আজঃ শনিবার ২০ এপ্রিল ২০24
শিরোনাম

বিস্ফোরক মামলায় বিএনপি নেতার আইনজীবী জেলা আ.লীগের সা. সম্পাদক

প্রকাশিত:সোমবার ০১ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নাজিরপুর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

Image

পিরোজপুরের নাজিরপুরে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিস্ফোরক মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী হয়ে আদালতে লড়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. কানাই লাল বিশ্বাস ও প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম পান্না। 

সোমবার (১ এপ্রিল) জেলা দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলামের আদালতে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান দুলালসহ ১৯ নেতা-কর্মী জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

এ সময় আসামিপক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের ওই দুই নেতাসহ আট আইনজীবী ছিলেন। বিস্ফোরক মামলার আসামিদের পক্ষে তারা কাজ করায় জেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কানাই লাল বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট শ.ম হায়দার আলী জানান, ওই সময় তিনি আদালতেই উপস্থিত ছিলেন। তার সামনেই তারা (কানাই লাল বিশ্বাস ও শহিদুল ইসলাম পান্না) কাজ করেছেন।

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও মামলার প্রধান আসামি মিজানুর রহমান দুলাল বলেন, আমাদের মামলায় প্রধান আইনজীবী হিসেবে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপি নেতা অ্যাড. আবু কালাম আকন এবং তাদের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কানাই লাল বিশ্বাস ও প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম পান্নাসহ আট আইনজীবী ছিলেন।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেন মিজানুর রহমান দুলালসহ অন্য আসামিরা।

জানা গেছে, গত ৯ নভেম্বর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের তারাবুনিয়া গ্রামের ইউপি সদস্য ও যুবলীগ নেতা মো. কবির হোসেন বাদী হয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কসহ ৯০ জনকে নামীয় এবং ৭০-৮০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

তার আগে ৭ নভেম্বর বিকেলে অভিযুক্তরা ওই এলাকার একটি পাকা রাস্তার ওপর বসে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের আট নেতা-কর্মীকে মারধরসহ তাদের সঙ্গে থাকা টাকা ও স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।


আরও খবর



ঢাকাগামী যমুনা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে ঈদের ছুটিতে যাওয়া মানুষ। তবে স্বস্তিতে ফেরার যাত্রায় অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৮টা ৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজারে লাইনচ্যুত হয়েছে যমুনা এক্সপ্রেস।

যে কারণে ঢাকার কমলাপুরের সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন চলাচল আপাতত এক লাইনে সামলাতে হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বুধবার সকালে রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আহমেদ বিশ্বাস বলেন, ঢাকাগামী যমুনা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হওয়ার খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থল কারওয়ান বাজার। সেখানে ডাবল লাইন। একটি লাইন বন্ধ রয়েছে। আরেকটি সচল। লাইনচ্যুত ট্রেনটি লাইনে আনা ও চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর
শিশু হাসপাতালে আগুন নিয়ন্ত্রণে

শুক্রবার ১৯ এপ্রিল ২০২৪




মেঘনায় ভ্রমণতরি ডুবে নারীর মৃত্যু, পুলিশসহ নিখোঁজ ৮

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদীতে বালুভর্তি বলগেটের ধাক্কায় যাত্রীবাহী ভ্রমণতরি ডুবে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ১২ জনকে। পুলিশ সদস্যসহ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও আট যাত্রী। শুক্রবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মেঘনার পাড় সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর নিচে এ ঘটনা ঘটে।

ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আজিজুল হক রাজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিখোঁজ যাত্রীরা হলেন পুলিশের কন্সটেবল সোহেল রানা, তার স্ত্রী মৌসুমি, সাত বছরের মেয়ে মাহমুদা ও পাঁচ বছরের ছেলে রায়সুল, শহরের নিউটাউন এলাকার আরাদ্দা, বেলাল দে, নরসিংদীর রায়পুরা এলাকার আনিকা আক্তার এবং অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী।

তাৎক্ষণিক উদ্ধার হওয়া নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিখোঁজের প্রতিবেশী রত্না বেগম বলেন, আমাদের পাশের বাড়ির সাতজন নৌকায় ছিল। চারজন উদ্ধার হয়েছে। তবে আরদ্দা, বেলাল মিয়া ও একজন মহিলাকে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

নিখোঁজ আনিকার চাচা রুবেল মিয়া বলেন, আমার ভাতিজি আনিকা ও তার বান্ধবী রুবা বিকালে ব্রিজের নিচে ঘুরতে আসে। পরে ট্রলারের ধাক্কায় ভ্রমণতরি ডুবে যায়। ভাতিজির বান্ধবী রুবা বেঁচে গেলেও আনিকাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আজিজুল হক রাজন বলেন, একটি বালুবাহী বলগেটের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ভ্রমণতরিটি ডুবে যায়। এতে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। আর ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে আরও আটজন নিখোঁজ রয়েছেন। রাতে অন্ধকারে উদ্ধারকর্মীরা কাজ করতে পারে না। এজন্য উদ্ধার কাজ আপাতত বন্ধ করা হয়েছে। শনিবার সকালে কিশোরগঞ্জ থেকে ডুবুরিদল এলে আবার উদ্ধার কাজ শুরু হবে।

