আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

ঢাবিতে যৌন নিপীড়ন : তিন মাসের বাধ্যতামূলক ছুটিতে নাদির জুনাইদ

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি প্রতিনিধি

Image

ঢাবি ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক নাদির জুনাইদকে বাধ্যতামূলক ৩ মাসের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ওই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আবুল মনসুরের কাছে রেজিস্ট্রার দফতর থেকে আসা চিঠিতে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠনসহ অন্যান্য পদক্ষেপ নেয়া হবে। 

এদিকে অধ্যাপক নাদির জুনাইদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন না তিনি।

অন্যদিকে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় ঢাবির সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। আন্দোলনে সোমবার তারা শিক্ষক নাদিরের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

প্রসঙ্গত, এর আগে শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক ছাত্রী নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলে প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বেইলি রোডে আগুন : কারণ অনুসন্ধানে ফায়ারের ৫ সদস্যের কমিটি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্ট ভবনে লাগা আগুনে এখন পর্যন্ত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিটের চেষ্টায় দুই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও এখনও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে ফায়ার সার্ভিস।

ভয়াবহ এই আগুনের ঘটনার নেপথ্যের কারণ, ভবনের অগ্নি নিরাপত্তা ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণসহ হতাহত বেশি হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার এরশাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির সভাপতি : পরিচালক(অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, কমিটির সদস্য সচিব ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিন, সদস্য করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট জোনের ডিএডি, সিনিয়র স্টেশন অফিসার এবং ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টরকে। কমিটিকে সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।


আরও খবর



মোংলা বন্দরে দীর্ঘ দুই বছর পর ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আবু বকর সিদ্দিক, মোংলা প্রতিনিধি

Image

ড্রেজিংয়ের উত্তোলিত বালু ফেলার জায়গা জটিলতা কেটে যাওয়ায় মোংলা বন্দরের ইনারবার চ্যানেলের ড্রেজিং কার্যক্রম ফের শুরু হয়েছে। খনন করা পলি ফেলার জায়গা সংকটে দীর্ঘ প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল হতে বন্দরের পশুর চ্যানেলের/নদীর বেসক্রিক বয়া এলাকা থেকে এই ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রথম দিন সেকশন ৪-এর আওতায় বাল্কহেড ড্রেজারের মাধ্যমে এই খননকাজ শুরু করে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমান জানান, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে নিয়মিত পশুর চ্যানেল ড্রেজিংয়ের বিকল্প নেই।

২০২১ সালের ১৩ মার্চ শুরু হওয়া ইনারবার ড্রেজিংয়ের খনন করা পলি ফেলার জায়গার অভাব দেখা দিলে মাঝপথে বন্ধ থাকে। তবে আপাতত খনন করা পলি মাটি রাখার জায়গা নির্ধারণ হওয়ায় শুক্রবার থেকে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই ড্রেজিংয়ের মাটি রাখা হচ্ছে জয়মনি এলাকায়। এবার থেকে ইনারবারের ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার রাসেল আহম্মেদ খান বলেন, ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে খনন করা পলি মাটি রাখার জায়গার অভাব দেখা দিলে ইনারবারে ড্রেজিং বন্ধ থাকলেও পশুর চ্যানেল স্বাভাবিক ছিল। জাহাজ চলাচলে সমস্যা হয়নি। তবে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখা না গেলে ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হবে। এজন্য পুরোনো জায়গা জয়মনিতে মাটি ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে আজ থেকে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করা হয়। এর আগে এই ড্রেজিং কার্যক্রম শুরুর আগে সার্ভে করে দেখা হয়েছে যে কতটুকু পলি জমেছে। সেই সার্ভে শেষ করে এই ড্রেজিং শুরু করা হয়। এই চ্যানেলে ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান রাখতে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবসহ মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের (বন্দর চ্যানেল) হাড়বাড়িয়া এলাকা থেকে বন্দর জেটি পর্যন্ত এলাকার নাম ইনারবার। ইনারবারের ২৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার এলাকায় ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের উদ্বোধন করা হয় ২০২১ সালের ১৩ মার্চ। ওই বছরের ১০ এপ্রিল ড্রেজিংয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। সেই সময় প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৯৩ কোটি টাকা।

ড্রেজিং করা বালু বা পলি মাটি ফেলার জন্য মোংলা উপজেলায় ৭০০ একর ও খুলনার দাকোপ উপজেলায় বানিশান্তা এলাকায় ৩০০ একর জমি হুকুম দখল করা হয়। মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের জয়মনি এলাকার জমিতে বালু ফেলা হয়। কিন্তু পশুর নদের পূর্ব পাশের খুলনার দাকোপ উপজেলার বানিশান্তার তিন ফসলি জমিতে বালু ফেলা ঠেকাতে আন্দোলন শুরু করে এলাকাবাসী ও বিভিন্ন সংগঠন। তাদের আপত্তির মুখে সেখানে বালু ও মাটি ফেলা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। সেই থেকে প্রায় দুই বছর ধরে ইনারবার ড্রেজিং বন্ধ ছিল।

এ অবস্থায় মোংলা উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের সানবান্ধা মৌজায় ২৬২ একর জমিতে বালু ফেলানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হলে সেখান থেকে ভূমি মন্ত্রাণালয়ে পাঠানো হয়। এরই মধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় ২০২২ সালের জুন মাসে। এ পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে ৩৪ শতাংশ। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পারায় প্রকল্প ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯২কোটি টাকায়, যা গত বছরের ৪এপ্রিল একনেক সভায় অনুমোদন পেয়েছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল ও হাইড্রোলিক্স) শেখ শওকত আলী বলেন, ইনারবারের গভীরতা সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় মিটার। ড্রেজিং করে সাড়ে আট মিটার করার কথা। ড্রেজিং করা স্থানগুলো থেকে যে পরিমাণ পলি অপসারণ করা হয়েছিল, গত প্রায় দুই বছরে তার ৭০ ভাগ পলি আবারও জমা হয়েছে। এ অবস্থা ড্রেজিং প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ড্রেজিং কাজ বন্ধ থাকায় এত দিনে পলি পড়ে নাব্য আরও কমে গেছে। এ ছাড়া ড্রেজারের তেলসহ অন্যান্য জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রকল্প ব্যয় বেড়েছে।

বালু ফেলার জায়গার বিষয়ে শেখ শওকত আলী বলেন, নতুন করে কোনো জায়গা না মেলায় পুরোনো জায়গা জয়মনি এলাকায় আপাতত বালু ফেলা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে সেকশন ৪-এর আওতায় বাল্কহেড ড্রেজারের মাধ্যমে মাটি কেটে অন্য একটি বাল্কহেডে তোলা হচ্ছে। পরে তা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আগামীকাল রোববার থেকে কাটার সাকশন ড্রেজার দিয়ে পুরোদমে ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হবে। খনন করা সেই পলি মাটি রাখা হবে আগেরই ডাম্পিং এলাকা জয়মনিতে।


আরও খবর



বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ রপ্তানি হয় বিশ্বের ১৫৭ দেশে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন জানিয়েছেন, বিশ্বের ১৫৭টি দেশে বাংলাদেশের উৎপাদিত ওষুধ রপ্তানি করা হয়। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১৯ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামের করা প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ওষুধশিল্পে উত্তরোত্তর উন্নতি করেছে। দেশের মোট চাহিদার ৯৮ শতাংশ ওষুধ এখন দেশেই উৎপাদিত হয়। বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রায় সব ওষুধই রপ্তানি হচ্ছে। দেশে উৎপাদিত ওষুধ বিদেশে রপ্তানিতে উৎসাহিত করতে সরকারিভাবে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে চলতি বছর ১০ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সরকারদলীয় সাংসদ আনোয়ার হোসেন খানের করা এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে প্রায় ৫ হাজার ৯০০ কোটি ৫৪ লাখ ৫৬ হাজার ৯০৩ টাকার ওষুধ রপ্তানি করা হয়েছে।

স্বতন্ত্র সাংসদ মো. আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে সামন্ত লাল সেন বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রায় ৩২ প্রকারের ওষুধ ও সরকারি হাসপাতালে ১০৫ প্রকারের ওষুধ বিনা মূল্য সরবরাহ করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম-১১ আসনের সাংসদ এম আবদুল লতিফের করা প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৭২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরে এডিস মশার প্রাক্‌-মৌসুম, মৌসুম ও মৌসুমপরবর্তী জরিপ চলমান রয়েছে। জরিপের ফল সংশ্লিষ্ট সব সিটি করপোরেশনকে অবহিত করা হচ্ছে। এ ছাড়া ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই মাস পরপর এডিস মশার জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




শক্ত ও মজবুত হাড় পেতে কী খাবেন?

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

হাড়ের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। ঠিক মতো হাড়ের যত্ন না নিলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। আর্থরাইটিসের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য হাড়কে মজবুত করতে অত্যন্ত সাহায্য করে। তবে এ ছাড়াও হাড়ের স্বাস্থ্যের ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে আরও কিছু খাবার। ভারতীয় পুষ্টিবিদ অঞ্জলি মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন এমনই কিছু খাবারের কথা। যেমন-

১. পালং শাকের রস ও কাঁচা গাজরের রস হাড়ের শক্তির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এতে থাকা বহু উপাদানে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে যা হাড় ভালো রাখতে ভীষণ সাহায্য করে। এতে ব্যথাও কমতে পারে। তাই এগুলি নিয়মিত খেতে পারেন। 

২. খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন টফু, সবুজ শাক সবজি, গাজর, ব্রকোলি এবং ঢেঁড়স যুক্ত করা উচিত। এগুলি হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। নিয়মিত খেলে কমতে পারে হাড়ে ক্ষয়। 

৩. ক্যালসিয়াম ও হাড়ের শক্তির জন্য প্রতিদিন দুই থেকে তিন টেবিল চামচ সাদা ও কালো বীজ খাওয়া উচিত। এতে হাড় মজবুত হয়।

৪. ছোলাসহ বিভিন্ন ডাল ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ।হাড় মজবুত রাখতে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ডাল যোগ করুন। 


আরও খবর
২৯ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জেলেনস্কির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (এমএসসি) ২০২৪-এর ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে কনফারেন্স ভেন্যু হোটেল বেইরিশার অব-এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উভয় নেতা দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

একই স্থানে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

প্রধানমন্ত্রী এর আগে সকালে সম্মেলনস্থলে নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। তার আগে প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) কাতার ও ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪-এ যোগ দিতে তিন দিনের সরকারি সফরে ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মিউনিখে পৌঁছেন। সফর শেষে শেখ হাসিনা রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে মিউনিখ ত্যাগ করবেন ও ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় পৌঁছার কথা রয়েছে।


আরও খবর