আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ভারত থেকে ট্রেনের ২০০ বগি কিনবে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আরআইটিইএস লিমিটেডের সঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ের ব্রডগেজ লাইনের জন্য ২০০ যাত্রীবাহী বগি কেনার চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী সবধরণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ২০ মাস পর থেকে বগি দেওয়া শুরু হবে এবং ৩৬ মাসে মধ্যে সব বগি হস্তান্তর করা হবে।

আজ সোমবার রাজধানীর রেলওয়ে ভবনে এই চুক্তি সই করা হয়।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেলপথমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম, রেলপথ সচিব হুমায়ুন কবীর, মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী, ভারতীয় কোম্পানির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাহুল মিত্তাল, ভারতীয় রেলওয়ের প্রোডাকশন ইউনিটের অতিরিক্ত সদস্য সঞ্জয় কুমার পংকজ ও ইউরোপিয় ইউনিয়নের হেড অফ করপোরেশন মিচেল ক্রেজা ও রেলওয়ের কর্মকর্তারা।

পরে রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম বলেন, আমাদের ক্যারেজের খুব সমস্যা। এই মুহূর্তে তারা (ভারতীয়) যে ক্যারেজ দিচ্ছেন এর জন্য ধন্যবাদ। আগামী দুইমাসের মধ্যে যদি দুই সেট ক্যারেজ দেওয়া হয় তবে সেটা আমাদের জন্য ভালো হবে। বাকিগুলো শিডিউল করে নিলে হবে। রেলের কর্মকর্তারা স্লো। এটা আমার জন্য দুঃখজনক। তারা ভাবে এটা ৫ থেকে ৬ মাস লাগবে।

রেলসচিব হুমায়ুন কবীর বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ অংশে রেলের সংযোগ স্থাপন হয়েছে। এতে করে ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণের জেলাগুলোর যোগাযোগ বাড়ছে। এর ফলে এসব প্যাসেঞ্জার ক্যারেজ রেল যোগাযোগকে ত্বরান্বিত করবে।

মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী বলেন, রেলের লক্ষ্য হচ্ছে যোগাযোগ পরিধি বাড়ানো, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রেল সংযোগ স্থাপন করা, যাত্রীসেবা দেওয়া। আর এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেটা অনেকাংশে সম্ভব হবে।

জানা যায়, সারা দেশে রেলের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে পড়লেও যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে পিছিয়ে রয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে পদ্মাসেতু রেল সংযোগ প্রকল্প ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণ প্রকল্প দ্রুততার সঙ্গে শেষের দিকে এগিয়ে চলেছে। রেলওয়ে আশা করছে এসব প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বাংলাদেশে রেলপথে যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে সম্ভাবনার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ প্রকল্প দুটি পরিপূর্ণভাবে শেষ হলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে যাত্রী বহনের সুবিধা বাড়বে।


আরও খবর



মিয়ানমারে ভূমিকম্প, কাঁপলো বাংলাদেশও

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আবারও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো মিয়ানমার। যা অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলায়ও। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৫ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। রবিবার (২ জুন) দুপুর ২টা ৪৪ মিনিট ৫৯ সেকেন্ডে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানিয়েছেন ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা।

তিনি জানান, মিয়ানমারে ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যা অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন স্থানেও। ঢাকা থেকে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ৪৪২ কিলোমিটার দূরে।

এর আগে, গত ২৯ মে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৫.৪।

এছাড়া এ বছর আরও অন্তত ৩টি ভূমিকম্প অনুভূত হয় বাংলাদেশে।

গত ২৮ এপ্রিল (রবিবার) বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চল এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। রাত ৮টা ৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তমপুরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪।

গত ২০ এপ্রিল চট্টগ্রামে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ৩.৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি বন্দরনগরী থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানে। মৃদু ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারত সীমান্ত থেকে ৩৪ কিলোমিটার ও মিয়ানমার থেকে ৬৬ কিলোমিটার দূরে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা ৭ মিনিটে মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে চুয়াডাঙ্গা। চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান ওই সময় জানান, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩.৬। এর উৎপত্তিস্থল ছিল পাবনা জেলার আটঘরিয়া।