এ বিষয়ে নৌ থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। স্থানীয়রা আটজনকে উদ্ধার করেছে। আনুমানিক ২০ জন ছিল শুনেছি। এতে একাধিক নৌ পুলিশটিম ও ফায়ার সার্ভিস টিম উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছে।


আরও খবর



গড়াই নদীতে গোসলে নেমে ভাই-বোনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া

Image

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের জয়নাবাদ বাসিন্দাপাড়া জামে মসজিদের পাশে গড়াই নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ এপ্রিল) বেলা ১২ টার দিকে মর্মান্তিক এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই ভাই-বোন হলো- মোছা. সেফা (১৭) ও শাহাজাদা (১২)। সেফা উপজেলার জয়নাবাদ এলাকার শামিম হোসেনের মেয়ে ও শাহাজাদা কুমারখালী থানার আলমগীর হোসেনের ছেলে। তারা সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোন।

জানা গেছে, নানা বাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে যায়। পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১২ টার দিকে দুজন গোসল করার জন্য নদীতে নামলে স্রোতের কারণে তারা নদীর তলে ডুবে গেলে পানি থেকে তুলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে হাসপাতালের চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গড়াই নদীতে পরিবারের লোকজনদের সাথে গোসল করতে নেমে পানির প্রবল স্রোতের কারণে তলিয়ে যায় দুজনা। অনেক সময় ধরে পানির মধ্যে খোঁজাখুঁজি করে তাদেরকে উদ্ধার করলেও আর বাঁচাতে পারেনি পরিবারের লোকজন। একসাথে একই পরিবারের দুজনার মৃত্যুর কারণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে জয়নাবাদ এলাকায়।

এ বিষয়ে চাঁপড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এনামুল হক মন্জু বলেন, নদীতে ডুবে দুজনের মৃত্যুর ঘটনা শুনেছি। ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেছি। মরদেহ দুটি এখন কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে আছে।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, নদীতে ডুবে দুজনার মৃত্যুর খবর শুনেছি। ঘটনা স্থানে কুষ্টিয়া মডেল থানার পুলিশ কাজ করছে।


আরও খবর



মা হওয়ার খবরে মুখ খুললেন পরিণীতি চোপড়া

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বিশাল আয়োজনে রাজকীয় ধারায় বিয়ে হয় বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাঘব চাড্ডার। বিয়ের বছর না গড়াতেই গুঞ্জন রটে পরিণীতি মা হতে চলেছেন। এবার অভিনেত্রী নিজেই মুখ খুললেন ঘটনাটি নিয়ে।

মা হওয়ার খবর রটলে অভিনেত্রী বারবার এটাকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবু যেন বিষয়টি নিয়ে বাতাস দিয়ে যাচ্ছেন নেটিজেনরা। এমন পরিস্থিতিতে অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও পোস্ট করে এ বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া জানান।

এসব বিষয় নিয়ে জল ঘোলা হলে, অভিনেত্রী তার ফেসবুকে লিখেছেন, কাফতান ড্রেস মানেই গর্ভবতী! ওভারসাইজড টি-শার্ট মানেই গর্ভবতী।

বেবিবাম্প লুকানোর জন্যই তিনি ঢিলেঢালা পোশাক পরছেন। এই গুজবে বিরক্ত হয়েই তিনি ভিডিওটি পোস্ট করেছেন এবং জামাকাপড় সম্পর্কে তার পছন্দের কথা সবাইকে জানিয়েছেন।

গতবছর সেপ্টেম্বর মাসে পরিণীতির বিয়ে হয়। বছর না গড়াতেই এমন খবর ভেসে বেড়ালে তিনি চুপচাপই ছিলেন কিন্তু বিষয়টি চরমে উঠে গেলে তিনি তার বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

এ বছর অর্থাৎ ২০২৪ -এ মা হতে চলেছেন অনেক অভিনেত্রী। এর মধ্যে রণবীর সিং ও দীপিকা পাডুকোন জানিয়ে দিয়েছেন তাদের সন্তান আসার কথা। তাছাড়া অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমও মা হতে চলেছেন বলে জানা গেছে। 

নিউজ ট্যাগ: পরিণীতি চোপড়া

আরও খবর



তিন নদীতে অভিযানে কোটি টাকার অবৈধ জাল জব্দ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মোছাদ্দেক হাওলাদার, বরিশাল প্রতিনিধি

Image

বরিশালের মুলাদী ও বাবুগঞ্জ উপজেলাধীন তিনটি নদীতে অভিযান চালিয়ে প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার (২০ মার্চ) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মৎস্য অধিদপ্তরের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম।

তিনি জানান, বরিশালের মুলাদী ও বাবুগঞ্জ উপজেলার আড়িয়াল খাঁ, নয়া ভাঙ্গনী, মুলাদী পাতার চর নদীতে মৎস্য অধিদপ্তর, উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও র‌্যাব ৮-এর সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানে আটটি পাই জাল, ছয়টি মশারি জাল, ১৬টি চরঘেরা জালসহ ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল (যার আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা) জব্দ করে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন মুলাদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নিজাম উদ্দিন।

অভিযানে মৎস্য অধিদপ্তর মুলাদীর সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মোহাম্মদ আলম, বাবুগঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার এম এম পারভেজ, র‌্যাব ৮ বরিশালের ডিএডি মো. আজাদুর রহমান, মুলাদী থানার উপ-পরিদর্শক মিঠুন মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর