আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

‘যৌন নিপীড়ক’ শিক্ষকের বিচার চান ঢাবি শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর তোলা যৌন নিপীড়নের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও শাস্তির দাবিতে ক্লাস বর্জন করেছেন শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সব অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা সারাদিন ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করেন।

এসময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, পোস্টার ও ব্যানার হাতে বিভাগের সামনে অবস্থান নেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় অধ্যাপক নাদির জুনাইদকে বয়কট করার আহ্বান জানিয়ে পোস্টারিং করেন। পরে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে উপাচার্যের কার্যালয় হয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে গিয়ে মানববন্ধনের মাধ্যমে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তার শাস্তির দাবি জানান। এরপর তারা সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যানের অফিস কক্ষের সামনে অবস্থান নেন।

বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে আনা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে; যৌন নিপীড়ককে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শাস্তির আওতায় আনতে হবে; তদন্ত চলাকালে বা অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সব অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে বিরত রাখতে হবে।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সাংবাদিকতা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাহি নায়াব বলেন, নাদির জুনাইদের যৌন হয়রানির বিষয়টি সম্প্রতি সামনে এলেও এসব অপকর্ম তিনি আগে থেকেই করে আসছিলেন। প্রতিটি ব্যাচের ২-৩ জন নারী শিক্ষার্থীকে তিনি টার্গেট করে রাখতেন এবং পরে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতেন। গত ২৩-২৪ বছরের শিক্ষকতা জীবনে তিনি কত নারী শিক্ষার্থীকে হয়রানি করে এসেছেন সেটা এখন খতিয়ে দেখা দরকার। আমাদের বোনদের সঙ্গে যে যৌন নিপীড়ন হয়েছে, আমরা তার বিচার চাই। তদন্ত কমিটি করার আশ্বাসে এবার আর কাজ হবে না। আমরা চাই সঠিক তদন্তের পর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।

দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাওয়ার সালসাবিল দুর্দানা বলেন, এ পর্যন্ত তিনটি সেমিস্টারের কোর্স টিচার হিসেবে আমরা নাদির জুনাইদকে পেয়েছি। আমরা কতটা মানসিক ট্রমায় ছিলাম সেটা বলে বোঝানোর মতো নয়। তিনি প্রত্যেকটা ব্যাচ থেকেই কয়েকজনকে টার্গেট করেন। তিনি নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে মেধা যাচাই করেন না, যাচাই করেন হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট এবং ফোনের আলাপ দিয়ে। যেকোনো টার্ম পেপার জমা দিতে হলে সেটা তার পছন্দ হবে কি হবে না সেটা নিয়ে ১/২ ঘণ্টা ফোনে কথা বলতে হয়। পরে তিনি বলবেন আমার কথা বলা কম হয়েছে, তাই আমাকে তিনি ১০এ ২/৩ দেবেন। আর ফোনে বলা কথা তার মনঃপূত হলে তাকে বেশি নম্বর দেওয়া হয়।

চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সামদানি প্রত্যয় বলেন, তার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগের বিষয়টি সবাই জানত। ভীতির সংস্কৃতি চর্চার কারণে এতদিন কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। একজন ভিকটিম যখন সাহস করে প্রতিবাদ করেছে তখন আমরা চুপ থাকতে পারি না। শুধু সাফাই গেয়ে আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে না। আমাদের দাবি স্পষ্ট, এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অতি দ্রুত খতিয়ে দেখতে হবে। তদন্তকালে সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে হবে এবং অপরাধ নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করতে হবে।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেন বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী। ওই শিক্ষার্থী প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহমেদ বলেন, আমরা এ ব্যাপারে সবসময় জিরো টলারেন্স। কিছু অভিযোগ আমরা পেয়েছি, সেগুলো উপাচার্য মহোদয়ের কাছে পেশ করা হবে। তাকে বলব যেন জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নিউইয়র্কে সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনকে তৃতীয়বারের মতো গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তাকে আটক করে নিউইয়র্ক পুলিশ।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকেই তার খোঁজ শুরু করে নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট। তার ওপর হুলিয়া জারির পর থেকেই তিনি নানা সময় নিজের অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন।

পুলিশের ডিটেকটিভ ব্রায়ান গ্রানশো জানান, আজ রোববার নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় সকালবেলা তাকে স্টাটেন আইল্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ব্রায়ান জানান, ইলিয়াস হোসেনকে আজ জ্যামাইকার ১১৩ প্রেসেন্ট হাজতখানাতে নেওয়া হয়েছে। আজ সারা দিন তাকে কারাগারেই থাকতে হবে। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তাকে কোর্টে জামিনের জন্য তোলা হবে।

এর আগে শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছিলেন ইলিয়াসকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য তার বাড়ির দরজা ও শহরের বিভিন্ন স্থানে ধরিয়ে দিন পোস্টার লাগিয়ে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট মিল্টন জ্যাকব ও প্রিমা রব্বানীর কুইন্স কাউন্টির ক্রিমিনাল আদালতে দায়ের করা মামলায় ১ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক ইলিয়াস পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে গেলে তাকে আটক করা হয়। আটকের ৬ ঘণ্টা পর ছেড়ে দেওয়া হয় তাকে। ১৭ জানুয়ারি সশরীরে আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত হননি। ফলে তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়।

এদিকে চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা মামলায় মিথ্যা ও অসত্য তথ্য সরবরাহ এবং তা প্রচারের অভিযোগে দেশের আদালতেও ইলিয়াসের বিরদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে।

পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারের মামলায় সাংবাদিক তাকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির প্রকাশের নির্দেশও দিয়েছিলেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল। পরে গত ১৮ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াতের আদালত তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করেন।


আরও খবর



নলছিটিতে ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

Image

ঝালকাঠির নলছিটিতে খলিলুর রহমান হাওলাদার (৫৫) নামক একজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে তার ছেলে রমজান হাওলাদার পলাতক রয়েছে। রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ আলী। নিহত খলিলুর রহমান হাওলাদার নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের দক্ষিণ রানাপাশা গ্রামের হামিজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাতে খলিলুর রহমান হাওলাদারকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে তার ছেলে রমজান। পরে খলিলের ভাই মাওলানা আব্দুল কাদের বিষয়টি জানতে পেরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়া যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

রানাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান হাওলাদার বলেন, মাথার পিছনে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। কি কারণে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে সেটা জানতে পারিনি।

ওসি মো. মুরাদ আলী বলেন, খবর শুনে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ ও নিহতের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহত খলিল হাওলাদারের ছেলে পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



জাতীয় সংসদে ১২টি স্থায়ী কমিটি গঠন

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় সংসদে আজ ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠিত হয়েছে। সরকারি শত ব্যস্ততার মাঝেও নিজের হাতে লিখে কমিটিগুলো গঠনে সহযোগিতা করায় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত মোট ৫০টি স্থায়ী কমিটি ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। গত ৩০ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার পর আজ দ্বিতীয় কার্য দিবসে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ হাতে স্থায়ী কমিটি গুলোর সদস্যদের নাম লিখে দিয়েছেন। এটা সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটা অনন্য দৃষ্টান্ত ও মাইলফলক। প্রধানমন্ত্রীর হাতে লেখা কমিটি গুলোর তালিকা মহামূল্যবান দলিল হিসেবে সংসদে সংরক্ষণ করা হবে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদে চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী কমিটি গঠনের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। ১২টি কমিটির মধ্যে সংসদ নেতার অনুমোদনক্রমে স্পিকার নিজে দুটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন।

জাতীয় পার্টির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদকে সভাপতি করে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন-সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, মোস্তাফিজুর রহমান, কামরুল ইসলাম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, ফয়জুর রহমান, মুজিবুল হক, জাহিদ মালেক ও সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।

আবুল কালাম আজাদকে সভাপতি করে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- মোরশেদ আলম, আশরাফ আলী খান খসরু, সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, নুরুজ্জামান আহমেদ, মো. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারি ও আনোয়ারুল আশরাফ খান।

ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলামকে সভাপতি করে অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- নূর-ই-আলম চৌধুরী, সালমান ফজলুর রহমান, মাহবুবউল আলম হানিফ, মো. রশিদুজ্জামান, মো. নজরুল ইসলাম, প্রাণ গোপাল দত্ত, মো. আব্দুল ওয়াদুদ ও শাহরিয়ার আলম।  

মোহাম্মদ সাদিককে সভাপতি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন-জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, নূর-ই-আলম চৌধুরী, ড. বীরেন শিকদার, শরীফ আহম্মেদ, মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, শাহজাদ আকবর, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসাদ ও শাহ সরওয়ার কবীর।

মুহিবুর রহমান মানিককে সভাপতি করে সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- মুজিবুল হক, মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম, কামাল আহমেদ মজুমদার, মো. শফিকুর রহমান, ওমর ফারুক চৌধুরী ও এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান।

গোলাম দস্তগীর গাজীকে সভাপতি করে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, আনোয়ারুল আজিম আনার, আনোয়ারুল আশরাফ খান, আব্দুল মমিন মন্ডল, মো. ওয়াকিল উদ্দিন, খান আহম্মেদ শুভ, রাগেবুল আহসান রিপু ও নাসের শাহরিয়ার জায়েদী।

সাজ্জাদুল হাসানকে সভাপতি করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মোহাম্মদ ফারুক খান, আশেক উল্লাহ রফিক, আনোয়ার হোসেন খান, শেখ তন্ময়, মো. মহিউদ্দিন বাচ্চু, শফিউল আলম চৌধুরী ও মো. খসরু চৌধুরী।

আমির হোসেন আমুকে সভাপতি করে শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- শিল্প মন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, কামাল আহমেদ মজুমদার, মির্জা আজম, এ কে এম শামীম ওসমান, আব্দুল ওদুদ, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, মোহিত উর রহমান শান্ত ও এ বি এম আনিসুজ্জামান।

শফিকুল ইসলামকে সভাপতি করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ, মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, সানোয়ার হোসেন, মতিয়ার রহমান, ইকবাল হোসেন, রেজাউল হক চৌধুরী ও মোহাম্মদ আলী।

শাজাহান খানকে সভাপতি করে খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, মকবুল হোসেন, আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, মোস্তফা আলম, আবুল কালাম মোহাম্মদ আহসানুল হক চৌধুরী, এস এম কামাল হোসেন, এস এ কে একরামুজ্জামান ও খাঁন মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ আল মেহেদী।

পদাধিকার বলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে সভাপতি করে কার্য-উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আমির হোসেন আমু, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ওবায়দুল কাদের, রাশেদ খান মেনন, গোলাম মোহাম্মদ কাদের, আনিসুল হক, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, শামসুল হক টুকু, ডা. দীপু মনি, নূর-ই-আলম চৌধুরী ও এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন।

চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীকে সভাপতি করে সংসদ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন-র আ ম ওবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, ইকবালুর রহিম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মো. আবু জাহির, আশিক উল্লাহ রফিক, কাজী নাবিল আহমেদ, সানোয়ার হোসেন, সাজ্জাদুল হাসান, এস এম শাহজাদা ও এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




নিউইয়র্কে গোলাগুলিতে একজন নিহত, আহত ৫

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির একটি সাবওয়ে স্টেশনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শহরটির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর এএফপি, আল জাজিরা।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের একটি সাবওয়ে স্টেশনে বন্দুকধারীর গুলিতে একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়।

দমকল বিভাগ জানিয়েছে, হামলার ঘটনার পর বিকেল সাড়ে ৪টার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়। এই ঘটনায় ছয়জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

নিউইয়র্ক শহরের পুলিশ ট্রানজিট প্রধান মাইকেল কেম্পার বলেন, আমরা বিশ্বাস করি না যে, এটা লক্ষ্যহীন কোনো হামলা। একটি ট্রেনে দুই গ্রুপের মধ্যে বিবাদ থেকেই এই হামলার সূত্রপাত হয়েছে।

তিনি বলেন, দূর্ভাগ্যবশত হামলায় ৩৪ বছর বয়সী এক তরুণ নিহত হয়েছে। এছাড়া আহতদের মধ্যে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী, ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর এবং ৭১ বছর বয়সী এক ব্যক্তি রয়েছেন।

এই ঘটনায় জড়িতদের খুঁজছে পুলিশ। যুক্তরাষ্ট্রে গোলাগুলির ঘটনা যেন সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছে। যেখানে মানুষের চেয়ে বন্দুকের সংখ্যাই বেশি এবং প্রায় এক তৃতীয়াংশ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির কাছেই আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য শহরের তুলনায় নিউইয়র্কে বন্দুক হামলায় হত্যার ঘটনা কম। দেশটিতে প্রায় সব ক্ষেত্রেই বেসামরিক নাগরিকদের জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র রাখা বেআইনি।


আরও খবর



জয়পুরহাটে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট

Image

জয়পুরহাটে আবু হোসেন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আমিনা বেগমকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বুধবার দুপুরে জয়পুরহাট র‍্যাব ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়। এর আগে ভোররাতে সদর উপজেলার পুরানাপৈল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আমিনা বেগম জেলার পাঁচবিবি উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের আবু রায়হানের স্ত্রী।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১০ সালের ২৫ মার্চ সকালে পাঁচবিবি উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের আবু হোসাইনের বাবা আবু তাহের নিজের খড়ের পালায় কাজ করছিলেন। সে সময় আসামিরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সেখানে এসে আবু তাহেরকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারপিট করেন। তখন তার ছেলে আবু হোসাইন বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি মারপিট করে আসামিরা। এসময় মুমূর্ষ অবস্থায় আবু হোসাইনকে প্রথমে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

সেখানে তার অবস্থার আরও অবনতি হলে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারপর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জয়পুরহাট র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মো: শেখ সাদিক জানান, এ মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম ৫ জনের ফাঁসির রায় দেন।

একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। এ মামলার আসামি আমিনা বেগম পলাতক ছিলেন। এরপর সদর উপজেলার পুরানাপৈল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর