আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

দিল্লিতে বহুতল ভবনে আগুন, নিহত বেড়ে ২৭

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ২৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতের পশ্চিম দিল্লির মুন্ডকা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি তিন তলা বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন বলে টাইমস অব ইন্ডিয়া ও এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে।

বাণিজ্যিক ভবনটিতে আগুন লাগার পর বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসেন। তাদের ২০টি ইউনিট রাত নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন চলছে উদ্ধার অভিযান। ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে অন্তত ৬০ থেকে ৭০ জনকে।

দিনের ব্যস্ত সময়ে যখন আগুন লাগে, তখন বাড়িতে অনেকে ছিলেন। আগুন থেকে বাঁচতে বহুতল থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন অনেকে। তাদের মধ্যে ৪০ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এনডিটিভির খবরে জানা যায়, আগুনের শুরু ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি অফিস থেকে। সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা ও রাউটার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের অফিস ছিল। আগুনের ঘটনায় শোক প্রকাশ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট বার্তায় বলেছেন, দিল্লিতে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত। শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।

এছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারের জন্য ২ লাখ ও আহতদের জন্য ৫০ হাজার রুপি করে দেওয়ার ঘোষণা দেন মোদি।


আরও খবর



ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন বিপ্লব কুমার

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করছেন বিপ্লব কুমার দেব। শনিবার (১৪ মে) দুপুরে রাজভবনে গিয়ে তিনি রাজ্যপাল সত্যদেও আর্য নারায়ণের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

এর আগে শুক্রবার (১৩ মে) দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন বিপ্লব কুমার। গত বৃহস্পতিবার তিনি রাজধানীতে যান এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ডা. জেপি আড্ডার সঙ্গে দেখা করেন।

তবে বিধানসভা ভোটের আগের বছর বিপ্লব কুমারের আচমকা পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

২০১৮ সালের ৯ মার্চ প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন বিপ্লব কুমার। তবে মেয়াদ শেষের ১০ মাস আগে হঠাৎই পদত্যাগ করলেন তিনি।

পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার সময় তার সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ভুপেন্দর যাদব, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিনোদ কাউড়ে, পর্যবেক্ষক বিনোদ সোনকর, অজয় জাম্বুয়াল এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক।

এদিন রাজ্যভবনে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর বেরিয়ে আসার সময় কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় বিপ্লব কুমারকে। তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিয়ে পদত্যাগ করেছেন।


আরও খবর



ওয়াশিংটন টাইমসে যেসব বিষয় তুলে ধরলেন সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহামারীতে বিশ্বজুড়েই যখন কর্মসংস্থান হৃাস পাচ্ছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যাচ্ছে, তখন ডিজিটালাইজেশনের সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশ কীভাবে এগিয়ে যাচ্ছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

লকডাউনের মধ্যে নিজস্ব অফিসের বাইরে মানুষকে বাড়িতে বসে অফিস করতে হয়েছে, আর সেই সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা কীভাবে দুনিয়া দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সে বিষয়েও বিস্তারিত উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টার লেখায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াশিংটন টাইমসে মঙ্গলবার ডিজিটাল লিপস হেলস্‌ বাংলাদেশ ন্যাভিগেইট দ্য প্যানডেমিক শীর্ষক জয়ের কলামটি প্রকাশিত হয়।

কলামে সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, কোভিড-১৯ মহামারী বিশ্বজুড়ে শ্রমবাজারকে ব্যাহত করেছে এবং এই ধারা আজও অব্যাহত রয়েছে। স্বল্পমেয়াদী ফলাফল ছিল দ্রুত ও তীব্র। লক্ষ লক্ষ মানুষকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় এবং আরো লক্ষ লক্ষ মানুষ বাড়ি থেকে কাজ শুরু করেছিল। মহামারীর দীর্ঘমেয়াদী এই প্রভাব নিয়ে এখনো বিতর্ক হচ্ছে। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত; শ্রমের চাহিদা এবং আমাদের কাজ করার পদ্ধতি চিরতরে পরিবর্তিত হয়েছে।

অনেক সরকার এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো এই ধাক্কা মানিয়ে নিতে সংগ্রাম করছে। কিন্তু বাংলাদেশের সরকারের অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবাখাতকে আধুনিক ও ডিজিটাল করার যে পরিকল্পনা, তার মধ্যে এ বিষয়ে কিছু উত্তর মিলছে।

পেশাদার তথ্য-প্রযুক্তিবিদ জয়ের লেখায় ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা এবং দেশের মানুষের ইন্টারনেট প্রাপ্তির সুবিধার কথা উঠে এসেছে।

