আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

ভারতে আবারও বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৬১৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতে আবারও বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বৃহস্পতিবার সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় লাখের কাছাকাছি পৌঁছেছে। করোনায় একদিনে প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যাও ৩২৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

এরই মধ্যে ভারতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৬৩০ জনে। এবং বুধবার রাজস্থানে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই ও সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

বৃহস্পতিবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৯০ হাজার ৯২৮ মানুষ। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় দেশটিতে নতুন সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৩ হাজার। আর বুধবারের তুলনায় ৫৬ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

অন্যদিকে বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার ভারতে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও তা এখনও তিনশর ওপরেই রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মারা গেছেন ৩২৫ জন। অর্থাৎ গত একদিনে প্রাণহানির সংখ্যা কমেছে দুই শতাধিক। মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৪ লাখ ৮২ হাজার ৮৭৬ জন।

ভারতে এখন দৈনিক সংক্রমণের হার ৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে সুস্থ হয়েছেন ১৯ হাজারের বেশি মানুষ। ফলে দেশটিতে এখন সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৮৫ হাজার ৪০১ জন।

এদিকে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে দিল্লি সরকার। রাজধানীর নয়টি হাসপাতালকে কোভিড বেডের সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

এ ছাড়া দিল্লি সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে। সেই নির্দেশনায় দিল্লির হাসপাতালগুলোতে কোভিড বেড তিন হাজার ৩১৬ থেকে বাড়িয়ে চার হাজার ৩৫০ করার কথা বলা হয়েছে।


আরও খবর
সৌদি আরবে প্রতি ঘণ্টায় ৭ ডিভোর্স

সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২




বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় ইরাক : বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারী ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারী ২০22 | ২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ইরাকের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এজন্য দুই দেশে প্রতিনিধিদলের সফর বাড়লে বিনিয়োগের খাতগুলো চিহ্নিত করা সহজ হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একশ স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। অনেকগুলোর কাজ শেষ পর্যায়ে। বিশ্বের অনেক দেশ তাই এখানে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকায় তার সরকারি বাসভবনের অফিস কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত ইরাকের রাষ্ট্রদূত আব্দুলসালাম সাদ্দাম মোহাইসেনের সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগকারীদের আনুষ্ঠানিকতা সহজ করতে কাজ করছে। বেশকিছু আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধাও ঘোষণা করেছে বলে জানান মন্ত্রী।

এসময় ইরাকের রাষ্ট্রদূত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ইরাক বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী। এর জন্য ১৯৮১ সালে করা বাণিজ্য চুক্তি নবায়ন ও সময়োপযোগী করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। আলোচনার জন্য বাণিজ্যমন্ত্রীকে ইরাক সফরের আমন্ত্রণও জানান।

উল্লেখ্য, চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও গত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ইরাকে ৩৮ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে। একই সময়ে ইরাক থেকে আমদানি করেছে ৫ কোটি ৩৪ লাখ ২০ হাজার ডলার মূল্যের পণ্য।

উল্লেখ্য, ইরাকের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, মেডিক্যাল, পাটজাত পণ্য, হোম টেক্স এবং চামড়াজাত পণ্য রফতানির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।


আরও খবর
অর্ধেক জনবলে চলবে ব্যাংক

সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২

শেয়ারবাজারে বড় দরপতন

সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২




দীর্ঘ ৭৭ বছর পর আনা ফ্রাঙ্কের ‘বিশ্বাসঘাতক’ শনাক্ত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সম্প্রতি নতুন এক তদন্তে নাৎসিদের হাতে আনা ফ্রাঙ্ক এবং তার পরিবারকে তুলে দেয়ায় অভিযুক্ত এক সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে নাৎসি বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে ওই ব্যক্তিই আনা ফ্রাঙ্কের পরিবারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। যদিও শনাক্ত হওয়া ভ্যান ডেন বার্গ নামের ওই ব্যাক্তি ১৯৫০ সালে মারা গেছেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বহুল আলোচিত চরিত্র ইহুদি কিশোরী আনা ফ্রাঙ্ক। ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মাত্র ১৫ বছর বয়সে এক নাৎসি বন্দিশিবিরে মারা যান আনা। এর ছয় মাস আগে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামের একটি গোপন জায়গা থেকে আনা ও তার পরিবারের সদস্যদের আটক করে নাৎসি বাহিনী।

কৌশলে লুকিয়ে থাকতলেও তারা কীভাবে পড়ে তা অবশ্য সে সময় জানা যায়নি। তাদের ধরিয়ে দিতে কে বা কারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল এ বিষয়ও ছিল আড়ালে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দীর্ঘ ৭৭ বছর পর কিশোরী আনাকে ধরিয়ে দেয়ার পেছনে কে ছিলেন তা বেরিয়ে এসেছে নতুন এক তদন্তে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার তদন্তকারী দলে রয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ইতিহাসবিদ ও বিশেষজ্ঞরা।

