আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

ভারতে পিকে হালদারের বিপুল সম্পত্তির সন্ধান

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আলোচিত পিকে হালদারের বিপুল সম্পত্তির সন্ধান মিলেছে ভারতে। খোঁজ পাওয়া গেছে বেশ কয়েকটি বিলাসবহুল বাগানবাড়ি, হোটেল ও ফ্ল্যাটের।

শুক্রবার (১৩ মে) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের অন্তত ৯ জায়গায় চিরুনি অভিযান চালায় দেশটির অর্থ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর বা ইডি। পিকে হালদারের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক করা হয়েছে একজনকে।

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক পিকে হালদার। প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মুদ্রা পাচার ও ১২৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন মামলায় এখন পলাতক আসামি তিনি। পাচার করা অর্থে ভারতে বিপুল সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি। খবর পেয়ে শুক্রবার ম্যারাথন অভিযানে নামে নয়াদিল্লির গোয়েন্দা বিভাগ। রাজারহাট, উত্তর ২৪ পরগণার অশোকনগর, দমদমসহ পশ্চিমবঙ্গের অন্তত ৯ জায়গায় চালানো হয় সাঁড়াশি অভিযান।

এদিন সন্ধান মেলে পিকে হালদারের প্রধান সহযোগী সুকুমার মৃধার পাচারকৃত অর্থেরও। ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিহিনী এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর বা ইডি জানায়, মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত সুকুমারের বিরুদ্ধে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি পেয়েছেন তারা। সেখানে পিকে-মৃধা মিলে কিনেছেন বেশ কিছু বাগানবাড়ি।

স্বপন মিত্র নামে তাদের আরেক সহযোগীর বাড়িতেও হানা দেয় ইডি। সেখান থেকে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়। তাকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটক করে গোয়েন্দা বাহিনী।

এর আগে পিকে হালদারের সহযোগী হিসেবে পরিচিত ২৫ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন বাংলাদেশের উচ্চ আদালত। এ তালিকায় সুকুমার ও তার মেয়ে অনিন্দিতাও ছিলেন। পরে এ দুজনসহ ৬২ জনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও জব্দ করে দুদক।


আরও খবর



সিলেটের জাফলং পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের উপর সন্ত্রাসী হামলা, গ্রেফতার ৫

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেট প্রতিনিধি: 

সিলেটের জাফলং পর্যটন কেন্দ্রে টিকেট কেনাকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে প্রশাসনের নিযোক্ত স্বেচ্ছাসেবকরা। বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে লাঠি-শোটা নিয়ে পর্যটকদের উপর হামলা করে কিছু স্বেচ্ছাসেবী।

হামলায় নারী, শিশুসহ অনন্ত ৫ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জানা যায়, টিকেট কেনাকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের সাথে কাউন্টার লোকদের বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে কাউন্টারে থাকা স্বেচ্ছাসেবকরা লাঠি-শোটা দিয়ে পর্যটকদের পেঠাতে শুরু করে। তখন পাশে থাকা একজন তরুণী ও কোলে শিশু বাচ্চা নিয়ে একজন মহিলা এগিয়ে আসলে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায় স্বেচ্ছাসেবকরা। প্রত্যক্ষদর্শী থেকে খবর পাওয়া যায়- এখন পর্যন্ত ৫ জন আহত হয়েছেন।

এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানার ওসি কেএম নজরুল বলেন, খবর পেয়ে আমাদের কয়েকজন অফিসারকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। ইতোমধ্যে পর্যটকদের উপর হামলার ঘটনায় ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

এছাড়া হামলাকারী তিন স্বেচ্ছাসেবককে বরখাস্থ করেছে প্রশাসন। তাদের  বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তাহমিলুর রহমান।

আটককৃরা হলেন, গোয়াইঘাটের পন্নগ্রামের লক্ষ্মণ চন্দ্র দাস (২১), ইসলামপুর গ্রামের মো. সেলিম আহমেদ (২১), নয়াবস্তি এলাকার সোহেল রানা, পশ্চিম কালীনগর গ্রামের নাজিম উদ্দিন, ইসলামপুর রাধানগর গ্রামের জয়নাল আবেদীন।

