আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বাসায় ঝুলছিল তরুণীর দেহ

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর খিলগাঁও নবীনবাগ এলাকার একটি বাসার দরজা ভেঙে লামিয়া আক্তার অর্পিতা (২৩) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি একটি প্রতিষ্ঠানের কল সেন্টারে চাকরি করতেন। সোমবার (২৭ মার্চ) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

এর আগে, রোববার (২৬ মার্চ) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে খিলগাঁও থানা পুলিশ নবীনবাগ ২৪৮/৯/বি নম্বর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। লামিয়া বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মৃত আব্দুর রশিদ খানের মেয়ে।

খিলগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোনিয়া পারভীন সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, রবিবার দিনগত রাতে ওই বাসার দরজা ভাঙলে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখা যায় লামিয়াকে। পরে তার মরদেহ নামানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি নিজেই গলায় ফাঁস দিয়েছেন।

লামিয়ার বড় বোন মানসুরা আক্তার মাঈশা জানান, এক বছর আগে সাইফ নামে এক যুবককে বিয়ে করেন লামিয়া। এরপর থেকে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। কল সেন্টারে চাকরি করতেন তিনি। রবিবার সকাল থেকে তাকে ফোন দিলেও লামিয়া ফোন রিসিভ করছিলেন না। এক পর্যায়ে রাত সাড়ে দশটার দিকে তার বাসায় গিয়ে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা পুলিশে খবর দেয়। পরবর্তিতে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে তার লাশ উদ্ধার করে


আরও খবর



চট্টগ্রামে পুলিশ কর্মকর্তাদের ‘রোড ক্র্যাশের অন্যতম ঝুঁকি গতি’ বিষয়ক কর্মশালা

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

মাঠপর্যায়ে সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পুলিশের। সেজন্য সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোনো উদ্যোগ গ্রহণের আগে তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা হলে সেটি আরো কার্যকর হবে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়।

বুধবার সকালে রোড ক্র্যাশের কারণ হিসেবে গতি শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটি (বিআইজিআরএস) প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে, গ্লোবাল রোড সেফটি পার্টনারশিপ (জিআরএসপি) ৪ ও ৫ জুন দুই ব্যাচে ৭০ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ৪ জন প্রকৌশলীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএমপি কমিশনার (অ্যাডিশনাল আইজিপি) কৃষ্ণ পদ রায়।

তিনি চট্টগ্রাম নগরীর সড়কগুলোকে নিরাপদ করতে সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, পুলিশের একার পক্ষে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। নিরাপদ সড়ক অবকাঠামোর নির্মাণের দায়িত্ব চসিক ও সিডিএর এবং যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিআরটিএর মতো অংশীদার সংস্থা রয়েছে। পুলিশ শুধু আইন প্রয়োগ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। সেজন্য নগরীতে যথাযথ সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবগুলো সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মাসুদ আহাম্মদ এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) নাসির উদ্দিন,  জিআরএসপির সিনিয়র রোড পুলিশিং উপদেষ্টা রাসেল নাইম্যান ও পল সিমকক্স প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন।

এ প্রশিক্ষণে তারা রোড ক্র্যাশ প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের ভূমিকা, ক্র্যাশের ক্ষেত্রে যানবাহনের উচ্চ গতির ভূমিকা, গতি নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব, গতি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি ও কৌশল এবং রাস্তার পাশের চেকপয়েন্টগুলোর নিরাপদ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদির উপর আলোচনা করেন। এসময় অংশগ্রহণকারীদের হাতেকলমে স্পিড ক্যামেরার ব্যবহারও শেখানো হয়।

প্রসঙ্গত, দেশে রোড ক্র্যাশে মৃত্যু ও হতাহত কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সম্প্রতি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) দেশের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কের যানবাহনভেদে সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় যানবাহনের সর্বোচ্চ গতি হবে ৪০ কিমি/ঘণ্টা, যদিও মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে তা ৩০ কিমি/ঘণ্টা।

কর্মশালায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার, পুলিশ পরিদর্শক, ট্রাফিক সার্জেন্ট ও উপ-পরিদর্শক পদবির কর্মমর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে মান্যবর সিএমপি কমিশনার অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআইজিআরএস চট্টগ্রামের ইনিশিয়েটিভ কোঅর্ডিনেটর লাবিব তাজওয়ান উৎসব, এনফোর্সমেন্ট কো-অর্ডিনেটর কাজী হেলাল উদ্দিন, ট্রান্সপোর্ট কোঅর্ডিনেটর সুতপা তাসনিম ও কমিউনিকেশন অফিসার মাহামুদুল হাসান।