২০২৩ সালে যত ভূমিকম্প

২০২৩ সালে বাংলাদেশে ১১টি হালকা ও মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এসব ভূমিকম্পে জানমালের তেমন ক্ষতি না হলেও এগুলো বড় ধরনের ভূমিকম্পের আভাস বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গত বছর প্রথম ভূকম্পন অনুভূত হয় ১৬ ফেব্রুয়ারি। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ের পাশাপাশি কেঁপে ওঠে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট জেলাও। ৩ দশমিক ৯ মাত্রার এ ভূমিকম্পে জানমালের তেমন ক্ষতি হয়নি।

২৫ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে মাঝারি মাত্রার জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হানে। দেশটির আয়াবতি ও রাখাইন রাজ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের কক্সবাজারেও ভূকম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার আগারগাঁও থেকে ৩৭৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।

৩০ এপ্রিল ৪ দশমিক ৬ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয় চট্টগ্রামে। এর উৎপত্তিস্থল অক্ষাংশ ২২ দশমিক ৯৩ ডিগ্রি উত্তর, দ্রাঘিমা ৯৪ দশমিক ১৯ ডিগ্রি পূর্ব মিয়ানমারের মাউলাইকে। রাজধানীর ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এর দূরত্ব ছিল ৪০০ কিলোমিটার।

৫ মে রাজধানীতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৩। উৎপত্তিস্থল ঢাকার সিটি সেন্টার থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে দোহারে।

৫ জুন ৩ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে বঙ্গোপসাগরে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মিয়ানমারের কাছে বঙ্গোপসাগরের তলদেশে।

১৬ জুন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের গোলাপগঞ্জ, মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫।

এরপর ১৪ আগস্ট সিলেটে ফের ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। একই সঙ্গে ঢাকাসহ কয়েকটি জেলায়ও এটি অনুভূত হয়। উৎপত্তিস্থল ছিল আসামের মেঘালয়, গভীরতা ছিল ৩৫ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ২২৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।

ঠিক ১৬ দিনের মাথায় অর্থাৎ ২৯ আগস্ট সিলেট মহানগরীর আশপাশে ফের মৃদু কম্পন অনুভূত হয়। এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৫। উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের মেঘালয় রাজ্যের জৈন্তাপুরে।

৯ সেপ্টেম্বর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আসাম রাজ্যে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার মৃদু ভূমিকম্প আঘাত হানে। আসামে আঘাত হানা ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে বাংলাদেশের সিলেট জেলাও। ঢাকা থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ২৬৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে ভারতের আসামের কাছাড়ে।

১৭ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলে ৪.২ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ৫৯ কিলোমিটার দূরে টাঙ্গাইল সদরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর অবস্থান।

২০২৩ সালে সর্বশেষ ২ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকাসহ দেশে বিভিন্ন জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৫। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ। ঢাকার আগারগাঁও ভূমিকম্প গবেষণা কেন্দ্র থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ৮৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৬।


আরও খবর



বাজেট: উৎপাদন খরচ বাড়ছে ইটের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ইটের বিদ্যমান সুনির্দিষ্ট কর ১০ থেকে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে বাড়বে নির্মাণ খরচ। যন্ত্রের সাহায্য ছাড়া তৈরি সাধারণ ইট ও ফেসিংয়ে ব্যবহৃত ইট ছাড়া এ খাতে বিদ্যমান কর ৪৫০ টাকার (প্রতি হাজার) পরিবর্তে ৫০০ টাকা, যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি সাধারণ ইট ও ফেসিংয়ে ব্যবহৃত ইট ছাড়া এই খাতে বিদ্যমান কর ৫০০ টাকার (প্রতি হাজার) পরিবর্তে ৬০০ টাকা, যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি প্রথম গ্রেডের ইটে ৭০০ টাকার (প্রতি হাজার) পরিবর্তে ৮০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

দ্বিতীয় গ্রেডের ইটেও একই হার। ব্রিকস চিপসে ৭০০ টাকার (প্রতি ১০০ সিএফটি) পরিবর্তে ৮০০ টাকা এবং মিকাড ব্যাটসের ক্ষেত্রে ৫০০ টাকার (প্রতি ১০০ সিএফটি) পরিবর্তে ৬০০ টাকা। ট্যুর অপারেটর সেবার উপর মূসক অব্যাহতি প্রত্যাহার হচ্ছে।

এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৩তম বাজেট এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা চতুর্থ মেয়াদের ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেট। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেট। বিশাল এ প্রস্তাবিত বাজেটের ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত এ বাজেটে অনুদান ছাড়া ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। এটি মোট জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। সরকার অভ্যন্তরীণ ঋণ নেবে এক লাখ ৬০ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত এই বাজেট বক্তব্যের শিরোনাম 'সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার'। আগামী ৩০ জুন বাজেট পাস হওয়ার কথা রয়েছে।