সিলেটের পুলিশ সুপার মো ফরিদ উদ্দিন জানান, ফেসবুকে ছড়িয়ে হামলার ঘটনার ভিডিও দেখে হামলাকারীদের শনাক্ত করে তাদের আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনার পর পর  জেলাসক প্রশাসন শুক্রবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন ঈদের জন্য ৭ দিন জাফলং উন্মুক্ত করে দিয়েছি। কোন ফি ছাড়াই এই সাতদিন পর্যটক প্রবেশ করতে পারবে। ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে এ নির্দেশনা দিয়েছি।


আরও খবর



ইমামের বেতন তোলা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | ৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ইমামের বেতনের টাকা তোলাকে কেন্দ্র করে মসজিদে সংঘর্ষে বাবুল হোসেন (৪২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত সাতজন। শুক্রবার (২২ এপ্রিল) রাতে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত বাবুল হোসেনকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নেয়া পথেই তার মৃত্যু হয়।

নিহত বাবুল হোসেন তেয়াশিয়া গ্রামের মৃত ছাত্তার আলীর ছেলে। তিনি পেশায় তাঁত শ্রমিক ছিলেন।

নিহতের ভাতিজা মনিরুল ইসলাম ও স্থানীয় যুবক ইউসুফ জানান, তেয়াশিয়া গ্রামের ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক গ্রুপের সঙ্গে একই গ্রামের মুছা প্রামাণিক গ্রুপের মধ্যে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলে আসছিল।

শুক্রবার তারাবির নামাজ পড়ানোর পর মসজিদের ইমামের টাকা তোলা নিয়ে দুপক্ষের কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে মসজিদের মধ্যেই উভয়পক্ষের সংঘর্ষ বেধে যায়। এসময় হামলায় আটজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান বাবুল হোসেন।

সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. শামীমুল ইসলাম জানান, নিহত বাবুল হোসেনের মাথায় ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হাসপাতালে আনার আগেই বাবুল হোসেন মারা যান। বাকিদের চিকিৎসা চলছে। তবে আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানান তিনি।

বেলকুচি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসলাম হোসেন বলেন, দুপক্ষের পূর্ব বিরোধ থেকেই মসজিদের ভেতরে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহত যুবকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপরে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আখাউড়ায় পানিবন্দি অর্ধশত পরিবার

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ২৪০জন দেখেছেন

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পৌরবাসীকে। বৃষ্টির পানিতে ডুবে আছে পৌর এলাকার ৪নং ওয়ার্ডের পূর্ব মসজিদ পাড়ার অর্ধশতাধিক পরিবার। এতে করে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ওই এলাকার বাসিন্দাদের। সামান্য বৃষ্টির পানিতে প্রধান সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যাতায়াতকারীদের চলাচল অনেক কষ্ট হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ড্রেন পরিস্কার না করার কারণেও হাজার হাজার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে নজর নেই বলেও অনেকে অভিযোগ করেন।

সরজমিনে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার বাইপাস সংলগ্ন পূর্ব মসজিদ পাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, বিশাল একটি খালি জায়গাজুড়ে পানি আর পানি। এর ঠিক উল্টোদিকেই বেশ কিছু বাড়ি। একটি বাড়ি থেকে এক মহিলা এসে তাদের দুভোর্গের কথা জানান।

এদিকে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গিয়েছিলো আখাউড়ার প্রধান প্রধান সড়ক। এর মধ্যে সড়ক বাজার, মসজিদ পাড়া এলাকা, খড়মপুর এলাকায় হাঁটু সমান পানি জমে যায়। ঘন্টা দুয়েক সময় ওই এলাকাগুলোতে যানবাহন চলাচলই বন্ধ ছিলো। একই সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগ আরো বেড়ে যায়। 

পূর্ব মসজিদপাড়ার কাসেম মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকা আজগর আলীর স্ত্রী তাসলিমা আক্তার বলেন, প্রায় ১৪ বছর ধরে এখানে থাকি। এবার বৃষ্টির মৌসুমের শুরুতেই আমরা দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছি। বাড়ি থেকে বের হওয়ার দুই পথেই পানি আর পানি। মূলত যে পথ দিয়ে পানি বের হতো সেখানে একটি জায়গার মালিক মাটি ফেলে পাইপের মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন।

মোঃ আলমাস মিয়া নামে এক ব্যক্তি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা পৌর কাউন্সিলরের সাথে কথা বলেছি। তিনি এলাকা ঘুরে দেখেছেন। নিজ নিজ জায়গাতে মাটি ফেলার কথা বলছেন। পাশাপাশি ছোট ছোট ড্রেন কেটে দিয়েছেন। কিন্তু এতে কোনো সমাধান হবে না। আমরা স্থায়ীভাবে এর একটা সামাধান চাই।

