আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ভূমিসংক্রান্ত সেবার ফি পরিশোধ করা যাচ্ছে ‘নগদ’-এ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ মার্চ ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০১ মার্চ ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশ সেরা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ-এর মাধ্যমে এখন থেকে ভূমিসংক্রান্ত যাবতীয় সেবার ফি প্রদান করা যাবে। নগদ-এর মাধ্যমে এখন থেকে খুব সহজে ঘরে বসেই ভূমি উন্নয়ন ফি (এলডি ট্যাক্স), ই-নামজারি (ই-মিউটেশন) এবং ই-পর্চা (খতিয়ান) ফিসহ সকল ধরনের ফি পরিশোধ করা যাবে।

অনলাইনে এবং নগদ অ্যাপস উভয় মাধ্যমে গ্রাহকেরা এ সুবিধা উপভোগ করতে পারছেন। পর্চা, নামজারি এবং ভূমি সেবা ফি প্রদান করার জন্য ভূমি ওয়েবসাইট www.land.gov.bd ভূমি কল সেন্টার ১৬১২২ এবং ভূমি অ্যাপের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা অনুসরণ করে টোকেন অথবা রেফারেন্স নম্বর সংগ্রহ করে নগদ অ্যাপসের বিল পে-এর মাধ্যমে সহজে ফি পরিশোধ করতে পারবেন। ভূমি ওয়েবসাইট থেকেও নগদ-এর মাধ্যমে ফি পরিশোধ করার সুবিধা থাকবে। গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে এই সেবাটি চালু রয়েছে।

ফি পরিশোধের পর ভূমিসেবা গ্রহীতারা একটি রশিদ পাবেন। নগদ-এর মাধ্যমে আদায়কৃত অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সেটেলমেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হয়ে ই-চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে স্থানান্তরিত হবে।

যারা অনলাইনে ভূমি ফি দেবেন, সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার জমির অনুকূলে তালিকাবদ্ধ হয়ে যাবে। যেভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে বিদ্যুৎ, পানি বা গ্যাসের বিল দেওয়া হয়, এটিও সেরকম একটি পদ্ধতি। একজনের মাধ্যমে অন্যজনের বিল পরিশোধ করতে গিয়ে টেম্পারিং করে জমি নিজের বলে দাবি করার যে প্রবণতা দেখা যায়, অনলাইনে ফি প্রদান করলে এ বিষয়টি বন্ধ হবে। এতে দুর্নীতি অনেকটাই কমে যাবে।

এ প্রসঙ্গে নগদ-এর প্রধান বিপণন কর্মকর্তা শেখ আমিনুর রহমান বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সহজে সেবা পৌঁছে দেওয়া। ভূমি সংক্রান্ত ফি পরিশোধ করতে গ্রাহককে যাতে কোনো রকম হয়রানির শিকার হতে না হয়, সে জন্য আমরা ডিজিটাল সার্ভিস নগদ-এর মাধ্যমে ফি পরিশোধের সহজ সুবিধা চালু করেছি। এতে গ্রাহকেরা অতি স্বল্প সময়ে ফি প্রদান করতে পারবেন। এ জন্য ফি দাতাকে আর ভূমি অফিসে যেতে হবে না।

নিউজ ট্যাগ: নগদ

আরও খবর



বাগেরহাটে ৭৫ জন নারী উদ্যোক্তার মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

বাগেরহাটে ৭৫ জন নারী ইকমার্স উদ্যোক্তার মাঝে বিনামূল্যে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সকালে বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে হার পাওয়ার প্রকল্পের উদ্যোগে ইকমার্সে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নারীদের মাঝে এই ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।

এসময় অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হার পাওয়ার প্রকল্পের উপ -প্রকল্প পরিচালক নিলুফা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো:আব্দুল জব্বার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাশেদুজ্জামান, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তরফদার, জেলা প্রোগ্রামার মো: শরিফুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান খান রেজাউল ইসলাম, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মীর জায়েসি আশরাফি জেমস, ষাট গম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রযুক্তির সহায়তায় নারীর ক্ষমতায়ন শীর্ষক হার পাওয়ার প্রকল্পের আওতায় জেলার বাগেরহাট সদর, মোংলা ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার ৭৫ জন নারী ইকমার্স উদ্যোক্তাকে ৬ মাসের প্রশিক্ষণ দেয়ার পর তাদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়। 

