আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

আচরণবিধি লঙ্ঘনে শামীম ওসমানকে শোকজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার তল্লা এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং নৌকার প্রার্থী এ কে এম শামীম ওসমানকে শোকজ করেছে ইসির অনুসন্ধান কমিটি।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে চিঠি দেন নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তা এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ কাজী ইয়াসিন হাবিব। আগামী ৩ ডিসেম্বর আদালতে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে কিংবা তার প্রতিনিধির মাধ্যমে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, গত ১ ডিসেম্বর জাতীয় পত্রিকার অনলাইনে ও ২ ডিসেম্বর প্রিন্ট ভার্সনে সচিত্র সংবাদ অনুযায়ী শুক্রবার শহরের তল্লা এলাকায় আপনার পক্ষে নৌকা প্রতীকের ফেস্টুন ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে মিছিল ও পথসভা করা হয়। যার ফলে যানবাহন ও পথচারীদের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। এরূপ কার্যক্রম প্রার্থীর আচরণবিধিমালা ৬-এর (খ) এবং ১২ ধারা বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

আগামী ৩ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনে ব্যক্তিগতভাবে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে ব্যাখ্যাসহ কারণ দর্শানোর অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে আচরণবিধি মেনে চলার জন্য আপনাকে অনুরোধ করা হলো।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) বেলা ৩টার দিকে শামীম ওসমানের পক্ষে শোডাউন ও নৌকায় ভোট চেয়ে মিছিল করেন ফতুল্লার যুবলীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব। শতাধিক কর্মী সমর্থক সঙ্গে নিয়ে বাদ্য বাজিয়ে সড়ক প্রদক্ষিণ করেন তারা। এটি নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন। অনুসন্ধানী কমিটির উল্লিখিত ধারা অনুযায়ী প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দের পূর্বে ভোট চাওয়া বা কোনো শোডাউন করতে পারবেন না।

শামীম ওসমানের অনুসারীদের মিছিলটি আচরণবিধির লঙ্ঘন স্বীকার করে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজী ইস্তাফিজুল হক আকন্দ বলেন, যারা মিছিল করেছেন তাদের সতর্ক করা হবে। নির্বাচন অনুসন্ধানী কমিটি প্রার্থীকে চিঠি প্রদান করেছে।

এ বিষয়ে শামীম ওসমানের একান্ত সচিব হাফিজুর রহমান মান্না জানান, এ বিষয়ে জানা নেই। নোটিশ পেয়েছে কি না তা স্যার (শামীম ওসমান) ভালো বলতে পারবেন।

এদিকে চিঠির বিষয়ে শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠজনরা জানান, রোববার (৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় শামীম ওসমান সশরীরে আদালতে উপস্থিত হবেন। এই বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানাবেন তিনি।


আরও খবর



আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শিশুদের শুদ্ধ বাংলা লেখা’র প্রতিযোগীতা ও আলোচনা সভা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না, বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি

Image

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে ন্যাশনাল চিলড্রেন টাক্সফোর্স এনসিটিএফ ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন গ্রিন পিস সোসাইটি বেতাগী উপজেলায় আজ বুধবার (২১ শে ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটায় রেলি ও শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানায় এবং সকাল সাড়ে আটটা থেকে প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে ন্যাশনাল চিলড্রেন টাক্সফোর্স এনসিটিএফ ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন গ্রিন পিস সোসাইটি বেতাগী উপজেলা ২১ শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

‘আজকের দর্পণের’ প্রতিনিধি মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না উক্ত অনুষ্ঠানে বেতাগী এনসিটিএফ ভলান্টিয়ারের নির্দেশনায় সব ধরনের কর্মসূচি প্রনয়ণ করে। ভোর হতে না হতেই শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি কার্যনিবাহী কমিটির সকল সদস্যরা পুষ্পাঞ্জলি নিবেদনের পর শুরু হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শুদ্ধ বাংলা লেখা, চিত্র অংকন, উপস্থিত বক্তৃতা ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলা এনসিটিএফ এর সভাপতি মোঃ আরিফুল ইসলাম মান্নার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস মাহমুদা খানম।