এই তদন্তে সময় লেগেছে ছয়টি বছর।তদন্ত শেষে এফবিআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা ভিন্স প্যানকোকে আরনল্ড, ভ্যান ডেন বার্গ নামের আমস্টারডামের ওই ইহুদি ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেছেন।

নানা সূত্র মিলিয়ে আরনল্ড বলছেন, নাৎসিদের হাত থেকে নিজের পরিবারকে বাঁচাতেই হয়তো আনা ও তার পরিবারকে ধরিয়ে দিয়েছিলেন ভ্যান ডেন বার্গ।

আমস্টারডামের ইহুদি কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন ভ্যান ডেন বার্গ। এই কাউন্সিলকে ইহুদি এলাকায় নাৎসি নীতি বাস্তবায়নে বাধ্য করা হয়েছিল।

১৯৪৩ সালে যুদ্ধ চলাকালে এই কাউন্সিল ভেঙে দেয়া হয় এবং এর সদস্যদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়। যদিও ভ্যান ডেন বার্গকে ওই সময় ক্যাম্পে পাঠানো হয়নি। তিনি তখন আমস্টারডামেই বাস করছিলেন।

সে সময় এটিও শোনা গিয়েছিল যে, ইহুদি কাউন্সিলের এক সদস্য নাৎসিদেরকে তথ্যপাচার করছেন।

সিবিএস নিউজের সিক্সটি মিনিটস প্রোগ্রামে এফবিআইর সাবেক এজেন্ট ভিন্স প্যানকোক বলেন, ভ্যান ডেন বার্গ তখন এমন পরিস্থিতিতে পড়েছিলেন যে,পরিবারসহ তার ক্যাম্পে যাওয়া ছাড়া তার আর কোনও উপায় ছিল না। আর সেই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পেতেই, বিনিময়েই তিনি আনা ফ্রাঙ্ক ও তার পরিবারের তথ্য নাৎসি বাহিনীর কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

পরিবারসহ ধরা পড়ার আগে আনার বাবা ওটো ফ্রাঙ্কের কাছে একটি চিরকূট এসেছিল অজ্ঞাত কারও কাছ থেকে। ওই চিরকূটে লেখা ছিল বিশ্বাসঘাতকের সম্পর্কে। তবে সে সময় ওটো ফ্রাঙ্ক বিষয়টি চেপে গিয়েছিলেন।

এর কারণ হিসাবে এফবিআইয়ের কর্মকর্তা বলছেন,ইহুদি বিদ্বেষী ওটো ফ্রাঙ্ক হয়তো ভেবেছিলেন, বিশ্বাসঘাতকের নাম প্রকাশ করলে তা শুধু আগুনে ঘিই ঢালবে।

ডাচ পত্রিকা ডি ভল্কসক্রান্ট জানিয়েছে, ১৯৫০ সালে মারা গেছেন ভ্যান ডেন বার্গ। আনা ফ্রাঙ্কের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করার সন্দেহে গত কয়েক দশকে কয়েক ডজনেরও বেশি মানুষের নাম শোনা গেছে। তবে আগে কখনই আধুনিক তদন্ত কৌশল কাজে লাগিয়ে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করার এমন চেষ্টা করা হয়নি।

১৯৪৪ সালের ৪ আগস্ট গ্রেফতার হন আনা ও তার পরিবার। আনাকে পাঠানো হয় ওয়েস্টারবর্কের শিবিরে। এরপর তাকে নেয়া হয় জার্মানিতে নাৎসি বাহিনীর বার্গেন-বেলসেন শিবিরে। সেখানে ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবল জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আনা।

মেয়ের মৃত্যুর পর বাবা ওটো ফ্রাঙ্ক আনার হৃদয়স্পর্শী একটি ডায়েরি পান। প্রথম সেটি বই হিসেবে প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালের ২৫ জুন। বিশ্বজুড়ে ডায়েরিটি ব্যাপক সাড়া ফেলে। ডায়েরিটি ২০০৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।


আরও খবর
সৌদি আরবে প্রতি ঘণ্টায় ৭ ডিভোর্স

সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২




আনকাট সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে শাকিবের ‘গলুই’

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আনকাট সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের গলুই সিনেমা।

এই তথ্য নিশ্চিত করে এক বার্তায় সিনেমাটির নির্মাতা এস এ হক অলিক জানিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ। আনকাট ছাড়পত্র পেলাম। বোর্ডের সম্মানিত সদস্যদের প্রশংসায় ভাসলাম। কৃতজ্ঞতা জানাই টিমের সকল শিল্পী-কুশলীদের প্রতি। বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু ভাইয়ের প্রতি, স্বাধীনভাবে ছবিটি নির্মাণ করতে দেয়ার জন্য।

সিনেমাটিতে শাকিবের বিপরীতে প্রথম বার অভিনয় করছেন চিত্রনায়িকা পূজা চেরি। সিনেমাটিতে দেখা যাবে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ও বিস্তীর্ণ এক জনপদের মানুষের জীবনের গল্প। শুটিং হয়েছে টাঙ্গাইল জেলা ও জামালপুরের নদীবর্তী এলাকায়।

