আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ভাঙন দেখা দিল মাহির সংসারে

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৩ মে ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অবশেষে গুঞ্জন সত্যি হলো। নায়িকা মাহির সংসারে ভাঙন দেখা দিল। নিজের ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিজেই খবরটি জানালেন মাহিয়া মাহি। তবে ঠিক কবে এবং কী কারণে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা জানাননি এ নায়িকা।

শনিবার (২২ মে) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মাহি তার ফেসবুকে লেখেন, এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষটার সাথে থাকতে না পারাটা অনেক বড় ব্যর্থতা। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শ্বশুর বাড়ির মানুষগুলোকে আর কাছ থেকে না দেখতে পাওয়াটা, বাবার মুখ থেকে মা জননী, বড় বাবার মুখ থেকে সুনামাই শোনার অধিকার হারিয়ে ফেলাটা সবচেয়ে বড় অপারগতা। আমাকে মাফ করে দিও। তোমরা ভালো থেক। আমি তোমাদের আজীবন মিস করব।

স্ট্যাটাসের সত্যতা যাচাই করতে রবিবার (২৩ মে) সকালে মাহির ব্যক্তিগত নাম্বারে ফোন করে পাওয়া যায়নি তাকে।

তবে শনিবার রাতে দেশীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে মাহি বলেন, বিষয়টি সত্যি। তবে অনুরোধ করব নেতিবাচক কিছু না লেখার। আমি চাই পরস্পরের সম্মানবোধটা বাঁচুক।

শনিবার (২২ মে) একটি স্ট্যাটাসে মাহি লেখেন, কখনো সম্পর্কের চেয়ে আত্মসম্মান বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

তার আগে ১২ মে অপুর সাথে দুটি ছবি শেয়ার করে মাহি লেখেন, গত ৮৬৪০০ মিনিট ধরে ভাবছি তোমাকে নিয়ে গুনে গুনে ৫১টা লাইন লিখবো। কিন্তু কিভাবে যে লিখবো, ঠিক কোত্থেকে শুরু করবো সেটাই ভেবে পাচ্ছি না। আচ্ছা আমি কি আর কোনোদিন গুছিয়ে কথা বলাটা শিখব না তাই না? তুমি তো আমাকে কিছুই শিখাতে পারলা না, এটা কি ঠিক?

নিউজ ট্যাগ: মাহিয়া মাহি

আরও খবর
ফের বিয়ে করছেন অনুপম রায়, পাত্রী কে?

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মেক্সিকোতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৯

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

উত্তর আমেরিকার দেশ মেক্সিকোতে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষের ঘটনায় ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও কম্পক্ষে ২০ জন যাত্রী।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

এফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম মেক্সিকোতে মঙ্গলবার একটি ডাবল ডেকার বাস এবং ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষে ১৯ জন নিহত এবং আরও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সিনালোয়া প্রদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সারা কুইনোনেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা এক ভিডিওতে বলেছেন, ১৯টি মৃতদেহ গণনা করা হয়েছে। দেহাবশেষ শনাক্ত করতে সময় লাগবে।

এএফপি বলছে, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ জালিস্কোর গুয়াদালাজারা শহর থেকে সিনালোয়ার লস মোচিসে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর কর্মকর্তাদের যাত্রীবাহী এই বাসের ধ্বংসাবশেষ পরিদর্শন করতে দেখা গেছে। 

আরও পড়ুন>> ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায় ব্রিটেন : ক্যামেরন

সিনালোয়ার নাগরিক সুরক্ষার পরিচালক রায় নাভারেতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক এবং বাসে প্রায় ৫০ জন আরোহী ছিল। সড়কে উভয় যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় এবং পরে আগুন ধরে যায়।

এর আগে গত বছরের আগস্টে মেক্সিকোতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়েছিলেন। নিহতদের মধ্যে ১৫ জনই ছিলেন মেক্সিকান নাগরিক। এ ছাড়া দুর্ঘটনায় সেসময় আহত হয়েছিলেন আরও ৩৬ জন যাত্রী।

