আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

যেসব অঞ্চলে ৬০ কি.মি. বেগে ঝড় হতে পারে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশের চারটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আগামীকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


আরও খবর



‘সবাই মিলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ে তুলবো’

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নাজিরপুর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

Image

পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, আমরা সবাই মিলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানের অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ উজ্জ্বল করে গড়ে তুলবো। আপনারা কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। শেখ হাসিনা আপনাদের পাশে আছেন। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ আপনাদের পাশে আছে। আমি শেখ হাসিনার কর্মী আপনাদের পাশে আছি।

শনিবার (১ জুন) রাতে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার পাতিলাখালীতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এক নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আপনারা কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করবেন ৩০ লাখ শহীদের বাংলাদেশ যেন আবার ঘাতক-রাজাকার, স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে চলে না যায়। আমরা সম্মিলিতভাবে শান্তিতে বসবাস করবো। মন্দিরে উলুধ্বনি হবে, মসজিদে আজান হবে; কেউ কারও ক্ষতি করবো না। আমি সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দিইনি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এস এম নুরে আলম সিদ্দিকী শাহীন, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।


আরও খবর



ডায়াবেটিস থেকে মিলল মুক্তি, বিশ্বে আশার আলো

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

ডায়াবেটিস রুখে দেয়ার লড়াইয়ে একদল চীনা বিজ্ঞানী এবং চিকিত্সক আশার আলো দিতে পেরেছে। তারা বিশ্বে প্রথমবারের মতো, সেল থেরাপি ব্যবহার করে ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিকে পুরোপুরি সারিয়ে তুলতে সফল হয়েছেন।

৫৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তি ২৫ বছর ধরে টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি এই রোগের কারণে জটিলতার গুরুতর ঝুঁকিতে ছিলেন। ২০১৭ সালে তার একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তার বেশিরভাগ অগ্ন্যাশয়ের আইলেটের কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলেন যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিদিন একাধিক ইনসুলিন ইনজেকশনের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল ছিলেন তিনি।

সাংহাই চাংজেং হাসপাতালের একজন শীর্ষস্থানীয় গবেষক ইয়িন হাও চলতি মাসের শুরুর দিকে সাংহাইভিত্তিক নিউজ আউটলেট দ্য পেপারকে বলেন, ওই ব্যক্তি গুরুতর ডায়াবেটিস জটিলতার ঝুঁকিতে ছিলেন।'

গবেষক ইয়িন হাও বলেন, 'এই রোগী ২০২১ সালের জুলাই মাসে 'উদ্ভাবনী কোষ প্রতিস্থাপন' (ইনোভেটিভ সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট) সেবা পেয়েছিলেন। প্রতিস্থাপনের ১১ সপ্তাহ পর ওই ব্যক্তি বাহ্যিকভাবে নেয়া ইনসুলিন ইঞ্জেকশনের প্রয়োজন থেকে মুক্তি পান। এসময় রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য মুখে খাওয়ার ওষুধের ডোজও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা হয়েছিল। এবং এক বছর পরে ওরাল ওষুধও সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলো-আপ পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, ওই রোগীর অগ্ন্যাশয় আইলেটের কার্যক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে পেয়েছেন তিনি। ওই রোগী ৩৩ মাসের জন্য সম্পূর্ণরূপে ইনসুলিন নেয়া বন্ধ রেখেছেন।

সাংহাই চ্যাংজেং হাসপাতাল, চাইনিজ একাডেমি অফ সায়েন্সের অধীনে সেন্টার ফর এক্সিলেন্স ইন মোলিকিউলার সেল সায়েন্স এবং সাংহাইভিত্তিক রেনজি হাসপাতালের চিকিৎসক এবং গবেষকদের যৌথভাবে অর্জিত চিকিৎসা সাফল্য গত ৩০ এপ্রিল সেল ডিসকভারি জার্নালে প্রকাশিত হয়।

এ বিষয়ে কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলুলার এবং শারীরবৃত্তীয় বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক টিমোথি কিফার বলেন, 'আমি মনে করি এই গবেষণাটি ডায়াবেটিসের জন্য সেল থেরাপির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির প্রতিনিধিত্ব করে।

ডায়াবেটিস এমন একটি দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক অসুস্থতা, যা সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হয়। এ রোগে বিশ্বে প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। শরীর যখন রক্তের সব গ্লুকোজকে ভাঙতে ব্যর্থ হয়, তখনই ডায়াবেটিস হয়। এই রোগ জটিল অবস্থায় পৌঁছালে মানুষের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া ডায়াবেটিসের কারণে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং বিকল হয়ে যেতে পারে কিডনিও। নতুন এই গবেষণা বলা হচ্ছে, ওষুধ এবং ইনসুলিন ছাড়াই টাইপ টু ডায়াবেটিস থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যদিও এটি নিয়ে আরো বিস্তর গবেষণার প্রয়োজন।

১৯৮০-২০১৪ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ কোটি থেকে বেড়ে ৪২ কোটি ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ মানুষ টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। ডায়াবেটিসকে মহামারি হিসেবে উল্লেখ করা হলেও এ রোগ থেকে পরিত্রাণের কার্যক্রম খুব সীমিত। এতো দিন নিরাময় অযোগ্য এই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারা পরিবর্তনের উপর নির্ভরশীল ছিলেন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজ ট্যাগ: ডায়াবেটিস

আরও খবর



বরগুনায় পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অলিউল্লাহ্ ইমরান, বরগুনা

Image

বরগুনায় পরোকীয়া প্রেমে জড়িতোর কারণে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন দ্বিতীয় স্ত্রী। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা বামনা হাসপাতালে নিয়ে আসলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত সোয়াদশটার দিকে বামনা উপজেলার সোনাখালী বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যাক্তি বামনা উপজেলার তালেশ্বর গ্রামের আঃ হানিফ চৌকিদারের ছেলে অটোচালক মোঃ ফোরকান (২৮)।

জানা যায়, পরোকীয়া প্রেমে জড়িত সন্দেহে ওই নারী বেশ কিছুদিন যাবত স্বামী ফোরকানের সাথে ঝগড়াঝাটি করে। রবিবার দিবাগত রাত সোয়া দশটার দিকে ওই ভাড়া বাসার নিজ কক্ষে দ্বিতীয় স্ত্রী তার পরিধয় লুঙ্গি উঠিয়ে ব্লেড দিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন। এ সময় গুরুতর জখম হলে চিৎকার করলে রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত বামনা হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। অবস্থার অবনতি হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ফোরকানকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ কিশোর কুমার মন্ডল বলেন, বামনায় স্ত্রী স্বামীর পুরুষ লিঙ্গ কেটে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। আহত ফোরকান এখন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। তবে কেউ এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



উপজেলা নির্বাচন: দ্বিতীয় ধাপে চেয়ারম্যান হলেন যারা

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে সারাদেশে ১৫৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল থেকে দিনভর দেশের ১৫৬ উপজেলায় ভোট হয়। এর মধ্যে ২৪ উপজেলায় ভোট হয়েছে ইভিএমে। বাকিগুলোতে ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে।

সাতটি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া দুটি উপজেলায় চেয়ারম্যান, সাধারণ ভাইস চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা সবাই বিনাভোটে জয়ী হয়েছেন। রাতে কেন্দ্র থেকে পাওয়া ফলাফল ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা।

চকরিয়া (কক্সবাজার): বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল করিম সাঈদী দোয়াত-কলম প্রতীকে ৫৬ হাজার ১২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী জাফর আলম পেয়েছেন ৫২ হাজার ২৫২ ভোট। জাফর আলম ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। বিগত সংসদ নির্বাচনেও তিনি পরাজিত হয়েছিলেন।

পেকুয়া (কক্সবাজার): দুই বারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু ঘোড়া প্রতীকে ২৩ হাজার ২৯৩ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা আকতার আনাসর প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৫৩৪ ভোট।

ঈদগাঁও (কক্সবাজার): উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ঈদগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তালেব চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৯৫৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সামসুল আলম মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৯০৭ ভোট।

কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট): উপজেলা চেয়ারম্যান পদে রাকিবুজ্জামান আহমেদ আনারস প্রতীকে ২৪ হাজার ৩৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মাহাবুবুজ্জামান আহমেদ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২০ হাজার ১৯১ ভোট।

রাকিবুজ্জামান সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুজ্জামান আহমেদের ছেলে এবং মাহাবুবুজ্জামান আহমেদ এমপির আপন ভাই।

আদিতমারী (লালমনিরহাট): বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক ইমরুল কায়েস মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩৩ হাজার ১৩৫ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম আনারস প্রতীক নিয়ে ২৯ হাজার ১৮ ভোট পেয়েছেন।

কাউখালী (পিরোজপুর): উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থক মো. আবু সাঈদ মিঞা ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ১১ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার পল্টন কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছে ৬ হাজার ২৯৪।

নেছারাবাদ (পিরোজপুর): উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য চেয়ারম্যান পদে আব্দুল হক আনারস প্রতীকে ৩৮হাজার ৬১২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মুইদুল ইসলাম মোটরসাইলকে প্রতীক নিয়ে ৩৫ হাজার ৫২০ ভোট পেয়েছেন।

বাগমারা (রাজশাহী): জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট জাকিরুল ইসলাম সান্টু ঘোড়া প্রতীকে ৪৭ হাজার ৩২২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বাবু আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৩২১ ভোট।

পুঠিয়া (রাজশাহী): জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৬৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬৭৯ ভোট।

দুর্গাপুর (রাজশাহী): দুর্গাপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরিফ মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪২ হাজার ১১৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুল মজিদ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৩৭২ ভোট।

কাপ্তাই (রাঙামাটি): চেয়ারম্যান পদে দোয়াত-কলম প্রতীকে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাছির উদ্দীন ৭ হাজার ৩৬২ পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবী আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৭৩ ভোট।

রাজস্থলী (রাঙামাটি): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উবাচ মারমা আনারস প্রতীকে ৭ হাজার ৭৫ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াজ উদ্দিন রানা দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ১৮ ভোট।

পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা): চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি এ কে এম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ মোটরসাইকেল প্রতীকে ১৯ হাজার ৫৯৫ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. তৌহিদুল ইসলাম দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭৪ ভোট।

বকশীগঞ্জ (জামালপুর): চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মো. নজরুল ইসলাম ঘোড়া প্রতীকে ২৮ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুর রউফ তালুকদার মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৮০৯ ভোট।

মো. নজরুল ইসলাম জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদের আপন ভাই।

বকশীগঞ্জ (জামালপুর): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মো. নজরুল ইসলাম ঘোড়া প্রতীকে ২৮ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বহিষ্কৃত সভাপতি মো. আব্দুর রউফ তালুকদার মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৮০৯ ভোট।

দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ঘোড়া প্রতীকে ৩০ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সোলাইমান হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৮৯৮ ভোট।

সদর (শরীয়তপুর): চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান উজ্জ্বল আকন্দ ঘোড়া প্রতীকে ৪০ হাজার ৭০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আমিন কোতোয়াল মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ২৬৬ ভোট।

জাজিরা (শরীয়তপুর): জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাজী ইদ্রিস আলী ফরাজী মোটরসাইকেল প্রতীকের ৪৭ হাজার ৮৪৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য আমিনুল ইসলাম রতন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ১১২ ভোট।

সদর (ভোলা): চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউনুছ মোটরসাইকেল প্রতীকে ৭১ হাজার ১৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মোশারফ হোসেন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন৩৯ হাজার ৯৮৬ ভোট।

কালকিনি (মাদারীপুর): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান শাহিন মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩৬ হাজার ১৯০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রবাসী নুরুজ্জামান সরদার পেয়েছেন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১১ হাজার ৯১৬ ভোট।

সদর (ময়মনসিংহ): চেয়ারম্যান পদে সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাইদ দোয়াত-কলম প্রতীকে ৪৫ হাজার ৭১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৪০ হাজার ৫৫৭ ভোট।

মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই আকন্দ মোটরসাইকেল প্রতীকে ৬৭ হাজার ২৯০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আরব আলী দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭৩৮ ভোট।