সাধারণ সম্পাদক তাকওয়া তারিন নুপুর’র ও সহ সভাপতি মাহমুদ হাসান এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলন বেতাগী প্রেসক্লাব এর সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টু, নাগরিক ফোরামের সভাপতি লায়ন মোঃ শামীম শিকদার, বেতাগী প্রেসক্লাব এর সাবেক সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ খাইরুল বিশ্বাস, গ্রিন পিস সোসাইটি কর্যনিবাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের সবশেষে ছিল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ এবং শহীদের প্রতি দোয়া ও আলোচনা সভা।


আরও খবর



রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন ফের পেছালো

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৬ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী নতুন দিন ধার্য করেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে ওই টাকা ফিলিপাইনে পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করেন দেশের অভ্যন্তরের কোনো চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ রিজার্ভের অর্থপাচার করেছে।

ওই ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে কয়েকজনকে আসামি করে মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ৪ ধারাসহ তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬ এর ৫৪ ধারায় ও ৩৭৯ ধারায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।


আরও খবর
এক মাসে রিজার্ভ বাড়ল ৬৩ কোটি ডলার

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




চট্টগ্রামকে ভবিষ্যতে সিলিকন সিটিতে রূপান্তরিত করা হবে: পলক

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, চট্টগ্রামের কোন উদ্ভাবনী তরুণ-তরুণী যদি উদ্যোক্তা হতে চায় তাদের যত ধরনের সেবা লাগবে বর্তমান সরকার তার সবটুকু দিতে প্রস্তুত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামকে তিনটি উপহার ইতোমধ্যে দিয়েছে, সেগুলো হল ১০০ কোটি ব্যয়ে ১০তলা শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর সেন্টার, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার ইনকিউবেশন নির্মান কাজ চলছে, আরেকটা হলো নলেজ পার্ক তৈরি করার জন্য জায়গা নির্বাচন করা হয়েছে। এ কাজগুলো সম্পন্ন হলে চট্টগ্রাম একটি সিলিকন সিটিতে রূপান্তরিত হবে।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) সকালে নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চট্টগ্রাম চেম্বার্স এন্ড কমার্স আয়োজিত ৫ম আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্য শেষে প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শণ করেন এবং বেলুন উড়িয়ে মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। 

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে আমাদের দেশে যারা আইটি ফ্রিল্যান্সার আছে তাদের যথাযথ ট্রেনিংনের মাধ্যমে উদ্যোক্তাতে পরিণত করতে হবে। অনেকে আছে যারা গ্রামে, উপজেলায় থেকেও দেশ-বিদেশের অনলাইন মাকের্টপ্লেসে আউটসোর্সিং মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তাতে পরিণত করতে পারলে, সেখানে আরো হাজার-হাজার তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যাবে।

তিনি আরো বলেন, সিটি কর্পোরেশনে অধীনে চান্দগাওতে চট্টগ্রাম শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ইনকিউভেশন সেন্টার রয়েছে সেখানে ৫ হাজার স্কয়ার ফিটের জায়গাটাকে আমরা স্টার্টআপের জন্য দিয়ে দেব। চিটাগং চেম্বার অব কর্মাস ও আইট ট্রেনিং সেন্টার এর পরিচালক যোগ্যতার ভিত্তিতে বাছাই করে স্টার্টআপের জন্য নির্বাচন করবে। প্রথম ৬মাস সেখানে উদ্যোক্তারা ফ্রিতে অফিস খুলতে পারবে পরে তাদের কর্মদক্ষতার উপর ভিত্তি করে আরো ৬মাস ফ্রিতে কাজ করার সুযোগ পাবে। এছাড়াও সেখানে অন্যান্য সুযোগ সুবিধা থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক বিনিয়োগের সুবিধাও সরকার দিয়ে থাকব।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম চেম্বার্স এন্ড কমার্সর সভাপতি ওমর হাজ্জাজ এর সভাপতিত্বে সোসাইটি অব চিটাগং আইটি প্রফেসনাল এর সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ ফরিদ, শফোসর কান্ট্রি ম্যানেজার এস. এম মোহসিন, প্রযুক্তি মেলার এডভাইজ শিপন কুমার বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম চেম্বার্স এন্ড কমার্স এর সভাপতি ওমর হাজ্জাজ। এছাড়াও চেম্বাস অব কমার্সের পরিচালকবৃন্দ, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি এবং অসংখ্য উদ্যোক্তাসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তিনদিনব্যাপী আইটি মেলা ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি চলবে, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পযর্ন্ত চলবে। সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এখানে দেশি-বিদেশি মিলে মোট ৪০টি কোম্পানির ৬৪টি স্টল বসেছে।


