আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজধানীতে চার দিনব্যাপী পার্বত্য মেলা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের জীবন-কৃষ্টি, সংস্কৃতি, পোশাক-পরিচ্ছদ, ইতিহাস-ঐতিহ্য বিষয়ক তথ্যাদি সমতলের মানুষের মাঝে পরিচয় করিয়ে দেয়া এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর  উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী প্রচার ও বিপণনের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর বেইলি রোডস্থ শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রে আগামি ১৪-১৭ ফেব্রুয়ারি চারদিনব্যাপী পার্বত্য মেলার বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।

মেলা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রতি সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত পার্বত্য বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন রয়েছে।

১৪ ফেব্রুয়ারি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী পদমর্যাদা) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, এমপি। আগামি ১৭ ফেব্রুয়ারি বেলা ৩ টায় পার্বত্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গৃহায়ণ ও গর্ণপূর্ত মন্ত্রী জনাব র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, এমপি। উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি।

পার্বত্য তিন জেলার ২৭৫ জন শিল্পীর ঐতিহ্যবাহী পরিবেশনায় প্রতিদিন বিকাল ৬ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে। চারদিনব্যাপী এ পার্বত্য মেলায় ৯৭টি স্টল বরাদ্দ থাকবে। মেলার স্টলে তিন পার্বত্য জেলায় উৎপাদিত কৃষি পণ্য সামগ্রী, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী কোমর তাঁতে বোনা পণ্য, ঐতিহ্যবাহী পার্বত্য খাবার দ্রব্য প্রদর্শন ও বিক্রয় করা হবে। সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় অংশ নেবেন।

নিউজ ট্যাগ: পার্বত্য মেলা

আরও খবর



শাহজাহানপুরে একটি বাসায় দুই দফা বিস্ফোরণে ৭ জন দগ্ধ

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর শাহজাহানপুরের ঝিল মসজিদের পাশের ১টি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডে ৭ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের অবজারভেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

গতকাল ২৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এর আগে একই বাসায় একই দিনে সকাল ৮টার

দগ্ধ আলী আকবর জানান, পঞ্চম তলা বাসার নিচতলায় রান্নাঘরে প্রায় সময় গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যেত। সকাল ৮টার দিকে রান্না ঘরের পাশে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। এতে হালকা শব্দ হয় তখনই ৭ জন দগ্ধ হন। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।

শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরী বিভাগের চিকিৎসকরা জানান, গ্যাস লিকেজ থেকে দগ্ধ হয়ে আমার এখানে ৬ জন এসেছেন। এদের মধ্য মিন্টু হাওলাদারের শরীর ৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে। বাকিদের শরীরের বিভিন্ন জায়গা আগুনে দগ্ধ হয়েছে। সবাইকে অবজারভেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দগ্ধরা হলেন- মিন্টু হাওলাদার (৪০), তার মেয়ে মারিয়া ইশরাত (১৮), সেনেটারি মিস্ত্রি মনির হোসেন (৪১), দেলোয়ার হোসেন (৫৭), প্রতিবেশী আলী আকবর (৩৫), বাচ্চু মিয়া (৪৫) ও সিরাজ শেখ ( ৪৮)।


আরও খবর



সীমান্তে মিললো আরও একটি অবিস্ফোরিত মর্টার শেল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বান্দরবান প্রতিনিধি

Image

মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা তুমব্রু বাজারের পার্শবর্তী রাস্তার কাছে আরও একটি অবিস্ফোরিত মর্টারের গোলা পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপরে অবিস্ফোরিত গোলাটি পথচারীরা দেখতে পেয়ে বিজিবিকে খবর দেয়। বর্তমানে ওই স্থানে জনসাধারণ ও যান চলাচল সীমিত করেছে বিজিবি সদস্যরা।

অপরদিকে, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তের নোয়াপাড়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্বার করা অবিস্ফোরিত মর্টারের গোলাটি নিষ্ক্রিয় করেছেন সেনা বোমা বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা। আজ সকালের দিকে রামু সেনানিবাস থেকে আসা সেনা বোমা বিশেষজ্ঞ দল মর্টারের গোলাটি ধ্বংস করে নোয়াপাড়া এলাকায়।

স্থানীয় পথচারী সাইফুল ইসলাম জানান, বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার পথে অবিস্ফোরিত মর্টারের গোলাটি দেখতে পাওয়া যায়। বর্তমানে সীমান্তের পরিস্থিতি মোটামোটি শান্ত অবস্থায় রয়েছে। তবে মাঝে-মধ্যে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ এলাকায় কিছু কিছু গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহাংগীর আজিজ জানান, সীমান্ত পরিস্থিতি মোটামোটি শান্ত। তবে বিভিন্ন জায়গায় পরিত্যক্ত অবিস্ফোরিত গোলা পড়ে থাকায় শংকিত রয়েছে জনগণ। তাছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক মনে হচ্ছে। গত ২ দিন ধরে আশ্রয়কেন্দ্রের আশ্রিত স্থানীয়রা নিজ বসতঘরে ফিরেছে।


আরও খবর



অবশেষে টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বত্ব পেতে আবেদন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

Image

টাঙ্গাইল শাড়ি নিজেদের দাবি করেছে ভারতের একটি মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত এই শিল্পকর্মকে নিজেদের দাবির প্রতিবাদ উঠেছে সব মহলে। এর মধ্যেই টাঙ্গাইল শাড়ির পেটেন্ট (জিআই স্বত্ব বা ভৌগলিক নির্দেশক) পাওয়ার জন্য আবেদন করেছে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে এ আবেদন করা হয়। বিকালে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম। 

কায়ছারুল ইসলাম বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ি যেকোনো বিচারে বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার দাবিদার। আমরা গত ৩ মাস ধরে টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করেছিলাম। আজ আবেদন করেছি।

সম্প্রতি ভারতের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজ থেকে করা একটি পোস্টে উল্লেখ দাবি হয়- টাঙ্গাইল শাড়ি, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উদ্ভূত, একটি ঐতিহ্যবাহী হাতে বোনা মাস্টারপিস। এর মিহি গঠন, বৈচিত্র্যময় রং এবং সূক্ষ্ম জামদানি মোটিফের জন্য বিখ্যাত এটি এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। টাঙ্গাইলের প্রতিটি শাড়ি ঐতিহ্য ও সমৃদ্ধ সৌন্দর্য্যরে মেলবন্ধনে দক্ষ কারুকার্যের নিদর্শন।

এরপর থেকে টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। মানববন্ধন করেছেন টাঙ্গাইলের মানুষ।

জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বলেন, শাড়িটির ইতিহাস, সংশ্লিষ্টদের জীবন জীবিকার তথ্য, আড়াইশ বছরের ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহ করে কাগজপত্র তৈরি করে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই টাঙ্গাইল শাড়ি নামে জিআই স্বীকৃতি পাব।

তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পরে ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন-এর গঠনতন্ত্র  অনুযায়ী আপিল করব। ভারতের টাঙ্গাইল শাড়ি অব বেঙ্গল নামে যে জিআই পণ্যটি পেয়েছে, এটি বাংলাদেশের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমরা পুরোপুরো আশাবাদী টাঙ্গাইল শাড়ি চূড়ান্ত বিচারে বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি নিয়ে আসতে পারব।

নিউজ ট্যাগ: টাঙ্গাইল

আরও খবর



মিয়ানমারের সংঘাত: সীমান্তে এক দিনে ৫ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) পাঁচ বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী ও থাইংখালী এলাকায় চারজন এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

কক্সবাজারের আহতরা হলেন, পালংখালী ইউনিয়নের নলবনিয়া এলাকার আয়ুবুল ইসলাম, রহমতেরবিল এলাকার আনোয়ার হোসেন, পুটিবনিয়া এলাকার মোবারক হোসেন ও মো. কালা। পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চারজন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের মধ্যে আনোয়ার হোসেন ও মোবারকের অবস্থা গুরুতর। এখনো গুলিবর্ষণের শব্দ শুনা যাচ্ছে। 

আরও পড়ুন>> একজন রোহিঙ্গাকেও ঢুকতে দেবো না : বিজিবির ডিজি

এদিকে মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে সৈয়দ আলম (৩৫) নামের এক বাংলাদেশি আহত হন। গোলাগুলির কারণে নিজ বাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি প্রথমে গাছে লাগার পর সৈয়দ আলমের কপালের পাশ দিয়ে চলে যায়। এতে গুরুতর আহত হলে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ দিকে আরাকান আর্মির আক্রমণের মুখে এ পর্যন্ত বিজিপি ও অন্যান্য বাহিনীর ২৬৪ জন বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। তারা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে রয়েছেন।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহিন ইমরান জানান, মিয়ানমারে সংঘাত বেড়েছে। মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি, মর্টারশেল এসে পড়ছে সীমান্তের এপারে। সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় ঘুমধুম ও তুমব্রু সীমান্তের মানুষকে নিরাপদে আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। এর আগে গতকাল সোমবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের জলপাইতলী গ্রামের একটি রান্নাঘরে মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টারশেলের আঘাতে দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহত দুইজনের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নারী, অন্যজন রোহিঙ্গা পুরুষ।


আরও খবর



ঘুমধুম সীমান্তে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় মিয়ানমারের ৪০০ চাকমা

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে চলমান সংঘর্ষের মধ্যে দেশটির চাকমা সম্প্রদায়ের প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায়। পাশাপাশি কিছুসংখ্যক রোহিঙ্গাও বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় সীমান্তে জড়ো হচ্ছেন।

কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মো. মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মিয়ানমারে দেশটির সরকারের জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মির সংঘর্ষ চলছে। এতে মিয়ানমার সীমান্তে বসবাসকারীদের মধ্যে খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। তাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে আছে। এই অবস্থায় তারা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছেন।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) মধ্যে চলা সংঘর্ষে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ৯৫ জন সদস্য অস্ত্রসহ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে এখন পর্যন্ত দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ৯৫ জন সদস্য অস্ত্রসহ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়েছে।

এদিকে সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টারশেলের আঘাতে ঘুমধুম সীমান্তের জলপাইতলীতে এক বাংলাদেশিসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন ঘুমধুম সীমান্তের জলপাইতলীর বাসিন্দা হাসিনা বেগম এবং অপরজন মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা বৃদ্ধা। তিনি ওই বাড়িতে কাজ করছিলেন। তার পরিচয় জানা যায়নি।

সীমান্ত এলাকায় চলমান অস্থিরতার কারণে বান্দরবান পার্বত্য জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী ৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিদ্যালয়গুলা হলো- বাইশপারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাজবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিমকুল তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।


আরও খবর