আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ভালুকা মুক্ত দিবস আজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

৮ডিসেম্বর ভালুকা পাক হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১সালের ৭মার্চের ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে বৃটিশ ভারত সেনাবাহিনীর (অবঃ) সুবেদার তৎকালীন ভালুকা থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আফসার উদ্দীন আহম্মেদ ৭১এর ১৭এপ্রিল ১টি মাত্র রাইফেল ও ৮জন সদস্য নিয়ে মুক্তি বাহিনীর একটি গেরিলা দল গঠন করেন।

পরবর্তীতে ভালুকা থানা দখল করে ১৫/১৬টি রাইফেল ও প্রচুর গোলাবারুদ সংগ্রহ করেন। আফসার উদ্দীনের ৮সদস্যের দলটি পরবর্তীতে প্রায় সারে ৪হাজার মুক্তিযোদ্ধার বিশাল বাহিনীতে রুপ নেয়। এফ জে ১১নং সেক্টরের ময়মনসিংহ সদর দক্ষিণ ও ঢাকা সদর উত্তর সাব সেক্টর অধিনায়ক মেজর আফসার ব্যাটেলিয়ন নামে পরিচিতি লাভ করে।

যুদ্ধকালীন আহত মুক্তিযোদ্ধাদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য ডাক্তার রমজান আলী তরফদারের তত্বাবধানে ৫জন ডাক্তার ১০জন সহকারী চিকিৎসক ও ৪জন নার্সের সমন্বয়ে আফসার ব্যাটেলিয়ান হাসপাতাল নামে একটি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল পরিচালিত হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে এটি কিছুদিন রেডক্রস সংস্থার দ্বারা পরিচালিত হয়।

৭১এর ২৫জুন শুক্রবার সকাল হতে ভালুকা গফরগাঁও সড়কের ভাওয়লিয়াবাজু নামক স্থানে শিমুলিয়া নদীর পাড়ে পাক বাহিনীর সাথে আফসার বাহিনী সম্মুখ যুদ্ধে লিপ্ত হন। দীর্ঘ ৩৬ঘণ্টা একটানা যুদ্ধ স্থায়ী হয়। শুক্রবার শুরু হওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে পাক বাহিনী চারিদিকে পানি বেষ্টিত নদীর পূর্বপারে গোয়ারী যোগীপাড়া নামক স্থানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।

শুক্রবার সারাদিন সারারাত তিন দিক থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের মুখে অনেক পাকসেনা নিহত হয়। পরে শনিবার সন্ধ্যার দিকে যুদ্ধক্ষেত্রের ৪কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে ধলিয়া গ্রামে ধলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হেলিকপ্টার থেকে পাকসেনা নামিয়ে দিলে মুক্তিযোদ্ধারা ডিফেন্স ছেড়ে চলে আসেন।

এই যুদ্ধে আফছার বাহিনীর তরুন যোদ্ধা অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মল্লিকবাড়ি গ্রামের আ. মান্নান মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। মজিবর রহমানসহ আহত হন আরও ৫জন মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযোদ্ধারা নদীর পশ্চিম দিক হতে একটানা দুদিন সম্মুখ যুদ্ধ করায় শতাধিক পাক সেনা নিহত হয়।

ঐতিহাসিক ওই যুদ্ধের খবর স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র হতে ফলাও করে সম্প্রচার করা হয়। এই যুদ্ধের পরে ভালুকা থানা ও বাজার এলাকায় পাক বাহিনীর ক্যাম্পটি শক্তিশালী করা হয়। স্থানীয় মুসলিমলীগ নেতারা এখানে গড়ে তোলেন একটি বিশাল রাজাকার ও আলবদর বাহিনীর ক্যাম্প। এসব রাজাকার আলবদররা ভালুকার বিভিন্ন গ্রামে দিনের পর দিন মানুষ হত্যা, নারী ধর্ষণ,বাড়িঘরে অগ্নি সংযোগ ও লুটপাট চালায়।

আফসার বাহিনী যুদ্ধকালীন বিভিন্ন সময়ে একাধিক বার ভালুকা পাক হানাদার ক্যাম্পে আক্রমণ চালিয়েছে। এছাড়া আমলীতলাযুদ্ধ, বল্লা যুদ্ধ, ত্রিশাল, গফরগাঁও, ফুলবাড়ীয়া, শ্রীপুর, মল্লিকবাড়ি, মেদুয়ারীসহ বিভিন্ন স্থানে পাকসেনা ও রাজাকারদের সাথে আফসার বাহিনীর অসংখ্য যুদ্ধ হয়। দীর্ঘ ৯মাসের বিভিন্ন যুদ্ধে আফসার উদ্দীনের ছেলে নাজিম উদ্দীনসহ ৪৭জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

ভালুকা মুক্ত দিবসে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রাজনৈতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।


আরও খবর



২৩ দিন পর সিলেট দিয়ে শুরু হচ্ছে পাথর আমদানি

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সিলেট প্রতিনিধি

Image

অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু বাড়ানোর প্রতিবাদে গত ৭ জানুয়ারি থেকে পাথর আমদানি বন্ধ করে দেন পাথর আমদানিকারকরা। টানা ২৩ দিন সিলেট বিভাগের সব স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশন দিয়ে পাথর আমদানি বন্ধ ছিল। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) থেকে ফের পাথর আমদানি শুরু হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট সিলেট কমিশনারেট কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হকের সঙ্গে সিলেটের সব স্থলবন্দর ও স্থল শুল্ক স্টেশনের আমদানিকারক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ফের আমদানি শুরুর সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠকে সরকারের নতুন নির্ধারিত অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু সাড়ে ১৩ ডলার থেকে ৭৫ সেন্ট কমানোর পর ব্যবসায়ীরা পুনরায় আমদানি করতে রাজি হন।

ভোলাগঞ্জ চুনাপাথর আমদানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মজিবুর রহমান মিন্টু বলেন, ভারত থেকে পাথর ও চুনাপাথর আমদানির ওপর যে হারে অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু বাড়ানো হয়েছিল তাতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েন এবং আমদানি বন্ধ থাকায় সরকারও ব্যাপক রাজস্ব ক্ষতির শিকার হয়।

সিলেট নগরীর উপশহরস্থ কাস্টমস অফিস কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সাবেক সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন, সিলেট জেলা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি ও সিলেট চেম্বারের সহ সভাপতি মো. আতিক হোসেন, অর্থ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, তামাবিল পাথর, চুনাপাথর ও কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি মো. লিয়াকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেন ছেদু, ভোলাগঞ্জ পাথর আমদানিকারক গ্র গ্রুপের সহ সভাপতি মো. বশির আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান মিন্টু, ছাতক লাইমস্টোন ইমপোর্টার্স অ্যান্ড সাপ্লাইয়ার্স গ্রুপের সভাপতি ও সুনামগঞ্জ চেম্বারের পরিচালক আহমেদ শাখায়াত সেলিম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অরুন দাস, তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের মনমোহন পাল মতিশ, সুনীল পাল চৌধুরী, মো. খসরুল আলম, তাহিরপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আনিসুল হক, শাহীন চৌধুরী, সিলেট জেলা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের কার্যকরী সদস্য মো. শাহ আলম, শাহীন আহমদ, আলতাফ হোসেন প্রমুখ।


আরও খবর



৭৫ কোটি থেকে অবনমন হয়ে ৪৫ কোটিতে সানি

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বলা চলে, প্রায় দেড় দশকের খরা কাটিয়ে গত বছর গদর-২ এর মাধ্যমে লাভের দেখা পান বলিউড অভিনেতা সানি দেওল। গদর-২ ২০২৩ সালের সুপারহিট হিন্দি সিনেমাগুলোর অন্যতম। বক্স অফিসে প্রায় ৫০০ কোটি রুপি ব্যবসা করেছে সানির ওই ছবি।

গদর-২ ছবির সাফল্যের পরই বদলে গিয়েছে সানির ভাগ্য। এখন তার সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক বলিউডের একাধিক নামজাদা পরিচালক, প্রযোজকেরা। তাদের একজন নীতেশ তিওয়ারি। রামায়ণ অবলম্বনে সিনেমা বানাচ্ছেন তিনি। সেই সিনেমায় হনুমানের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য প্রস্তাব গিয়েছিল সানির কাছে।

ছবিতে রামের চরিত্রে অভিনয় করছেন রণবীর কাপুর। ওই ছবিতেই হনুমানের চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল সানির। সেই চরিত্রের জন্য ৭৫ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দাবি করে বসেছিলেন ধর্মেন্দ্র-পুত্র। তবে শেষ পর্যন্ত নাকি নিজের পারিশ্রমিক কমিয়ে ৪৫ কোটিতে নামিয়ে এনেছেন তিনি। শোনা যাচ্ছে, পারিশ্রমিক নিয়ে জট কাটার পরে নাকি সানিকেই চূড়ান্ত করেছেন নির্মাতারা।

রামের চরিত্রে রণবীর চূড়ান্ত হয়ে গেলেও এখনও তা নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। রণবীরের বিপরীতে সীতার চরিত্রে অভিনয় করার কথা দক্ষিণী অভিনেত্রী সাই পল্লবীর। রাবণের চরিত্রে অভিনয় করার কথা কেজিএফ খ্যাত দক্ষিণী তারকা যশের। রাবণ চরিত্রে অভিনয় করার জন্য নাকি ১৫০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দাবি করেছেন যশ।


আরও খবর



আমতলী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ভোটযুদ্ধে আ. লীগের দুই নেতা

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

বরগুনা আমতলী পৌরসভার মেয়র পদে আওয়ামী লীগের শীর্ষ দুনেতা প্রার্থী হয়ে ভোটযুদ্ধে নেমে পড়েছেন। মেয়র পদ ছাড়াও ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরাও ভোটের আমেজ জেগে তুলেছে পাড়া, মহল্লায়। পৌর এলাকায় যেন সবখানেই ঢেকে ফেলেছে পোস্টারে পোস্টারে। প্রচার মাইক-বক্স যেন মানুষের ক্লান্তি বাড়িয়ে দিচ্ছে প্রচারযন্ত্র বাজিয়ে।

