আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

ভোলার মেঘনায় ফেরিতে আগুন, পুড়ল ৮ ট্রাক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | ১২৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
লক্ষ্মীপুর থেকে পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ে ভোলার উদ্দেশে ছেড়ে আসে কলমীলতা নামের ফেরিটি। ওই রুটের মেঘনার বিরিবিরি বয়া নামক এলাকায় এসে হঠাৎ করেই ফেরিতে থাকা একটি গাড়িতে আগুন লাগে

ভোলার মেঘনায় ফেরিতে আগুন লেগে পুড়ে গেছে আটটি পণ্যবাহী ট্রাক। আগুনে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে চলাচলকারী কলমীলতা নামের ফেরিতে এ ঘটনা ঘটে। ভোলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট, নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের একটি দল সকাল ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ভোলা ফেরি ঘাটের টার্মিনাল অ্যাসিসস্ট্যান্ট (টিএ) কামরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার দিনগত রাত ৩টার দিকে লক্ষ্মীপুর থেকে পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ে ভোলার উদ্দেশে ছেড়ে আসে কলমীলতা নামের ফেরিটি। ওই রুটের মেঘনার বিরিবিরি বয়া নামক এলাকায় এসে হঠাৎ করেই ফেরিতে থাকা একটি গাড়িতে আগুন লাগে। এতে মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের টিম পাঁচ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। কিন্তু ততক্ষণে আগুনে সাত/আটটি ট্রাক পুড়ে যায়। তবে এতে ফেরির কোনো ক্ষতি হয়নি।

তিনি আরও বলেন, কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে পণ্যবাহী ট্রাক থেকে আগুন লেগেছে তা নিশ্চিত।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ভোলার ম্যানেজার পারভেজ জানান, ফেরিটি ১৬টি গাড়ি নিয়ে লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরীর ঘাট থেকে ভোলার ইলিশার উদ্দেশে ছেড়ে আসে। আগুন লেগে পিকআপ ভ্যান, লরি ও মোটরসাইকলসহ নয়টি গাড়ি পুড়ে যায়। বর্তমানে ফেরিটি মেঘনা নদীর ভোলার চর নামক এলাকায় নোঙর করা আছে।


আরও খবর



বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎকার আবারো বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার কারণে ফের বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের দেখা সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়েছে। দেশের ৬৮টি কারাগারে অধিদপ্তর থেকে বিশেষ বার্তার মাধ্যমে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।

শনিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে এ বিষয়ে কথা হয় কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোমিনুর রহমান মামুনের সঙ্গে।

তিনি জানান, বর্তমান করানোর পরিস্থিতির কারণে বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎকার আবারো বন্ধ ঘোষণা করা হলো। এর আগে গত বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎকার বন্ধ করা হয়েছিল। সেটা এক বছর বলবৎ ছিল। পরে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হলে এক বছর পর চলতি বছরের মার্চে আবার দেখা সাক্ষাৎ শুরু হয়।

তিনি আরো বলেন, পরিস্থিতি ভালো হলে আবারও স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবে বন্দিরা। তবে আগের মতনই নিয়ম অনুয়াযী সাধারণ বন্দিরা তাদের স্বজনদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলতে পারবেন। সেটা ৮ থেকে বাড়িয়ে ১০ মিনিট করা হয়েছে।


আরও খবর



সারাদেশে ৭ দিনের লকডাউন, প্রজ্ঞাপন জারি

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় আগামী ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

রোববার (৪ এপ্রিল ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এর আগে শনিবার সকালের দিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করছে সরকার।


আরও খবর



২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলেন কাদের মির্জা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়ে আল্টিমেটাম দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানার মূল ফটকের সামনে উপজেলা আওয়ামী লীগ অনুসারী ও মির্জা আবদুল কাদেরের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এই আল্টিমেটাম দিয়েছেন তিনি।

আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ২৪ ঘণ্টা সময় দিলাম। এ সময়ের মধ্যে ডিসি, এসপি, এডিশন্যাল এসপি, ইউএনও, এসিল্যান্ড, ওসি, পরিদর্শককে (তদন্ত) প্রত্যাহার করতে হবে। উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি খিজির হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক নুরনবী, রুমেল, সবুজ, কচি, শাহীন চেয়ারম্যান, রাজ্জাক চেয়ারম্যানকে অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনেন। না হলে কোম্পানীগঞ্জে শান্তি আসবে না। আমি ২৪ ঘণ্টা সময় দিলাম। ২৪ ঘণ্টার ভেতর যদি এটার কিছু না হয়, ২৪ ঘণ্টা পরে আমি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় নামবো।

এ সময় তিনি আটক তার অনুসারী সাবেক কাউন্সিলর শিমুলকে এক ঘণ্টার মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় তার ছেলে তাশিক মির্জা কাদেরের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন।

কাদের মির্জা বলেন, পুলিশের সামনে বসে পকেটে অস্ত্র, এ কোন দেশ? এ দেশে কি আইনের শাসন নেই? ইউএনওর সামনে বসে পকেটে অস্ত্র। এ দেশে কি আইনের শাসন নেই, মানবাধিকার সংস্থা নেই? আজ আমাকে ফেসবুকে কথা বলতে দেওয়া হয় না। অথচ আমার প্রতিপক্ষরা ফেসবুকে কথা বলতে পারছে। আমি পারছিনা। এ গুলো কে করেছে? তিনি তার ভাই ওবায়দুল কাদের ও ভাবির নাম উল্লেখ করেন। তিনি বলের, তারা না হলে কে করছে?

বসুরহাটের মেয়র বলেন, আমি কারও তোয়াক্কা করি না। আল্লাহ ছাড়া, জনগণ ছাড়া কাউকে ভয় করি না। আমি সাহস করে সত্য কথা বলবো। আমার পরিবার প্রয়োজনে এই পথে নিজেদের বিসর্জন দেবে। তার পরও কোনও অপরাধী, অপরাজনীতি, সন্ত্রাসী, অস্ত্রবাজ, ঘুষখোর সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে কোনও আপস করবো না।

উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় কোম্পানীগঞ্জ থানার সামনে কাদের মির্জা ও কোম্পানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের আট জন আহত হয়। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকালে বাদলের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাদের মির্জার অনুসারীদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। সেখান থেকে তারা পৌর ভবনের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এর কিছুক্ষণ পর মেয়র কাদের মির্জার ছেলে তাশিকের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক থানার সামনে আসলে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

এসময় বাদল গ্রুপের আরমান চৌধুরী, কাদের মির্জার ভাগ্নে হুমায়ুন রশিদ মিরাজ, যুবলীগের নজরুল ইসলাম হিমেল, ছাত্রলীগ নেতা আদনান পাশা জয়, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বাহাদুর, কাদের মির্জার ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিক, পৌরসভা ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ জিসান ও চরপার্বতী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন আহত হয়েছেন। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর বসুরহাটে উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।


আরও খবর



ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ৫৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের ৫০ বছর আজ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এইদিন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের এই দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। পরে  বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর হিসেবে নামকরণ করা হয়।

মুজিবনগর সরকারের সফল নেতৃত্বে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।

বিগত বছরগুলোতে নানা আয়োজনে দিবসটি পালিত হলেও গত বছরের (২০২০) ধারাবাহিকতায় এ বছরও দিবসটি এসেছে নজিরবিহীন সংকটের মধ্যে। বিশ্বজুড়ে ত্রাস সৃষ্টি করা করোনাভাইরাস বাঙালিকেও ঘরে থাকতে বাধ্য করছে। করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বর্তমানে দেশে কঠোর লকডাউন চলছে। এ কারণে এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে মুজিবনগর দিবস  পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ বাণী দিয়েছেন।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানোর পর একই বছরের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করা হয়।

তৎকালীন সরকারের ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করা হয়। সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি ও সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।

অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী হিসেবে ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী এবং স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী করা হয় এএইচএম কামরুজ্জামানকে। জেনারেল আতাউল গনি ওসমানীকে অস্থায়ী সরকারের মুক্তিবাহিনীর প্রধান কমান্ডার এবং মেজর জেনারেল আবদুর রব চিফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন।

১৭ এপ্রিল সকালে মুজিবনগরে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

নবজাত রাষ্ট্রের এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জনগণকে তাদের বীরত্ব, সাহসিকতা ও বিপ্লবী কার্যক্রমের মাধ্যমে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে অদম্য স্পৃহায় মরণপণ যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত সৃষ্টি ও মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় নবগঠিত এই সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এই সরকারের যোগ্য নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধ দ্রুততম সময়ে সফল সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যায়। এই সরকার গঠনের ফলে বিশ্ববাসী স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামরত বাঙালিদের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে। মুজিবনগর সরকারের হাত ধরে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকারের গুরুত্ব ও অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।


আরও খবর



যেসব অভিযোগে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | ১১১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আসামিরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুর করে ও কিশোরগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করে। এছাড়া বায়তুল মোকাররমের টাইলস ভেঙে, বিভিন্ন হাদিস

হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা মামুনুল হকসহ হেফাজতে ইসলামের ১৭ নেতার বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা হয়েছে। সোমবার (৫ এপ্রিল) রাতে ওয়ারী এলাকার ব্যবসায়ী খন্দকার আরিফ-উজ-জামাল মামলাটি করেন। এতে আরও অজ্ঞাত পরিচয় ২-৩ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। যাদের পরিচয়ে বলা হয়েছে, এরা হেফাজত, জামায়াত-শিবির ও বিএনপির কর্মী।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে বাদী উগ্র মৌলবাদী ব্যক্তিদের উচ্ছৃঙ্খল জমায়েত দেখতে পান। তাদের স্লোগান ও কথোপকথন থেকে জানতে পারেন, মামুনুল হকের নেতৃত্বে শীর্ষস্থানীয় হেফাজত, জামায়াত-শিবির ও বিএনপি নেতারা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন্ন স্থানে গোপন বৈঠক করে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠান বানচালের ষড়যন্ত্র করেছে। সেইসঙ্গে সারা দেশে ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টির পরিকল্পনাও রয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা দা, ছোরা, কুড়াল, কিরিজ, হাতুড়ি, তলোয়ার, বাঁশ, লঠি, শাবল, পাইপগান ও রিভলবার নিয়ে বাদীসহ অন্য মুসল্লিদের ওপর হামলা চালায়।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আসামিরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুর করে ও কিশোরগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করে। এছাড়া বায়তুল মোকাররমের টাইলস ভেঙে, বিভিন্ন হাদিস ও কুরআন শরিফসহ ধর্মীয় বইপত্র পুড়িয়ে ইসলামের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে। তারা দেশকে অস্থিতিশীল, অকার্যকর ও মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার মাধ্যমে অবৈধ পথে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

মামলার অপর আসামিরা হলেন-যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা লোকমান হাকিম, যুগ্ম মহাসচিব নাসির উদ্দিন মনির, নায়েবে আমির মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদি, নায়েবে আমির ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মাজেদুর রহমান, লালবাগের মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা মাসুদুল করিম, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়েজী, মাওলানা ফয়সাল আহমেদ, মাওলানা মুশতাকুন্নবী, মাওলানা হাফেজ মো. জোবায়ের, মাওলানা হাফেজ মোহাম্মদ তৈয়ব।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে ঘিরে গত ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ করে হেফাজত। সেখানে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। এর জেরে দেশে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়। সরকারি হিসেব মতে এই বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মারা যান ১৭ জন। তবে হেফাজতের দাবি ২২ জন।


আরও খবর
হেফাজতের ২৩ মামলা তদন্তে সিআইডি

মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21