নারীদের প্রযুক্তি জ্ঞানের মাধ্যেমে দক্ষ করে গড়ে তুলে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধানিয়েছেন বলে তারা উল্লেখ করেন।

নিউজ ট্যাগ: বাগেরহাট

আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইয়াসির আরাফাতের বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল ইসরাইলি বাহিনী

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনি মুক্তি সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা ও ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) সাবেক প্রধান ইয়াসির আরাফাতের স্মৃতিবিজড়িত গাজা উপত্যকার বাড়িটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। ফিলিস্তিনের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ওই বাড়ি ধ্বংসের খবর নিশ্চিত করেছে।

বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনের সংস্কৃতিমন্ত্রী আতিফ আবু সাঈফ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, ইসরায়েলের অব্যাহত আগ্রাসন ও ধ্বংসযজ্ঞের অংশ হিসেবে দখলদার সেনারা প্যালেস্টাইন লিবারেশন অরগানাইজেশন বা পিএলওর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান ইয়াসির আরাফাতের বাড়ি ধ্বংস করেছে। ফিলিস্তিনি জনগণের মর্যাদা এবং সংগ্রামের প্রতীক মুছে ফেলার লক্ষ্যেই বাড়িটি ধ্বংস করেছে ইসরায়েল।

ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়িটিতে আরাফাত ১৯৯৫ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বসবাস করেছেন। সেখানে আরাফাতের ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক জিনিসপত্র রয়েছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সূচনাকালে গাজায় তার উপস্থিতির সময় এই বাড়ি ফিলিস্তিনি জনগণের ইতিহাসে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে আছে।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




লেবানন সীমান্তে সেনা সমাগম বাড়াচ্ছে ইসরায়েল

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে লড়াই করেই বিপন্ন হয়ে পড়েছে। রসদ, সেনা আর সমরযান সব দিকেই অনেক ক্ষতি হয়েছে। হামাসের সাথে যুদ্ধ চালাতে গিয়ে ভয়াবহ রকমের ক্ষতির মুখে পড়েছে ইসরায়েলের অর্থনীতি। চাপ সামলাতে গত মাস থেকেই গাজা থেকে ধীরে ধীরে সেনাদের সরিয়ে নিচ্ছিল ইসরাইল। বিশেষ করে যুদ্ধ করতে অপটু রিজার্ভ সেনাদের গাজা থেকে ফিরিয়ে নেয়া হয় তড়িঘড়ি করে।

এবার সামনে এলো নতুন খবর। ইসরায়েলি সেনাদের গাজা থেকে সরিয়ে নিয়ে লেবানন সীমান্তে মোতায়েন করা হচ্ছে। কারণ হিজবুল্লাহর ধারাবাহিক হামলায় ইসরায়েলের লেবানন সীমান্ত ঘেষা দক্ষিণ অঞ্চল রীতিমতো ভূতুড়ে এলাকায় পরিণত হয়েছে। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে গাজা থেকে সেনা সরিয়ে নেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। কদিন আগেই এক ইসরায়েলি শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা স্বীকার করেছিলেন এক সাথে হিজবুল্লাহ ও হামাসের সাথে লড়াই করার মতো ক্ষমতা ইসরায়েলি বাহিনীর নেই।

ইসরায়েলের সেনাপ্রধান হেরজি হারেভি ৩৬তম ডিভিশনকে গাজা থেকে সরিয়ে লেবানন সীমান্তে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর ধারাবাহিক হামলার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে বলে জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যম প্রেস টিভি।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গাজা সামরিক অভিযানে ইসরায়েলি বাহিনীর নেতৃত্বে থাকা মেজর জেনারেল ইয়ারুন ফিনকেলম্যান ৩৬তম ডিভিশনকে গাজার মধ্যাঞ্চলে মোতায়েন করেছিলেন। আরেকজন মেজর চেয়েছিলেন এই ডিভিশনটিকে উত্তর গাজায় রিজার্ভ ফোর্সের বদলে মোতায়েন করতে।

