আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

আল-শিফার গণকবর থেকে শতাধিক লাশ তুলে নিল ইসরায়েল

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল আলশিফার গণকবর থেকে শতাধিক লাশ তুলেছেন ইসরায়েলি সেনারা। শনিবার গাজার এক সরকারি কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানায় আল-জাজিরা।

গাজার সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয়ের কর্মকর্তা ইসমাইল আল-থাওয়াবতা বলেন, দখলদার ইসরায়েলি সেনারা (আলশিফা) হাসপাতাল প্রাঙ্গণে থাকা গণকবর থেকে গতকাল (শুক্রবার) শতাধিক লাশ তোলেন। দাফনের জায়গা না থাকায় এভাবে গণকবর দেওয়া হয়েছিল।

ইসমাইল আল-থাওয়াবতা আরও জানান, গত কয়েক দিনে হাসপাতালে আরও অনেকের মৃত্যু হয়েছে। এসব লাশ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দাফন করতে বাধা দেয় ইসরায়েলি সেনারা।

গত মঙ্গলবার আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়াহ বলেন, ইসরায়েলি হামলার ভয়াবহতায় মারা যাওয়া ১৭৯ জনকে হাসপাতালটির চত্বরে গণকবর দিতে বাধ্য হয়েছেন তারা। হাসপাতালে জ্বালানি শেষ হওয়ার পর চিকিৎসাসেবা না পেয়ে মারা যাওয়া ৭ শিশুসহ ৩৬ জনকেও গণকবর দেওয়া হয়েছে।

ইসমাইল আল-থাওয়াবতা বলেন, ইসরায়েলের সেনারা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে থাকা ওই গণকবর খুঁড়ে ফেলেন। এরপর সেখান থেকে শতাধিক লাশ বের করে নিয়ে যান।


আরও খবর
সাত দশক পর পাকিস্তানে প্রথম নারী মুখ্যমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাশিয়াকে ‘জুলফিকার’ ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে ইরান

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিদেশিদের প্রেসক্রিপশনে এদেশের বিচার বিভাগ চলবে না: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর সংবিধানকে বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করে সামরিক আইন দিয়ে দেশ চালানো হয়েছিল। বিচারহীনতার সংস্কৃতি চালু করা হয়েছিল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করেছে। দেশে আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছে। রক্ত দিয়ে হলেও বিচার বিভাগের এই স্বাধীনতা রক্ষা করা হবে। বিদেশিদের প্রেসক্রিপশন বা চিঠিপত্রে এদেশের বিচার বিভাগ চলবে না।

সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তাকে দেওয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এখন জনগণের সবচেয়ে বড় চাহিদা তড়িৎ ন্যায়বিচার প্রাপ্তি। তাদের এই চাহিদা পূরণ করতে পারলে বিচার বিভাগের মর্যাদা বাড়বে।

তিনি বলেন, বিচার বিভাগের কাজে গতি আনতে ই-জুডিসিয়ারি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। বিচারকদের দক্ষ করে তুলতে দেশেই বিশ্বমানের জুডিশিয়াল একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। অবকাঠামো সমস্যা দূরীকরণের জন্য দেশের সব জেলায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার সভাপতিতে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার ও অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. মুজিবুর রহমান বক্তৃতা করেন।


আরও খবর



সংশোধিত শ্রম আইন আগামী অধিবেশনে পাস হবে: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ জানুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জানুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সংশোধিত শ্রম আইন আগামী অধিবেশনে পাস হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গভর্নিং বোর্ডের মিটিং আগামী মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের যে অগ্রগতি এবং এই শ্রম আইনের ব্যাপারে কি সব কাজ করছি তার একটা ব্রিফিংয়ের জন্য আজকের বৈঠকটা ছিল।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার নিয়েছেন। মন্ত্রণালয়কে তিনি কতটা গুরুত্ব সহকারে দেখেন তারই প্রতিফলন এটা। আমি প্রধানমন্ত্রীকে এ ব্যাপারে ব্রিফ করবো। প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিফ করার পরই সবকিছুর আলোচনা আপনাদের সঙ্গে করতে পারি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা না বলে আমি আপনাদের কোনো তথ্য দিতে পারবো না।

সংশোধিত শ্রম আইন আগামী সংসদ অধিবেশনে উঠবে এবং পাস হবে কি না প্রসঙ্গে আনিসুল হক বলেন, অবশ্যই উঠবে, অবশ্যই পাস হবে।

এছাড়া, শিল্প কারখানায় ট্রেড ইউনিয়ন গঠনে শ্রমিকদের স্বাক্ষরের হার ১০ শতাংশ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, এটা নিয়েও আজকে আমরা আলোচনা করেছি। এখানেও যে সিদ্ধান্ত সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর আগের নির্দেশনা অনুযায়ী একটা পরিবর্তন এনেছি, আমি খুব শিগগির প্রধানমন্ত্রীকে এটা নিয়ে ব্রিফ করবো।

তবে এসময় স্বাক্ষরের হার ১০ শতাংশ করার যৌক্তিকতা নিয়ে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক বলেন, শ্রমিক এবং এমপ্লয়াররা যেটা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত দেবেন, আমার মনে হয় আমাদের দেশের পরিবেশের জন্য সেটাই গ্রহণ করা সমীচীন হবে।

এর আগে, গত সরকারের শেষ সময়ে সংশোধিত শ্রম আইন জাতীয় সংসদে পাস হয়ে রাষ্ট্রপতির নিকট গেলেও শেষ মুহূর্তে আইনে কিছু ত্রুটি থাকায় সেটির অনুমোদন দেননি রাষ্ট্রপতি।


আরও খবর
দেশে ৩০ শতাংশ খাদ্য অপচয় হয়: কৃষিমন্ত্রী

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আগের যেকোনো সরকারের চেয়ে বর্তমান সরকার শক্তিশালী : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের আগের চারবারের তুলনায় বর্তমান সরকার বেশি শক্তিশালী। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচন ঘিরে অনেক প্রতিকূলতা ছিল। সমস্ত দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন হয়েছে। আগের যে কোনো সরকারের চেয়ে বর্তমান সরকার বেশি শক্তিশালী। 

আরও পড়ুন>> বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেবে না সরকার: ওবায়দুল কাদের

মন্ত্রী বলেন, যারা নির্বাচন প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিল, তারা নির্বাচনের পর বিদেশিদের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু ৭০টি দেশের সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে একযোগে কাজ করতে চেয়েছে। বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান অভিনন্দন জানানোর পর ষড়যন্ত্রকারীদের চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে গেছে।

বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল এবং আমীর খসরু ছাড়া পাওয়ায় তাদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ছাড়া পাওয়ার পর তারা বলছে, আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলেও তারা জনগণের কাছে হেরে গেছে। নির্বাচন বর্জন করার কারণে তারা কর্মীদের তোপের মুখে পড়েছে। অপ্রীতিকর অবস্থার সৃষ্টি যেন না হয় সে জন্য তারা এসব বক্তব্য রাখছে।


আরও খবর
দেশে ৩০ শতাংশ খাদ্য অপচয় হয়: কৃষিমন্ত্রী

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেফতার ৩০

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ। মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ছয়টা থেকে মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৭৭৫ পিস ইয়াবা, ৫০ কেজি ৭২০ গ্রাম গাঁজা ও ২৮ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে বলে জা‌নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

ডিএমপির নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে অ‌ভিযান প‌রিচালনা করা হয়েছে বলে জানানো হয়। সেই সঙ্গে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২০ টি মামলা রুজু হয়েছে বলেও জানানো হয়।


আরও খবর



ভালোবাসা দিবসে সেন্টমার্টিনে গিয়ে যে আট কাজ করতে ভুলবেন না

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ভ্রমণ ডেস্ক

Image

বছরের এই সময়ে সমুদ্র অনেকটাই থাকে শান্ত। সূর্যের মিষ্টি আলো দিনভর আনন্দ দেয়। সৈকতের ধারে মৃদু ঠাণ্ডার রাতগুলো দেয় অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। সবমিলিয়ে এ সময়টাতে সেন্টমার্টিন নিঃসন্দেহে আদর্শ গন্তব্য। প্রবাল এবং সুন্দর বালুকাময় সমুদ্রসৈকত, তাজা নীল জলরাশির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য অবাক করে দেবে ভ্রমণপিপাসুদের।

বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিন রুটে সাধারণত সরকারি অনুমোদন নিয়ে জাহাজ পরিচালনা করা হয়। এই সময়ে কক্সবাজার থেকে জাহাজে করে সেন্টমার্টিন যেতে পারেন। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘর্ষের কারণে টেকনাফ রুটটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এই মৌসুমে অনেক লোক সেন্টমার্টিন-এ ভ্রমণ করে তাই সম্ভাবনা বেশি যে আপনি আপনার পছন্দসই হোটেল পেতে সমস্যার সম্মুখীন হবেন। ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে হোটেল-রিসোর্টগুলো আগে থেকেই বুকিং করে রাখা ভালো।

সেন্টমার্টিনে জাহাজ থেকে নেমেই আপনি ছোট বাজারের মধ্য দিয়ে একটি দীর্ঘ হাঁটা পথ দেখতে পাবেন। কিছুটা এগিয়ে গেলেই গভীর নীল সমুদ্রের সাক্ষী হবেন। সাগরের বাতাস স্পর্শ করলেই আপনার সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে। সেন্টমার্টিনে থাকাকালীন অনেক কিছুই আছে, যা উপভোগ্য। আপনার ভ্রমণকে করবে মোহনীয়। এসব উপভোগের সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত না। সেই বিষয়গুলোই এই লেখায় তুলে ধরছি।