আমতলী পৌরসভায় আগামী ০৯ মার্চ ভোট অনুষ্ঠিত হবে। দিনক্ষণ সামনে বেশ সময় থাকলেও প্রচার প্রচারণায় যেন হাঁপিয়ে পড়েছেন প্রার্থীরা। প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি ভোট প্রার্থনা করছেন ভোটারদের কাছে। তবে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরিও কম দিচ্ছেন প্রার্থীরা। উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলেও এক শ্রেণির ভোটারদের মাঝে শঙ্কা তো আছেই। তাদের প্রশ্ন শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে আদৌ যেতে পারবেন কি না ভোটের মাঠে সে শঙ্কা বিরাজ করছে তাদের মাঝে।

পৌরসভার মেয়র পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান মেয়র মো. মতিয়ার রহমান (মোবাইল) প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হয়ে ভোটারদের কাছে যাচ্ছেন, নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন। 

তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল আহসান খাঁন (হ্যাঙ্গার) প্রতিক নিয়ে বসে নেই। দলের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক জিএম ওসমানী হাসানসহ সব শ্রেণির নেতারাই একতাবদ্ধ হয়ে ভোটের মাঠে নেমেছেন। তিনিও দিন-রাত যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। তার দলের নেতাকর্মীরাও চেষ্টা করছেন সমান তালে।

এর বাইরেও মেয়র প্রার্থী আছেন, জিল্লুর রহমান, নুসরাত জাহান, জহিরুল ইসলাম খোকন, ইফতেকার হাসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবুল কালাম আজাদ ও কামাল হোসেন। মেয়র পদে তারা প্রার্থী হলেও তাদের প্রচার প্রচারণা নেই নির্বাচনী মাঠে।

এর বাইরেও ৯টি ওয়ার্ডে (পুরুষ) ৩৬ জন কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। নারী কাউন্সিল পদে ০৯ জন প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। আগামী ০৯ মার্চ পৌর এলাকায় ১৫ হাজার ৮ শ ৩৯ ভোটার তাদের ভোটের মাধ্যমে পছন্দের নেতা নির্বাচন করবেন।

নির্বাচন নিয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান, পৌর নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে কোনো অবস্থাতেই চেষ্টার কমতি থাকবে না সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।


আরও খবর



চার দিনের ডিসি সম্মেলন শুরু ৩ মার্চ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চার দিনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামী ৩ মার্চ (রোববার)। সম্মেলন শেষ হবে ৬ মার্চ (বুধবার)। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. আমিন উল আহসান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আগামী ৩ মার্চ সকালে ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। বরাবরের মতো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এটি হবে। গত বছরের মতো এবারও জেলা প্রশাসক সম্মেলনের মূল ভেন্যু রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব।

সরকারের নীতিনির্ধারক এবং জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের মধ্যে সামনা-সামনি মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়ার জন্য সাধারণত প্রতি বছর জুলাই মাসে ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করা হতো।

করোনা মহামারির কারণে দু-বছর (২০২০ ও ২০২১ সাল) ডিসি সম্মেলন হয়নি। এরপর ২০২২ সাসের ১৮ থেকে ২০ জানুয়ারি এ সম্মেলন হয়। গত বছর ডিসি সম্মেলন হয় ২৪ থেকে ২৬ জানুয়ারি।

ডিসি সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ডিসিদের কার্য-অধিবেশন, এছাড়া একটি উদ্বোধন অনুষ্ঠান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুক্ত আলোচনা, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও একটি সমাপনী অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। আসন্ন জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে প্রথমবারের মতো প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও চার কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করবেন ডিসিরা।

কার্য-অধিবেশনগুলোতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধি হিসেবে মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সিনিয়র সচিব ও সচিবরা উপস্থিত থাকেন। সম্মেলন উপলক্ষে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনাররা লিখিতভাবে মাঠ প্রশাসনের সমস্যাগুলো নিয়ে প্রস্তাব দিয়ে থাকেন। অধিবেশনের সময় এগুলো ছাড়াও ডিসিরা তাৎক্ষণিক বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। কার্য অধিবেশনগুলোতে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।


আরও খবর
সংরক্ষিত আসনের এমপিদের শপথ বুধবার

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

Image

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পিকআপভ্যানের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে ইদু মিয়া (৫৫) নামে এক নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইদু মিয়া টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সুরুজ গ্রামের মৃত সাইদ আলীর ছেলে।

এলেঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান জানান, সন্ধ্যায় কালিহাতী থেকে একটি পিকআপভ্যান নির্মাণ সামগ্রী ও কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক নিয়ে টাঙ্গাইল যাচ্ছিল। এ সময় রাজাবাড়ি এলাকায় এলে অপর একটি পিকআপভ্যান পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে সামনের পিকআপভ্যানের ওপরে বসে থাকা নির্মাণ শ্রমিক ইদু মিয়া ছিটকে নিচে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর