আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

ড. ইউনূসের আবেদন খারিজ, দিতে হবে ৫০ কোটি টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীন টেলিকম ট্রাস্টকে ৫০ কোটি টাকা জমা দিয়ে ২০১১ থেকে ১৩ করবর্ষের আয়কর আপিল ফাইল করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি মো. খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ ড. ইউনূসের আবেদন খারিজ করে এ রায় দেন। একই সঙ্গে বলেন, আইন অনুযায়ী যেটা দেওয়ার সেটাই ড. ইউনূসকে দিতে হবে। এখানে অনুকম্পা দেখানোর কোনো সুযোগ নেই।

এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি বেলা ১১টায় আদালতে উপস্থিত হয়ে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় শ্রম আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন ড. ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের অন্য তিন শীর্ষ কর্মকর্তা।

ওইদিন ড. ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, নিম্ন আদালতের আদেশে এক মাসের জামিন দেওয়া হয়েছিল। সেটিও বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছেন তারা। আগের দিন ২৭ জানুয়ারি তিনি জানান, রায়ের বিরুদ্ধে ২৫ থেকে ৩০টি পয়েন্টসহ একটি পিটিশন জমা দেবেন তারা। 

আরও পড়ুন>> ভারতের সঙ্গে রুপিতে বাণিজ্য চুক্তি : খালিদ মাহমুদ

গত ১ জানুয়ারি ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান শেখ মেরিনা সুলতানা এক মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনূস এবং এর পরিচালক আশরাফুল হাসান, নুরজাহান বেগম ও এম শাহজাহানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাদের চারজনকেই ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ২৫ দিন কারাদণ্ড দেন আদালত। আর রায়ের পরই পৃথক জামিন আবেদন করলে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে চারজনকেই জামিন দেন আদালত।

এর আগে গত ১৬ নভেম্বর মামলাটিতে তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে রাষ্ট্রপক্ষ। তারও আগে গত বছরের ৬ জুন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হলে রাষ্ট্রপক্ষের চার সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বিভাগের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) এসএম আরিফুজ্জামান। নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৬ আগস্ট আইএফইডি কর্মকর্তারা রাজধানীর মিরপুরে গ্রামীণ টেলিকমের অফিস পরিদর্শন করে শ্রম আইনের সঙ্গে কিছু লঙ্ঘন দেখতে পান।


আরও খবর
জজ কোর্ট চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কিংবদন্তি অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদিহীন এক যুগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

নান্দনিক অভিনয় গুণে একজন ভার্সেটাইল অভিনয়শিল্পী হয়ে উঠেছিলেন হুমায়ুন ফরীদি। পর্দায় তার অভিনয়ে বারবরই মুগ্ধ হতো দর্শকরা। জায়গা করে নিয়েছিলেন কোটি বাঙালির হৃদয়ে। কিন্তু হঠাৎ করেই ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান কিংবদন্তি এই অভিনেতা।

এ অভিনেতার মৃত্যু যেমন ইন্ডাস্ট্রিতে শূন্যতা তৈরি করেছে, তেমনি শূন্যতা তৈরি হয়েছে ভক্তহৃদয়ে। তাদের হৃদয় আজও চির অমলিন। আর প্রিয় এই সহকর্মী ও তারকার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন সবাই।

হুমায়ুন ফরীদির অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল মঞ্চ থেকে। তারপর টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্রে দ্যুতি ছড়িয়েছেন। নব্বইয়ের দশকে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো হলো দহন, বীর পুরুষ, লড়াকু, বিশ্বপ্রেমিক, দুর্জয়, আনন্দ অশ্রু, আসামী বধূ, প্রাণের চেয়ে প্রিয়, কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি, ভণ্ড, ব্যাচেলর, শ্যামল ছায়া ও মেহেরজান প্রভৃতি।

এ অভিনেতা তার সৃজনশীল কর্মযজ্ঞের জন্য স্বীকৃতিস্বরূপ মাতৃত্ব সিনেমার জন্য ২০০৪ সালে সেরা অভিনেতা শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এছাড়া নাট্যাঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সম্মাননা প্রদান করেন হুমায়ন ফরীদিকে।

হুমায়ুন ফরীদির জন্ম ঢাকায় ১৯৫২ সালের ২৯ মে। ছেলেবেলায়ই হাতেখড়ি অভিনয়ে। ক্রমে সেটিই হয়ে ওঠে জীবনের ধ্যানজ্ঞান। শুধু খল চরিত্র নয়, নানা নিরীক্ষাধর্মী চরিত্রেও অভিনয়ের মুন্সিয়ানায় মুগ্ধ করেছেন দর্শকহৃদয়। কীর্তিমান এই অভিনয়শিল্পী রূপালি পর্দায় বর্ণিল আলো ছড়ালেও সাদামাটা জীবনেই খুঁজেছেন আশ্রয়।

