আজঃ বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪
শিরোনাম

ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আশরাফুল আলম সজিব, ভোলা

Image

ভোলা শহরের ওয়েস্টার্নপাড়া এলাকার একটি ভাড়াটিয়া বাসা থেকে এক ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ তাঁর স্বামীকে আটকে করেছে।

শনিবার (২৩ মার্চ) রাত ৮টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মনির হোসেন মিঞা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃত মাকসুদা আক্তার বরিশাল জেলার শায়েস্তাবাদ এলাকার বাসিন্দা। তাঁর স্বামীর নাম মো. আহসান হাবিব। তিনি ভোলা সদর রোডের আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার। তাঁর বাড়িও শায়েস্তাবাদ এলাকায়। তিনি সম্প্রতি বিয়ে করেছেন। গত ১৭ মার্চ স্ত্রীকে নিয়ে ওয়েস্টার্ন পাড়া এলাকার একটি ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।

ওসি জানান, স্ত্রীর সঙ্গে আহসান হাবিবের মনোমালিন্য ছিল। প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি হতো। তাঁর স্ত্রী বরিশালের একটি কলেজে পড়াশোনা করত। গেল ১৭ মার্চ তিনি স্ত্রীকে বরিশাল থেকে ভোলায় নিয়ে আসেন। স্ত্রী তাঁর সঙ্গে ভোলায় থাকতে অপারগতা প্রকাশ করেন। স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্য হওয়ায় মাকসুদা আক্তার বাসার একটি খুঁটির সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।

এ মৃত্যুর ঘটনায় মাকসুদার পরিবার স্বামী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচনা আইনে মামলা দায়ের করেছেন। সেই মামলায় হাবিবকে গ্রেফতার দেখিয়ে আজ রবিবার কোর্টে সোপর্দ করা হবে বলে জানা গেছে।


আরও খবর



ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি নিহত হয়েছেন। রবিবার (১৯ মে) একটি জলাধার উদ্বোধন শেষে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় তাবরিজ শহরে যাওয়ার সময় এক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হন। এ সময় তার সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও ছিলেন। তার মৃত্যুর পর দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (২০ মে) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৮ জুন এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

দেশটির সংবিধান অনুসারে, প্রেসিডেন্টের পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৫০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। ফলে দেশটিতে আগামী ২৯ জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এর আগে সোমবার (২০ মে) বিবিসি, রয়টার্সসহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম জানায়, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান মিলেছে। তবে প্রেসিডেন্ট রাইসি, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আবদুল্লাহিয়ান ও পূর্ব আজারবাইজানের গভর্নর মালেক রহমাতি কেউই আর বেঁচে নেই। হেলিকপ্টারে রাইসি ছাড়াও ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মুখপাত্র আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ আলী আলে-হাশেম ছিলেন।

ইব্রাহিম রাইসি ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট। একাধারে রাজনীতিবিদ ও বিচারক রাইসি বিশ্ব রাজনীতিতেও অন্যতম প্রভাবশালী নেতাদের একজন। ইব্রাহিম রাইসি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ঘনিষ্ঠজন হিসেবেও পরিচিত। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে দেশটির প্রধান বিচারপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার কারণেই দেশটিতে মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা কমেছে।

তিন বছর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে ইব্রাহিম রাইসিকে মনে করা হয় একদিন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির উত্তরসূরি হবেন।

ইব্রাহিম রাইসির জন্ম ১৯৬০ সালের ১৪ ডিসেম্বর উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে। মাত্র ২০ বছর বয়সে তিনি তেহরানের পার্শ্ববর্তী শহর কারাজের প্রসিকিউটর-জেনারেল নিযুক্ত হন। ১৯৮৯ থাকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তেহরানের প্রসিকিউটর-জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন রাইসি। ২০০৪ সাল থেকে তিনি এক দশক জুডিশিয়াল অথরিটির উপপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালে তাকে বিচার বিভাগের প্রধান নিযুক্ত করেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি।