কবে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি? সিনেমাটির প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু বলেন, বড় বাজেটের সিনেমা এটা। আমরা উৎসবে মুক্তি দিতে চাই। আপাতত আমাদের পরিকল্পনায় ঈদ।

এর আগে ভালোবাসা দিবসে বা বৈশাখে সিনেমাটি মুক্তি দিতে চেয়েছিলেন, এমন প্রশ্নে প্রযোজকের ভাষ্য, সেটা এখন আর পরিকল্পনায় নেই।

সিনেমাটি প্রসঙ্গে শাকিব খান জানিয়েছেন, এ সিনেমার মাধ্যমে পর্দায় দর্শক আমাকে নতুনভাবে আবিষ্কার করবে। নতুনত্ব দেওয়ার জন্যই কাজটি করলাম। গল্প যেমন সুন্দর, তেমনই এ সিনেমার গানগুলো মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। সবকিছু মিলিয়ে গলুই হচ্ছে লার্জার স্কেলের সিনেমা।

শাকিব-পূজা ছাড়াও সিনেমাটিতে অভিনয় করছেন আজিজুল হাকিম, ফজলুর রহমান বাবুসহ অনেকে। গান করছেন কুমার বিশ্বজিৎ, হাবিব ওয়াহিদ, কণাসহ অনেকে।


আরও খবর



সাইপ্রাসের পশ্চিম উপকূলে শক্তিশালী ভূমিকম্প

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাইপ্রাসের পশ্চিম উপকূলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.৬। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহত সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

ইউএসজিএস জানায়, মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ৭ মিনিটে ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপ পলিস শহরের পশ্চিম-উত্তরপশ্চিমে ৪৮ কিলোমিটার (৩০ মাইল) দূরে আঘাত হানে।

সংস্থাটির তথ্যমতে, পুরো সাইপ্রাস এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল তুরস্ক, ইসরায়েল ও লেবাননে কম্পন অনুভূত হয়েছে।

তবে প্রাথমিক মূল্যায়নে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম বলে জানিয়েছে ইউএসজিএস।সাইপ্রাস দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত। কিন্তু এ ধরনের কম্পন সচরাচর ঘটে না।

 


আরও খবর
সৌদি আরবে প্রতি ঘণ্টায় ৭ ডিভোর্স

সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২




আমতলীতে সোয়া লক্ষ বইয়ের ঘাটতি!

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | ৪৭৫জন দেখেছেন

Image

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

আমতলীতে বই বিতরণের প্রথম দিনে উপজেলার মাধ্যমিক, মাদরাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাহিদার তুলুলনায় সোয়া লক্ষ বই ঘাটতি থাকায় শিক্ষার্থীদের হাতে সকল বিষয়ের নতুন বই পৌছানো সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, উপজেলায় ২৬টি মাধ্যমিক, ১৪টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৯টি মাদরাসা, ১৫২টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৬টি কিন্ডার গার্ডেন ও ৩০টি প্রাইভেট ও এনজিওর ৩টিসহ মোট ২৭০টি বিদ্যালয় রয়েছে। এসকল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অনুযায়ী মাধ্যমিক স্তরে ৪ লক্ষ ৪ হাজার ২০টি এবং প্রাথমিকস্তরে  ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৮১৮টিসহ মোট বইয়ের চাহিদা ছিল ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮৩৮টি।

গত ৩১ ডিসেম্বর  শুক্রবার পর্যন্ত বই পাওয়া গেছে মাধ্যমিকে ৩ লক্ষ ২১ হাজার  ৮৪০টি এবং প্রাথমিকে পাওয়া গেছে ১ লক্ষ ১১ হাজার ২১৮টি বই। ঘাটতি রয়েছে মাধ্যমিকে ১ লক্ষ ১৮ হাজার ১৮০টি বই। এর মধ্যে সপ্তম শ্রেণির বাংলা এবং ইংরেজী বই ছাড়া আর কোন বিষয়ের বই পাওয়া জায়নি বলে জানান মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। প্রাথমিকে ঘাটতি রয়েছে প্রাকের ৪ হাজার ৬০০ বই।

আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান জানান, প্রাথমিক স্তরের সকল বই পাওয়া গেছে। শুধু প্রাকের ৪ হাজার ৬০০ বই পাওয়া যায়নি। আশাকরি তা দ্রুত সময়ে পাওয়া যাবে।

আমতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউল হক মিলন বলেন, মাধ্যমিক স্তরের ১ লক্ষ ১৮ হাজার ১৮০টি বই ঘাটতি রয়েছে। এ বই কবে নাগাদ পাওয়া যাবে তা জানা যায়নি। তিনি আরো বলেন, সপ্তম শ্রেণির বাংলা এবং ইংরেজী ছাড়া অন্য কোন বই পাওয়া যায়নি।


আরও খবর
ঢাকা-বরগুনা মহাসড়কে বাস উল্টে খাদে

রবিবার ২৩ জানুয়ারী ২০২২