আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বার্ষিক কর্মসম্পাদনে বেস্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন ডা. রায়হান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

Image

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডঃ রায়হান পিএএ বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়ন মূল্যায়নের প্রথম স্থান অধিকার করে বেস্ট পারফরমেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ অর্জন করেছেন।

সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার  কার্যালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী" উন্নয়ন  সমৃদ্ধির স্মার্ট লাইভস্টক" সেমিনার এবং এপিএ মুল্যায়ন অনুষ্ঠানে তাকে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

প্রাণিসম্পদ সেবা ও প্রদর্শনী ২০২৩, ক্যাটেগরিতে ৪২টি সূচকের বিপরীতে সামগ্রিক মূল্যায়ন রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলার ৬৭টি উপজেলার মধ্যে বেস্ট পারফর্মেন্স অ্যাওয়ার্ড-১ম স্থান অর্জন করেন তিনি।

ইত:পূর্বে জনবান্ধব এই কর্মকর্তা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত জনপ্রশাসন পদক (গোল্ড মেডেল), প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক, (গোল্ড মেডেল), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে রেক্টর্স(গোল্ড মেডেল), দীপ্ত টেলিভিশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড। রাজশাহী বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইনোভেশন কর্মকর্তা অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, যুগ্ম সচিব(আইসিটি ও উন্নয়ন) ড. মোকছেদ আলী, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড.নাহিদ রশীদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো: এমদাদুল হক তালুকদার। উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মো: নজরুল ইসলাম ঝন্টু এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

সম্প্রতিক এই প্রাপ্তিতে তার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে শেরপুর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রায়হান পিএএ বলেন, এই সম্মাননা ব্যাক্তিগতভাবে আমার নয় নেপথ্যে থাকা টিম প্রাণিসম্পদ শেরপুর, বগুড়ার নিরলস শ্রমের ফসল।


আরও খবর



খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে রেমাল ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

বরগুনার তালতলীতে পুরো শক্তি নিয়ে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রেমাল। সোমবার সন্ধ্যার পর ঘূর্ণিঝড়টি এ উপকূল অতিক্রম করেন। এ সময় উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে তাণ্ডবলীলা চালায় ঘূর্ণিঝড়টি। প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ে ঘর-বাড়ি, দোকান-পাট তছনছ করেছে। টানা বর্ষণে পনিবন্দী হয় গ্রামের পর গ্রাম। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এখানকার বাসিন্দাদের। পানিতে তলিয়ে যায় বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উপসানালয়, মাছের ঘের। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

জানা যায়, রেমালের প্রভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে উপজেলা ৩ হাজার ৭শ ঘরবাড়ি। এর মধ্যে আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ৩১৩২ ও পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে ৬৫০ বাড়িঘর। উপড়ে পড়েছে কয়েক হাজার গাছপালা। বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে পুরো উপজেলা। এছাড়া প্রায় শতাধিক গ্রাম ৪ থেকে ৬ ফুট জলোচ্ছাসে প্লাবিত হয়েছে। টানা বর্ষণে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার পরিবার। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে মৎস্য ঘেরে। ৮০ হেক্টর ফসলি জমি ও ৩৫০ হেক্টর সবজি বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে প্রায় ২৭ লাখ গ্রাহক। ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হওয়া পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন।

আজ সরেজমিন বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে দেখা যায় দেখা গেছে, ঝড়ের প্রভাবে রাস্তার পাশে গাছপালা উপজেলা প্রশাসন কেটে দিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও। ৭২ ঘন্টার বেশি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় এ উপজেলার মানুষের সাথে যোগাযোগ ব্যহত হচ্ছে। এছাড়াও রান্না বান্নার কাজে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরড়ে পারতেছে না।

নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ড. কামরুজ্জামান বাচ্চু বলেন, এই এলাকার প্রায় ৩শ এর বেশি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এখানকার জেলে পরিবারগুলো এখনও খোলা আকাশের নিচে রয়েছে। তাদের পরিস্থিতি এখন মানবেতর।

তালতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে এ উপজেলা সব থেকে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। পর্যায়ক্রমে এ সকল ক্ষতির তালিকা করে সহযোগিতা করা হবে। ৫৩টি আশ্রয় কেন্দ্রেসহ ব্যক্তিগত ভবণে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ও কয়েক হাজার গবাদি পশু আশ্রয় নিয়েছিলো। তাদের জন্য শুকনা খাবার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়। তিনি আরও বলেন বিদ্যুত বিভাগের সাথে কথা হয়েছে তার বলছেন লাইনে কাজ চলছে। তবে রাতের মধ্যে বিদ্যুত সংযোগ দেওয়া হতে পারে।

হাফিজুর রহমান, তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি


আরও খবর



‘আ. লীগ কচু পাতার উপর শিশির বিন্দু নয় যে টোকা দিলে পড়ে যাবে’

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যারা আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছেন, পরিষ্কারভাবে বলতে চাই আমাদের ক্ষমতার উৎস বাংলাদেশের জনগণ। কচু পাতার উপর শিশির বিন্দু আওয়ামী লীগ নয় যে একটু টোকা লাগলেই পড়ে যাবে। একটু ধাক্কা লাগলে সরে যাওয়ার পাত্র নয় আওয়ামী লীগ।  বিএনপির আন্দোলন ভুয়া। বিএনপি হচ্ছে ভুয়া। ভুয়া দলের সঙ্গে জনগণ নেই।

আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শুক্রবার (২১ জুন) বিকেলে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধনী দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, আন্দোলন করবেন, ২৮ অক্টোবরের মতো পালিয়ে যাবেন না তো? বিএনপির আন্দোলন ভুয়া। বিএনপির নেতৃত্ব, দফা ভুয়া। এই ভুয়া দলের ভুয়া আন্দোলনে জনগণ নেই। আগেও ছিল না ভবিষ্যতেও থাকবে না। যে আন্দোলনে জনগণ নেই সেই আন্দোলন, আন্দোলন নয়।

কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ মাথা নত করার দল নয়, ব্যক্তি অপরাধ করলে দুদক স্বাধীন, বিচার বিভাগ স্বাধীন। বিচার করার সৎ সাহস আছে শেখ হাসিনার। আজকে যে চক্রান্ত চলছে এটা আওয়ামী লীগকে হটানোর জন্য কি না এটা ভেবে দেখতে হবে। আজকে আন্দোলনের নামে যদি আবার আগুন নিয়ে মাঠে নামে, খুনের রাজনীতি করেন, আওয়ামী লীগ তার জবাব দিতে প্রস্তুত আছে।

নেতাকর্মীদের গুজবের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সাবধানে থাকবেন, সতর্ক থাকবেন। ফখরুলরা আজ গুজব ছড়াচ্ছে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে গুজব ছড়াচ্ছে। পুলিশের ওপর আক্রমণ করছে৷ সেনাবাহিনীর প্রতিও তাদের সেই মতলব আছে। তারা আজকে গুজব ছড়িয়ে আওয়ামী লীগকে দুর্নীতিবাজ দল বানানোর চক্রান্ত চলছে।

আওয়ামী লীগ বিরোধী অপপ্রচারে গণমাধ্যমও জড়িত দাবি করে তিনি বলেন, কিছু কিছু মিডিয়া সেই অপপ্রচারে নেমেছে। আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তি নিয়ে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আছে। আওয়ামী লীগ মাথা নত করার দল নয়। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ।

নিউজ ট্যাগ: ওবায়দুল কাদের

আরও খবর



ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে চলবে ১৮টি ফেরি ও ২০টি লঞ্চ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ও কোরবানির পশুবাহী ট্রাক পারাপার নিশ্চিত করতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ঈদের আগে ও পরে মোট ৬ দিন জরুরি ও পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া যাত্রী সাধারণের সুবিধার্থে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৮টি ছোট-বড় ফেরি ও ২০টি লঞ্চ চলাচল করবে।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি সার্ভিস, নৌপথে লঞ্চসহ অন্যান্য জলযানসমূহের সুষ্ঠুভাবে চলাচল নিশ্চিতকল্পে ঘাটের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও যাত্রী সাধারণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সমন্বয় সভায় এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান।

সমন্বয় সভার সভাপতি জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান বলেন, পশুবাহী ট্রাক, জরুরি সেবা ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যবাহী ট্রাক ব্যতীত সকল পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান নিয়ে ঈদের আগে ১৪ জুন থেকে ঈদের পরে ২০ জুন পর্যন্ত মোট ৬ দিন ফেরি পারাপার বন্ধ থাকবে। রাতে সব ধরনের বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া ১২ জুন থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়াগামী লঞ্চে কোনো প্রকার মালামাল বহন করা যাবে না এবং ১৮ জুন থেকে ২২ জুন পর্যন্ত দৌলতদিয়া থেকে পাটুরিয়াগামী যাত্রীবাহী লঞ্চে মালামাল বহন করা যাবে না। ঈদযাত্রায় ১৮টি ফেরি ও ২০টি লঞ্চ চলাচল করবে। ঘাট এলাকায় বাসের ভাড়ার মূল্য তালিকার চার্ট টানিয়ে দিতে হবে। যাত্রীদের সুবিধার্থে ঘাট এলাকায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে। ঘাট এলাকায় সার্বক্ষণিক আলোকসজ্জার ব্যবস্থা থাকবে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মুকিত সরকার বলেন, ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় চাঁদাবাজি ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম থাকবে না। পশুবাহী ট্রাক যাতে নির্বিঘ্নে পার হতে পারে সে ব্যাপারে আমাদের নির্দেশনা দেওয়া আছে। ঘাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।

বিআইডব্লিউটিসি ও বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা বলেন, আসন্ন ঈদে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার নির্বিঘ্ন করতে ১৮টি ফেরি এবং ২০টি লঞ্চ চলাচল করবে। প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। দৌলতদিয়া প্রান্তের ঘাট সচল থাকবে ৩টি।

সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহীম টিটন, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মুকিত সরকার, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, গোয়ালন্দ পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম মন্ডল, গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রাণবন্দু চন্দ্র বিশ্বাস, বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সালাহউদ্দিন, রাজবাড়ী সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক লিটন, লঞ্চ মালিক সমিতির প্রতিনিধি জুয়েল রানা, রাজবাড়ী জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আক্তারুজ্জামান হাসান, রাজবাড়ী জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) ফরিদ উদ্দিন, জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের প্রশিক্ষণ অফিসার ডা. মো. নুরুল ইসলাম তালুকদারসহ অন্যান্যরা।

এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সিদ্ধার্থ ভৌমিকের সভাপতিত্বে এ সময় এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ হোসেন, সদর থানার ওসি (তদন্ত) এসরাকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হেদায়েত আলী সোহরাব, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ, বিআইডব্লিউটিসির প্রতিনিধি, সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের প্রতিনিধি, শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে রাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আসিক আদনান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Image

বাংলাদেশে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহালের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আন্দোলনে সমবেত হন শত শত শিক্ষার্থী। এসময় কোটাবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয় তারা।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মারুফের সঞ্চালনায় আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সানজিদা বলেন, আমি একজন নারী এবং আমার ১ম শ্রেণির কোটা থাকা সত্ত্বেও আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কারণ আমি বিশ্বাস করি আমার মধ্যে যদি মেধা থেকে থাকে, দক্ষতা থাকে তবে আমি আমার মেধা, দক্ষতা দিয়ে প্রথম শ্রেণির চাকরি অর্জন করতে পারব। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের প্রতিটা মেয়েরই এই সক্ষমতা আছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন তার জন্য কোনো কোটার দরকার হয়েছিল? নিশ্চয়ই হয়নি। তাই আমরা যারা মেয়েরা আছি আমাদেরও কোনো কোটা দরকার নেই।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও আমি আমার মেধার জোরে চান্স পেয়েছি। কোটায় সাবজেক্ট আসা সত্ত্বেও আমি ভর্তি হয়নি। আমার মেধার ভিত্তিতে যে সাবজেক্ট এসেছে সেটায় ভর্তি হয়েছি। আমি এই কোটা সংস্কৃতির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাথে সাথে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাচ্ছি সাধারণ শিক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হোক। আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের  বিরুদ্ধে নয়। তবে কোনো বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত আমরা মেনে নিব না।

পপুলেশন সাইন্সের শিক্ষার্থী আমানুল্লাহ আমান বলেন, আজকে এই আন্দোলনের মানে আমাদের দাবি আদায় হয়ে গেছে এমন নয়। যতদিন না আমাদের দাবি আদায় হবে ততদিন পর্যন্ত আমরা আন্দোলন করে যাব। পরবর্তীকালে আমরা রাবি মেইন গেটে দাঁড়াব। যেহেতু শিক্ষার্থীরা বাসায় চলে যাবে আমরা কবিতা, গান, কথা, লেখার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন গড়ে তুলব। এজন্য তিনি সকল সাধারণ শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এসময় 'কোটা বৈষম্য নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক', 'কোটা দিয়ে কামলা নয়, মেধা দিয়ে আমলা চায়'- স্লোগানে দিতে শোনা যায়। আন্দোলন বিভিন্ন বিভাগের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