তবে ইসরায়েলি সেনাপ্রধান ডিভিশনটিকে পুরোপুরিভাবে গাজা থেকে সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাদের এবার লেবানন সীমান্তে পাঠানো হবে। যদিও কবে নাগাদ তাদের গাজা থেকে প্রত্যাহার করা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি ইসরায়েলি গণমাধ্যম। এরইমধ্যে লেবাননে হামাসের আরো এক শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল ইসরায়েল। যদিও সেই চেষ্টায় তেল আবিব এবার সফল হতে পারেনি।

তবে লেবানন জুড়ে হিজবুল্লাহর স্থাপনা লক্ষ্য করে এখনো হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী। পাল্টা জবাব হিসেবে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বিমান ঘাঁটিসহ নানা স্থাপনায় হামলা অব্যাহত রেখেছে।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে ধর্ষণের দায় এড়াতে পারে না জাবি কর্তৃপক্ষ : র‍্যাব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) জানিয়েছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বামীকে আটকে রেখে গণধর্ষণের ঘটনার দায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারে না। কারণ সেখানে বিভিন্ন সময় মাদক, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় বহিরাগতদের প্রবেশের দায় কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন বাহিনীটির মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, আমরা আগামী প্রজন্মকে জাহাঙ্গীরনগর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করার স্বপ্ন দেখি। এমনকি যারা মাদক কারবার, চোরাচালানসহ অবৈধ ব্যবসা করেন সেই সব ব্যক্তিরাও খারাপ হলেও অভিভাবক হিসেবে নিজের সন্তানকেও বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করান। আমরা চাই আমাদের সন্তানরা লেখাপড়া করুক এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত হোক।

মঈন বলেন, এই ঘটনার পর ভিকটিমের স্বামী মামলা করলে র‍্যাব মামলার প্রধান দুই পলাতক আসামিকে আটক করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মূল আসামি মামুন শুরুতে গার্মেন্টস পেশায় নিয়োজিত থাকলেও তার মূল ব্যবসা ছিল মাদক ব্যবসা। আর সেই ব্যবসার মূল ক্ষেত্র ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রেফতারকৃত মামুন প্রতি মাসে ৭ থেকে ৮ হাজার পিস ইয়াবা নিয়ে আসতো কক্সবাজার থেকে। এই ইয়াবা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করতো সে।

তিনি আরও জানান, মামুনের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতরা অনেকদিন থেকেই মাদক ব্যবসা করে আসছে। ভিকটিমের বাসায় সাবলেট হিসেবে বসবাস করতেন। ভিকটিম ও তার স্বামীর সঙ্গে মামুনের ৩ বছরের অধিক সময় ধরে মাদক ব্যবসার সম্পর্ক রয়েছে। তারা একসঙ্গেই একই বাসায় থাকতেন। ভিকটিমের স্বামী মামুনকে মাদক ব্যবসায় সাহায্য করতেন।

মঈন বলেন, প্রতি মাসে ৩ থেকে ৪ বার এভাবে কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে আসতো মামুম। জুতার ভিতরে ও মোবাইলের পাওয়ার ব্যাংকে করে প্রতিবার ২ থেকে আড়াই হাজার পিস ইয়াবা আনতো সে। এরই ধারাবাহিকতায় এই মাসের ২ তারিখেও ২ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবা সে নিয়ে আসে ক্যাম্পাসে। কিন্তু বাসায় এতো মাদক রাখা নিরাপদ না ভেবে মামুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১৭ নাম্বার হলে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়।

পরবর্তীতে মামুন ভিকটিমের স্বামীকে বলে, ভিকটিমকে মামুনের জামা কাপড় নিয়ে হলে আসতে। তখন ভিকটিম মামুনের জামা কাপড় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আসেন। এরপরেই মামুন ও মোস্তাফিজ ভিকটিককে নিয়ে কৌশলে ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নির্জন এলাকায় ভিতরে নিয়ে যায় এবং গণধর্ষণ করে।

মঈন বলেন, এরপরে তারা রুমে গিয়ে ভিকটিমের স্বামীকেও ভয়ভীতি দেখায়। এই ঘটনার সূত্র ধরে তাদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। সিসিটিভি ফুটেজে ভিকটিমের স্বামীকে ভিকটিমের সামনে মারধর করতেও দেখা যায়। এরপরই তারা থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‍্যাব মামুন ও তার সহযোগী মুরাদকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