নিউজ ট্যাগ: হুমায়ুন ফরীদি

আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মিউনিখে শেখ হাসিনার সাহসী কূটনীতিই আমরা দেখলাম: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে নিমন্ত্রণ এবং তার বক্তব্যে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের গুরুত্বকেই তুলে ধরে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা মুখর ছিল বহির্বিশ্বের একটা অংশ। তারপরও আজ এই সংকটে সিকিউরিটির মতো সেনসেটিভ ইস্যুতে নিমন্ত্রণ পাওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে অংশগ্রহণ করা বাংলাদেশের গুরুত্বকেই তুলে ধরে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধের বিরুদ্ধে, শান্তির পক্ষে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন। এখানে শেখ হাসিনার সাহসী কূটনীতিই আমরা দেখলাম।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

দেশের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও সার্বভৌমত্বে আওয়ামী লীগ আঘাত করেছে বলে বিএনপি নেতাদের দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, কোনও বিবেকবান রাজনীতিক এ কথা বলতে পারেন না। এটা হচ্ছে পাগলের অসংলগ্ন প্রলাপ। বিএনপির রাজনীতিতে মিথ্যাচার চিরজীবনই। তাদের রাজনীতিতে মিথ্যাচার অপরিহার্য বিষয়। এটা তাদের চিরাচরিত মিথ্যাচারের ধারাবাহিকতা। 

আরও পড়ুন>> একুশে ফেব্রুয়ারিতে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই : ডিএমপি কমিশনার

দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ সরকার- বিএনপির এমন অভিযোগ নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিরোধী দলের এখন আর কিছু নেই। জনগণ নেই, তাদের কর্মীরাও নেই। এখন কিছু না কিছু তো জনগণ ও কর্মীদের সামনে বলতে হবে। এ জন্য কথামালার চাতুরি তারা করছে।

তিনি বলেন, কিছু কিছু জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, আবার কিছু কিছু পণ্যের দাম কমতির দিকে। বাজার ওঠানামা চিরদিনই আছে। বিশ্ব পরিস্থিতিতে দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। সরকার এখানে কোনও উদাসীনতা দেখায়নি। সক্রিয় আছে, সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, সীমান্ত রক্ষায় বাংলাদেশ সদা জাগ্রত। মিয়ানমারে যে অস্থিরতা বিরাজ করছে এর ফলে সীমান্তে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি থাকতে পারে। কাজেই এই বিষয়ে আমরা প্রস্তুত আছি। আমাদের প্রস্তুতি আছে।

গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে জাতীয় পার্টিকে ভাঙ্গা হচ্ছে, বিএনপির এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা সংসদে বিরোধী দল গঠন করেছে এর বাইরে জাতীয় পার্টির নামে কোন একটা ভাগ সৃষ্টি করা হলে সেটা তাদের নিজেদের ব্যাপার। এতে জাতীয় সংসদে থাকা জাতীয় পার্টির কেউ নেই। কাজেই এ নিয়ে আমাদের মাথা ঘামানোর কিংবা উদ্বেগের কিছু নেই। 

আরও পড়ুন>> মেক্সিকোয় সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ আর্জেন্টাইন পর্যটক নিহত

ঢাকা শহরের বায়ু দূষণ নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বায়ু দূষণ রোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বন ও পরিবেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সর্বাত্মক কাজ করে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে তিনি কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। ইটের ভাটা বন্ধ করা একটা বড় কাজ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ।


আরও খবর



ঢাকায় আসছেন মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরিন আক্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঢাকা-ওয়াশিংটনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরিন আক্তার আগামী সপ্তাহে ঢাকায় আসছেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার প্রথম ঢাকা সফর।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, আফরিন আক্তার ২৪ ফেব্রুয়ারি তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসতে পারেন।

সংসদ নির্বাচনের আগে গত অক্টোবরে আফরিন আক্তার ঢাকা সফর করেন। নির্বাচনের আগে সেটাই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কোনো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার শেষ বাংলাদেশ সফর।

কূটনেতিক সূত্র জানিয়েছে, তিন দিনের ঢাকা সফরের সময় আফরিন আক্তার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (উত্তর আমেরিকা অনু বিভাগ) খন্দকার মাসুদ আলমের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা করবেন। এর পাশাপাশি পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে পারেন তিনি।

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশ তথা আওয়ামী লীগ সরকারের মতপার্থক্য রয়েছে। নির্বাচনের আগে ও পরে যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি। এমন এক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ মাসের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি লেখেন। ওই চিঠিতে তিনি দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ঐকান্তিক ইচ্ছার’ কথা উল্লেখ করেন।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, আফরিন আক্তার বাংলাদেশ সফরের সময় একটি অবাধ ও মুক্ত ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীর পাশাপাশি মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি আলোচনায় আসতে পারে।

গত বছরের অক্টোবরে বাংলাদেশে এসেছিলেন আফরিন আক্তার। পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাশার কথা অব্যাহতভাবে বলে যাচ্ছে। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর থাকবে দেশটির। দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারত্বকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের শান্তিপূর্ণ উত্তরণে যুক্তরাষ্ট্র জোর দিচ্ছে।