হাত-পা বেঁধে মাদরাসাছাত্রকে শিক্ষকের নির্যাতন

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

Image

ঝিনাইদহে চুরির অভিযোগে মাদরাসার এক ছাত্রকে অমানবিক নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। রাতের আঁধারে হাত-পা বেঁধে ২ ঘণ্টা ধরে চলে এ অত্যাচার। এতেও ক্ষ্যান্ত হননি শিক্ষকদ্বয়, এরপরের দুই দিন তাকে আটকে রাখা হয়। পরে সুযোগ বুঝে ওই ছাত্র পালিয়ে যায় তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে।

সরেজমিন দেখা যায়, ছাত্রটির বয়স মাত্র ৯ বছর, নাম তাওহীদ। ঝিনাইদহরে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিছানায় কাতরাচ্ছে সে। না পারছে শুতে, না পারছে বসতে। সারা শরীরে চরম অমানবিকভাবে পেটানোর ছাপ। শরীরের এমন কোনো জায়গা নেই, যেখানে নেই দগদগে ক্ষত চিহ্ন।

জানা গেছে, গত ২৭ মে হাটফাজিলপুর মুহাম্মাদিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। হুজুরের ঘড়ি চুরির অভিযোগে হাত-পা বেঁধে রাত ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চলে এ নির্যাতন। এতেই ক্ষ্যান্ত হয়নি শিক্ষক মাহমুদ হাসান ও মাহাদী হাসান। তাকে পরের দুই দিন আটকে রাখা হয় ওই রুমেই।

তাওহীদ জানায়, সে চুরি করেনি। অত্যাচারের সময় অনেক কাকুতি মিনতি করলেও তাকে ছাড়েনি হুজুররা। পরে কৌশলে মাদরাসা থেকে পালিয়ে যায় সে। প্রথমে যায় ফুফু বাড়ী। এরপর বাবা-মাকে খবর দিলে তারা তাওহীদকে বুধবার (২৯ মে) শৈলকূপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি কারে।

ঘটনার পরে, গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০মে) দুই শিক্ষকের নামে শৈলকূপা থানায় মামলা করে নির্যাতিত ওই ছাত্রের বাবা। পরে পুলিশের তৎপরতায় গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে।

তাওহীদের বাবা মান্নান বিশ্বাস জানান, বিচার ছাড়া কিছু চাই না। আমার ছেলে ওই মাদরাসায় পড়ে ৩ বছর ধরে। কখনই তারা আমাকে এ ধরনের কিছু জানায়নি। আমার ৪ ছেলে-মেয়ে, তাদেরও এমন ঘটনার কোনো রেকর্ড নেই। সবসময় শিক্ষকরা বলেছে ভালো ছেলে। ভালো করে পড়াশুনা করছে। কিন্তু এখন তারা যে অভিযোগ এনেছে সেটা বিশ্বাসযোগ্য না, তা মিথ্যা।

এলাকাবাসী জানান, তাওহীদের বাড়ী একই উপজেলার রঘুনন্দনপুর গ্রামে। তার বাবা একজন কৃষক। এমন নির্যাতনের সঠিক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেন তারা।

শৈলকুপা স্বাস্থ কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা ডাঃ শোহেলি ইসলাম জানান, আগের চেয়ে রোগীর অবস্থা এখন অনেকটা উন্নতির দিকে। ঝিনাইদহ শৈলকূপা ওসি সফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় আমরা দুই শিক্ষককে গ্রেফতার করেছি।

মাদরাসা সূত্রে জানা যায়, ৩ বছর আগে পিতা-মাতা ঝিনাইদহের শৈলকুপার হাটফাজিলপুর মুহাম্মাদিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি করে তাওহীদকে। মাদরাসার বর্তমান ছাত্রের সংখ্যা আড়াইশর বেশী। তবে বোডিং-এ থাকে একশর মতো ছাত্র। মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে।

নিউজ ট্যাগ: ঝিনাইদহ

আরও খবর