মামুনের বিরুদ্ধে কতটি মামলা ও কী ধরনের মামলা রয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মঈন বলেন, মামুন মাদক মামলায় ৪ বারের অধিক কারাভোগ করেছে। তার নামে ৮টির অধিক মাদক মামলা রয়েছে। জাহাঙ্গীরনগরের বটতলাকে কেন্দ্র করে তিনি ও তার লোকজন মাদকের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি করেছেন। তবে নারী নির্যাতনের মামলা এটিই প্রথম।

মঈন বলেন, তবে মামলা প্রথম হলেও মামুন এই ধরনের অপকর্ম আগেও করেছে বলে স্বীকার করেছে। এই ধরনের অপকর্ম তারা আগেও অনেক করেছে। সে নিজেও আগে এমন অনেক নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে। এমনকি অনেক সিনিয়র শিক্ষার্থীদের জন্য মাদক ব্যবসার আড়ালে নারী ধর্ষণের ঘটনায় তার সম্পর্ক রয়েছে। ভিকটিমদের ভয়ভীতি দেখানোর কারণে ও সমাজের কাছে লজ্জায় তা অনেকেই প্রকাশ করেনি। এমন তথ্যও আমরা পেয়েছি।

তিনি বলেন, শুধু মামুন নয়, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আরও অনেকেই এমন অনৈতিক ও মাদকের মতো অপকর্ম নিয়মিত করছেন। আমরা বেশ কিছু নাম পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই ৩১৭ নাম্বার রুমকে তারা গেস্ট রুম হিসেবে ব্যবহার করে এসব অপকর্ম করে আসছে বলেও জানা যায়।

মঈন বলেন, এটা বেশ অ্যালার্মিং। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় এমন ঘটনা খুবই নেতিবাচক। শুধু জাহাঙ্গীরনগর নয় অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা আসলে কেমন তা নিয়েও এখন ভাববার বিষয়। মামুনের মতো লোকজন নিজেরা অপকর্ম করার জন্য এই ধরনের কাজ করছেন। আমাদের অভিভাবক, শিক্ষক সমাজ ও গণমাধ্যমদের এই বিষয়ে কঠোর ভূমিকা নেয়া উচিত।


আরও খবর



আল নাসরের কাছে ছয় গোলে হারল মেসির মায়ামি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো খেলছেন না তা আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল। তাই আল নাসর-ইন্টার মায়ামির এই লড়াই ঘিরে সবার আগ্রহের কেন্দ্রে ছিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন তারকা যতক্ষণে মাঠে নামলেন তার আগেই আধা ডজন গোল হজম করে ফেলেছে মায়ামি। ৮৩তম মিনিটে মাঠে নেমে অলৌকিক কিছু করতে পারেননি মেসি।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিমূলক টুর্নামেন্ট রিয়াদ সিজন কাপের ম্যাচে মায়ামিকে ৬-০ গোলে হারিয়েছে আল নাসর। যেখানে হ্যাটট্রিক করেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার আন্দেরসন তালিসকা।

ম্যাচের ১২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল হজম করে মেসির দল। মেসিকে বেঞ্চে রেখে খেলতে নামা মায়ামির জালে প্রথম বল জড়ায় তৃতীয় মিনিটে। পর্তুগিজ মিডফিল্ডার ওতাভিও নাসরকে লিড এনে দেন।

ম্যাচের দশম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তালিসকা। দুই মিনিট পর আরও একবার মায়ামির জালে বল পাঠায় নাসর। ৩-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় রোনালদোর দল।

বিরতি থেকে ফিরেও ম্যাচে ফিরতে পারেনি মায়ামি। ৫১তম মিনিটে পেনাল্টি পায় নাসর। সেই সুযোগে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি করেন তালিসকা। ৬৮ মিনিটে মোহাম্মদ মারানও গোল করলে ব্যবধান হয়ে যায় ৫-০। আর ৭৩ মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তালিসকা।

এরপর চেষ্টা করেও আর গোল পায়নি কেউই। ৮৩তম মিনিটে মেসি নামেন মাঠে। মাঠে ফিরেও দলকে খাদের কিনারা থেকে তুলতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত আধা ডজন গোল হজম করেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে মেসির মায়ামিকে।


আরও খবর
বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুখোমুখি রংপুর-বরিশাল

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বিসিবিতে নতুন দায়িত্ব পেলেন নান্নু

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