আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

আজকের রাশিফল: আজ আপনার দিন কেমন কাটবে ?

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

আজ ৮ জানুয়ারি ২০২৩, রবিবার। আজকের তারিখে জন্মগ্রহণ করায় রাশিচক্রে আপনি মীন রাশির জাতক-জাতিকা। চলুন জেনে নেয়া যাক আপনার রাশিতে আজকের পূর্বাভাস:

মেষ রাশি: আজ আর্থিক লেনদেন নিরবিচ্ছিন্নভাবে সারা দিন চলবে। যদিও, দিন শেষ হওয়ার পরে আপনি যথেষ্ট পরিমানে অর্থ সঞ্চয় করতে অক্ষম হবেন। কোনো দীর্ঘ ভ্রমণে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে শরীরের যত্ন নিন। সন্তানদের সাথে আজ কিছুটা সময় কাটান। আজ আপনি এমন কোনো রেস্তোঁরায় যেতে পারেন যেখানে বিদেশি খাবার পরিবেশন করা হয়। অর্ধাঙ্গিনীর সাথে ভালো সময় কাটবে।

বৃষ রাশি: আজকে করা কোনো বিনিয়োগ আপনাকে আর্থিকভাবে লাভবান করে তুলবে। সন্তানের কোনো কৃতিত্ব আপনাকে প্রচুর আনন্দ দিতে পারে। অযথা সময় নষ্ট করবেন না। মন ভালো রাখতে কোনো বই পড়ুন। আপনার অবসর সময়ে আজ অফিসের কোনো কাজ চলে আসতে পারে। দীর্ঘদিন পর এই দিনটি আপনার মন্দ কাটবে না। ভালোবাসার মানুষটির সাথে সংযত হয়ে কথা বলুন।

মিথুন রাশি: আজকে আপনার মন একদম শান্ত থাকবে। যেটার সুবিধা আপনি সারাটা দিন জুড়ে পাবেন। বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আজকে আপনি খোলা বাতাসে হাঁটাহাঁটি করতে পছন্দ করবেন। আজ আপনার ভদ্র ব্যবহার সর্বত্র প্রশংসা পাবে। পাশাপাশি, আপনার আজকের দিনটি ভালোবাসার রঙে নিমজ্জিত হবে। তবে, আপনার কোনো দীর্ঘস্থায়ী রোগ আজ আপনাকে বিরক্ত করতে পারে। শুধু তাই নয়, ওই কারণে আপনাকে হাসপাতালে গিয়ে প্রচুর অর্থ ব্যয়ও করতে হতে পারে।

কর্কট রাশি: কোনো আকষ্মিক প্রেমঘটিত সাক্ষাৎ আজ আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে। আপনার মনোমুগ্ধকর আচরণ আজ সবাইকে আকৃষ্ট করবে। ব্যবসায়ীদের জন্য দিনটি নিঃসন্দেহে ভালো। আজ আর্থিক লেনদেন নিরবিচ্ছিন্নভাবে সারা দিন চলবে। পাশাপাশি, দিন শেষ হওয়ার পরে আপনি যথেষ্ট পরিমানে অর্থ সঞ্চয় করতে সক্ষম হবেন। কোনো নতুন পারিবারিক উদ্যোগ শুরু করার পক্ষে এটি ভালো দিন।

সিংহ রাশি: আজকে আপনি সব কাজ ছেড়ে সেইসব কাজগুলি করতে পছন্দ করবেন যেগুলো ছোটবেলায় করতে আপনি ভালোবাসতেন। ব্যাঙ্কিং কারবার আজ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সামলাতে হবে। আজ, আপনি আপনার অর্ধাঙ্গীনির সাথে অনেকটা সময় কাটাতে পারবেন। আপনার ঝগড়ুটে ব্যবহারের জন্য শত্রুর তালিকা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন। সন্ধ্যের দিকে বন্ধুদের সাথে আপনার কোনো বিবাদ হতে পারে।

কন্যা রাশি: আপনি আজ খুব সহজেই সবাইকে আকৃষ্ট করতে পারবেন। জীবনযাত্রার একটি স্থিতিশীল মান বজায় রাখার জন্য আজ আপনাকে আর্থিক দিক সম্পর্কে আরও সচেতন হতে হবে। শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকতে আজ উচ্চ ক্যালোরির খাওয়ার এড়িয়ে চলুন। পাশাপাশি, শরীরচর্চার জন্য কিছুটা সময় ব্যয় করুন। স্ত্রীর সাথে কোনো বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হতে পারে। পরিবারে নতুন সদস্যের আগমন উৎসব এবং অনুষ্ঠানের মূহুর্ত বয়ে আনবে।