একই মাসের শুরুতে পশ্চিম মেক্সিকোতে মহাসড়ক থেকে একটি বাস খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় নিহত হন ১৮ জন। এর আগে গত বছরের জুলাই মাসে মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ ওক্সাকাতে বাস দুর্ঘটনায় ২৯ জন নিহত হয়েছিলেন।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে চিয়াপাস প্রদেশে প্রায় ১৬৬ জনকে বহনকারী একটি ট্রাক দুর্ঘটনার মুখে পড়ার পর ৫৪ জন নিহত এবং আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হন।


আরও খবর



সংসদ প্র্যাকটিস ভালো করে জানতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাস জানতে হবে এবং সংবিধান আত্মস্থ করতে হবে। সংসদ কার্যপ্রণালী বিধি পড়তে হবে। সংসদ প্র্যাকটিস ভালো করে জানতে হবে। রোববার (২৮ জানুয়ারি) গণভবনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যেসব প্রকল্প দেশের মানুষের জন্য অর্থবহ সেসব প্রকল্পই গ্রহণ করা হয়। আপনাদের নির্বাচনী এলাকায় যদি কেউ ভূমিহীন, গৃহহীন থাকেন, তাদের জন্য ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে।

এ সময় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অব্যাহত থাকবে।

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীর সঞ্চালনায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। গণভবনে যাওয়া স্বতন্ত্রদের মধ্যে বেশিরভাগই সরকারের সঙ্গে থাকতে চান বলে জানিয়েছেন কয়েকজন এমপি।

উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২২৩টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এছাড়া জাতীয় পার্টি ১১টি এবং ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও কল্যাণ পার্টি একটি করে আসনে জয়লাভ করেছে। এর বাইরে এবার ৬২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে জিতেছেন।


আরও খবর



স্বাদে ঘ্রাণে অনন্য গুঠিয়ার সন্দেশ

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মোছাদ্দেক হাওলাদার, বরিশাল প্রতিনিধি

Image

সেই ষাটের দশকের কথা। নদীয়ায় আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে গিয়ে প্রথম পরিচয় হয়েছিল সাদা ধবধবে এক ধরনের মিষ্টান্নের সাথে। কিছুটা নরম, আকৃতিগত দিক থেকে এবড়ো-থেবড়ো। সেই মিষ্টান্নে মন ভরছিল না সতীশ চন্দ্র দাসের। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া গ্রামের নিজ এলাকায় ফিরে এসে নদীয়ার মিষ্টান্ন আর নিজের মিষ্টি তৈরির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করেন সন্দেশ। নামকরণ করা হয় গুঠিয়ার সন্দেশ। দূর থেকে দেখতে শিউলি ফুলের মত। নতুন এই মিষ্টান্ন বাজারজাতকরণে তিনি সাথে নিয়েছিলেন ব্যবসায়ী বন্ধু বাদশা হাওলাদারকে। তারা দুইজনে নতুনভাবে উৎপন্ন সন্দেশ বিক্রি করে সারাফেলে দেন।

সতীশ ও বাদশা দুইজনের কেহই এখন আর বেঁচে নেই। কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ মিষ্টান্ন গুঠিয়ার সন্দেশ বরিশাল অঞ্চলে বিখ্যাত হয়ে গেছে। গুঠিয়ার গ্রাম্য হাটের জৌলুস কমেছে, পাশের বিশাল খালটি তার নাব্যতা হারিয়েছে। কিন্তু সন্দেশের বাজার আজও জমজমাট। প্রতিদিন দেশ ও দেশের বাহিরের ভোজনরসিকরা এই মিষ্টান্নের স্বাদ পেতে ছুটে আসেন গুঠিয়ায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজার পেলে সেখানেও বাজিমাত করবে গুঠিয়ার সন্দেশ। যদিও বাঙালির খাদ্যপণ্যের তালিকায় সন্দেশ নতুন নয়। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য কৃত্তিবাসী রামায়ণ এবং চৈতন্যের কবিতায় সন্দেশের উল্লেখ রয়েছে। ১৯৬২ সালের দিকে গুঠিয়ার সন্দেশের পথচলা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সন্দেশ সাধারণত নরম ও লঘুপাকের হয় কিন্তু গুঠিয়ার সন্দেশ ঠিক তার উল্টো, কড়াপাকের। এজন্য গুঠিয়ার সন্দেশ হয় কিছুটা শক্ত ও শুস্ক। অন্যসব জায়গায় ক্ষীর সন্দেশ, সরপুরি, সাদা সন্দেশ, গুড়ের সন্দেশ, পোড়া সন্দেশের মত হরেক নামে সন্দেশ পেলেও গুঠিয়ার সন্দেশ প্রধানত এক পল্লার ও দুই পল্লার। দুই পল্লার সন্দেশকে ডাকা হয় জোড়া সন্দেশ নামে।