আরও খবর



জাজিরায় আচরণবিধি লঙ্ঘন করে জীবন্ত ঘোড়া নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

শরীয়তপুরের জাজিরায় উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী এস এম আমিনুল ইসলামের প্রতীক ঘোড়া। ওই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে মিছিলে জীবন্ত ঘোড়া ব্যবহারের মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এস এম আমিনুল ইসলাম শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

দ্বিতীয় ধাপে ২১ মে শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গত (০২ মে) বৃহস্পতিবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পরই প্রার্থীরা জোরেশোরে মিছিল, সভা ও প্রচার-প্রচারণা শুরু করেন। শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে চেয়ারম্যান প্রার্থী এস এম আমিনুল ইসলামের পক্ষে সাহেদ আলী মল্লিক নামে স্থানীয় এক নেতার নেতৃত্বে জাজিরা উপজেলার কুন্ডেরচর ইউনিয়নের ভাটকুল বাজার এলাকা থেকে মিছিল বের করা হয়। ওই মিছিলে একটি জীবন্ত ঘোড়া রাখা হয়। কর্মী-সমর্থকেরা ঘোড়াটি সামনে রেখে মিছিল করেন। মিছিলে অন্তত দুই থেকে তিনশত কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, "উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬-এর ১০ ধারায় বলা আছে, নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রতীক হিসেবে জীবন্ত প্রাণী ব্যবহার করা যাবে না। ১১ ধারায় বলা আছে, নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো ধরনের মিছিল বা কোনোরূপ শোডাউন করা যাবে না। ওই বিধির ৩৩ নম্বরে বলা আছে, কোনো প্রার্থী নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তা প্রমাণিত হলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন ওই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারেন।"

বিষয়টি নিয়ে জানতে ঐ মিছিলে নেতৃত্ব থাকা সাহেদ আলী মল্লিকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে কথা হয় সাহেদ আলী মল্লিকের ভাতিজা আকাশ মল্লিকের সাথে। তিনি বলেন, আমার কাকা আচরণবিধি সম্পর্কে জানতেন না।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ারম্যান প্রার্থী এস এম আমিনুল ইসলামকে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি।

শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুদ্দিন গিয়াস বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কেউ কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মিছিল করতে পারবেন না। আর মিছিল বা প্রচার-প্রচারণায় কোনো প্রাণী ব্যবহার করা যাবে না। এসব কার্যক্রম আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। কোনো প্রার্থী এমন করেছেন বলে আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে ওই প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুর জাজিরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীরা হলেন, "শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজী (মোটরসাইকেল প্রতীক), জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আমিনুল ইসলাম (ঘোড়া প্রতীক), নান্নু মিয়া (আনারস প্রতীক), জাজিরা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন (কাপ পিরিচ প্রতীক), জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. সামচুল হক খান (দোয়াত কলম প্রতীক)।"

ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা হলেন, "মহাব্বত খান(চশমা প্রতীক), জাহাঙ্গীর আলম(মাইক প্রতীক), নুর মোহাম্মদ (উড়োজাহাজ প্রতীক),মোঃ নজরুল ইসলাম মাল(তালা প্রতীক)।"

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হচ্ছেন, "উপজেলা পরিষদের বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পারভীন আক্তার(পদ্মফুল প্রতীক), রেখা আক্তার (ফুটবল প্রতীক), নাসরিন আক্তার(হাঁস প্রতীক), জাহানারা খানম(কলস প্রতীক)।"

শাওন বেপারী, (জাজিরা) শরীয়তপুর


আরও খবর



পোল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বঙ্গবন্ধু কাপ-২০২৪ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ মে, ২০২৪) মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে গ্রুপপর্বে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে পোল্যান্ডকে ৭টি লোনাসহ ৭৯-২৮ পয়েন্ট হারিয়ে টানা চার ম্যাচ তুলে নেয়। পাশাপাশি এ জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের প্রথম দল হিসেবে (গ্রুপ-এ) শেষ চার নিশ্চিত করে আসরের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। প্রথমার্ধে বাংলাদেশ ৩৮-১৫ পয়েন্ট এগিয়ে ছিল।

