আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

যারাই অন্যায় করে, তাদেরই গ্রেপ্তার করা হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ জুন 2০২3 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ জুন 2০২3 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশে যারাই অন্যায় করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার পর গ্রেপ্তারও করা হয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। আজ শুক্রবার রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে জাগো হিন্দু পরিষদ আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গুণীজন সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। 

আরও পড়ুন: বিএনপি ভিক্ষার টাকায় বাজেট দিত, আ.লীগ দেয় জনগণের টাকায়: আইনমন্ত্রী

বিএনপির আন্দোলন বন্ধে সারা দেশে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে দলটি। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, যেকোনো অবস্থায় আমরা শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। যারা অন্যায় করেন, যারা গাড়ি ভাঙচুর করেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। তারাই গ্রেপ্তার হন।

আরও পড়ুন: তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে জুনে

আগামী ৫ জুন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনে সহযোগিতা চাইতে গত সোমবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কার্যালয়ে যান জামায়াতের চার নেতা। ডিএমপি কার্যালয়ের ফটক থেকে তাদের আটক করা হয়। কয়েক ঘণ্টা পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। জামায়াতের ৫ জুনের কর্মসূচির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে কি না, জাননতে চাইলে আসাদুজ্জামান খান বলেন, জামায়াতের ৫ তারিখের কর্মসূচি বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি, বিষয়টি দেখছি।

আরও পড়ুন: খোঁজ মিলল পৃথিবীর আধা-চাঁদের!

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা মনোরঞ্জন ঘোষাল। জাগো হিন্দু পরিষদের সভাপতি সুজন দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহসভাপতি সুব্রত পাল।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ঢাবির লাইব্রেরি বন্ধ রাখায় প্রধান প্রবেশপথ ভাঙচুর

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) লাইব্রেরি বন্ধ রাখায় প্রধান প্রবেশপথ ভাঙচুর করেছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১ জুলাই) বিকালের দিকে এ ঘটনা ঘটে।

কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়েছেন লাইব্রেরি ফটকে, কিন্তু গেট বন্ধ রয়েছে। জানা যায়, সকাল ৯টার দিকে গেট খোলা হবে কর্মচারীদের থেকে এমন আশ্বাস পেলে শিক্ষার্থীরা অপেক্ষা করেন। তবে লাইব্রেরি আর খোলা হয়নি। এতে শিক্ষার্থীরা প্রবেশপথে সামনে থাকা কিছু ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং গেটে ধাক্কাধাক্কি করেন। এতে লাইব্রেরির প্রবেশ গেইট কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আন্দোলন করছেন, তবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা অব্যহত রাখার জন্যে লাইব্রেরি খোলা রাখা উচিৎ। পড়াশোনার জায়গা কেন বন্ধ হবে? আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা কম।

এর আগে, সকাল থেকে সারাদেশের ৩৫ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মবিরতি চলছে। কর্মবিরতির সমর্থনে কলা ভবনের মূল ফটকের অভ্যন্তরে শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। একই সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কর্মবিরতি পালন করেন।

এ ব্যাপারে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিনাত হুদা গণমাধ্যমকে জানান, ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীরাই শিক্ষক হবে। সর্বাত্মক সকল প্রকার প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কাজ বন্ধের অংশ হিসেবে লাইব্রেরি বন্ধ রয়েছে। আন্দোলনে সর্বাত্মকতা বন্ধ রাখার জন্য এটা করা হয়েছে। ছাত্রদের জন্যই এ আন্দোলন, আগামীতে তারাই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হবে।

তিনি আরও জানান, আন্দোলনের জন্য আমাদের কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আমরা বারবার বলেছি, কঠিন সিদ্ধান্তে যেতে বাধ্য করবেন না। আমাকে প্রশ্ন না করে অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রশ্ন করুন, কেন ছাত্ররা লাইব্রেরিতে ঢুকতে পারছে না, শিক্ষকদের লাইব্রেরি না খোলার মত অবস্থায় যেতে হলো।

প্রসঙ্গত, এর আগে দুপুরে ঢাবি শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করেন। এ সময় আন্দোলনকারীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেন, তবে লাইব্রেরি খোলার রাখার দাবি জানান।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কয়রায় নির্মাণ হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন গুচ্ছগ্রাম

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
তারিক লিটু, কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

Image

খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ মদিনাবাদ গ্রামে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ৪৯টি দৃষ্টিনন্দন সেমি পাকা ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। সাড়ে ৪ একর জমির উপর পরিকল্পিত ডিজাইনের দৃষ্টিনন্দন গুচ্ছগ্রাম দেখতে হাজির হচ্ছে এলাকার মানুষ।

দৃষ্টিনন্দন এই গুচ্ছগ্রামে প্রতিটি ঘর নির্মাণের জন্য ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা বরাদ্দে দুটি কক্ষ, একটি রান্নাঘর ও একটি বাথরুম আছে। উপজেলায় যে কয়টি গুচ্ছগ্রাম আছে তারমধ্যে মদিনাবাদে নির্মাণধীন গুচ্ছগ্রামটি সব দিক দিয়ে গুনে মানে সেরা। উপজেলা সদরে আশ্রয়ণ প্রকল্পটি নির্মিত হওয়ায় সব ধরণের আধুনিক সুযোগ সুবিধা পাবে গুচ্ছগ্রামের মানুষেরা।

বুধবার (৩ জুলাই) দুপুরে মদিনাবাদ গুচ্ছগ্রামে সরেজমিন গেলে চোখে পড়ে, সারি করে সাজানো রঙিন টিনের ঘর। প্রতিটি ঘরের সাথে রয়েছে উন্নতমানের শৌচাগার ও রান্না ঘর। দুই কক্ষ ঘরে একটি পরিবার সুন্দন ভাবে থাকতে পারবে। লাল ও নীল রংয়ের টিনের ঘর দেখে মনে হবে, যেন পরিপাটি সাজানো একটি গ্রাম। গুচ্ছগ্রাম নির্মাণে সবচেয়ে ভাল মানের ইট ও উন্নতমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। কাগজে সর্বোনিম্ন ০.৩২০ মিমি ঘনত্বের টিন ব্যবহার করার কথা থাকলেও ব্যবহার করা হয়েছে সর্বোচ্চ মানের ০.৩৬০ মিমি ঘনত্বের টিন।

গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের কাজের দায়িক্তে থাকা কামরুল ইসলাম জানান, প্রকল্পের নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে। কোন অনিয়মের সুযোগ নেই। সদরে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ায় প্রকল্পের সভাপতি এক দিন পর পর এসে সব কিছু চেক করে দিক নির্দশনা দিয়ে যান। শুরুকে কিছু ঘরের বেস ঢালাই ভাল না হওয়ায় সেগুলো ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কাজ করছি।

সরকারের এই প্রকল্পে অসহায় ভূমিহীন মানুষের জীবন বদলে যাবে বলে মনে করছেন কয়রা উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভাপতি মাস্টার খায়রুল আলম। তিনি বলেন আমি খোঁজ নিয়েছি গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পটিতে সুন্দর ভাবে কাজ শেষের পথে।নির্মাণ কাজে কোন অভিযোগ নেই। গুচ্ছগ্রামে আশ্রয় পাবে এলাকার ভূমিহীন দিনমজুর, ভিক্ষুক পরিবার। যাদের ঘর করার সামর্থ্য নেই। এমন সুন্দর ঘর পেয়ে হত-দরিদ্র মানুষেরা খুব খুশি হবে। এতে সরকার, ইউএনওর পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিরা প্রশংসিত হবেন।


আরও খবর



সারাদেশে বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সারাদেশে বজ্রসহ বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও ভারি বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। সেইসঙ্গে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে আভাস দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, বুধবার (২৬ জুন) রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, রাজশাহী, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণেরও আশঙ্কা রয়েছে।

সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজ করতে পারে।

লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।

আগামী পাঁচ দিনে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।


আরও খবর



আগস্টে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, ক্লাসে ফিরে যাও: কাদের

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আগস্টের প্রথম সপ্তাহে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে চূড়ান্ত শুনানির মাধ্যমে নিস্পত্তি হবে কোটা সংস্কারের দাবি। এ পর্যন্ত মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে এমন কর্মসূচি বন্ধ করে আদালতের নির্দেশ মেনে শিক্ষাথীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানী ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আদালত কোটা সংস্কার নিয়ে চার সপ্তাহের স্থাপিতাদেশ দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ক্লাসে ফিরে যাওয়ারও আহ্বান করছেন। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতের নির্দেশনা দিয়েছেন। সেতুমন্ত্রী বলেন, আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আদালত বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেবেন আশা করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পেনশন নিয়ে আন্দোলন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, শিক্ষকদের ব্যাপারটাতেও যোগাযোগ আছে। অচিরেই এ সমস্যার সমাধান হবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী চীন সফর নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলেও জানান সেতুমন্ত্রী। বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ঢাকায়, তিনি কিছুটা অসুস্থ। এছাড়া চীনে প্রধানমন্ত্রীর সব প্রোগাম শেষ হওয়ায় তিনি বেইজিংয়ে রাত্রীযাপন না করে ঢাকার পথে রওনা দেবেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া সহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে কর্মক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানকে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার ২০২৩-২৪ প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলামের কাছ থেকে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক।

জাতীয় শুদ্ধাচার সম্মাননা গ্রহণ শেষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, এই সম্মাননা আমার জন্য নিরন্তর অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। আমি বরাবরের মতই সততা, নিষ্ঠা এবং নির্ভরযোগ্যতার সাথে আমার পেশাগত দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকব।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম বলেন, শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদানে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, চট্টগ্রামের নৈতিকতা কমিটি ও বাছাই কমিটির সভায় সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর কার্যাবলী পর্যালোচনা করা হয়। যাচাই-বাছাইয়ের পর চট্টগ্রাম বিভাগের ১১জন জেলা প্রশাসকের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক। কর্মক্ষেত্রে তার পদচারণা নিঃসন্দেহে সকলের জন্য অনুসরণীয় এবং একই সাথে অনুপ্রেরণাদায়ক।

উল্লেখ্য, সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল শিরোনামে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ২০১২ সালে মন্ত্রীসভা বৈঠকে অনুমোদন করা হয় এবং ২০১৭ সালের ৬ এপ্রিল শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা-২০১৭ সংক্রান্ত গেজেট জারি করা হয়।

শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য বিবেচ্য ১৮টি গুনণাবলি হচ্ছে- কর্মচারীর পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা, সততার নিদর্শন স্থাপন করা, নির্ভরযোগ্যতা ও কর্তব্যনিষ্ঠা, শৃঙ্খলাবোধ, সহকর্মীদের সঙ্গে আচরণ, সেবাগ্রহীতার সঙ্গে আচরণ, প্রতিষ্ঠানের বিধিবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, সমন্বয় ও নেতৃত্বদানের ক্ষমতা, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে পারদর্শিতা, পেশাগত স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক নিরাপত্তা সচেতনতা, ছুটি গ্রহণের প্রবণতা, উদ্ভাবনী চর্চার সক্ষমতা, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে তৎপরতা, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশে আগ্রহ, উপস্থাপন দক্ষতা, ই-ফাইল ব্যবহারে আগ্রহ, অভিযোগ প্রতিকারে সহযোগিতা করা। বিবেচিত কর্মচারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারী শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হন।


আরও খবর