তুলা রাশি: দীর্ঘস্থায়ী লাভের জন্য আজ কোনো স্টক এবং মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। ঢাকা দেওয়া নেই এমন খাওয়ার আজ খাবেন না। আজ ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের মাঝে খুশি খোঁজার চেষ্টা করুন। আজকে আপনি পরিবারের সবথেকে ছোট সদস্যকে নিয়ে কোনো পার্কে বা শপিং মলে যেতে পারেন। মানসিক চাপ বৃদ্ধি পাবে এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।

বৃশ্চিক রাশি: আপনার কোনো খারাপ অভ্যাস আজ আপনাকে বিপদে ফেলতে পারে। মানসিক শান্তি বজায় রাখার জন্য অবশ্যই ধ্যান এবং যোগ ব্যায়াম করুন। বিবাহিত জীবন অত্যন্ত সুখের হবে। আপনার অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে সেদিকে আজ আপনার নজর রাখা উচিত। অন্যথায় আপনি আগামী সময়ে আর্থিক সঙ্কটের মুখোমুখি হতে পারেন। নিজের লক্ষ্যপূরণের জন্য সঠিক পরিশ্রম করুন।

ধনু রাশি: কোনো শিক্ষামূলক ভ্রমণ আপনার সচেতনতাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। যদি আপনি যথেষ্ট বিশ্রাম না নেন সেক্ষেত্রে আপনার অত্যন্ত ক্লান্তি বোধ হবে। তাই, অবশ্যই বিশ্রাম নিন। প্রেমিকার ব্যাপারে কোনো ভুল ধারণা মনে আনবেন না। পুরোনো কোনো সমস্যা নিয়ে স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্য হলেও দিনের শেষে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। বাবা-মায়ের কাছ থেকে আজ অর্থ সঞ্চয় সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ পেতে পারেন। পরিবারের সদস্যদের সাথে ভালো ব্যবহার করুন।

মকর রাশি: আজকে নিজের জন্য সময় বার করে আপনি জীবনসঙ্গীর সাথে কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন। যদিও, সেই সময়ে আপনাদের মধ্যে কোনো বিরোধের সম্ভাবনা রয়েছে। আজ আপনার আর্থিক দিকটি শক্তিশালী থাকলেও অযথা অর্থব্যয় থেকে বিরত থাকুন। স্ত্রীর স্বাস্থ্যের প্রতি সঠিক দেখভাল প্রয়োজন। যাঁরা তাঁদের ভালোবাসার মানুষটির থেকে দূরে থাকেন তাঁরা আজ একে অপরকে গভীরভাবে মিস করতে পারেন।

কুম্ভ রাশি: আপনার কাছে আজ কিছুটা অবসর সময় থাকবে। পাশাপাশি, সেই সময়ে আপনি মোবাইলে কোনো ওয়েব সিরিজ দেখতে পারেন। আজ ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের মাঝে খুশি খোঁজার চেষ্টা করুন। জমি বা সম্পত্তি সংক্রান্ত সমস্যাগুলির উপরে নজর দিন। ছোটো ব্যবসায়িক সংস্থাগুলি তাদের কর্মচারীদের জন্য আজ একটি পার্টির আয়োজন করতে পারে। প্রেমের জন্য দিনটি ভালো। আজ আপনি আপনার অর্ধাঙ্গিনীর সঙ্গে আপনার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন কাটাবেন।

মীন রাশি: অযথা অতিরিক্ত ব্যয় না করে আজ থেকেই সঞ্চয়ের প্রতি মনোনিবেশ করুন। আজ আপনি অবসর যাপনের আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন। একে অপরকে ভালো করে জানতে এবং বুঝতে আজ আপনি আপনার প্রিয়জনের সঙ্গে সময় ব্যয় করুন। বাড়ির কোনো কাজ আজ উপেক্ষা করলে সমস্যায় পড়তে পারেন। বিবাহিতদের জন্য দিনটি ভালো।

নিউজ ট্যাগ: আজকের রাশিফল

আরও খবর



সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

ছাতকে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি ঘটেছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং মুষলধারে বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা ছাড়িয়ে গেছে। ভয়াবহ রূপ নিয়েছে সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদী। পাউবোর তথ্য মতে মঙ্গলবার (১৮ জুন) নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ছাতক পৌরশহরের বাগবাড়ী, মন্ডলীভোগ, হাসপাতাল রোড, তাঁতিকোন, বৌলা, চরেরবন্দ, মোগলপাড়া, ঢাকাইয়া বাড়ি, লেবারপাড়া, পাটনীড়া, কুমনা, শ্যামপাড়াসহ আবাসিক এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে এসব এলাকার বসবাসরত মানুষজন। ইতোমধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিত মানুষের জন্য শুকনো খাবারসহ প্রাথমিক সব ব্যবস্থা রেখেছে উপজেলা প্রশাসন।

ছাতকসহ পার্শ্ববর্তী কোম্পানীগঞ্জ ও দোয়ারাবাজার উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যেই ছাতকের বহু গ্রামীণ সড়ক বন্যার পানিতে তলিয়ে গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ।

ছাতক পৌর এলাকার বাসিন্দা মাসুদ আমান বলেন, ২২ এর বন্যার চেয়ে ভয়ানক রুপ নিচ্ছে এবারে বন্যা। আমরা ছেলে-মেয়ে নিয়ে বিপাকে আছি। আমার ২ মেয়ের কেউ সাঁতার জানে না। কী হবে এখনো জানি না।

বাগবাড়ি এলাকার বাসিন্দা জামি আহমেদ বলেন, পরিবারের সবাইকে নিয়ে নিরাপদেই আছি। কিন্তু আমাদের গবাদি পশু নিয়ে পড়েছি বিপাকে। আমাদের মতো তারাও না খেয়ে আছে।

ছাতক উপজেলার গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দুর্বিসহ অবস্থায় দিন পার করছে। উপজেলার ইছামতি-ছনবাড়ীবাজার, শিমুলতলা-মুক্তিরগাঁও সড়ক, বঙ্গবন্ধু সড়ক, ছাতক-জাউয়া, ছাতক-সুনামগঞ্জ, ছাতক-দোয়ারাবাজার  সড়কের বিভিন্ন নিচু অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া ছাতক পৌরসভারসহ নোয়ারাই, ছাতক সদর, কালারুকা, উত্তর খুরমা, চরমহল্লা, জাউয়া, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও, ছৈলা-আফজলাবাদ, দক্ষিণ খুরমা, ভাতগাঁও, দোলারবাজার ও সিংচাপইড় ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ বর্তমানে পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শতাধিক কাঁচা ঘর-বাড়ি ও গ্রামীণ কাঁচা সড়ক। পাহাড়ি ঢলের স্রোতের ধাক্কায় ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের সীমান্তবতী নীজগাঁও, রতনপুর, বাগানবাড়ি, নোয়াকোট, ধনীটিলা, ছনবাড়ী, দারোগাখালী সড়ক সহ নব নির্মিত ৮-১০টি কাঁচা সড়ক বিলীন হয়ে গেছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় দেশের সাথে ছাতকের সড়ক যাগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তাফা মুন্না বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতসহ প্রাথমিক সব ধরনের প্রস্তুতি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। বন্যার্তদের সহায়তায় সকলকে মানবীয় কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।


আরও খবর



বেনজীর কোন দেশে সেই বিষয়ে কোনো তথ্য নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ কোন দেশে গেছেন, তা এখনো জানা নেই। এ বিষয়ে সরকারের কাছেও কো‌নো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

বুধবার (৫ জুন) দুপু‌রে রাজধানীর রাওয়া কন‌ভেনশন সেন্টা‌রে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজের ১০ম ব্যাচের নবীন বরণ অনুষ্ঠা‌নে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বেনজীর আহমেদ কোথায় গেছেন, আমার জানা নেই। আমি এখনো সুনিশ্চিত নয় যে, তিনি কোথায় গিয়েছেন। তিনি হয়ত ফিরে আসবেন এবং যে সমস্ত অপবাদ তার নামে আসছে বা অভিযোগ আসছে, তিনি সেগুলো মোকাবিলা করবেন।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, আসামিদের জবানব‌ন্দি‌ অনুযায়ী মনে হচ্ছে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যা করা হয়েছে। তবে মাংস উদ্ধা‌রের বিষ‌য়ে তিনি ব‌লেন, ডিএনএ প‌রীক্ষা ছাড়া শতভাগ নি‌শ্চিত ক‌রে কিছুই বলা যা‌বে না।


আরও খবর



৫২ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পুড়ছে পাকিস্তান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