আরও খবর



শীঘ্রই উন্মুক্ত হবে চট্টগ্রামের বৃহৎ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হচ্ছে আগামী মার্চের শেষে বা এপ্রিলে। এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে নগরীর টাইগারপাস থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত যান চলাচল শুরু হবে। ৮টি পয়েন্টে ১৫টি র‌্যাম্প নির্মাণে আগামী বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত লাগতে পারে। তবে লালখান বাজারে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের সাথে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী-সিডিএ ফ্লাইওভার যুক্ত করে মুরাদপুর থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত যান চলাচল শুরু করে দেয়া হবে।

চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ ব্যয় ৪ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা। তবে চট্টগ্রামে বৃহৎ এই এক্সপ্রেসওয়ে জন্য টোল আদায় করতে চায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। ইতিমধ্যে টোলের হারও প্রস্তাব করেছে। প্রস্তাবিত টোলের হার সর্বনিম্ন ১০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪৫০ টাকা। তা অনুমোদনের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। টোল প্লাজা নির্মাণও শেষ হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছরের ১৪ নভেম্বর চট্টগ্রামের মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী সিডিএ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েরউদ্বোধন করেন। উদ্বোধন হলেও নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো গাড়ি চলাচল শুরু হয়নি। নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর মার্চের শেষে বা এপ্রিলের শুরুতে গাড়ি চলাচলের জন্য এক্সপ্রেসওয়ে উন্মুক্ত করে দেওয়া হতে পারে।

সিডিএ প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, চট্টগ্রামের যানজট নিরসনকে সামনে নিয়ে পতেঙ্গা থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত সাড়ে ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী-সিডিএ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নগরীর লালখান বাজারে ইতোপূর্বে নির্মিত আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারের সাথে যুক্ত হবে। এতে পতেঙ্গা থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত ২২ কিলোমিটারের বেশি দৈর্ঘ্যের ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করবে।

কাজী হাসান বিন শামস বলেন, মার্চ মাসের শেষে এই ফ্লাইওভারের টাইগারপাস থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত অংশ যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হলেও পুরো ফ্লাইভার পুরোদমে কার্যকর করতে চলতি বছরের পুরো সময় লাগবে। টাইগারপাস থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত অংশটি প্রায় পুরোপুরি তৈরি হয়েছে। শুধু সাইডের রেলিং, লাইটিংসহ কিছু কাজ বাকি রয়েছে। আমবাগানের দিকে একটি র‌্যাম্প নেমেছে। এই র‌্যাম্প দিয়ে গাড়ি পতেঙ্গায় গিয়ে নামতে পারছে। আবার পতেঙ্গা থেকে ওঠা গাড়ি টাইগারপাসে এসে নামতে পারছে। প্রতিটা ধাপে র‌্যাম্পের কাজ চলছে, যে র‌্যাম্প কাজ শেষ ওদিকে খুলে দেয়া হবে।

পতেঙ্গা থেকে আসা ফ্লাইওভারের দুই লেন লালখান বাজার ম্যাজিস্ট্রেট কলোনির সামনে নেমে যাবে। অন্যদিকে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের পাশ দিয়ে ওয়াসা মোড়ের কাছে মুরাদপুর থেকে আসা আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারের সাথে যুক্ত করে দেয়া হচ্ছে। কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য রাতে-দিনে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, জিইসি মোড়ে পেনিনসুলা হোটেলের সামনে থেকে একটি র‌্যাম্প ফ্লাইওভারে উঠবে। যাতে জিইসি মোড় থেকে ফ্লাইওভারে ওঠা যায়। এছাড়া টাইগারপাস মোড়ে দুটি র‌্যাম্পের একটি সিআরবি রোড থেকে, অপরটি আমবাগান রোড থেকে এসে ফ্লাইওভারে যুক্ত হবে। এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ৮টি পয়েন্টে ১৫টি র‌্যাম্প নির্মাণ করা হবে। এগুলো শহরের যান চলাচলে গতি আনবে। এসব র‌্যাম্পের সহায়তায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কানেক্টিভিটি বাড়বে। আগ্রাবাদ ৪টি, ফকিরহাটে ১টি, নিমতলা মোড়ে ২টি, সিইপিজেড মোড়ে ২টি, সিমেন্ট ক্রসিংয়ে ১টি এবং কেইপিজেডের সামনে দুটি র‌্যাম্প ফ্লাইওভারে যুক্ত হবে।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমান বলেন, মার্চ বা এপ্রিলের শুরুর দিকে টাইগারপাস থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু করে দিবো। তবে লালখান বাজারে কাজ শেষ হলে মুরাদপুর থেকে যানবাহন চলাচল শুরু হবে। এক্সপ্রেসওয়ে ৮টি পয়েন্টে ১৫টি র‌্যাম্প নির্মাণে কিছুটা সময় লাগবে। জিইসি মোড়ে র‌্যাম্প নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। পেনিনসুলা হোটেলের সামনে থেকে এই র‌্যাম্প উঠবে।