দারুণ ক্রীড়াশৈলী দেখিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তারকা রেইডার আরদুজ্জামান মুন্সি। প্রতিপক্ষের কাছ থেকে তিনি একাই ২৫ পয়েন্ট তুলে নেন।

আগামীকাল শুক্রবার (৩১ মে) গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ খেলতে নামবে লাল-সবুজরা। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নেপাল। সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

আজ ম্যাচের শুরু থেকেই পোলিশদের চেপে ধরেন মিজান, আরদু, আল-আমিন, রাজিব, ইয়াসিনরা। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই প্রথম লোনা তুলে নেয় বাংলাদেশ। এ সময় স্বাগতিকরা ১০-১ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। ষষ্ঠ মিনিটে দ্বিতীয় লোনার দেখা পায়। ফলে লাল-সবুজরা এগিয়ে যায় ১৯-২ পয়েন্টে। এরপর ১৪ মিনিটে তৃতীয় লোনা পায় বাংলাদেশ। এ সময় দুদলের পয়েন্টের পার্থক্য ছিল ৩০-১০। প্রথমার্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারেনি এ আসরে ইউরোপের একমাত্র প্রতিনিধি পোল্যান্ড।

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটেই (২১ মিনিট) চতুর্থ লোনা তুলে নেয় বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের চেয়ে ৪১-১৫ পয়েন্ট ব্যবধানে ছিল আব্দুল জলিলের শিষ্যরা। ২৯ মিনিটে পঞ্চম লোনাসহ ৫১-২১ পয়েন্টে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধের ৩৪ মিনিটে ষষ্ঠ লোনা স্বাগতিকদের। এ সময় দল এগিয়ে ছিল ৬১-২৪ পয়েন্টে। ৩৯ মিনিটে সপ্তম লোনা লাভ করে বাংলাদেশ। এ সময় ৭১-২৭ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।

পোল্যান্ডকে বিপক্ষে বড় জয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশের কোচ আব্দুল জলিল। ম্যাচশেষে তিনি বলেন, গ্রুপপর্ব থেকে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছি। যা প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল। পোল্যান্ডের বিপক্ষে বড় জয় দলকে আরও উজ্জীবিত আত্মবিশ্বাসী করেছে। আগামীকাল গ্রুপপর্বে আমাদের শেষ ম্যাচ রয়েছে নেপালের বিপক্ষে। ওই ম্যাচেও জিততে চাই। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে যেতে চাই। আশাকরি টানা চার ম্যাচের মতো নেপালের বিপক্ষেও আমরা জিতব।


আরও খবর



আচরণ বিধি লঙ্ঘন: নিক্সন চৌধুরীকে শোকজ

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মজিবুর রহমান চৌধুরীকে (নিক্সন) কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। সোমবার (২৭ মে) তাকে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক খান এতে উল্লেখ করেছেন, আপনি মজিবুর রহমান চৌধুরী, মাননীয় সংসদ সদস্য ২১৪ ফরিদপুর-০৪। সদরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম আনারস প্রতীক কর্তৃক তার (মো. শহিদুল ইসলাম) বিপক্ষে আপনার একটি অডিও/ভিডিও ক্লিপের বক্তব্য হোয়াটসঅ্যাপে অবহিত করেছেন এবং এ সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন মিডিয়াতেও প্রচার হয়েছে।

এছাড়া, ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০১৪ উপলক্ষে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. মোখলেছুর রহমান ঘোড়া প্রতীক কর্তৃক আপনার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন। এ সংক্রান্ত আচরণ বিধি লঙ্ঘন বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

যেহেতু, উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি-২ এর উপবিধি (১৪) অনুযায়ী আপনি সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। উল্লেখ, বিধি-২২ এর উপবিধি (১) ও (২) অনুযায়ী সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণায় বা নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

সেহেতু, উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি-২২ এর উপবিধি (১) ও (২) এবং বিধি ১৮ অনুযায়ী এবং অন্যান্য প্রাপ্ত নথিসমুহে, আপনার কর্তৃক আচরণ বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়েছে। এই অবস্থায়, আপনি সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও কেন নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছেন? তার সুনির্দিষ্ট লিখিত ব্যাখ্যা, আগামী ২৮ মে বিকেল ৪টার মধ্যে উপজেলা নির্বাচন অফিসার, ভাঙ্গা সদরপুর ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে দাখিল করার জন্য অনুরোধ করা হলো। অন্যথায়, আপনার বিরুদ্ধে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করা হবে।


আরও খবর