আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে ‘মিগজাউমের’ তাণ্ডব, নিহত ১২

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে প্রবল ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের তাণ্ডব চলছে। এখন অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাটলাতে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড়টি। এছাড়া তামিলনাডু, অন্ধ্র প্রদেশে ও ওড়িশায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়টির আঘাতে চেন্নাইতে ১২ জন মারা গেছে।

দুপুর আড়াইটা নাগাদ ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম স্থলভূমিতে প্রবেশ করে। ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার গতিতে হাওয়া বইতে থাকে। সমুদ্রের পানিতে বড় বড় ঢেউ উঠতে থাকে। অন্ধ্রের উপকূল পেরোতে এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের সময় লাগে দুই ঘণ্টা। ঘূর্ণিঝড় এবার শক্তি হারাতে থাকবে এবং সাধারণ ঝড়ে পরিণত হবে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। এর প্রভাবে ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে বৃষ্টি হবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন>> মিগজাউমের প্রভাবে লন্ডভন্ড ভারতের উপকূল, মৃত্যু ৮

এখন ঝড়ের সঙ্গে শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টি। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হচ্ছে অন্ধ্রপ্রদেশে। তামিলনাড়ুতেও বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, অন্ধ্রে কিছু জায়গায় প্রবল বৃষ্টি হবে। তামিলনাড়ুতে মাঝারি থেকে হালকা বৃষ্টি হবে। কিছু জায়গায় প্রবল বৃষ্টিও হতে পারে।

অন্ধ্রপ্রদেশের বাপটালাতে ঘূর্ণিঝড় চলার সময় সমুদ্রে বিশাল ঢেউ উঠতে থাকে। তবে এর ফলে কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। অন্ধ্র, তামিলনাড়ু থেকে কোনো খবর এখনও আসেনি। তবে ভারতের সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঝড়-বৃষ্টির ফলে শস্যের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।


আরও খবর
বিশ্ববাজারে আবারো কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে চাকরিচ্যুত চবি শিক্ষক

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) রসায়ন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মাহবুবুল মতিনকে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪৮নং সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ আলী বলেন, যৌন হয়রানির অভিযোগটি গুরুতর। এজন্য একটা এজেন্ডা নিয়ে এই বিশেষ সিন্ডিকেট সভা করা হয়েছে।

দুইটি তদন্ত কমিটির রিপোর্টে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল মতিনের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির প্রমাণ পেয়েছে। কমিটির সদস্যরা ওই শিক্ষককে চাকরি থেকে অপসারণ করারও সুপারিশ করেছে। সে অনুযায়ী সিন্ডিকেট চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি বুধবার রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মাহবুবুল মতিনের বিরুদ্ধে প্রক্টর বরাবর অভিযোগপত্র দেন ওই ছাত্রী।

অভিযোগে বলা হয় থিসিস চলাকালীন সময়ে ওই শিক্ষকের হাতে যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের শিকার হন তিনি। ল্যাবে একা কাজ করার সময় এবং কেমিক্যাল দেওয়ার বাহানায় নিজ কক্ষে ডেকে দরজা আটকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক। পরে মাহবুবুল মতিনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর



আমাদের সকল সংস্কৃতির মধ্যে ঐক্যের বন্ধন গড়ে তুলতে চাই : পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেছেন, আমরা সকল সংস্কৃতির মধ্যে ঐক্যের বন্ধন গড়ে তুলতে চাই। রাজধানীর বেইলি রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের মাল্টিপারপাস হল রুমে পার্বত্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মশিউর রহমান এনডিসির সভাপতিত্বে  পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুই প্রু চৌধুরী অপু, যুগ্মসচিব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্মসচিব মো. হুজুর আলী, যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক, পার্বত্য চট্টগ্রাম হতে আগত অতিথিবৃন্দ, বিভিন্ন সংস্থা থেকে আগত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সম্প্রদায় আছেন যারা সংস্কৃতিমনস্ক সৃজনশীল কাজের প্রতি অনুরাগী। এই মেলার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ইতিহাস, ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার চিত্র ফুটে ওঠেছে। তিন পার্বত্য জেলায় উৎপাদিত কৃষি পণ্য সামগ্রী, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী কোমর তাতেঁ বোনা পণ্য, বিভিন্ন মৌসুমী ফল, ঐতিহ্যবাহী পার্বত্য খাবার যা মেলার আকর্ষণকে অধিকতর বাড়িয়ে তুলেছে। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের  উৎপাদিত পণ্যসামগ্রীর প্রচার ও বিপণনের মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার চিত্র ফুটে ওঠেছে।