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ সাহা আনারস প্রতীকে ৫৫ হাজার ৮৯৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন খান দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৯৬৭ ভোট।

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ): উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিনা মির্জা মুক্তি মোটর সাইকেল প্রতীকে ৮৮ হাজার ১৯২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নবী নেওয়াজ খাঁন বিন হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৬১ ভোট।

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মনিরুজ্জামান মনি দোয়াত-কলম প্রতীকে ৪০ হাজার ১৩১ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সন্জিত কুমার কর্মকার আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৬২৭ ভোট।

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ): দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রার্থী হাবিবুর রহমান ১ লাখ ১৮ হাজার ভোট পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু হোসেন ভূঞা রানু পেয়েছেন ২০ হাজার ৪৩৪ ভোট।

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ): উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বপন ঘোড়া প্রতীকে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজালাল মিয়া দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৩২ ভোট।

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম ঘোড়া প্রতীকে ৮১ হাজার ৯৫৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বাবুল হোসেন ওমর আনাসর প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৬২৫ ভোট।

নগরকান্দা (ফরিদপুর): আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সদস্য কাজী শাহ জামান বাবুল আনারস প্রতীকে ৩৭ হাজার ২০৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মনিরুজ্জামান সরদার মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ২৩৭ ভোট।

সালথা (ফরিদপুর): উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ সমর্থক মো. ওয়াদুদ মাতুব্বর আনারস প্রতীকে ৩৭ হাজার ৭৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী অহিদুজ্জামান মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৪২ ভোট।

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম): উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইউনুস গনি চৌধুরী আনারস প্রতীকে ৩৬ হাজার ৭৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহরাব হোসেন চৌধুরী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৫ ভোট।

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম): চেয়ারম্যান পদে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

শার্শা (যশোর): উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩৭ হাজার ৫৭০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অহিদুজ্জামান অহিদ আনারস প্রতীকে ১২ হাজার ২৯১ ভোট পেয়েছেন।

আদমদীঘি (বগুড়া): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খান রাজু আনারস প্রতীকে ৩৯ হাজার ৮৩২ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা শ্রমিক লীগের সাবেক আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলাম রাজা মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩২ হাজার ১২৮ ভোট।

সিরাজুল ইসলাম খান রাজু স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইফুল্লাহ আল মেহেদি বাঁধনের বাবা।

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া): উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আহম্মেদুর রহমান বিপ্লব মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩৭ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফজলুল হক প্রামাণিক আনারস প্রতীকে ২০ হাজার ৪২৯ ভোট পেয়েছেন।

কাহালু (বগুড়া): উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আল হাসিবুল হাসান কবিরাজ সুরুজ আনারস প্রতীকে ৩৮ হাজার ৩৩০ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৯৪৬ ভোট।

সেনবাগ (নোয়াখালী): নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাইফুল আলম দিপু আনারস প্রতীকে ৩২ হাজার ১৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র মো. আবু জাফর টিপু দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৭৩৪ ভোট।

চাটখিল (নোয়াখালী): চাটখিল উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির দোয়াত-কলম প্রতীকে ৬৫ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জেড এম আজাদ খান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ২৬৭ ভোট।

সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী): চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাবুল আনারস প্রতীকে ৭৭ হাজার ১৬০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মোমিনুল ইসলাম হেলিকপ্টার প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৭৮১ ভোট।

সদর (কুড়িগ্রাম): জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম রতন আনারস প্রতীকে ৫২ হাজার ৪৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৩ ভোট।

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদ ইকবাল সোহরাওয়ার্দী বাপ্পি মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩৭ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান আবু নুর আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭৭৩ ভোট।

মহম্মদপুর (মাগুরা): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান ৪৩ হাজার ৯৭৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কবিরুজ্জামান কবির পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৯৬২।

শালিখা (মাগুরা): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শ্যামল কুমার দে ৩১ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম পেয়েছেন ২৬ হাজার ৭৮৪ ভোট।