১. সাইকেল নিয়ে সমুদ্র সৈকতে ঘোরাঘুরি : সেন্টমার্টিনের সকালটা থাকে খুব মনোরম। সকালের দৃশ্য উপভোগের সময় সমুদ্র সৈকতে সাইকেল চালাতে পারেন। বাজার এলাকা থেকে প্রতি ঘণ্টায় সাইকেল ভাড়া নিতে পারেন। খেয়াল রাখবেন, সাইকেল নেওয়ার সময় সাইকেল মালিক সময়টা সঠিক লিখেছেন কি-না। সাধারণত প্রতি ঘণ্টা ভাড়া আনুমানিক ৬০-১০০ টাকা পর্যন্ত হয়। রাইড শেষ করার পরে সাইকেলটি দোকানে ফেরত দিতে ভুলবেন না।

২. বার বি কিউ পার্টি : সেন্টমার্টিনে থাকাকালীন সন্ধ্যেটা উপভোগ্য করে তুলতে চাইলে বার বি কিউ পার্টি হতে পারে অন্যরকম সুন্দর। দ্বীপটি রেস্টুরেন্ট দিয়ে ঘেরা। এসব খাবারের দোকান থেকে সামুদ্রিক মাছ কিনে নিতে পারেন। ওয়াটার পমফ্রেট, টুনা, স্যামন, গলদা চিংড়ি, কাঁকড়া এবং আরও অনেক ধরনের মাছ রয়েছে। যেটা আপনার পছন্দ হয়, কিনে নিতে পারবেন।

৩. ভ্যানে ঘোরা : দ্বীপটি এতই ছোট যে সেখানে খুব কম পরিবহনের বিকল্প পাওয়া যায়। এক গন্তব্য থেকে অন্য গন্তব্যে যেতে স্থানীয়রা বেশিরভাগই হাঁটা পছন্দ করেন। তবে হাঁটতে ভালো না লাগলে আপনি ভ্যান ভাড়া করতে পারেন। চার থেকে পাঁচজন ভ্যানে চড়ে দ্বীপের চারপাশটা দেখে আসতে পারেন।

৪. রোমাঞ্চকর চাঁদের আলো উপভোগ : আপনার সফরের তারিখগুলো যদি জ্যোৎস্নার সঙ্গে মেলে, তাহলে আপনি চাঁদের আলোর নিচে সবচেয়ে মোহনীয় অভিজ্ঞতা পেতে পারেন। চাঁদের আলো সবকিছুকে আরও একটু জীবন্ত করে তোলে। সেন্টমার্টিনে পূর্ণিমার সৌন্দর্য এমন একটি বিষয়, যা আপনি সেখানে পর্যবেক্ষণ করতে না যাওয়া পর্যন্ত বুঝতে পারবেন না।

৫. সমুদ্র সৈকতে একটি রাত : যদি আপনি চাঁদনী রাতের অভিজ্ঞতার সুযোগটি হাতছাড়া করেন, সৈকতের পাশে একটি রাত- আপনার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সেন্টমার্টিনে বিদ্যুৎ না থাকায়, নারকেল গাছের মৃদু আওয়াজসহ রাতগুলো আপনাকে শান্তি দেবে ভীষণ। সমুদ্রের শান্ত শব্দ পুরো সফরটিকে সার্থক করে তুলতে যথেষ্ট।

৬. সূর্যোদয় বা সূর্যাস্ত : সেন্ট মার্টিন দ্বীপে, আপনাকে অবশ্যই সকালে উঠতে হবে। প্রতিদিন সূর্যোদয় দেখাটা বাধ্যতামূলক। সূর্যোদয়ের সময় সকালের তাজা বাতাস বুক ভরে নিলে ঘুমের জন্য অনুশোচনা থাকবে না। অন্যদিকে, সূর্যাস্তও একইভাবে আকর্ষণীয়। সৈকতে দুর্দান্ত সব ছবি তোলার জন্য এটি উপযুক্ত সময়। এ সময়টাতে আকাশ রঙ পরিবর্তন করে এবং সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ।

৭. শুটকির জন্য যুদ্ধ : শুটকি মাছ উপকূলীয় মানুষের মধ্যে খুব জনপ্রিয়। স্থানীয় দোকানদাররা পর্যটকদের কাছে বেশি দাম দাবি করে। তাই স্বস্তায় পেতে কেনাকাটা করার সময় দর কষাকষি করতে ভুলবেন না।

৮. ছেড়াদ্বীপ : ছেড়াদ্বীপ, দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য। জোয়ারের সময় সেন্টমার্টিন থেকে এটি বিচ্ছিন্ন থাকে। ভাটার সময়, প্রায় দেড় ঘন্টা হেঁটে সেখানে যাওয়া সম্ভব। তবে নৌকা এবং মোটরবোটেও সেখানে যেতে পারবেন। সেজন্য বাজারেই ঘাঁটে নৌকার মালিকদের কাছ থেকে ভাড়া ঠিক করে নিতে হবে।


আরও খবর
সময় এখন ক্যাম্পিংয়ের

বুধবার ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ফি কমাল চীন

শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