প্রেসিডেন্ট রাইসি পরবর্তীতে ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ সভার উপচেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচনসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে এ সভা। ২০২১ সালে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে তিনি ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় পড়ার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় গুঞ্জন ছড়ায় এর সঙ্গে মোসাদের সম্পৃক্ততা আছে। কিন্তু ইসরায়েল সরকারের পক্ষ থেকে এ নিয়ে কেউই মুখ খুলছিলেন না। তাই সন্দেহ আরও ঘনীভূত হচ্ছিল, শেষ পর্যন্ত মুখ খুলেছেন একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা। রাইসির হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের সঙ্গে ইসরায়েলের ভূমিকা কী জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ওই ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেন, আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত না।

ইসরায়েল সম্পৃক্ততা অস্বীকার করলেও এ নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়াচ্ছে। বলা হচ্ছে, রাইসির মৃত্যুতে সরাসরি লাভবান হবে ইসরায়েলই। কেননা রাইসির ছত্রছায়াতেই মধ্যপ্রাচ্যে তেজবান হয়েছে বিভিন্ন মিলিশিয়া গ্রুপ। আর গাজায় ইসরায়েলকে জিততে না দেওয়ার পেছনে ইরানি অস্ত্র ও মিলিশিয়াদের সমর্থন রয়েছে বলেই দীর্ঘদিনের অভিযোগ তেলআবিবের।


আরও খবর



রাজধানীতে ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে নিহত দুই

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বাসাবোতে নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের ওপর থেকে নিচে পড়ে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আইসিউউতে রয়েছেন।

শুক্রবার (১৭ মে) সকাল ১০টা দিকে বাসাবোর ৭ নম্বর মায়াকানন মসজিদের পেছনে ১০তলা ভবনের ওপর থেকে পড়ে ৩ নির্মাণ শ্রমিক আহত হন।

সবুজবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রলয় কুমার সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কাজ করার সময় ১০তলা ভবন থেকে নিচে পড়ে তিনজন শ্রমিক আহত হন। তাদের মধ্যে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন আইসিইউতে রয়েছেন। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



আরসার আস্তানায় অভিযান, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গ্রেনেডসহ গ্রেফতার ২

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন গহিন পাহাড়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মির (আরসা) আস্তানায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) অভিযান চলছে। তবে এরই মধ্যে আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গ্রেনেড ও রকেট শেল উদ্ধারসহ আরসার দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (১৫ মে) ভোররাত থেকে উখিয়ার গহিন পাহাড়ে লাল পাহাড়ে এ অভিযান চালানো হয়।

র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে ক্যাম্পে হেড মাঝিসহ কয়েক রোহিঙ্গাকে গুলি ও গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটছে। এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাব ক্যাম্পে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে। তারই ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়ার ক্যাম্পসংলগ্ন গহিন পাহাড়ে মিয়ানমারের সন্ত্রাসী সংগঠন আরসার আস্তানা অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

মঙ্গলবার (১৪ মে) রাত ২টা থেকে অভিযান শুরু হয় এবং পুরো লাল পাহাড় ঘিরে ফেলা হয়। এক পর্যায়ে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ শুরু করে। এরপর র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে।

এ পর্যন্ত একটি আস্তানা থেকে দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গ্রেনেড ও রকেট সেল উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযান এখনো চলমান রয়েছে বলে জানায় র‌্যাবের ওই অধিনায়ক।


আরও খবর



সুন্দরবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে, তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আমরবুনিয়ার লতিফের ছিলা এলাকায় লাগা আগুন ২৬ ঘন্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। রোববার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করেন খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমার দো।

তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক, বনরক্ষী, ফায়ার সার্ভিস, নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। আগুন লাগা এলাকার বাইরে থেকে ফায়ার লাইন কাটা হয়েছে। যেন আগুন ছড়িয়ে পড়তে না পারে। এখন আগুন পুরো পুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বনে লাগা আগুন সাধারণত নিভে যাওয়ার পরও কোথাও কোথাও পুনরায় দেখা দিতে পারে। এজন্য আগামীকালও ফায়ার সার্ভিসসহ বনবিভাগ এখানে কাজ করবে।

তিনি আরো বলেন, সংশ্লিষ্ট জিউধরা ফরেস্ট স্টেশন এলাকার বনে প্রবেশের সকল পাশ-পারমিট বাতিল করা হয়েছে।

সুন্দরবন পুর্ব বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী নুরুল করিম বলেন, কী কারণে, কিভাবে এবং আগুন লেগেছে তার এখনও সঠিক কারণ বের করা যায়নি। পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) রানা দেবকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- চাঁদপাই রেঞ্জের জিউধার স্টেশন অফিসার মোঃ ওবায়দুর রহমান এবং ধানসাগর স্টেশন অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে আগুন লাগার সঠিক কারণের প্রতিবেদন জমা দেবেন এই কমিটি।

এরআগে শনিবার বিকাল ৩টার দিয়ে সুন্দরবনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এদিন বনবিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছেও প্রতিকূলতার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করতে পারেনি।

রবিবার (৫ মে) সকালেই সুন্দরবনের আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিটসহ নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়।


আরও খবর



বন্ধ হচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের বিশেষ ট্রেন

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত চলাচলকারী বিশেষ ট্রেনটি বন্ধ করে দিচ্ছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে এই ট্রেন আর চলবে না, যদিও ১০ জুন পর্যন্ত এই ট্রেন চলাচলের কথা ছিল।

রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের সহকারী প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (এসিওপিএস) কামাল আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রেলওয়ের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে কক্সবাজার স্পেশাল ৩ ও ৪ ট্রেনটি ১০ জুন পর্যন্ত চলাচলের নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু যান্ত্রিক বিভাগ থেকে ইঞ্জিন ও লোকোমাস্টারের সংকট থাকার কথা জানানো হয়েছে। এজন্য কক্সবাজার বিশেষ ট্রেন বুধবার (২৯ মে) পর্যন্ত চলবে। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) থেকে ১০ জুন পর্যন্ত ট্রেন চলাচল বাতিল করা হলো।

গত বছরের ১১ নভেম্বর চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নির্মিত নতুন রেললাইনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর গত বছরের ১ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি পর্যটক এক্সপ্রেস নামের আরেকটি ট্রেন চালু করে রেলওয়ে। ঢাকা-কক্সবাজার রুটের দুটি ট্রেনের প্রতিটিতে ১১৫টি করে আসন বরাদ্দ রাখা হয় চট্টগ্রাম স্টেশনের জন্য। ঢাকা থেকে পরপর দুটি ট্রেন চালু করলেও চট্টগ্রাম থেকে কোনো ট্রেন দেয়া হয়নি। রেলওয়ের এমন সিদ্ধান্তে চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষ ক্ষুব্ধ ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও নাগরিক সমাজ ট্রেন চালুর দাবির প্রেক্ষিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে বিশেষ ট্রেন দেওার সিদ্ধান্ত নেয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। গত ৮ এপ্রিল এই ট্রেন চলাচল শুরু হয়। চালুর পর থেকে এই ট্রেন জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। যাত্রীদের চাপে এরপর দুই দফায় বিশেষ ট্রেনের সময় বাড়িয়ে ১০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। তবে নতুন করে আর সময় না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম-দোহাজারী-কক্সবাজার রেলওয়ে যাত্রী কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু সাঈদ তালুকদার বলেন, এই ট্রেন তো ১০ জুন পর্যন্ত চলার কথা। এটি স্থায়ী করার পাশাপাশি আরেকটি নতুন ট্রেন দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রেলওয়ের কর্মকর্তারা। কিন্তু তা না করে বিশেষ ট্রেনটি বন্ধ করে দিল। এতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মানুষ ট্রেনে করে যাতায়াতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন। রেলওয়ের এমন সিদ্ধান্ত খুবই হতাশা ও দুঃখজনক।


আরও খবর