টাইগারপাসে আমবাগানের দিকের র‌্যাম্পটির কাজ প্রায় শেষ। স্টেশন রোডের দিক থেকে আসা র‌্যাম্পের কাজ শুরু হবে। আগ্রাবাদে রেলওয়ে ঢেবার পাড় থেকে কিছু জায়গা অধিগ্রহণ করে র‌্যাম্প নির্মাণ করা হবে। এতে আগ্রাবাদ এক্সেস রোড থেকে আসা গাড়িগুলোকে আগ্রাবাদ হোটেলের রাস্তা ধরে ভিতরে প্রবেশ করতে হবে না। মেইন রোড থেকেই ফ্লাইওভারে উঠতে পারবে।

এক্সপ্রেসওয়ের কানেক্টিভিটি বাড়িয়ে অধিক কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে সবগুলো র‌্যাম্পের কাজ শেষ করতে চাই। এক বছর সময় বাড়ানোর জন্য আমরা মন্ত্রণালয়ের আবেদন করবো। কারণ প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা হস্তান্তর করা যায় না।


আরও খবর



ভালোবাসা দিবসে সেন্টমার্টিনে গিয়ে যে আট কাজ করতে ভুলবেন না

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ভ্রমণ ডেস্ক

Image

বছরের এই সময়ে সমুদ্র অনেকটাই থাকে শান্ত। সূর্যের মিষ্টি আলো দিনভর আনন্দ দেয়। সৈকতের ধারে মৃদু ঠাণ্ডার রাতগুলো দেয় অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। সবমিলিয়ে এ সময়টাতে সেন্টমার্টিন নিঃসন্দেহে আদর্শ গন্তব্য। প্রবাল এবং সুন্দর বালুকাময় সমুদ্রসৈকত, তাজা নীল জলরাশির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য অবাক করে দেবে ভ্রমণপিপাসুদের।

বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিন রুটে সাধারণত সরকারি অনুমোদন নিয়ে জাহাজ পরিচালনা করা হয়। এই সময়ে কক্সবাজার থেকে জাহাজে করে সেন্টমার্টিন যেতে পারেন। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘর্ষের কারণে টেকনাফ রুটটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এই মৌসুমে অনেক লোক সেন্টমার্টিন-এ ভ্রমণ করে তাই সম্ভাবনা বেশি যে আপনি আপনার পছন্দসই হোটেল পেতে সমস্যার সম্মুখীন হবেন। ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে হোটেল-রিসোর্টগুলো আগে থেকেই বুকিং করে রাখা ভালো।

সেন্টমার্টিনে জাহাজ থেকে নেমেই আপনি ছোট বাজারের মধ্য দিয়ে একটি দীর্ঘ হাঁটা পথ দেখতে পাবেন। কিছুটা এগিয়ে গেলেই গভীর নীল সমুদ্রের সাক্ষী হবেন। সাগরের বাতাস স্পর্শ করলেই আপনার সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে। সেন্টমার্টিনে থাকাকালীন অনেক কিছুই আছে, যা উপভোগ্য। আপনার ভ্রমণকে করবে মোহনীয়। এসব উপভোগের সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত না। সেই বিষয়গুলোই এই লেখায় তুলে ধরছি।

১. সাইকেল নিয়ে সমুদ্র সৈকতে ঘোরাঘুরি : সেন্টমার্টিনের সকালটা থাকে খুব মনোরম। সকালের দৃশ্য উপভোগের সময় সমুদ্র সৈকতে সাইকেল চালাতে পারেন। বাজার এলাকা থেকে প্রতি ঘণ্টায় সাইকেল ভাড়া নিতে পারেন। খেয়াল রাখবেন, সাইকেল নেওয়ার সময় সাইকেল মালিক সময়টা সঠিক লিখেছেন কি-না। সাধারণত প্রতি ঘণ্টা ভাড়া আনুমানিক ৬০-১০০ টাকা পর্যন্ত হয়। রাইড শেষ করার পরে সাইকেলটি দোকানে ফেরত দিতে ভুলবেন না।