গুঠিয়া বাজারে এখন মাত্র সাতটি সন্দেশের দোকান চালু রয়েছে। এরমধ্যে মাহিয়া মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী টিটুল হাওলাদার জানান, প্রতিদিন যত মানুষ এই বাজারে মিষ্টান্ন নিতে আসেন তার আশি ভাগই সন্দেশ নিতে আসেন। সন্দেশ শুধু নিজে খান এমন না, স্বজনদের জন্যও নিয়ে যান। দেশের বাইরেও অনেকে নিয়ে যান।

এই দোকানের কর্মচারী মিন্টু হাওলাদার বলেন, গুঠিয়ার সন্দেশ তৈরিতে কোনো ধরনের ভেজাল দ্রব্য দেওয়ার সুযোগ নেই। আমরা গুণগত মান ঠিক রেখেই সন্দেশ বিক্রি করি। তিনি আরও বলেন, গুঠিয়ার সন্দেশের চাহিদা দেশ ও দেশের বাইরে অনেক। কিন্তু দুধ ও চিনির দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে আর আগের দামে সন্দেশ বিক্রি করতে পারছি না। তার উপর আয়কর অফিস আমাদের ওপর বিনা কারণেই বাড়তি কর ধার্য করছেন।

আরেক কারিগর শ্যামল চন্দ্র বলেন, আমার পূর্বপুরুষ ছিলেন সতীশ চন্দ্র দাস। তিনি যে পদ্ধতিতে সন্দেশ তৈরি করতেন আমরা এখনো সেভাবেই তৈরি করে থাকি। এজন্যই গুঠিয়ার সন্দেশের সাথে দেশের আর কোনো জায়গার সন্দেশ মিলবে না। আমরা খাঁটি দুধ ও চিনি ব্যবহার করি। তিনি আরও বলেন, খাঁটি পণ্য বিক্রি করায় সম্প্রতি ঢাকার চিন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সরকার আমাকে পুরস্কৃত করেছেন। সরকার আশ্বস্ত করেছে ঐতিহ্যবাহী খাদ্যপণ্য তারা আন্তর্জাতিকভাবে বাজারজাত করবে। সেই সুযোগ পেলে গুঠিয়ার সন্দেশ নিঃসন্দেহে বিশ্ব বাজারও জয় করবে।

যেভাবে তৈরি হয় গুঠিয়ার সন্দেশ

সাধারণত সাত কেজি দুধে এক কেজি ছানা পাওয়া যায়। সেই ছানার সাথে পরিমাণ মত চিনি মিশিয়ে অল্প আগুনে উত্তপ্ত করে নিতে হয়। প্রায় ৩০ মিনিট পর পাকিয়ে অল্প আঁচে পাঁচ মিনিট রাখলেই কাঁচামাল তৈরি। দুধ থেকে ছানা তৈরির পর তা দিয়ে সন্দেশ তৈরি হয়। ছানা বেশি সময় রেখে দিলে ভালো সন্দেশ হয়না। এজন্য দুধ থেকে ছানা কাটার পর পরই তা একটি বড় লোহার কড়াইতে জ্বাল দেওয়া হয়। কাঁচা ছানার সাথে কিছু ময়দা মেশানো হয়। জ্বাল হওয়ার পর তা কিছুটা চিকন করা হয়। জ্বালের কম-বেশির ওপরেই সন্দেশের স্বাদ ও গুণগত মান নির্ভর করে। পাকের পর তা চুলা থেকে নামিয়ে ছোট গোল্লা করে চ্যাপ্টা করা হয়। এরপর তার ওপরে মাঝখানে একটি পরিস্কার কিশমিশ দানা বসিয়ে দেওয়া হয়। এতে সন্দেশের সৌন্দর্য বাড়ে। সন্দেশ তৈরিতে পরিমাণমতো আঁচ ও পাকই হলো প্রধান কাজ। 

