আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

যেসব ভুল স্মার্টফোনের আয়ু কমায়

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্মার্টফোন এখন আমাদের নিত্যসঙ্গী। একবিংশ শতাব্দীতে এসে স্মার্টফোন ছাড়া জীবন প্রায় অচল। গ্যাজেটটির চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। শুধু যোগাযোগের মাধ্যমই নয় আরও অনেক কাজে ব্যবহার হচ্ছে স্মার্টফোন। বাচ্চাদের অনলাইন ক্লাস থেকে আপনার অফিস মিটিং করোনাকালে বিশ্বব্যাপী। তবে সঠিকভাবে এর ব্যবহার না করেন তাহলে বিপদ ঘনিয়ে আসতে পারে খুব শিগগিরই। স্মার্টফোন ব্যবহারে কিছু ভুল আমরা প্রায়ই করে থাকেন। যেমন ধরুন স্মার্টফোনকে ওভার চার্জ করা, সঙ্গে নিয়ে ঘুমানো কিংবা অ্যাডাপ্টার পরিবর্তন করে চার্জ দেওয়া। এসব ভুলে খুব তাড়াতাড়ি স্মার্টফোনের আয়ু কমে যেতে পারে।

তবে বেশিরভাগ সময়ই ভুলভাবে স্মার্টফোন চার্জ করার কারণে শুধু তাদের ব্যাটারির আয়ুই কমে না, স্মার্টফোনের আয়ুও কমতে থাকে। চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন কাজগুলোর কারণে ফোনের আয়ু কমছে-

অনেকেই স্মার্টফোন একেবারে ১০০ শতাংশ চার্জ করেন। এটি কিন্তু ভুল একটি কাজ। স্মার্টফোন সবসময় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ করা উচিত। এর সাহায্যে শুধু ফোনের ব্যাটারির স্বাস্থ্যই ভালো থাকবে না, স্মার্টফোনও দীর্ঘদিন সমস্যহীন থাকবে। অনেকেই স্মার্টফোন চার্জ করার জন্য ডুপ্লিকেট চার্জার ব্যবহার করেন। এই অসাবধানতার জন্য স্মার্টফোনের বড় ক্ষতি হতে পারে। এতে ফোনের ব্যাটারি লাইফ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও একই সঙ্গে স্মার্টফোনও নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

স্মার্টফোন চার্জে দিয়ে অনেকেই ফেসবুক স্ক্রোল করেন কিংবা গেম খেলেন। যা খুবই বিপজ্জনক তো বটেই।, সেই সঙ্গে ফোনের আয়ু কমে যায় অনেকখানি। স্মার্টফোনের প্রসেসরের ওপর চাপ অনেক বেশি বেড়ে যায়, যে কারণে ব্যাটারি গরম হওয়ার সমস্যা দেখা যায়। এতে আপনার ফোনের ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। অনেকেই সারারাত স্মার্টফোন চার্জে দিয়ে রাখেন। এতে আপনার ফোন ওভার চার্জ হতে থাকে। যা ব্যাটারির জন্য খুবই ক্ষতিকর। এতে খুব দ্রুত ফণের ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে দেখা দিতে পারে ফোন ফগরম হয়ে যাওয়ার সমস্যা।

অনেকে বালিশের উপর বা নিচে স্মার্টফোন রেখে চার্জ করে থাকেন। এটি কখনই করবেন না। কারণ চার্জের সময়ে স্মার্টফোন যদি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় তবে, আগুন লাগার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: স্মার্টফোন

আরও খবর



৬ তারিখে বাজেট দেবো, বাস্তবায়নও করবো: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা আগামী ৬ তারিখে (৬ জুন) বাজেট দেবো। বাজেট আমরা ঠিক মতো দিতে পারবো, বাস্তবায়নও করবো। দেশি-বিদেশি নানা কারণে জিডিপি কিছুটা হয়তো কমবে, সেটা পরবর্তীসময়ে উত্তরণ করতে পারবো, সে আত্মবিশ্বাসও আছে।

শুক্রবার (১৭ মে) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির ২২তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামের অর্থনীতি পাল্টে গেছে। যারা একবেলা ভাত খেতে পারতো না, এখন চারবেলা খায়। একসময় গ্রামে হাটবারের বাইরে কিছু পাওয়া যেতো না, এখন সুপার মার্কেট হয়েছে। আমাদের গ্রামের বাজার পাটগাতিতে (পাটগাতি টুঙ্গিপাড়ার একটি ইউনিয়ন) ঈদের আগে ২০০টি ফ্রিজ বিক্রি হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতি যত বেশি মজবুত হচ্ছে, শিল্প-কলকারখানাও তত বাড়ছে।

তিনি বলেন, আমি আজকে অর্থনীতি সমিতির প্রোগ্রামে এসেছি। এখানে অনেকের অনেক বড় বড় ডিগ্রি আছে। আমার কিন্তু তা নেই। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাস করেছি। অর্থনীতির সূক্ষ্ম ও জটিল বিষয়াদি আপনাদের মতো আমি বুঝি না। তবে এতটুকু বুঝি, কীভাবে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হয়। কীভাবে মানুষের উপকার হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমার বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান থেকেই আমি এগুলো শেখেছি। তিনি তো বেশিরভাগ সময়ই জেলে থাকতেন। যতক্ষণ বাইরে থাকতেন, আমাদের সঙ্গে গল্প করতেন- কীভাবে দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান, কীভাবে গ্রামগুলোকে সাজাবেন।


আরও খবর



তালতলীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় জরিমানা

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার তালতলীতে উপজেলা প্রশাসনের সাথে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে নিদ্রা খালের মোহনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক ব্যক্তিকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিফাত আনোয়ার তুমপা এ অর্থদণ্ড দেন।

জানা যায়, উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের নিদ্রা এলাকায় একটি গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প নির্মাণ করার জন্য স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী আব্দুস সালামের সাথে চুক্তি হয় প্রশাসনের। চুক্তিতে স্পষ্ট লেখা আছে সরকারি ইজারাকৃত বালু মহল থেকে বালু উত্তোলন করে মাঠ ভরাট করতে হবে। সেই চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে নিদ্রা খালের মোহনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অভিযোগ ওঠে বালু ব্যবসায়ী আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে। এমন একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় বালু ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম তার অপরাধ স্বীকার করায় 'বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০' অনুযায়ী ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড নগদ পরিশোধ করায় আসামিকে সতর্ক করে তৎক্ষণাত খালাস দেওয়া হয়। বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশের জিম্মায় দেওয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত আনোয়ার তুমপা জানান, এই বালু ব্যবসায়ীর সাথে যেসব চুক্তিতে বালু নেওয়ার কথা রয়েছে। সে চুক্তি শর্ত ভেঙে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় তাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সাথে তার বালু উত্তোলনের চুক্তি বাতিল করা হয়।


আরও খবর



বিএসএমএমইউয়ে মরণোত্তর দেহদান ও অঙ্গীকারকারীদের সম্মাননা

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মানবজীবন সত্যিই মহান। এ জীবন হতে পারে কত সুন্দর। মৃত্যুর পরেও এ জীবন আলো ছড়াতে পারে অন্যের জীবনে। হতে পারে অন্যের জীবনী শক্তি, প্রাণের হৃৎস্পন্দন। মরেও অমর হয়ে যায় এই মানবজীবন। এমনই সুন্দর, আলোকিত, অমৃতময় জীবনের অধিকারী গুণী ও মহৎ ব্যক্তিদের মিলন মেলা বসেছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এনাটমি বিভাগের আয়োজনে মরণোত্তর দেহদানকারী ও দেহদানের অঙ্গীকারকারী প্রায় অর্ধশত মহৎ ব্যক্তিদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (১০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে বিশ্ব কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে গানটি পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে আলোকিত মানুষকে নিজ হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা প্রদান করেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. দীন মো. নূরুল হক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. দীন মো. নূরুল হক বলেন, আজকের দিনে আমি সত্যিই অভিভূত ও আবেগাপ্লুত। এটা আমার জন্য একটি সুন্দর ও মহৎ দিন। আজ আমি এখানে কিছু মহামানবকে দেখছি। আপনারা ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। মানুষের প্রতি ভালোবাসার অনন্য দৃষ্টান্ত আপনারা স্থাপন করেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও শিক্ষার কার্যে আপনারা মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকার করেছেন।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে অনেক কর্নিয়াসহ বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দান করেছেন। তাই আজ আমার মনে পড়ছে স্বামী বিবেকানন্দের সেই অমর বাণী জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর। মানুষ হিসেবে আপনাদের স্থান অনেক ঊর্ধ্বে। আপনারা সাদা মনের মানুষ। আপনাদের চারিত্রিক দৃঢ়তা অসীম। মানুষের জন্য শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে যারা কাজ করে যায় আপনারা সেই সুন্দর শ্রেণির মানুষ। আপনাদেরকে পেয়ে আমরা সম্মানিত ও গৌরব বোধ করছি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। এসময় তিনি বলেন, মারা যাওয়ার পরে অনেক মহৎ ব্যক্তি মরদেহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এনাটমি বিভাগে দান করে গেছেন। এই দেহটি পরবর্তী সময়ে চিকিৎসা শিক্ষা এবং গবেষণার কার্যে ব্যবহৃত হচ্ছে। কেউ কেউ আবার কর্নিয়া দান করে গেছেন, যেই কর্নিয়াগুলো আবার পরে অন্য মানুষের চোখে প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে। সেই সব মহৎ ব্যক্তির স্মরণেই আজকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে এমনও অনেক মহৎ ব্যক্তি আছেন যারা দেহদানের অঙ্গীকার করেছেন। সেই সব ব্যক্তিবর্গের মধ্যে রয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, একুশে পদক প্রাপ্ত  মনোরঞ্জন ঘোষাল, গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সচিব কৃষ্ণ দাস গুপ্ত (মনু গুপ্ত), রয়েছেন জাতীয় পতাকার অন্যতম মূল নকশাকার প্রয়াত স্বর্গীয় শিবনারায়ণ দাস, রয়েছেন সাংবাদিক ও আরো অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি। তাদেরকে ও তাদের পরিবারের সদস্যদেরকে সংবর্ধনা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই আজকের এই আয়োজন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এনাটমি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. লায়লা আঞ্জুমান বানুর সভাপতিত্বে ও  সহকারী অধ্যাপক ডা. শারমিন আক্তার সুমির সঞ্চালনায় মহতী এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অধ্যাপক ডা. সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জি, অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. নাজির উদ্দিন মোল্যাহ, এনাটমি বিভাগের অধ্যাপক ডা. নাহিদ ফারহানা আমিন, ডা. লতিফা নিশাত, ডা. শাফিনাজ গাজী, ডা. মহিউদ্দিন মাসুমসহ এনাটমি বিভাগের রেসিডেন্টবৃন্দ।


আরও খবর



এইচএসসির প্রবেশপত্র পাওয়ার তারিখ প্রকাশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রবেশপত্র আগামী ১০ জুন দেওয়া শুরু হবে, শেষ হবে ১১ জুন। এই প্রবেশপত্র কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে বিতরণ করবে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এক চিঠিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র উল্লিখিত সময়সূচি অনুযায়ী বোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখা থেকে বিতরণ করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজে অথবা তার প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষককে (স্বাক্ষর সত্যায়িতসহ) কেন্দ্রের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপত্র অফিস চলাকালীন গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

কোনো অবস্থায়ই শিক্ষক ছাড়া অন্য ব্যক্তিকে প্রবেশপত্র গ্রহণ করার ক্ষমতা দেওয়া যাবে না। কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলে আবেদনপত্রে গভর্নিং বডির সভাপতি-জেলা প্রশাসক-উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষর থাকতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, টাঙ্গাইল, নরসিংদী, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জ জেলায় ১০ জুন এবং ঢাকা মহানগর, ঢাকা জেলা, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলায় ১১ জুন প্রবেশপত্র বিতরণ করা হবে। আর প্রবেশপত্রে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য অবশ্যই ২৩ থেকে ২৭ জুনের মধ্যে উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী আবেদন করে ঠিক করে নিতে হবে।

প্রসঙ্গত, আগামী ৩০ জুন শুরু হবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এরইমধ্যে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে শিক্ষা বোর্ড।


আরও খবর



ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ, পাট ও সুতা রফতানির সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য সম্পাদন হয়। তবে দুই দেশের মধ্যে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। এটি দূর করতে বাংলাদেশ থেকে ফার্মাসিউটিক্যালস, পাটজাত পণ্য ও রিসাইকেল সুতা রফতানির সম্ভাবনা রয়েছে।

গতকাল বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত হেরু হারতান্তো সুবোলো এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। চট্টগ্রামের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দ্য চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালকদের সঙ্গে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ, পরিচালক একেএম আক্তার হোসেন,  জহিরুল ইসলাম চৌধুরী (আলমগীর), অঞ্জন শেখর দাশ, মাহফুজুল হক শাহ, মাহবুবুল হক মিয়া, মোহাম্মদ মনির উদ্দিন ও আখতার উদ্দিন মাহমুদ বক্তব্য রাখেন। অন্যদের মধ্যে দূতাবাসের অ্যাটাচে রব্বি ফিরলি হারখা ও ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্স সপ্তো রুদিয়ান্তোসহ  চেম্বার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সাধিত হয়েছে উল্লেখ করে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত হেরু হারতান্তো সুবোলো বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু খাদ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণে পিছিয়ে রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া খাদ্য সংরক্ষণ ও হালাল ফুড রফতানিতে বিশ্বে নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরি করেছে। তাই বাংলাদেশের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার সম্পাদিত এগ্রিকালচার সমঝোতা স্মারক কার্যকর করতে গবেষণার ওপর জোর দিতে হবে।

রাষ্ট্রদূত নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ইন্দোনেশিয়া চট্টগ্রামের মাতারবাড়ীতে ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, ১০০ কিলোমিটার ট্রান্সমিশন লাইন, ভোলা ও বরিশাল অঞ্চলে গ্যাস পাইপলাইন সম্প্রসারণে ইন্দোনেশীয় বিনিয়োগ প্রস্তাবের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। এছাড়া তিনি উভয় দেশের ট্যুরিজম, ম্যানুফ্যাকচারিং, ইনফ্রাস্ট্রাকচার, ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার এবং রিনিউয়েবল এনার্জি সেক্টরে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনার ওপর তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন।

চট্টগ্রামের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি ভৌগোলিক সুবিধা তুলে ধরে চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন, খাদ্য উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশের মোট খাদ্য উৎপাদনের এক-তৃতীয়াংশ বা ৩ বিলিয়ন ডলার সংরক্ষণ কিংবা প্রক্রিয়াকরণের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আবার বিশ্বব্যাপী হালাল ফুড ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে সুনাম রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার। তাই বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের বিশাল বাজার ধরা ও রফতানিতে ইন্দোনেশীয় ব্যবসায়ীদের একক বা যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়া থেকে ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি করে। যার মধ্যে পামঅয়েল, কয়লা, সিমেন্ট ক্লিংকার, পেট্রোলিয়াম প্রডাক্টসহ কৃষি পণ্য আমদানি করা হয়। বাংলাদেশ থেকে ইন্দোনেশিয়ায় তৈরি পোশাক ও পাটজাত পণ্য রফতানি করা হয়। অথচ বাংলাদেশের রয়েছে বিশ্ববিখ্যাত ওষুধ পণ্য। তিনি প্রেফারেন্সিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রফতানিতে রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করেন।


আরও খবর