২. বার বি কিউ পার্টি : সেন্টমার্টিনে থাকাকালীন সন্ধ্যেটা উপভোগ্য করে তুলতে চাইলে বার বি কিউ পার্টি হতে পারে অন্যরকম সুন্দর। দ্বীপটি রেস্টুরেন্ট দিয়ে ঘেরা। এসব খাবারের দোকান থেকে সামুদ্রিক মাছ কিনে নিতে পারেন। ওয়াটার পমফ্রেট, টুনা, স্যামন, গলদা চিংড়ি, কাঁকড়া এবং আরও অনেক ধরনের মাছ রয়েছে। যেটা আপনার পছন্দ হয়, কিনে নিতে পারবেন।

৩. ভ্যানে ঘোরা : দ্বীপটি এতই ছোট যে সেখানে খুব কম পরিবহনের বিকল্প পাওয়া যায়। এক গন্তব্য থেকে অন্য গন্তব্যে যেতে স্থানীয়রা বেশিরভাগই হাঁটা পছন্দ করেন। তবে হাঁটতে ভালো না লাগলে আপনি ভ্যান ভাড়া করতে পারেন। চার থেকে পাঁচজন ভ্যানে চড়ে দ্বীপের চারপাশটা দেখে আসতে পারেন।

৪. রোমাঞ্চকর চাঁদের আলো উপভোগ : আপনার সফরের তারিখগুলো যদি জ্যোৎস্নার সঙ্গে মেলে, তাহলে আপনি চাঁদের আলোর নিচে সবচেয়ে মোহনীয় অভিজ্ঞতা পেতে পারেন। চাঁদের আলো সবকিছুকে আরও একটু জীবন্ত করে তোলে। সেন্টমার্টিনে পূর্ণিমার সৌন্দর্য এমন একটি বিষয়, যা আপনি সেখানে পর্যবেক্ষণ করতে না যাওয়া পর্যন্ত বুঝতে পারবেন না।

৫. সমুদ্র সৈকতে একটি রাত : যদি আপনি চাঁদনী রাতের অভিজ্ঞতার সুযোগটি হাতছাড়া করেন, সৈকতের পাশে একটি রাত- আপনার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সেন্টমার্টিনে বিদ্যুৎ না থাকায়, নারকেল গাছের মৃদু আওয়াজসহ রাতগুলো আপনাকে শান্তি দেবে ভীষণ। সমুদ্রের শান্ত শব্দ পুরো সফরটিকে সার্থক করে তুলতে যথেষ্ট।

৬. সূর্যোদয় বা সূর্যাস্ত : সেন্ট মার্টিন দ্বীপে, আপনাকে অবশ্যই সকালে উঠতে হবে। প্রতিদিন সূর্যোদয় দেখাটা বাধ্যতামূলক। সূর্যোদয়ের সময় সকালের তাজা বাতাস বুক ভরে নিলে ঘুমের জন্য অনুশোচনা থাকবে না। অন্যদিকে, সূর্যাস্তও একইভাবে আকর্ষণীয়। সৈকতে দুর্দান্ত সব ছবি তোলার জন্য এটি উপযুক্ত সময়। এ সময়টাতে আকাশ রঙ পরিবর্তন করে এবং সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ।

৭. শুটকির জন্য যুদ্ধ : শুটকি মাছ উপকূলীয় মানুষের মধ্যে খুব জনপ্রিয়। স্থানীয় দোকানদাররা পর্যটকদের কাছে বেশি দাম দাবি করে। তাই স্বস্তায় পেতে কেনাকাটা করার সময় দর কষাকষি করতে ভুলবেন না।

৮. ছেড়াদ্বীপ : ছেড়াদ্বীপ, দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য। জোয়ারের সময় সেন্টমার্টিন থেকে এটি বিচ্ছিন্ন থাকে। ভাটার সময়, প্রায় দেড় ঘন্টা হেঁটে সেখানে যাওয়া সম্ভব। তবে নৌকা এবং মোটরবোটেও সেখানে যেতে পারবেন। সেজন্য বাজারেই ঘাঁটে নৌকার মালিকদের কাছ থেকে ভাড়া ঠিক করে নিতে হবে।


আরও খবর
সময় এখন ক্যাম্পিংয়ের

বুধবার ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ফি কমাল চীন

শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