নিউজ ট্যাগ: গুঠিয়ার সন্দেশ

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




টানা চতুর্থ মেয়াদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

টানা চতুর্থ মেয়াদে জাতীয় সংসদের স্পিকার পদে নির্বাচিত হয়েছেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিশেনে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে নির্বাচিত হন তিনি।

ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুর সভাপতিত্বে বিকাল ৩টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়।

সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগ দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে একাদশ সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে এবং ডেপুটি স্পিকার হিসাবে শামসুল হক টুকুকে মনোনীত করে।

২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসাবে জাতীয় সংসদে আসেন শিরীন শারমিন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে ২০১৩ সালে ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন তিনি। এরপর ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ছেড়ে দেওয়া রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসন থেকে উপ-নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আসেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

এরপর একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার শ্বশুরবাড়ির এলাকা পীরগঞ্জের আসনটি নোয়াখালীর মেয়ে শিরীনকে ছেড়ে দেন। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও এ আসনে শিরীন শারমিনকে প্রার্থী করে আওয়ামী লীগ।

পেশায় আইনজীবী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ১৯৬৬ সালের ৬ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা রফিকউল্লাহ চৌধুরী ছিলেন স্বাধীনতার পর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত সচিব। তার মা অধ্যাপক নাইয়ার সুলতানা বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের সদস্য ছিলেন। তার নানা সিকান্দার আলী ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের বিচারপতি।

১৯৮৯ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল এল বি (অনার্স) এবং ১৯৯০ সালে ওই স্থান অটুট রেখেই এলএলএম ডিগ্রি নেন শিরীন শারমিন। ২০০০ সালে এসেক্স ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করেন।

এরপর ১৯৯২ সালে বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হন শিরীন। ১৯৯৪ সালে হাইকোর্ট বিভাগ ও ২০০৮ সালে আপিল বিভাগে অন্তর্ভুক্ত হন।


আরও খবর



মধ্যরাত থেকে ইজতেমার আশপাশে গণপরিবহন বন্ধ

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে শনিবার মধ্যরাত থেকে টঙ্গী ও এর আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ইজতেমার ময়দানের উত্তর-পশ্চিম পাশে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অস্থায়ী নিয়ন্ত্রক কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাহবুব আলম এসব তথ্য জানান।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন কমিশনার বলেন, প্রথম পর্বের মতো এই পর্বেও ৬ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ র‍্যাব, টুরিস্ট পুলিশ, শিল্পপুলিশ, নৌ-পুলিশসহ সব বাহিনী আগের মতোই মোতায়েন আছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন কমিশনার আরও বলেন, আজ মধ্যরাত থেকে টঙ্গী-কামারপাড়া রোড, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী থেকে গাজীপুরের ভোগরা বাইপাস পর্যন্ত এবং আবদুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়ার বাইপাইল পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া ময়মনসিংহ ও গাজীপুরগামী যানবাহনগুলোকে গাবতলী দিয়ে কোনাবাড়ি হয়ে এবং ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী যানবাহনগুলোকে ভোগরা বাইপাস দিয়ে তিনশ ফিট সড়ক ব্যবহার করে চলাচল করতে বলা হয়েছে। এ সময় এসব সড়ক হয়ে কোনো পণ্যবাহী গাড়ি যান চলতে দেওয়া হবে না। তবে ইজতেমা সংশ্লিষ্ট সব ধরনের যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

আগামীকাল রোববার সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্য দিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে ৫৭ তম বিশ্ব ইজতেমার এবারের আসর।

নিউজ ট্যাগ: বিশ্ব ইজতেমা

আরও খবর