বরুড়া (কুমিল্লা): আওয়ামী লীগের সমর্থক মো. হামিদ লতিফ ভূঁইয়া কামাল আনারস প্রতীকে ৯০ হাজার ৯২৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এ এন এম মইনুল ইসলাম হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪১ হাজার ৬২৩ ভোট।

হামিদ লতিফ ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের শ্যালক।

সদর দক্ষিণ (কুমিল্লা): কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হাই বাবলু হেলিকপ্টার প্রতীকে ২০ হাজার ৭৬৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের আক্তারুজ্জামান রিপন ১৪ হাজার ৭৯০ ভোট পেয়েছেন।

গাংনী (মেহেরপুর): জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক আনারস প্রতীকে ৩৩ হাজার ৭২৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান মুকুল হেলিকপ্টার প্রতীকে ২৮ হাজার ২৯৩ ভোট পেয়েছেন।

শৈলকুপা (ঝিনাইদহ): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আরিফ রেজা মন্নু মোটরসাইকেল প্রতীকে ৭৩ হাজার ৬৭৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেল যুবলীগের সভাপতি শামীম হোসেন মোল্লা দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৭১ হাজার ৮৮০।

হরিণাকুন্ডু (ঝিনাইদহ): উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মো. সাইফুল ইসলাম টিপু মল্লিক আনারস প্রতীকে ৩৪ হাজার ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী একই দলের কর্মী শাহিনুর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৯৭২ ভোট।

ঝিকরগাছা (যশোর): চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম আনারস প্রতীকে ৪০ হাজার ৬৪৩ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য মো. সেলিম রেজা ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪৪৩ ভোট।

চৌগাছা (যশোর): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম হাবিবুর রহমান আনারস প্রতীকে ৩৩ হাজার ৫৬৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ মোস্তানিছুর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীকে ২৮ হাজার ৯৮০ ভোট পেয়েছেন।

নকলা (শেরপুর): নকলা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবুল আলম সোহাগ দোয়াত-কলম প্রতীকে ২০ হাজার ৬৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মো. মোকশেদুল হক কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ২১৩ ভোট।

নালিতাবাড়ী (শেরপুর): উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন ঘোড়া প্রতীকে ৬১ হাজার ৭৯৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. মোকছেদুর রহমান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮০৭ ভোট।

কুমারখালী (কুষ্টিয়া): উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল মান্না খাঁন আনারস প্রতীকে ৬০ হাজার ৯১০ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম মোরশেদ পিটার মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪২ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়েছেন।

ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া): ভেড়ামারা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আবু হেনা মস্তফা কামাল মুকুল।

মিরপুর (কুষ্টিয়া): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হালিম দোয়াত-কলম প্রতীকে ৭১ হাজার ৫১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা কামাল হোসেন আনারস প্রতীকে ২৫ হাজার ৩৪০ ভোট পেয়েছেন।

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া): উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য রেজাউল হক চৌধুরীর ছোট ভাই বুলবুল আহম্মেদ চৌধুরী টোকেন আনারস প্রতীকে ১ লাখ ৩ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আনিসুর রহমান ঘোড়া প্রতীকে ৩ হাজার ৩০০ ভোট পেয়েছেন।


আরও খবর



পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা, তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি ছুঁই ছুঁই

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

Image

চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৪২ শতাংশ।

শনিবার (২৫ মে) বিকেল ৩টায় জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ৬ মে থেকে ২৪ মে পর্যন্ত ৩৪-৪০ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা ওঠানামা করছিল। গত এক সপ্তাহ ধরে চলছে মৃদু, মাঝারি ও তীব্র তাপপ্রবাহ শুরু হয়। আজ (শনিবার) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমে জনজীবনে ভোগান্তি বেড়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৪২ শতাংশ।

আবহাওয়া কার্যালয় সূত্র জানায়, এখানে দিন-রাতের তাপমাত্রার পার্থক্যও থাকছে কম। দিনের বেলায় প্রচণ্ড রোদ আর সন্ধ্যার পর ভ্যাপসা গরম নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমের শুরু থেকে বেশিরভাগ দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড হয়ে আসছে এ জেলায়। গত ৩০ এপ্রিল মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।


আরও খবর