এর আগে এবছরের মার্চে জিআরএসপি সিএমপির ৭৮ পুলিশ কর্মকর্তাকে রোড ক্র্যাশ তদন্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছিল।


আরও খবর



কৈলাশটিলায় ফের এলপি গ্যাস উৎপাদন শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতায় কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টে পুনরায় উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পেট্রোবাংলা এ তথ্য জানিয়েছে।

পেট্রোবাংলা জানায়, পেট্রোবাংলার মালিকানাধীন সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতায় পরিচালিত কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডের অপরিশোধিত গ্যাস, এলপিজির কাঁচামাল এনজিএল (ন্যাচারাল গ্যাস লিকুইড) সমৃদ্ধ। ১৯৯৫ সালে এই ফিল্ড থেকে উৎপাদিত গ্যাস থেকে এনজিএল আহরণের জন্য দেশের একমাত্র মলিকুলার সীভ টার্বো-এক্সপান্ডার (এমএসটিই) প্রসেস প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়।

ওই প্ল্যান্টে উৎপাদিত এনজিএল পেট্রোবাংলার অপর কোম্পানি রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টে ফ্র্যাকশনেশন করে এলপিজি ও পেট্রোল (অকটেন নম্বর ৮১) উৎপাদন করা হতো এবং বিপিসির মাধ্যমে বাজারজাত করা হতো।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিএসটিআই কর্তৃক বাজারজাত পেট্রোলের অকটেন নম্বর ৮৯ নির্ধারণ করায় এবং বিপিসি কর্তৃক এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোল উত্তোলন না করায় প্ল্যান্টটি বন্ধ রাখতে হয়। আরপিজিসিএল কর্তৃক বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেও পেট্রোলের অকটেন নম্বর বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়নি।

এলপিজি প্ল্যান্ট না চালানোর কারণে এমএসটিই প্ল্যান্টটি ভিন্ন মোডে পরিচালনা করে এনজিএল-এর পরিবর্তে কনডেনসেট উৎপাদন করতে হতো। এজন্য এলপিজির উপাদানগুলো ফ্লেয়ার করতে হতো। ফলে একদিকে যেমন প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় হতো তেমনি অন্যদিকে পরিবেশের ক্ষতি হতো।

গত ৩০ মে কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টটি এসজিএফএলের নিকট হস্তান্তর করা হয়। প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ শেষে এসজিএফএল কর্তৃক ২ জুন এলপিজি প্লান্টটি চালু করা সম্ভব হয়। এই প্ল্যান্টে উৎপাদিত এলপিজি কৈলাশটিলায় অবস্থিত বিপিসির একটি প্রতিষ্ঠান এলপি গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের বটলিং প্লান্টে সরবরাহ করা হবে।

মৌলভীবাজার জেলার বাহুবল উপজেলার রশিদপুরে এসজিএফএলেএর দুটি কনডেনসেট ফ্র্যাকশনেশন প্ল্যান্ট এবং একটি অকটেন উৎপাদনকারী ক্যাটালাইটিক রিফরমিং ইউনিট (সিআরইউ) রয়েছে। এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোল (অকটেন নম্বর ৮১)-কে এসজিএফএল-এর ফ্র্যাকশনেশন প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোলের সঙ্গে মিশ্রণ করে অতঃপর সিআরইউ-এর মাধ্যমে অকটেন নম্বর বৃদ্ধি করে বিপিসির মাধ্যমে বাজারজাত করা হবে।

এতে এলপিজি উৎপাদন যেমন নিশ্চিত হবে তেমনি কৈলাশটিলা এমএসটিই প্ল্যান্ট স্বাভাবিকভাবে চালানোর ফলে প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় ও পরিবেশের ক্ষতি রোধ হবে। এছাড়া প্রতি বছর এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত ৪০০০ মেট্রিক টন এলপিজি দেশের জ্বালানি খাতে যোগ হবে বলেও জানানো হয়।


আরও খবর



নেপালকে কাঁদিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ১ রানের জয়

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম বড় অঘটনের জন্ম দিতে শেষ ২ বলে ২ রান দরকার ছিল নেপালের। তবে এত কাছে গিয়েও ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানো হলো না রোহিত পাউডেলের দলের। নেপালিদের হৃদয় ভেঙে ন্যুনতম ব্যবধানে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

সেন্ট ভিনসেন্টে শনিবার (১৫ জুন) নেপালের বিপক্ষে ১ রানে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিণ আফ্রিকার দেয়া ১১৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ১১৪ রানে থেমেছে নেপাল।

লক্ষ্যতাড়ায় শুরুটা ভালো করে নেপাল। পাওয়ারপ্লেতে ৩২ রান এলেও কোনো উইকেট হারায়নি দলটি। রানের গতি বজায় রেখে একটু একটু করে এগিয়ে যাওয়া নেপাল ক্রমাগত হতাশ করছিল দক্ষিণ আফ্রিকাকে।

অষ্টম ওভারে বোলিংয়ে এসে খেলার ধারায় পরিবর্তন আনেন তাব্রিয়াজ শামসি। ওই এক ওভারে কুশল ভুর্তেল এবং রোহিত পাউডেলকে সাজঘরে ফেরান এই স্পিনার। পরের দুই ওভারে নেপালকে মোটামুটি চাপেই রাখে দক্ষিণ আফ্রিকা।

চাপকে পাশ কাটিয়ে ভয়ডরহীন ব্যাটিং করেন অনিল শাহ। তরুণ এই ব্যাটারের চার-ছক্কায় রীতিমতো দিশেহারা হয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেট হয়ে যাওয়া আসিফ শেখও ততক্ষণে ভালোই সঙ্গ দিচ্ছিলেন অনিলকে। ১১-১৩ ওভারের মধ্যে ৩৪ রান আসে নেপালের।

৪২ বলে ৩৪ রান দরকার ছিল নেপালের, এমন সময় বোলিংয়ে আসেন এইডেন মার্করাম। প্রথম ওভারেই অনিল শাহকে সাজঘরের পথ ধরান তিনি। ১ ছক্কা ও ৩ চারে ২৪ বলে ২৭ রান করেছেন অনিল। এই উইকেটটাই মূলত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়েছে। পরের ৩ ওভারে কেবল ১২ রান তুলতে পারে নেপাল।

চাপে পড়ে উইকেট হারানো শুরু করে নেপাল। অষ্টাদশ ওভারে দীপেন্দ্র সিং এইরের উইকেট নেন শামসি। একই ওভারে মাত্র ২ রান দিয়ে আসিফ শেখের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটাও নেন এই স্পিনার। ১ ছক্কা ও ৪ চারের ইনিংসে ৪২ বলে ৪৯ রান করেছেন আসিফ।

শেষ ২ ওভারে ১৬ রান দরকার ছিল নেপালের। ১৯ তম ওভারে প্রথম ৪ বল করে কোনো রান দেননি আনরিখ নর্টজে। ফিরিয়েছেন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম শতকের মালিক কুশল মাল্লাকেও। তবে শেষ ২ বলে একটি ছক্কাসহ ৮ রান নেন সোমপাল কামি। তাতে মোমেন্টাম সঙ্গে নিয়েই শেষ ওভারে যায় নেপাল।

শেষ ওভারে যখন ৮ রান দরকার, তখন প্রথম ২ বলে কোনো রান দেননি বার্টম্যান। তৃতীয় বলে সামনে এগিয়ে এসে জোরে ব্যাট চালান গুলশান ঝা। সাহসের পুরস্কারটাও পেয়েছেন এই ক্রিকেটার। এক ড্রপে বল পেরিয়ে যায় সীমানা। পরের বলেও ২ রান নেন গুলশান। কিন্তু শেষ ২ বলের একটিও ব্যাটেই লাগাতে পারেননি তিনি।

ব্যাটে না লাগলেও শেষ বলে দৌড়ে রান নেয়ার চেষ্টা করেছেন গুলশান এবং সোমপাল। ব্যাটিং প্রান্তে সোমপাল পৌঁছে গেলেও অন্যপ্রান্তে পৌঁছাতে পারেননি গুলশান। দুর্দান্ত থ্রোয়ে স্টাম্প ভাঙেন হেনরিখ ক্লাসেন। ১ রানের ন্যুনতম ব্যবধানে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রথমার্ধের আক্রমণের ধার দ্বিতীয়ার্ধেও বজায় রাখে আর্জেন্টিনা। দাপুটে ফুটবল খেলতে থাকা বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এই অর্ধে গুয়াতেমালাকে তেমন সুযোগই দেয়নি। আকস্মিকভাবে দুই একবার প্রতি-আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করলেও আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত প্রেসিংয়ের বিরুদ্ধে কাজে আসছিল না সেসব।

তবে দাপট দেখালেও গোলের দেখা মিলছিল না আর্জেন্টিনা। ৭৭ মিনিটে সেই ডেডলক ভাঙেন মার্টিনেজ। এই গোলেও অবদান ছিল মেসির। তার অ্যাসিস্ট থেকে পাওয়া বলই জালে জড়িয়েছেন মার্টিনেজ।

ম্যাচের ৭৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোল করেন মেসি। দারুণ এক আক্রমণে ডি মারিয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে ট্রেডমার্ক চিপে শটে বল জালে জড়ান মেসি। ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নেপাল। 


আরও খবর



বাজেটের তথ্য পাওয়া যাবে যেসব ওয়েবসাইটে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পেশ করা হচ্ছে আজ। সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই বাজেট তৈরি করা হয়েছে। এবারের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এই বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটিই তার প্রথম বাজেট।

বাজেট পেশ প্রসঙ্গে এক বিজ্ঞপ্তিতে অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাজেটকে অধিকতর অংশগ্রহণমূলক করার লক্ষ্যে অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইট এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে বাজেটের সব তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ দলিল পাওয়া যাবে। এসব ওয়েবসাইট থেকে যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বাজেট সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য পড়তে ও ডাউনলোড করতে পারবেন।

পাশাপাশি দেশ বা বিদেশ থেকে [email protected] ইমেইলের মাধ্যমে বাজেট সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশ পাঠানো যাবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


আরও খবর



ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হত্যার হুমকি দিচ্ছে : আয়ানের বাবা

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বাড্ডার ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে মারা যাওয়া শিশু আয়ানের বাবা শামীম আহমেদ অভিযোগ করেছেন, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ইউনাইটেড গ্রুপ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হুমকি দিচ্ছে। একাধিকবার বাসায় সন্ত্রাসী পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। সেজন্য আগামী সাত দিনের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও ইউনাইটেড হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান তিনি।

বুধবার (২৯ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়ান হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

শামীম আহমেদ বলেন, দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস অতিবাহিত হলেও এই পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার বা বিচারের আওতায় আনা হয়নি। বিএমডিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরস্পর যোগসাজশ করে দোষীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। আয়ানের মৃত্যুর পর ইউনাইটেড হাসপাতাল সিলগালা করা হয়েছিল। যা ছিল কেবল লোক দেখানো। এখন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ইউনাইটেড হাসপাতালকে বাঁচানোর অপচেষ্টা করছে।

আগামী ৭ দিনের ভেতর অভিযুক্ত দুই ডাক্তার সাঈদ সাব্বির ও তাসনুভা মাহজাবিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত দোষীদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাহলে আমরা কিভাবে বুঝব যে এই ঘটনার বিচার পাবো। যদি ৭ দিনের ভেতর অভিযুক্ত দুই ডাক্তারকে গ্রেপ্তার করা না হয় তাহলে আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজির অপসারণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঘেরাও কর্মসূচি পালন করবো। ইউনাইটেড হাসপাতালের সামনে অনশন কর্মসূচি পালন করবো।

আয়ানের বাবা আরও অভিযোগ করেন, বাড্ডা থানা থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে চারটি তথ্য বারবার চাহিদা পত্র দেওয়া হলেও সেগুলো জানানো হয়নি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ, ডিবি, ডিজিএফআই সকলেই আমাদেরকে একটি গোলকধাঁধার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তারা একটি পক্ষকে বাঁচানোর অপচেষ্টা করছে। আমি প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে এই ঘটনার বিচার প্রার্থনা করছি। যদি আমার ছেলে হত্যার বিচার না পাই তাহলে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি আবারও হবে। তাই আমি সবার প্রতি অনুরোধ জানাই যেন বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন শিশু আয়ানের দাদা সালাম কবির। তিনি বলেন, আমরা যেন এই মামলার থেকে সরে আসি সেজন্য বারবার সন্ত্রাসী পাঠিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভুল চিকিৎসার মাধ্যমে আমার সুস্থ নাতিকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই। আগামী সাত দিনের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে। না হলে আমরা আমরা অনশন কর্মসূচি পালন করবো।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর সুন্নাতে খতনার (মুসলমানি) জন্য আয়ানকে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান তার অভিভাবক। সকাল নয়টার দিকে শিশুটিকে অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া হয়। তবে অনুমতি ছাড়াই ফুল অ্যানেসথেসিয়া (জেনারেল) দিয়ে চিকিৎসক আয়ানের খাতনা করান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে জ্ঞান না ফেরায় তাকে গুলশানে ইউনাইটেড হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানকার পিআইসিইউতে (শিশু নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র) তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। ৭ জানুয়ারি মধ্যরাতে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে এই ঘটনায় বাড্ডা থানায় ২ ডাক্তার এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন আয়ানের বাবা শামীম আহমেদ।


আরও খবর