তীব্র তাপদাহে পুড়ছে পাকিস্তান। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ সিন্ধের ঐতিহাসিক শহর মোহেঞ্জোদারোর তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৫২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আবহাওয়া দফতরের তথ্যানুসারে, সোমবার পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ সিন্ধের ঐতিহাসিক শহর মোহেঞ্জোদারোর তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৫২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা এখন পর্যন্ত এই মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

বর্তমানে মোহেঞ্জোদারো সিন্ধ প্রদেশের একটি ছোট শহর। আর এই শহরের আবহাওয়া প্যাটার্ন হলো গ্রীষ্মকালে ব্যাপক গরম, শীতকালে মৃদু শীত এবং নিম্ন বৃষ্টিপাত, অর্থাৎ প্রায় মরু আবহাওয়া। তবে ছোটো শহর হলেও এখনো মার্কেট, বেকারি, চায়ের দোকান, মেশিন-ইলেকট্রনিক্স মেরামতসহ বিভিন্ন দোকানে রীতিমতো সরগরম থাকে মোহেঞ্জোদারো।

এ অঞ্চলের বাসিন্দা এবং রেস্টুরেন্ট মালিক ওয়াজিদ আলী (৩২) বলেন, লোকজন পারতপক্ষে ঘর থেকে বের হচ্ছে না। ফলে গত বেশ কয়েক দিন ধরে রেস্টুরেন্টে মানুষজন আসছে না। আমরা অলস সময় পার করছি।

মোহেঞ্জোদারোর স্থানীয় চিকিৎসক মুশতাক আহমেদ বলেন, অতি গরম আবহাওয়া থেকে বাঁচতে লোকজন খুব বেশি প্রয়োজন না থাকলে বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা রুবিনা খুরশীদ আলম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও উষ্ণতাবৃদ্ধির কারণে যেসব দেশ নিয়মিত বিভিন্ন আবহাওয়াগত দুর্যোগের শিকার হচ্ছে, সেসব দেশের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দৈনিক তাপমাত্রার রেকর্ড ৫৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৭ সালের দেশটির দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।


আরও খবর



ঝিনাইদহে ধর্ষণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

Image

ধর্ষণ মামলায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এই রায় দেন।

মামলায় আরেক আসামি নজরুল ইসলামের দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস প্রদান করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ সদর উপজেলার নরহরিদ্রা গ্রামের খন্দকার আমিরুজ্জামানের ছেলে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৫ এপ্রিল বিচারের জন্য ভুক্তভোগী নারী চেয়ারম্যান ফরিদের কাছে গেলে তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ওই নারী ১৯ এপ্রিল ঝিনাইদহ সদর থানায় বাদী হয়ে চেয়ারম্যান ও তার গাড়িচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেন চেয়ারম্যান ফরিদ। পরবর্তীতে ডিএনএ টেস্টে ফরিদের সম্পৃক্ততা ধরা পড়ে। দীর্ঘ বিচারক প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার ঝিনাইদহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট বজলুর রহমান জানান, বিজ্ঞ আদালত দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য প্রমাণ যাচাই-বাছাই করে ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন।

এই মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট নেকবার।

ভুক্তভোগী নারী গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, বিচার চাইতে গিয়ে ফরিদ চেয়ারম্যানের লালসার শিকার হন তিনি। সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে চেয়ারম্যান নরহরিদ্রা গ্রামে তার নিজ বাড়িতে ডেকে নেন। গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে তাকে দুইতলার একটি কক্ষে নিয়ে যান এবং নেশা জাতীয় কিছু সেবন করিয়ে ফরিদ ধর্ষণ করেন।


আরও খবর



সিলেটে বন্যায় পানিবন্দি সাড়ে ছয় লাখের বেশি মানুষ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

ভারত থেকে নেমে আসা উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সিলেটে বন্যা ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। সীমান্তবর্তী ছয় উপজেলাসহ আটটিতে বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে পানিবন্দি অবস্থায় আছেন ৬ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭০ জন মানুষ।

প্লাবিত হয়েছে সুরমা নদী তীরবর্তী সিলেট নগরীর নিম্নাঞ্চলও। এতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে অন্তত ৪ হাজার পরিবার।

শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত সিলেটে পানিবন্দি ও আশ্রয়কেন্দ্রে ওঠা লোকজনের সংখ্যা বেড়েছে বলে জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়।

সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান স্বাক্ষরিত বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেলার ১৩টি উপজেলায় বন্যা প্রস্তুতি হিসেবে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে ৫৪৭টি। বন্যা কবলিত আট উপজেলার আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৭৩৯ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ভারতের মেঘালয় ও আসামের পাহাড়ি এলাকায় টানা ভারি বৃষ্টিপাত হয়। ফলে সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যা দেখা দেয় সিলেটের গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায়।

শুক্রবার নতুন করে প্লাবিত হয় সিলেট সদর উপজেলা। এদিন বিকালে সরেজমিনে সিলেট নগরীর তালতলা, যতরপুর, মাছিমপুর ও উপশহরের রাস্তাঘাটে পানি দেখা গেছে। ময়লা পানি মাড়িয়ে নগরবাসীকে চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে বেশি প্লাবিত হয়েছে উপশহরের কয়েকটি ব্লক।

শুক্রবার সন্ধ্যায় সিলেট সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে দিনভর কর্মতৎপর ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র, কাউন্সিলর ও কর্মকর্তারা। শুক্রবার সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তারা।

পানিবন্দি মানুষের জন্য ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নগরীর ১৫নং ওয়ার্ডের কিশোরী মোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ও পাশ্ববর্তী একটি পাঁচ তলা খালি বিল্ডিংয়ে একই ওয়ার্ডের মতিন মিয়ার কলোনির ৪০টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন।

জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর বলেন, বিভিন্ন কাউন্সিলরদের দেয়া তথ্যমতে ইতিমধ্যে নগরীতে বন্যায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার পরিবার। তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ শুকনো খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সিসিক।

এদিন বিকাল সাড়ে ৪টায় নগরীর ১৫, ২২ ও ২৪ নং ওয়ার্ডের, সুবহানীঘাট, উপশহর, তেররতন এলাকা পরিদর্শন করেন ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. মখলিছুর রহমান কামরান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী, স্থানীয় কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানু, ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফজলে রাব্বি চৌধুরী মাসুম, ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির সুহিন, জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর।

এ সময় ভারপ্রাপ্ত মেয়র মখলিছুর রহমান কামরান বলেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢল আর টানা বৃষ্টির কারণে সিলেটের নদ নদীর পানির বেড়ে ইতিমধ্যে সিলেটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানি শহরের দিকে ধেয়ে আসছে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী তত্ত্বাবধানে সংকট মোকাবেলা করতে পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

এর আগে বন্যা পরিস্থিতি মোকবেলায় বৃহস্পতিবার জরুরি সভা করে সিলেট সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। সভায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সিলেটের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর তিনটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে সুরমা সিলেট শহর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার, কানাইঘাট পয়েন্টে ৯২ সেন্টিমিটার।

কুশিয়ারা জকিগঞ্জ পয়েন্টে বিদৎসীমার দুই সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। আর সিলেটের অন্য নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্যায় সবচেয়ে বেশি পানিবন্দি হয়েছেন গোয়াইনঘাট উপজেলায় ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫০ জন। উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নই বন্যা কবলিত হয়েছে। আর ৫৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ১ হাজার ২৪২ জন।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে তিনটি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়েছেন ৯৩ হাজার মানুষ। উপজেলায় ৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৭৩ জন মানুষ।

কানাইঘাট উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে নয়টি প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়েছেন ৮০ হাজার ৬০০ মানুষ। ৩১টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ১ হাজার ৪৭৬ জন।

জৈন্তাপুর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে ৬৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। এ উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে ৪৮টি। সেখানে ৬৭৫ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

জকিগঞ্জ উপজেলায় নয়টি ইউনিয়নের মধ্যে আটটি প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ জন। উপজেলার ৫৫টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে আশ্রয় নিয়েছেন ১৯৮ জন।

বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে পাঁচটিতে বন্যা হয়েছে; এখানে পানিবন্দি হয়েছেন ৫ হাজার ৫০০ মানুষ। আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা ৬৭টি; আশ্রয় নিয়েছেন ৬০ জন।

গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র একটি ইউনিয়নে বন্যা কবলিত হয়েছেন ৩ হাজার ৫০০ মানুষ। উপজেলায় ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে ১৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

নতুন করে প্লাবিত সিলেট সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের মধ্যে ছয়টি বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি রয়েছেন ১ হাজার ৬২০ জন। এই উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা ২৯টি; এখনও কেউ আশ্রয় নেয়নি।


আরও খবর