নাছরীন নবী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী জান্নাত আক্তার বলে, পানির জন্য বাড়ি থেকে বের হতে পারি না। সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী বৃষ্টি আক্তার বলে, আমাদের বাড়ির উপর দিয়ে সবাই চলতো। এখন পানি উঠায় তাদের আসতে কষ্ট হয়। আমি তাদের এলাকা দিয়ে স্কুলে যেতাম। এখন বিকল্প পথে যেতে গিয়ে অনেক সময় নষ্ট হচ্ছে।

এ ব্যাপারে ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ সিরাজুল ইসলাম এমরান কিছু পরিবার পানিবন্দি থাকা ও সড়কে পানি জমে থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, পানি নিস্কাষন করতে কাজ করেছেন। পূর্ব মসজিদ পাড়ায় মাটি কেটে ছোট ছোট ড্রেন করা হয়েছে। স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করা হবে।


আরও খবর



পাথরঘাটায় এগিয়ে চলছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ কাজ

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | ৪৭০জন দেখেছেন

Image

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে সেমিপাকা ঘরের নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ভূমিহীন পরিবারকে বিনামূল্যে জমি ও রঙিন টিন দিয়ে আধাপাকা ঘর করে দিচ্ছে সরকার। উপহারের ঘর গুলোতে থাকছে ২টি থাকার কক্ষ, ১টি রান্না ঘর, ১টি উন্নত টয়লেট ও ১টি বারান্দা। দেয়া হবে ঘরের জমি, বিদ্যুৎ। প্রতিটি ঘর ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। উপহারের এ ঘর গুলো নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই সেগুলো সুবিধাভোগীদের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।

সরেজমিনে দেখাযায়, পাথরঘাটা পৌর শহরের স্বাস্থ্য কম্পেলেক্সের পিছনে দুই সারিতে ৫১টি ঘরের নির্মাণ কাজ চলছে। ঘর গুলোর প্রায় ৯০ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের তদারকিতে ব্যস্ততা নির্মাণ কর্মীদের।

পাথরঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ২১টি ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা, ২য় পর্যায়ে ৭৬টি ঘর বরাদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্য ৩১টি বাস্তবায়ন করা হয়েছে, ৪৫টি ঘরের কাজ প্রক্রিয়াধীন। ঘর গুলোর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১লাখ ৯০ হাজার টাকা। তৃতীয় পর্যায়ে বরাদ্ধের ২১৫টি নির্মাণাধীন ঘরের প্রতিটি ঘরের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা।

পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মুহাম্মদ আল-মুজাহিদ বলেন, তৃতীয় পর্যায়ের ঘরের নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য সর্বদা সচেষ্ট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষে প্রকৃত গৃহহীনদের মাঝে ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হবে।


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি এএফএম সায়েদ

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখায় নারায়ণগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হয়েছেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) এ এফ এম সায়েদ। নারায়ণগঞ্জ জেলার সাত থানার মধ্যে মে মাসে শ্রেষ্ঠ অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) হলেন তিনি ।

মঙ্গলবার জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেন।

এ সময় পুলিশ সুপার বলেন, জেলার সাতটি থানার মধ্যে তার সামগ্রীক কর্মতৎপরতায় রূপগঞ্জ থানার ওসি এএফএম সায়েদ শ্রেষ্ঠ হয়েছেন। এই সম্মাননার মধ্য দিয়ে তার আগামী দিনের দায়িত্ববোধ আরও বাড়বে আশা করি। পাশাপাশি রূপগঞ্জের জনগণ আরও ভালো সেবা পাবে।

এ প্রসঙ্গে ওসি এ এফ এম সায়েদ বলেন, এ পুরস্কার আমাকে আগামীতে জনগণকে আরও বেশি সেবা দিতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। তিনি আরো বলেন, পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম স্যার আমাকে অনেক উৎসাহ প্রদান করছেন সেই অনুপ্রেরণা আমাকে কাজ করার সাহস জুগিয়েছে। তাই আমি আজ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছি। আমি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি পুলিশ সুপার মহোদয়ের কাছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও এ এফ এম সায়েদ একাধিকবার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন। সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ থাকা সময়ে হয়েছিলেন ঢাকা রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ।


আরও খবর