আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম
বিজ্ঞান জাদুঘরের পৃষ্ঠপোষকতায়

৪৯৩ উপজেলায় বিজ্ঞান মেলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের অর্থায়নে ও পৃষ্ঠপোষকতায় সারা বাংলাদেশে উপজেলা পর্যায়ে মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৪৫তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা। এ কর্মসূচির আওতায় রয়েছে তরুণ বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক মডেলের প্রদর্শনী, বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং বিজ্ঞান ভিত্তিক সেমিনার। দেশের ৪৯৩টি উপজেলায় গত ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখ থেকে এ বিজ্ঞান মেলা শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৬০টি উপজেলায় এ মেলা সম্পন্ন হয়েছে। এতে অংশ নিচ্ছে হাজার হাজার তরুণ শিক্ষার্থী, ক্ষুদে বিজ্ঞানী এবং জনসাধারণ। এ কর্মসূচির আওতায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ৪৯৩টি উপজেলায় বরাদ্দ প্রদান করেছে সাড়ে ৩ কোটি টাকা।

বিজ্ঞান মেলাকে আরও সমৃদ্ধ করতে বিজ্ঞান জাদুঘর থেকে বিভিন্ন উপজেলায় প্রেরণ করা হচ্ছে মহাকাশ পর্যবেক্ষণের জন্য টেলিস্কোপ এবং ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান প্রদর্শনীর জন্য ৪ডি মুভি বাস ও মিউজিয়াম বাস। বিজ্ঞান মেলাকে কেন্দ্র করে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। এখানে তরুণ উদ্ভাবকরা তৈরি করছে পরিবেশ দূষণ রোধ ও সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সাশ্রয়ী প্রযুক্তি, কৃষি কাজে ব্যবহার্য আধুনিক ড্রোন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রা সহজিকরণে সহায়ক নানা প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে তৈরি জটিল সমস্যার সমাধান, শিল্প কারখানার ঝুকিপূর্ণ কাজের জন্য আধুনিক রোবট, সৌরশক্তির আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব ব্যবহার ইত্যাদি অসংখ্য প্রকল্প।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মেধার বিকাশ ঘটিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বান্ধব জাতি গঠনই জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। দেশের তরুণ ও ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের এ বিজ্ঞান মেলায় সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে বিজ্ঞান চর্চা সম্প্রসারণ এবং ৪র্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আধুনিক প্রজন্মকে প্রশিক্ষিত করা এ বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য, যা সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের রূপরেখা বাস্তবায়নে অত্যন্ত সহায়ক হবে। এসব বিজ্ঞান মেলায় শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবকদের আকর্ষনীয় পুরস্কার, সার্টিফিকেট ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে বিজয়ী প্রতিযোগিরা পরবর্তীতে জেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান মেলায় অংশ নিতে পারবে। 


আরও খবর
ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ উদ্বোধন করলেন পরীমণি

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নদীর তীরের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি, ৩ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:

বরগুনার তালতলীতে আন্ধারমানিক নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির দায়ে একজনকে ২ মাস ও দুইজনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (১৭ ফেব্রয়ারি) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া এলাকায় আন্ধারমানিক নদীর তীরে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা।

জানা যায়, তালতলী উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া এলাকার আন্ধারমানিক নদীর তীর পার্শবর্তী পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার যমুনা ব্রিকসের কাছে প্রতি কাঠা ৩ হাজার টাকা করে বিক্রি করেন স্থানীয় সুজন ও নিপেন রায় নামের দুই ব্যক্তি। পরে যমুনা ব্রিকসের লোকজন ভেকু মেশিন দিয়ে আন্ধারমানিক নদীর তীর কেটে মাটি নিয়ে যায়। নদীর তীর কাটার ফলে গ্রাম রক্ষা বাঁধটি হুমকির মুখে পড়ার শঙ্কায় ঐ এলাকার পরিমল রায় নামের এক ব্যক্তি চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও মাটি কাটা ফেরানো যায়নি। পরে শনিবার সকালে স্থানীয়রা মাটি কাটা বাধা দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে খবর দেয়। খবব পেয়ে ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটি কাটা অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে তিন জনকে আটক করে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ এর ৪(গ) ধারার বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

যমুনা ব্রিকস এর ম্যানেজার আবুল বাশার বলেন, আমরা নদীর তীরের মাটি ক্রয় করেছি। সেই মাটি ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে নিয়ে আসতেছি। নদীর তীরের মাটি ক্রয় কিভাবে করা হলো জানতে চাইলে ফোনের লাইন কেটে দেয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, আন্ধারমানিক নদীর তীর কেটে মাটি বিক্রী করার অপরাধে তিন জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাটি কাটার ভেকু মেশিন ও টার্মিনাল জব্দ করা হয়েছে।