নির্বাচন নিয়ে দুই দেশের মতপার্থক্য, এ নিয়ে ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তাদের অবস্থানের সঙ্গে জো বাইডেনের চিঠির গুণগত পার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে নির্বাচনের বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। এ নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকেরা বলছেন, ডেমোক্রেটিক পার্টির পররাষ্ট্রনীতিতে গণতন্ত্র, সুশাসনের মতো মূল্যবোধের বিষয়গুলো সব সময় থাকবে। তবে বাংলাদেশের নির্বাচন–পরবর্তী পরিস্থিতিতে অংশীদারত্বের বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্র সামনে রাখবে।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




সাতজনকে নতুন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও সাত প্রতিমন্ত্রী। তাদের নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এবার উপমন্ত্রী শূন্য থাকছে শেখ হাসিনার চতুর্থ মন্ত্রিসভা।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদের সচিব মাহবুব হোসেন শুক্রবার এক প্রজ্ঞাপনে সাত প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের কথা জানান।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আজ ১ মার্চ নিম্মবর্ণিত ব্যক্তিবর্গকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহীদুজ্জামান, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল ওয়াদুদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. নজরুল ইসলাম, ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য বেগম রোকেয়া সুলতানা, বেগম শামসুন নাহার, বেগম ওয়াসিকা আয়শা খান এবং নাহিদ ইজহার খান যুক্ত হচ্ছেন।

উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত ১১ জানুয়ারি শপথ নেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৩৭ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা। বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী বাদে পূর্ণমন্ত্রী রয়েছেন ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ১১ জন।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্যবাহী কন্টেইনার স্ক্যানার স্থাপন

‘বন্দরের স্বার্থ, দেশের স্বার্থ ক্ষুন হয় এমন কিছু শেখ হাসিনার সরকার করবে না’

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছে এবং আরো বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করছে। দেশের স্বার্থ বিকিয়ে শেখ হাসিনা কিছু করবেন না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামগ্রিক চিন্তা করেন। চট্টগ্রাম বন্দরের স্বার্থ, দেশের স্বার্থ ক্ষুন হয় এমন কিছু শেখ হাসিনার সরকার করবে না।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরের ৪নং গেইট সংলগ্ন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সংযোজিত রপ্তানিমুখী পণ্যবাহী কন্টেইনার স্ক্যানার স্থাপন ও হস্তান্তর এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম সোহায়েল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ মোস্তফা কামাল, প্রকল্প পরিচালক ও চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (নিরাপত্তা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তফা আরিফুর রহমান খান।

প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ২০১৯ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এনবিআর চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সব বন্দরে স্ক্যানার বসাতে হবে। তাঁর আন্তরিকতায় অনেক স্ক্যানার বসানো হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর রপ্তানি পণ্যের জন্য দুইটি স্ক্যানার বসানোর খবর শুনে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই খুশি হবেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আইএসপিএস কোড কমপ্লায়েন্স চট্টগ্রাম বন্দরের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখার জন্য আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। আন্তর্জাতিক মহলে নিরাপদ হিসেবে আখ্যায়িত করার জন্য আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জামাদি চট্টগ্রাম বন্দরে স্থাপন করা হচ্ছে। এছাড়া মোংলা, পায়রা এবং অন্যান্য স্থল বন্দর ডিজিটালাইজেশন করা হচ্ছে। সেখানেও স্ক্যানার বসানো হবে।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের গৃহীত ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশের রূপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা বহরে যুক্ত হয়েছে রপ্তানিমুখী কন্টেইনার স্ক্যানার। এটি রপ্তানি পণ্যের জাহাজীকরণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে, বন্দরের কন্টেইনার জট হ্রাস করবে, বৈধ বাণিজ্য সহজতর করবে, অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের রপ্তানি নিবৃত্ত করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বন্দর নিরাপত্তা সংস্থা এবং রপ্তানি সহযোগী দেশের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ও কার্যকর ব্যবস্থা বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালনে সহায়তা করবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম বন্দরের সংরক্ষিত এলাকার অভ্যন্তরে ৪ নম্বর ও সিপিএআর গেট সংলগ্ন এলাকায় এ স্ক্যানার দুইটি স্থাপন করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় ২টি রপ্তানিমুখী গেটে ২টি কন্টেইনার স্ক্যানার, ২ সেট রেডিও একটিভ পোর্টাল মনিটর, স্ক্যান্ড ইমেজ মনিটরিং সেন্টার, রিয়েল টাইম সিসিটিভি ও ইমেজ মনিটরিং সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে কার্গো রপ্তানির ক্ষেত্রে কার্যকর প্রয়োগ ও স্বেচ্ছা পরিপালনের মাধ্যমে বিদ্যমান কার্গো পরীক্ষা পদ্ধতিতে প্রচলিত ব্যক্তি কর্তৃক হস্তক্ষেপ প্রতিহত করা সম্ভব হবে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, বাণিজ্যিক ব্যয় হ্রাস করাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত মনিটরিং ব্যবস্থা চালু হবে। বন্দরের সার্বিক উন্নয়ন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এরিয়া কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আজিম, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার ফাইজুর রহমান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, মেট্রোপলিটন চেম্বার সভাপতি খলিলুর রহমান, বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক, ফাইভ আর অ্যাসোসিয়েটসের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট রায়ান জাহিদ রহমান প্রমূখ।


আরও খবর