প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা আরও বলেন, এ মেলাকে কেন্দ্র করে পার্বত্য অঞ্চলে ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশ ঘটেছে। পার্বত্য অঞ্চলের সাথে সমতলের যোগাযোগের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে, দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। সকল সংস্কৃতির মাঝে যদি আমরা ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি করতে পারি তাহলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের মানুষের কথা ভাবে, দেশের শান্তির কথা ভাবে বলেই পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সংঘাত বন্ধ হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি সম্প্রীতি ও উন্নয়নের যে ধারা শুরু হয়েছে তা অব্যাহত থাকবে। আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত করার লক্ষ্যে যার যার অবস্থান থেকে উন্নয়ন কাজে অংশ নিলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী হবে আর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা সত্যিকারভাবে বাস্তবায়ন হবে।

সভাপতির বক্তব্যে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মশিউর রহমান বলেন, পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবন-সংস্কৃতি, পোশাক-পরিচ্ছদ, ইতিহাস-ঐতিহ্য বিষয়ক তথ্য সমতলের মানুষের মাঝে পরিচয় করিয়ে দেয়ার উদ্দেশে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার যে ঐতিহ্যবাহী সমৃদ্ধ সংস্কৃতি রয়েছে তা সমতল মানুষের কাছে তুলে ধরাই ছিল আমাদের ক্ষুদ্র এ প্রচেষ্টা।

তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে সাথে নিয়েই প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত উন্নত বাংলাদেশ তথা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সক্ষম হবো। তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সরকার ও স্মার্ট সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, এবারের পার্বত্য মেলায় এবার ৯৭টি স্টল অংশ নেয়। চারদিনব্যাপী এ মেলায় প্রচুর দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের সমাগম ঘটেছে। রাজধানীতে পাহাড়ি পণ্যসামগ্রী পেয়ে সমতলের ক্রেতারা বেজায় খুশি। কেনাকাটার ধুম আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ঝনঝনানিতে শেষ হলো পার্বত্য মেলার এবারের আসর।


আরও খবর



বিশ্ব ইজ‌তেমায় আরও এক মুস‌ল্লির মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগতীরে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব আজ শুক্রবার বাদ ফজর থেকে শুরু হয়েছে। এতে অংশ নিতে আসা আরো এক মুসল্লি মারা গেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ইজতেমায় মৃত্যু বেড়ে চারজনের দাঁড়ালো।

শুক্রবার ভোররাতে এখলাস উদ্দিন (৭০) নামে ওই মুসল্লি বার্ধক্যজনিত কারণে ইজতেমা ময়দানে মারা যান। আব্দুস সাত্তার নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার কুমরি বাজার গ্রামের বাসিন্দা।

জানা যায়, ভোর ৩টা ১৫ মিনিটে ইজতেমা ময়দানে নির্দিষ্ট খিত্তায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে এখলাস উদ্দিনকে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সেলের প্রধান মো. হাবিবুল্লাহ রায়হান মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে ইজতেমা ময়দানে হঠাৎ বমির পর অসুস্থতা অনুভব করেন আব্দুস সাত্তারব (৭০)। তাঁকে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে বুধবার ইজতেমায় এসে ও আসার পথে দুই মুসল্লি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। তাঁরা হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জের চৌহদ্দীটোলা গ্রামের জামান মিয়া (৪০) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ধামাউরা গ্রামের ইউনুছ মিয়া। তাঁদের টঙ্গী শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ডা. ফারহানা তাসনিম নিতু বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁরা মারা যান।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শিশু আয়ানের মৃত্যু নিয়ে হাইকোর্টে শুনানি আজ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বাড্ডার সাঁতারকুলে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে শিশু আয়ান আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত প্রতিবেদন গতকাল রোববার হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে। এতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু এড়াতে চারটি সুপারিশ করা হয়েছে।