আরও খবর



গাজায় ত্রাণ নিতে আসা জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি, নিহত ১০৪

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গাজা উপত্যকার দক্ষিণ-পশ্চিমে খাবারের জন্য অপেক্ষা করছিলেন ফিলিস্তিনিরা। এ সময় ইসরায়েল খাবারের জন্য অপেক্ষারত ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালায়। এতে অন্তত ১০৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং অন্তত ৭০০ জন আহত হয়েছে। কিন্তু গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ১১২ জন এবং  আহত হয়েছেন ৭৫০ জনেরও বেশি। গাজা শহরের পশ্চিমে আল-নাবুসি এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় ফিলিস্তিনি নেতারা এবং প্রতিবেশী দেশগুলো গাজায় সহায়তা সংগ্রহকারী নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্যবস্তু করায় ইসরায়েলের নিন্দা করেছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের কার্যালয় বলেছে, ইসরায়েলি দখলদার সেনাবাহিনী কুৎসিত গণহত্যা চালিয়েছে।

আব্বাসের অফিসের উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াফা বার্তা সংস্থা বলেছে, এই বিপুল সংখ্যক নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের যারা হত্যা করেছে তারা গণহত্যামূলক যুদ্ধের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এর সম্পূর্ণ দায় দখলদার ইসরায়েলের এবং আন্তর্জাতিক আদালতে তাদের জবাবদিহি করতে হবে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বেসামরিকদের রক্ষা করার একমাত্র উপায় হিসেবে, যুদ্ধবিরতি জারি করার জন্য জরুরি হস্তক্ষেপ করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে। এদিকে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস এই হামলাকে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে অপরাধী ইহুদিবাদীদের জঘন্য গণহত্যা বলে অভিহিত করেছে।

এক বিবৃতিতে এই গোষ্ঠীটি বলেছে, সাহায্য-প্রার্থীদের ওপর মারাত্মক আক্রমণ যুদ্ধাপরাধের ইতিহাসে নজিরবিহীন।

গাজায় গণহত্যা, জাতিগত নির্মূল এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বন্ধ করতে ইসরাইলকে বাধ্য করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এবং আরব রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হামাস।

স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী এএফপিকে বলেন, গাজা শহরের পশ্চিম নাবুলসি গোলচত্বরে ত্রাণের ট্রাকের দিকে খাবারের জন্য মরিয়া হাজার হাজার মানুষ ছুটে আসেন। সেই সময় এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ত্রাণ-বোঝাই ট্রাকগুলো কিছু সেনা ট্যাংকের খুব কাছাকাছি চলে আসে। ওই সময় হাজার হাজার মানুষ ট্রাকের দিকে ছুটে আসেন। তারা ট্রাকগুলোতে হামলে পড়েন। লোকজন ট্যাংকের খুব কাছে চলে আসায় ইসরায়েলি সেনারা ভিড় লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

পরে ইসরায়েলি একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে বলেছে, লোকজন এমনভাবে ইসরায়েলি বাহিনীর কাছাকাছি এসেছিল, যা সেনাদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। পরে গুলি ছুড়ে হুমকি মোকাবিলা করা হয়েছে।

তবে ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেন, ওই এলাকায় কোনো ধরনের গোলাবর্ষণের কথা তাদের জানা নেই। পরে সেনাবাহিনী বলেছে, উত্তর গাজায় ত্রাণ পরিবাহী ট্রাক এলে ধাক্কাধাক্কি ও পদদলিত হয়ে কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি একটি সূত্র জানিয়েছে, দেশটির সশস্ত্রবাহিনী ভিড়ের মাঝে হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে কয়েকজন ব্যক্তির ওপর গুলি চালিয়েছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একাধিক ট্রাকে করে অনেক মৃতদেহ পরিবহন করা হচ্ছে এবং অনেক আহত ব্যক্তিকে দেখা যায়। তবে ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিত করেত পারেনি। আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি হাসপাতালের মেঝেতে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর



নির্বাচনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে ইমরানের পিটিআই

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা দিয়েছে ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই)। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সর্বোচ্চ আদালতে পিটিআই এ সংক্রান্ত একটি পিটিশন জমা দিয়েছে। পিটিশনে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মোট ১৮০টি আসনে জয়ী হয়েছে পিটিআই।

কিন্তু কারচুপি ও কারসাজির মাধ্যমে মাত্র ৯২টি আসনে পিটিআই প্রার্থীদের জয়ী দেখানো হয়েছে। দলটিকে ক্ষমতা থেকে দূরে রাখতে এই ডাকাতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।

সর্বোচ্চ আদালতে পিটিশন জমা দেওয়ার তথ্যটি শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন পিটিআইয়ের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা শের আফজাল মারওয়াত। তিনি আরও জানিয়েছেন, পিটিশনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিকান্দার সুলতান রাজার নিয়োগকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয়েছে পাকিস্তানে। ১১ ফেব্রুয়ারি সেই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির মোট আসনসংখ্যা ২৬৬টি, তার মধ্যে নির্বাচন হয়েছে ২৬৫টি আসনে। কোনো দল যদি সরকার গঠন করতে চায়, তাহলে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির অন্তত ১৩৩টি আসনে সেই দল বা জোটকে জয়ী হতে হবে।

কিন্তু নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং বর্তমানে কারাবন্দি নেতা ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) ৯২টি আসন। পিটিআইয়ের পর এই তালিকায় যথাক্রমে রয়েছে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) ৭৫টি আসন, পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ৫৪টি আসন, মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) ১৭টি আসন, জামায়াতে উলামায়ে ইসলাম- ফজলুর (জেইউআইএফ)৪টি আসন এবং স্বতন্ত্রপ্রার্থীরা পেয়েছেন ৯টি আসন।

অর্থাৎ কোনো দলই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম আসন পায়নি। এই অবস্থায় জোট সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু হয় পিএমএলএন এবং পিপিপির মধ্যে। ১২ দিন ধরে আলোচনার পর ঐকমত্যে পৌঁছায় পিএমএলএন এবং পিপিপি; সিদ্ধান্ত হয় পিএমএলএনের চেয়ারম্যান শেহবাজ শরিফ পাকিস্তানের নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন, আর রাষ্ট্রপতি হবেন পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পিতা ও দলটির কো চেয়ারম্যান আসিফ আলী জারদারি। এই সিদ্ধান্তের মধ্যে দিয়ে কার্যত সরকার গঠনের সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে পিটিআইয়ের।

এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ফলাফল বাতিল চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা দিয়েছিলেন আলী খান নামে অবসরপ্রাপ্ত এক পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা। গত বুধবার সেই আবেদনের ওপর শুনানির দিনও নির্ধারণ করেছিলেন আদালত। কিন্তু সেদিন আবেদনকারী আদালতে উপস্থিত না থাকায় সেই পিটিশন বাতিল করে দেন সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে আলী খানকে ৫ লাখ রুপি জরিমানাও করেন সর্বোচ্চ আদালত।


আরও খবর



২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

চলতি মাসের (ফেব্রুয়ারি) প্রথম ২৪ দিনে প্রবাসীরা ১৬৫ কোটি ৬১ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ১১০ টাকা ধরে যার পরিমাণ ১৮ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মধ্যে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার। এর আগে, চলতি বছরের প্রথম মাসে (জানুয়ারি) প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ২১০ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য, গত বছরের জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স আসে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬ কোটি ডলার, মার্চে ২০২ কোটি, এপ্রিলে ১৬৮ কোটি, মে মাসে ১৬৯ কোটি, জুনে ২২০ কোটি, জুলাইয়ে ১৯৭ কোটি, আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ, সেপ্টেম্বর মাসে ১৩৩ কোটি, অক্টোবরে ১৯৭ কোটি, নভেম্বর ১৯৩ কোটি এবং ডিসেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১৯৯ কোটি ডলার।

২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার। তার আগের ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার।


আরও খবর



গাজীপুরে ট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত ৩

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ট্রাক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন জন নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোরে উপজেলার সুত্রাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন আরও দুইজন। 

নিহতরা হলেন, উপজেলার টালাবহ গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে মফজেল হোসেন (৬৫), আব্বাস জোয়াদ্দারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৪০), এবং একই উপজেলার বাউমান টালাবহ গ্রামের মৃত হাছেন আলীর ছেলে শওকত আলী (৪২)। নিহত তিনজন এবং আহত আরও দুইজন অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন। তারা সকলেই র্নিমাণ শ্রমিক ।

হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সোমবার ভোর সাড়ে পাচঁটার দিকে বোডঘর এলাকা থেকে কাজের সন্ধানে ওই পাঁচ ব্যক্তি অটোরিকশা যোগে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের সার্ভিস লাইন দিয়ে উল্টোপথে আসছিলেন। এসময় চন্দ্রা থেকে ছেড়ে আসা (ঢাকা মেট্রো উ-১৪-১৫৪৫ )একটি মালবাহী ট্রাক মূল মহাসড়ক ব্যবহার না করে সার্ভিস সড়ক দিয়ে মির্জাপুর দিয়ে যাচ্ছিলো। পথে ব্যাটারী চালিত অটোরিকশার সাথে ট্রাকের মুখোমুখি সংর্ঘষ হয়।

ঘটনাস্থলে পাঁচজন আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে র্কতব্যরত চিকিৎসক তিন জনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি দুইজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় মির্জাপুর কুমুদিনি হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নাওজোর হাইওয়ে পুলিশের ওসি শাহদাত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ট্রাক আটক করা হয়েছে। চালক পলাতক। তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।


আরও খবর