করছি। সেদিন দুই লাখ টাকার ফুল বিক্রি করতে পারবো। আমার এখানে ১০ ধরনের ফুল আছে। এখন প্রতিটা গোলাপের দাম ২০ টাকা, ভালোবাসা দিবসে এটার দাম হবে সর্বনিম্ন ৫০-৬০ টাকা।

ফুল সজ্জ্বা দোকানের বিক্রেতা মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, ক্রেতার চাহিদা মেটাতে বাগানে অগ্রীম ফুলের অর্ডার দিয়ে রেখেছি। আজকে ভালো মানের গোলাপ ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভালোবাসা দিবসে এটা ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হবে। গোলাপী রংয়ের বিদেশী গেলাপ এখন প্রতি পিস ১০০ টাকায় বিক্রি করছি। ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৫০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হবে। বাগান মালিকরাও দাম বাড়িয়েছে। আগের চাইতে বেশি দামে অর্ডার করতে হচ্ছে।

শাহবাগ বটতলা ক্ষুদ্র ফুল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, এবার বাগান মালিকরা ফুলের দাম বাড়িয়ে রেখেছে। তাই আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হবে। আমাদের টার্গেট প্রায় ১৫ কোটি টাকার ফুল বিক্রি করা। দেখা যাক কী হয়। আশা করি এবার ভালো ব্যবসা হবে।

শাহবাগে অবস্থিত পাইকারি ফুল মার্কেটে ঢাকা ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি শ্রী বাবুল প্রসাদ বলেন, এমনিতেই প্রতিদিন আমাদের এখানে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকার ফুল পাইকারি বিক্রি হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারিতে ৫ কোটি টাকার বেশি ফুল বিক্রি হবে বলে আশা করছি। আমাদের এ মার্কেটে যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, রংপুর, সিলেট, কক্সবাজারসহ মোট ২৪টি জেলা থেকে ফুল আসে। অনেকেই আগে থেকে ফুলের অর্ডার করে রাখে। যেগুলো কম উৎপাদন হয় এবং চাহিদা বেশি, সেগুলোর অর্ডার বেশি থাকে। অনেক চাষি সরাসরি এখানে এসে পাইকারি মূল্যে ফুল বিক্রি করে।


আরও খবর
এক মাসে রিজার্ভ বাড়ল ৬৩ কোটি ডলার

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




নালিশ করার রাজনীতি বিএনপি’র পুরোন অভ্যাস: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

আন্দোলনে ব্যর্থতা, নির্বাচনে না আসা বিএনপিকে অনেক খেসারত দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দাগনভূঞা-বুসর হাট সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, আমার কাছে অবাক লাগে মির্জা ফখরুল জেল থেকে বের হয়ে, অসুস্থতার অজুহাতে তিনি জনগণের কাছে যাননি। অথচ যেই মার্কিনীরা, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল আসলেন তখন হাতে লাঠি নিয়ে তাদের কাছে নালিশ করতে গেলেন। নালিশ করা তাদের রাজনীতি। পুরোন অভ্যাস। জনগণের কাছে নালিশ করার চেয়ে তারা বিদেশিদের কাছে নালিশ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তারা নালিশ করবে আর আমরা চুপচাপ বসে থাকব তা তো হতে পারে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সারা দুনিয়ায় তথ্যপ্রবাহের যে গতি কোন সত্যই কেউ লুকিয়ে রাখতে পারেনা। বিএনপির ৪০ হাজার, ৫০ হাজার নেতা-কর্মী জেলে আছে, এ উদ্ভট দাবিও তারা করেছে। এই দাবি করার পর হঠাৎ করে দেখলাম মুক্তি পেল কয়েকজন। সেই সংখ্যা ৪০ হাজার থেকে চার হাজারে নেমে এসেছে।

সড়ক, পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, অচিরেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সার্ভিস লেন করা হবে। মহাসড়কটি অচিরেই ছয় লেনে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে মহাসড়কটিকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসে রুপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

এ সময় সেতুমন্ত্রী বলেন, সামনে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এটিকে উম্মুক্ত করা হয়েছে। দল এবার কাউকে দলীয় মনোনয়ন দেবে না। নিজের যোগ্যতা প্রমাণের মাধ্যমে বিজয়ী হয়ে আসতে হবে। এবার নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার সুযোগ এসেছে।

তিনি বলেন, নোয়াখালী ফেনী মহাসড়ক চার লেন হয়েছে। এটি কল্পনাও কেউ করেনি কেউ আগে। এলাকাটি অন্ধকার ছিল এখন সেটি প্রশস্ত। এ অঞ্চলের মানুষ এমন পরিবর্তনকে গ্রহণও করেছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের সাধারণ নির্বাচন অনেক প্রতিকুলতা চক্রান্ত প্রতিহত করে সম্পূর্ণ হয়েছে। সংশয় ছিল নির্বাচন হবে কী হবে না। বঙ্গবন্ধু কন্যা নির্ভীক ছিলেন। তিনি দেশের জনগণও সংবিধানের কমিটমেন্ট পূরণ করেছেন। অনেক ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাস হয়েছে। তিনি অকুতভয়ে লক্ষের পথে এগিয়ে গেছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তিনি তার কর্তব্য সম্পাদন করেছেন।

এসময় ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী, ফেনী জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার, ফেনী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দ্বীন মোহাম্মদ, দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন, ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল, ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, দাগনভূঞা পৌর মেয়র ওমর ফারুক খান, দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিবেদিতা চাকমা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহরাজ শারবীন, দাগনভূঞা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসিম, দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মাষ্টার কামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন মামুন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবুল ফোরকান বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ডিএনসিসির ১০ কর্মকর্তাকে বদলি

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রশাসনিক কাজের স্বার্থে ১০ জন প্রকৌশলীকে নিজ দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে বদলি করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কাজের স্বার্থে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়েছে।

বদলি হওয়া ১০ কর্মকর্তার মধ্যে ডিএনসিসির অঞ্চল ৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক হাসান মো. আল মাসুদকে অঞ্চল-৯ এর নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর), অঞ্চল-৯ এর নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুদ্দিন মানিককে অঞ্চল-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী ও অঞ্চল-৮ এর নির্বাহী প্রকৌশলী ইশতিয়াক মাহমুদকে অঞ্চল-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের সহকারী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদকে অঞ্চল-৮ এ, অঞ্চল-৩ এর সহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলামকে অঞ্চল-৯ এ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার এনামুল কবীরকে অঞ্চল-৩ এর সহকারী প্রকৌশলীর দায়িত্ব, ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের উপসহকারী প্রকৌশলী সুজা উদ্দিন মামুনকে অঞ্চল-৩ এর উপ সহকারীর দায়িত্ব, ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের উপসহকারী প্রকৌশলী সুরুজ্জামানকে অঞ্চল-২ এর উপসহকারী প্রকৌশলীর দায়িত্ব, অঞ্চল-৭ এর সম্পত্তি বিভাগের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী প্রকৌশলী ফয়জুল্লাহ ভূঁইয়াকে ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের দায়িত্ব এবং অঞ্চল-৮ এ সম্পত্তি বিভাগে সংযুক্ত থাকা উপসহকারী প্রকৌশলী সোহেল রানাকে ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের উপসহকারী প্রকৌশলীর দায়িত্ব দিয়ে বদলি করা হয়েছে।

ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক একটি অফিস আদেশ জারি করে এই বদলি করেন।


আরও খবর



মজুত ও চাঁদাবাজি বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

পণ্যের অবৈধ মজুত ও চাঁদাবাজি বন্ধে নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, অহেতুক পণ্যের দাম যেন না বাড়ে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, তার জন্য নির্বাচন উন্মুক্ত করে দিয়েছিলাম। এই নির্বাচনকে কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারেনি। যারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, তাদের কাছে প্রশ্ন, কী কী কারণে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি সেটা বলতে হবে। 

আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, জেলা, মহানগর ও উপজেলা, থানা, পৌর (জেলা সদরে অবস্থিত পৌরসভা) কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় সংসদের দলীয় ও স্বতন্ত্র সদস্য, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যানদের নিয়ে সকাল ১০টার দিকে বিশেষ বর্ধিত সভা শুরু হয়।

সভার শুরুতে প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন দলের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

এদিকে সকাল ৮টা থেকে সারা দেশ থেকে আসা নেতারা গণভবনের সামনে জড়ো হন এবং সাড়ে আট থেকেই এক এক করে নেতারা গণভবনে প্রবেশ শুরু করেন।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




মিরসরাইয়ে স্কোয়াশ চাষে সফল কৃষক মুসলিম

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ফিরোজ মাহমুদ, মিরসরাই (চট্টগ্রাম)

Image

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে স্কোয়াশ চাষে সফল হয়েছেন কৃষক মুসলিম উদ্দিন। উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নে বাড়ির পাশে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক ১০ শতক জমিতে স্কোয়াশ চাষ করেছেন তিনি। দুএকদিন পর পর জমি থেকে ফলন তুলে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করছেন। অনেকে এসে জমি থেকে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

মুসলিম উদ্দিন মিরসরাই উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের পূর্ব কাটাছড়া গ্রামের মরহুম মৌলভী মাঈন উদ্দিনের ছেলে। এইচএসসি পাস করার পর তিনি কৃষিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

সরেজমিনে জানা গেছে, ১০ শতক জমিতে আবাদকৃত স্কোয়াশ গাছে ফলন এসেছে। প্রতি পিস ফলনের ওজন ৫০০ গ্রাম থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত। দুজন শ্রমিক নিয়ে জমিতে পরিচর্যা করছেন তিনি। পাশের জমিতে চাষ করেছেন টমেটো, কাঁচা মরিচ, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও বেগুনসহ নানা ধরনের শীতকালীন সবজি।

কৃষক মুসলিম উদ্দিন জানান, ৬ বছর ধরে কৃষি কাজ করছি। কৃষিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছি। এবার প্রথমবারের মতো ১০ শতক জমিতে পরীক্ষামূলক স্কোয়াশ চাষ করেছি। মিঠাছড়া বাজার থেকে ১৮০ পিস বীজ নিয়ে বপন করেছি। প্রথমবারই সফল হয়েছি। জমিতে আগে থেকে মালচিং করা ছিল। তাই তেমন খরচ হয়নি। মাত্র ৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এরই মধ্যে ২৫ হাজার টাকা বিক্রি করেছি। আরও ৪০ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারবো।

তিনি আরো বলেন, একটি গাছে ১০-২০ কেজি পর্যন্ত ফলন হয়। ঢাকার কয়েকটি সুপার শপের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তারা আগামীতে আমার কাছ থেকে স্কোয়াশ কিনে নেবেন। তাই আগামীতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি চাষের পরিধি আরও বাড়াবো। এছাড়া ৬ বছর ধরে আগাম সবজি চাষ করে যাচ্ছি। প্রথমে ৫ শতক জায়গায় আগাম টমেটো চাষ শুরু করি। এখন ৮৫ শতক জমিতে টমেটো চাষ করেছি। এ বছর প্রায় ২ লাখ টাকার টমেটো বিক্রি করেছি। আরও ৩০ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারবো।

মিরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় বলেন, উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের মুসলিম খুবই পরিশ্রমী একজন কৃষক। তিনি সব সময় আগাম সবজি চাষ করে ভালো লাভবান হয়ে থাকেন। এবার স্কোয়াশ চাষ করে সফল হয়েছেন। তাকে সব সময় কৃষি অফিস থেকে পরামর্শসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: স্কোয়াশ চাষ

আরও খবর



টসের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার, ভারত মাঠে না ফিরলে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ-ভারত। ম্যাচের শুরুতে ভারত এগিয়ে যাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত মিনিটের গোলে ম্যাচে সমতা ফেরায় বাংলাদেশ। তাতে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। যেখানে ১১-১১ টাইব্রেকারে সমতা হলে টসের মাধ্যমে ফল নির্ধারিত হয়।

টসে বাংলাদেশকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতে ভারত। এরপরই টসের নিয়ম ঘিরে নাটকীয়তা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত করে টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ। এতে আবারও মাঠে নামতে যাচ্ছে দুই দল। যদিও বাংলাদেশ ম্যাচের পর থেকেই মাঠে অবস্থান করছে। আর ভারত মেতেছিল শিরোপা উদযাপনে।

ম্যাচ স্থগিত করার পর রেফারি জানিয়েছে ৩০ মিনিটের মধ্যে ভারতকে মাঠে নামতে হবে। এই সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত মেনে মাঠে না নামলে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করবে ম্যাচ রেফারি।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) কমলাপুর স্টেডিয়ামে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশীপের ফাইনালে ভারত ১-০ গোলে এগিয়ে। ৯০ মিনিটের খেলা শেষ। ভারতের শিরোপা উদযাপনের অপেক্ষা। সেই মুহূর্তে সাগরিকা গোল করে বাংলাদেশকে ম্যাচ ফেরান।

রেফারি চার মিনিট ইনজুরি সময় দেন। ৩ মিনিটে আফিদা খন্দকারের থ্রো ইন থেকে বাংলাদেশের সাগরিকা বক্সের আগে জটলায় বলের নিয়ন্ত্রণ নেন। নিজ প্রচেষ্টায় বক্সে বল নিয়ে কোনাকুনি শটে গোল করেন সাগরিকা। যার গোলে বাংলাদেশ প্রথম পর্বের ম্যাচে ভারতকে হারিয়েছিল।

টুর্নামেন্টের বাইলজ অনুযায়ী নির্ধারিত সময় সমতা থাকলে খেলা সরাসরি টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানেও ১১-১১ এ সমতা হয়। এরফলে টসের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। টস ভাগ্যে জয় হয় ভারতের। হারের পর এই টস নিয়ে অসন্তোষ ছিল বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে।


আরও খবর