সেগুলো হলো হাসপাতালে একাধিক অ্যানেসথেশিওলজিস্ট নিয়োগ দেওয়া, রোগী ও তার আত্মীয়কে অ্যানেসথেশিয়া ও অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি ভালোভাবে জানানো, হাসপাতালে আইসিইউ ব্যবস্থা রাখা, সরকারের অনুমোদনের পরে হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করা। এ নিয়ে শুনানির জন্য আজ সোমবার দিন ধার্য করেন আদালত।

এদিকে ইউনাইটেড হাসপাতালের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিতে গতকাল আয়ানের বাবা শামীম আহমেদকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শামীম আহমেদ শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। এতে তিনি বলেন, হাইকোর্টের মাজার গেট থেকে হেঁটে শিশু একাডেমিতে যাওয়ার সময় ছয় থেকে সাতজন বাড্ডা থানায় ডাক্তারদের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিতে তাঁর ওপর চাপ সৃষ্টি করে। মামলা তুলে না নিলে অফিসে যাওয়ার সময় যে কোনো ধরনের ক্ষতি করবে বলে ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে গতকাল ১৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষে উপপরিচালক (আইন) ডা. পরিমল কুমার পাল প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, আয়ান ‌চাইল্ডহুড অ্যাজমা সমস্যায় ভুগছিল। শ্বাসকষ্টের জন্য তাকে মাঝেমধ্যে নেবুলাইজার ও ইনহেলার দিতে হতো। অস্ত্রোপচারের আগে ওয়েটিং রুমে তাকে নেবুলাইজার ও ইনহেলার দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়টি চিকিৎসকদের জানানো হয়নি। তবে আয়ানের বাবা সামীম আহমেদ সমকালকে বলেন, তাঁর ছেলের হালকা ঠান্ডা ও সর্দির বিষয়ে দুই চিকিৎসক সবকিছুই জানতেন। তারা নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। সব রিপোর্ট দেখার পর অস্ত্রোপচার করা হয়।

আদালতে প্রতিবেদনটি দাখিল করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ বি এম শাহজাহান আকন্দ মাসুম। পরে আদালত প্রতিবেদন অ্যাফিডেভিট আকারে দাখিলের নির্দেশ দেন এবং শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

এদিকে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, আয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে তা হবে হাইকোর্টের রায়ের পর। তিনি আরও বলেন, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা নেই। আস্থাহীনতার কারণে মানুষ বিদেশে চিকিৎসা নিতে যান। চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি করে দেশের মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে চান তিনি। এ জন্য স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে।

গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহজাহান আকন্দ মাসুম জনস্বার্থে রিট করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে বাড্ডার সাঁতারকুলের ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইউনাইটেড গ্রুপের হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে এ পর্যন্ত কত রোগীর মৃত্যু হয়েছে, তা জানাতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারকে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। পাশাপাশি এ মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করে সাত দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।


আরও খবর



কাজিপুরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলে-পুত্রবধূর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলে ও পুত্রবধূকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক কানিজ ফাতিমা এ রায় দিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কাজীপুর উপজেলার দক্ষিণ রেহাইশুরিবেড় গ্রামের মৃত মোকসেদ আলী মণ্ডলের ছেলে আব্দুস সামাদ ও তার স্ত্রী রাশিদা খাতুন।অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট শামসুল আলম বিষয়টি আজকের দর্পণকে নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার দক্ষিণ রেহাইগুরিবেড় গ্রামে আব্দুস সামাদের সঙ্গে তার বৃদ্ধ মা ফাতেমা বেগম একই বাড়িতে বসবাস করতেন। ২০১৬ সালের ১ নভেম্বর ভোরে ফাতেমা বেগমের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং একটি ছুরি জব্দ করে। পরে আব্দুস সামাদের ভাই আব্দুল রহিম বাদী হয়ে কাজীপুর থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দেয় থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন বিচারকার্য চলার পর ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় প্রদান করেন।

নিউজ ট্যাগ: সিরাজগঞ্জ

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