আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ভারতীয় কূটনীতিককে কানাডা ছাড়ার নির্দেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

কানাডায় এক শিখ নেতার হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে কানাডা ও ভারত। কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দাবি করেন, শিখ সম্প্রদায়ের নেতা হারদ্বীপ সিং নিজ্জারকে ভারত সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় গত ১৮ জুন ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় গুলি করে হত্যা করা হয়।

দেশটির আইনসভা হাউজ অব কমন্সে ট্রুডোর এমন মন্তব্যের পরই দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে অস্থিরতা শুরু হয়। প্রথমে কানাডা এই হতাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে কানাডায় নিযুক্ত ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা -এর প্রধানকে বহিষ্কার করে এবং তাকে দেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর নয়াদিল্লিতে কর্মরত কানাডার এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিককে ৫ দিনের মধ্যে কানাডায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় ভারত।

জাস্টিন ট্রুডো এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ভারত সরকারের সংশ্লিষ্টতা থাকার অভিযোগ করার পর কঠিন ভাষায় এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে মোদি প্রশাসন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ট্রুডোর এমন বক্তব্যের জবাব দিতে কানাডার হাইকমিশনার, অথবা রাষ্ট্রদূতকে ডাকা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কূটনীতিককে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্তে কানাডার কূটনীতিকদের আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানো এবং ভারত বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি নিয়ে ভারত সরকারের মধ্যে উৎকণ্ঠা বৃদ্ধির বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, বহিষ্কৃত কূটনীতিককে আগামী পাঁচদিনের মধ্যে দেশ ছাড়তে বলা হয়েছে।

এদিকে এর আগে অপর এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছিল, শিখ নেতাকে হত্যায় ভারত সরকারকে দায়ী করার বিষয়টি একটি অদ্ভুত দাবি। তারা আরও বলেছিল, ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল তোলার বদলে কানাডায় ভারত বিরোধী যেসব কর্মকাণ্ড হচ্ছে সেগুলো বন্ধে যেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।


আরও খবর



তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপরে, পানিবন্দি ১৫ হাজার মানুষ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফলে চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিতে ডুবে গেছে চরাঞ্চলের রাস্তাঘাট, আবাদি জমি। বাড়ির চারপাশে পানি উঠায় দুর্ভোগে পড়েছে এসব চরাঞ্চলের মানুষ। নৌকা আর ভেলা দিয়ে যাতায়াত করছেন তারা।

শুক্রবার (২১ জুন) সকাল ৬টায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য মতে, তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে ও ধরলা নদীর পানি তালুক শিমুলবাড়ী পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কুড়িগ্রাম সদর, নাগেশ্বরী, ভূরুঙ্গামারী এবং রাজারহাট উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্য মতে ১৫ হাজারেরও বেশি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে এসব এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা। তলিয়ে গেছে বিভিন্ন সড়ক। ডুবে গেছে সবজি খেতসহ বিভিন্ন উঠতি ফসল।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, জেলায় স্বল্প মেয়াদি এই বন্যা পরিস্থিতি দু-একদিনের মধ্যে উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পানি বৃদ্ধির কারণে ৫-৬টি স্থানে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে জরুরি ভিত্তিতে কাজ করা হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চলতি বন্যায় জেলায় প্রায় ৪৫৩ হেক্টর ফসলি জমি নিমজ্জিত হয়েছে। এরমধ্যে মরিচ,আউশ ধান,পাট,চিনা,পটল খেতসহ অন্যান্য ফসল রয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, বন্যা কবলিত মানুষের সংখ্যা ৩ হাজার ৬৯১ জন। উপজেলা পর্যায়ে ১৪৪ মেট্রিকটন জিআর চাল ও নগদ ১০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ত্রাণ হিসাবে উপ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ৪০৪টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে দুর্গত মানুষ আশ্রয় নেয়া শুরু করেছেন। আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে খাদ্য সহায়তা। ৪টি স্পিড বোট ও ২টি নৌকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে বন্যার্তদের উদ্ধারের জন্য। জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।


আরও খবর



চট্টগ্রামে পুলিশ কর্মকর্তাদের ‘রোড ক্র্যাশের অন্যতম ঝুঁকি গতি’ বিষয়ক কর্মশালা

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

মাঠপর্যায়ে সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পুলিশের। সেজন্য সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোনো উদ্যোগ গ্রহণের আগে তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা হলে সেটি আরো কার্যকর হবে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়।

বুধবার সকালে রোড ক্র্যাশের কারণ হিসেবে গতি শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটি (বিআইজিআরএস) প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে, গ্লোবাল রোড সেফটি পার্টনারশিপ (জিআরএসপি) ৪ ও ৫ জুন দুই ব্যাচে ৭০ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ৪ জন প্রকৌশলীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএমপি কমিশনার (অ্যাডিশনাল আইজিপি) কৃষ্ণ পদ রায়।

তিনি চট্টগ্রাম নগরীর সড়কগুলোকে নিরাপদ করতে সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, পুলিশের একার পক্ষে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। নিরাপদ সড়ক অবকাঠামোর নির্মাণের দায়িত্ব চসিক ও সিডিএর এবং যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিআরটিএর মতো অংশীদার সংস্থা রয়েছে। পুলিশ শুধু আইন প্রয়োগ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। সেজন্য নগরীতে যথাযথ সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবগুলো সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মাসুদ আহাম্মদ এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) নাসির উদ্দিন,  জিআরএসপির সিনিয়র রোড পুলিশিং উপদেষ্টা রাসেল নাইম্যান ও পল সিমকক্স প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন।

এ প্রশিক্ষণে তারা রোড ক্র্যাশ প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের ভূমিকা, ক্র্যাশের ক্ষেত্রে যানবাহনের উচ্চ গতির ভূমিকা, গতি নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব, গতি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি ও কৌশল এবং রাস্তার পাশের চেকপয়েন্টগুলোর নিরাপদ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদির উপর আলোচনা করেন। এসময় অংশগ্রহণকারীদের হাতেকলমে স্পিড ক্যামেরার ব্যবহারও শেখানো হয়।

প্রসঙ্গত, দেশে রোড ক্র্যাশে মৃত্যু ও হতাহত কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সম্প্রতি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) দেশের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কের যানবাহনভেদে সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় যানবাহনের সর্বোচ্চ গতি হবে ৪০ কিমি/ঘণ্টা, যদিও মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে তা ৩০ কিমি/ঘণ্টা।

কর্মশালায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার, পুলিশ পরিদর্শক, ট্রাফিক সার্জেন্ট ও উপ-পরিদর্শক পদবির কর্মমর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে মান্যবর সিএমপি কমিশনার অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআইজিআরএস চট্টগ্রামের ইনিশিয়েটিভ কোঅর্ডিনেটর লাবিব তাজওয়ান উৎসব, এনফোর্সমেন্ট কো-অর্ডিনেটর কাজী হেলাল উদ্দিন, ট্রান্সপোর্ট কোঅর্ডিনেটর সুতপা তাসনিম ও কমিউনিকেশন অফিসার মাহামুদুল হাসান।

এর আগে এবছরের মার্চে জিআরএসপি সিএমপির ৭৮ পুলিশ কর্মকর্তাকে রোড ক্র্যাশ তদন্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছিল।


আরও খবর



মন্ত্রীর বিদায়ের পর চাপের মুখে নেতানিয়াহু

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গাজায় চলমান সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দেশে-বিদেশে প্রবল চাপের মুখে রয়েছেন। বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কারণে তার সরকারের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ছে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে বিরোধী নেতা বেনি গ্যান্টজ যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়ে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থান অনেকটা জোরালো করেছিলেন। কিন্তু রোববার তিনি পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী পদত্যগ করেছেন।

উগ্র দক্ষিণপন্থি জোট সরকারের একমাত্র মধ্যপন্থি দলের প্রস্থান একাধিক সংকটের সময়ে ইসরায়েলে অস্থিরতা সৃষ্টি করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এখনই সরকার পতনের আশঙ্কা না থাকলেও নেতানিয়াহুকে এবার জোটের কট্টরপন্থি সদস্যদের ওপর আরও বেশি নির্ভর করতে হবে।

ফলে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগী দেশ আমেরিকার সঙ্গে মনোমালিন্য আরও তীব্র হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নেতানিয়াহু নিজের সরকারের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার স্বার্থে মার্কিন প্রশাসনের অনেক চাপ উপেক্ষা করার চেষ্টা করে চলেছেন।

গাজায় বিতর্কিত সামরিক অভিযানের পাশাপাশি উত্তরে লেবানন সীমান্তের অপর প্রান্তে হিজবুল্লাহর সঙ্গে আরও তীব্র সংঘাতের আশঙ্কা ইসরায়েলে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। গাজায় এক সেনা অভিযানে হামাসের কবল থেকে চার জন বন্দিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলেও হামাসের কবলে এখনও অনেক বন্দি থেকে যাওয়ায় ইসরায়েলে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ চলছে।

দেশের এমন সংকটের সময় মন্ত্রিসভা থেকে বিদায়ের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সাবেক কমান্ডার ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গ্যান্টজ। ইসরায়েলের একাধিক সামরিক কর্মকর্তার মতে, তিনিও গাজায় সামরিক অভিযানের সমাপ্তির পর কোনও রাজনৈতিক সমাধানসূত্রের পরিকল্পনার অভাবের সমালোচনা করে আসছিলেন।

৮ জুনের মধ্যে তিনি নেতানিয়াহুর কাছে এক রাজনৈতিক সমাধানসূত্রের খসড়া দাবি করেছিলেন। রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে গ্যান্টজ বলেন, নেতানিয়াহু আমাদের প্রকৃত জয়ের দিকে এগোনোর পথে বাধা সৃষ্টি করছেন। তাই ভারাক্রান্ত মনে আমাদের মন্ত্রিসভা ত্যাগ করতে হচ্ছে।

উল্লেখ্য, নেতানিয়াহু সরকারের পতন ঘটলে গ্যান্টজই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন বলে ইসরায়েলের রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছে। তিনি নেতানিয়াহুর উদ্দেশ্যে চলতি বছরেই ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচনের জন্য রাজি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ইসরায়েলে এমন রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই সোমবার দেশটিতে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। তিনি গাজায় অস্ত্রবিরতির পরিকল্পনার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে চলেছেন। অবশ্য নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক সংকট ও হামাসের নীরবতার কারণে সেই পরিকল্পনার ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছে।


আরও খবর



গুজরাটে ‌গেমিং জোনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: শিশুসহ নিহত ২৭

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

প্রতিবেশী ভারতের গুজরাট রাজ্যের রাজকোটে একটি গেমিং জোনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ২৭ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ৯ জনই শিশু। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। খবর এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইস।

স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় রাজকোটের টিআরপি গেম জোনে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। সেখানে এখনো কাজ করছেন দমকলের কর্মীরা। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাজকোটের পুলিশ কমিশনার রাজু ভার্গভ জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে টিআরপি গেমিং জোনে আগুন লাগে।

তিনি বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকজনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এগুলো ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি নামের এক ব্যক্তি ওই গেমিং জোনটি চালাতেন। পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, এই ঘটনায় গাফিলতির কারণে একটি মামলা দায়ের করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ শেষ হওয়ার পরেই আরও তদন্ত করা হবে।

তবে আগুন লাগার কারণ এখনো জানা যায়নি। এদিকে দমকল বাহিনী জানিয়েছে, অস্থায়ী কাঠামোগুলো ভেঙে পড়ছে। এর ফলে আগুন নেভানোর ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছিল। বেশ কিছু সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার সময় ওই এলাকায় অনেক শিশু ছিল। তাদের মধ্যে অন্তত ১৫ থেকে ২০ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র পটেল জানিয়েছেন, অবিলম্বে উদ্ধারকাজের জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা আহত হয়েছেন তাদের উদ্ধারে যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


আরও খবর



হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের নৌ চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নোয়াখালী প্রতিনিধি

Image

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের নৌ যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন ঘাটে আসা যাত্রীরা।

শনিবার (২৫ মে) দুপুর থেকে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে বৈরী আবহাওয়ার বিরাজ করায় হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের নৌ যোগাযোগ বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ মোকাবিলায় ৪৬৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি উপকূলে দুর্যোগকবলিতদের সহযোগিতার জন্য রেড ক্রিসেন্ট ও সিপিপির আট হাজার ৯১০ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে জরুরি সহায়তার জন্য ১৬ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ টাকা, ৩১৯ মেট্রিক টন চাল, ৬৬৩ প্যাকেট শিশু খাদ্য ও আট হাজার ২২০ কেজি গোখাদ্য মজুত আছে। এছাড়া প্রত্যেক উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সজাগ থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শুভাশীষ চাকমা বলেন, হাতিয়ার বিভিন্ন নৌ রুটে সি-ট্রাক, ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে। যাত্রীদের জানমাল ও নিরাপত্তার স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত হাতিয়ার সঙ্গে সব চলাচল বন্ধ থাকবে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে পুনরায় চলাচল করবে। হাতিয়াতে ২৪২ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।


আরও খবর