সজীব ওয়াজেদ লিখেছেন, ২০০৯ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরুর পর দ্রুত ইন্টারনেট অ্যাক্সেস বৃদ্ধি এবং বহুমুখী অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করে। সংক্ষেপে, ডিজিটাল বাংলাদেশ ইন্টারনেটের ব্যবহার ও স্মার্টফোন-ভিত্তিক প্রোগ্রামগুলির ব্যবহার ধীরে ধীরে সহজ করে তুলেছে এবং কাগজ-ভিত্তিক সরকারি পরিষেবাগুলিকে প্রতিস্থাপন করেছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, সরকার ৮৫০০ টিরও বেশি ডিজিটাল সেন্টারের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে যা সর্বত্র অনলাইন পরিষেবা সরবরাহ করছে। ২০০৮ সালে এই পরিষেবাগুলির সবই ছিল সাধারণ মানুষের আওতার বাইরে। তখন মাত্র ৮ লাখ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতো। কিন্তু এখন বাংলাদেশে ১২ কোটিরও বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে। ইন্টারনেট আওতায় রয়েছে দেশের ৯৮ ভাগ অঞ্চল।

তিনি আরও লিখেছেন, ডিজিটাল বিশ্বে সফল হওয়ার জন্য বাংলাদেশ লক্ষ লক্ষ মানুষকে প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে সজ্জিত করেছে। উদাহরণস্বরূপ, সরকার ৮৬ হাজার ডিজিটাল ক্লাসরুম তৈরি করেছে এবং ১৫ লাখ শিক্ষার্থীকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে (আইসিটি) প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ফলস্বরূপ, ২০০৮ সালের ২৫ মিলিয়ন ডলারের তথ্য প্রযুক্তি রপ্তানি ২০২১ সালের ২০০০ মিলিয়নে(২ বিলিয়ন) পৌঁছেছে।

মহামারীর মধ্যে ঘরে বসে কাজ করা এবং এই সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের কাজের প্রসার বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা লিখেছেন, মহামারীর ফলে উত্থাপিত অনেক শ্রম ও অর্থনৈতিক বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর মিলছে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে। যখন বিশ্বজুড়ে অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছিল, যখন কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত জমায়েতের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে তখন আমি কীভাবে জীবিকা অর্জন করব? বাংলাদেশিরা তাদের বাড়িতে কম্পিউটারে কাজ করেছে এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে দুরে বসেও কাজ করার সুবিধা গ্রহণ করেছে।

প্রকৃতপক্ষে, বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং বুমিং হচ্ছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন ফ্রিল্যান্সার সরবরাহকারী দেশ এখন বাংলাদেশ। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে রয়েছে ৫০ হাজার ফেসবুক-ভিত্তিক উদ্যোক্তা। বাংলাদেশে প্রায় ৪৩ মিলিয়ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই প্ল্যাটফর্মটি বিস্তৃত পরিসরে ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করে। এটি মহামারী চলাকালীন একটি স্থিতিস্থাপক কর্মসংস্থান মডেল হিসাবেও প্রমাণিত, কারণ কাজের ধরণ অফিসে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিতির পরিবেশ থেকে দূরে সরে গেছে।

তিনি লিখেছেন, ফ্রিল্যান্স কাজের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডিজাইন, ট্যাক্স প্রস্তুতি, সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান ও মার্কেটিং। বিশ্বের আউটসোর্সিং সেবা প্রদানের জন্য এশিয়া এক নম্বর অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন শুরুর পর বাংলাদেশে বিজনেস প্রসেসিং আউটসোর্সিং (বিপিও) সেক্টর সমৃদ্ধ হয়েছে। বিপিও খাত বছরে প্রায় ২৪ শতাংশ হারে বাড়ছে। ২০০৮ সালে এ খাতে প্রায় ৪ মিলিয়ন ডলারের রাজস্ব রেকর্ড করে। আজ, সেক্টরটি বছরে ৬৮ মিলিয়ন ডলার আয় করে। এর আরও ভাল দিক যে, এই খাতে ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জয় লিখেছেন, বাংলাদেশ সরকার তথ্য প্রযুক্তি খাতকে সহায়তা দেয় এমন নীতি তৈরি করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সম্প্রতি দেশে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ স্ব-নিযুক্ত পেশাদার ফ্রিল্যান্সার আইডেন্টিফিকেশন কার্ড দেওয়া শুরু হয়েছে। আইডি দিয়ে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের সুবিধাগুলি উপভোগ করতে পারবে, যা আগে শুধুমাত্র যারা বেতনের চাকরিতে করতেন তাদের কাছে পরিচিত ছিল। ফলস্বরূপ, ফ্রিল্যান্সাররা তাদের উদ্যোক্তা প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাংক ঋণ পেতে পারেন। এছাড়াও তাদের জন্য রয়েছে অন্যান্য প্রণোদনা, বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য কর ছাড়ের বিষয়টি।

বাংলাদেশের প্রথম জিওস্টেশনারি কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ ডিজিটাল কাজের গতি বাড়িয়েছে। ২০১৮ সালে চালু হওয়া স্যাটেলাইটটি বাংলাদেশের ইন্টারনেট কাভারেজ প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রসারিত করে, যেটির মাধ্যমে এমনকি গ্রামীণ বাংলাদেশিরাও টেলিমেডিসিন সহায়তা, ই-লার্নিং ও ই-ব্যাংকিং সেবা পেতে পারে।

তিনি লিখেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং এটি যে নতুন ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান করে তার সুবিধা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের তরুণ জনসংখ্যা (প্রায় ৬৫ শতাংশ ২৫ বছরের কম বয়সী) উপযুক্ত অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে এবং এখন বছরে ৫ লাখ ডিজিটাল কর্মী গ্র্যাজুয়েট করছে।

কোভিড-১৯-এর অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবেলায় ডিজিটাল বাংলাদেশের ফল সঠিক সময়েই পেকেছে। নতুন কর্মক্ষেত্রটি দেখতে কেমন তা নির্ধারণ করার জন্য যখন বিশ্ব চেষ্টা করছে, তখন বাংলাদেশ তার দ্রুত ডিজিটাইজেশন ও দূরবর্তী কাজের স্থানান্তরের একটি মডেল প্রদান করেছে।


আরও খবর



সাভারে নদী থেকে ভাসমান লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | ৪২৫জন দেখেছেন

Image

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:

সাভারে বুড়িগঙ্গার শাখা নদীতে ভাসমান অর্ধ গলিত এক ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে সাভার নৌ পুলিশ। শুক্রবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে সাভার উপজেলার ভাকুর্তা ইউনিয়নের সলমাসি এলাকার বুড়িগঙ্গার শাখা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মরদেহটি পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে মরদেহটি আনুমানিক ৪০ বছর বয়সের কোনো এক যুবকের।

সাভার আমিন বাজার নৌ পুলিশ স্টেশনের পরিদর্শক (ওসি) শরিফুল ইসলাম সরদার উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয়রা মরদেহটি ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। অজ্ঞাত মরদেহটি অর্ধগলিত হওয়ায় শরীরের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কিনা বুঝা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

মরদেহটির পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



পশ্চিমবঙ্গ থেকে পি কে হালদারকে দেশে ফেরাতে রুল শুনানি আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ২৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা পাচার ও আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে পালিয়ে থাকার পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে) হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনা সংক্রান্ত রুলের শুনানির উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

এর আগে ২০২০ সালের ১৯ নভেম্বর এ বিষয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ। সেটির বিষয়ে আজ মঙ্গলবার (১৭ মে) শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে, সোমবার (১৬ মে) এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদারকে ভারতে গ্রেফতার হওয়ার তথ্য আদালতকে জানান রাষ্ট্রপক্ষ।

এদিন রাষ্ট্রপক্ষ এ সংক্রান্ত রুল শুনানির জন্য উপস্থানের পর রুলটি আজ (মঙ্গলবার) শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চে কার্যতালিকায় (কজলিস্টে) রয়েছে।

সোমবার (১৬ মে) সকালে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করেন। এসময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খানও ছিলেন।

এক পর্যায়ে আদালত বলেন, আমাদের মেসেজ ক্লিয়ার। দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অপরাধের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, সে যেই হোক। আমরা এ ব্যাপারে সিরিয়াস।

পি কে হালদারকে গ্রেফতার ও দেশে ফিরিয়ে আনা প্রশ্নে দেড় বছর আগে স্বপ্রণোদিত রুল দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এ রুলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনো হয়নি। এর মধ্যেই গত শনিবার (১৪ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার হন পি কে হালদার। বাংলাদেশে আর্থিক খাতে আলোচিত এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করার অভিযোগ রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: পি কে হালদার

আরও খবর



পারস্য উপসাগরে 'শান্তির শহর বাংলাদেশ'

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের নামে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশের নানা স্থানের নামকরণের খবর শোনা যায়। কোনো সন্দেহ নেই যে এটা বাংলাদেশিদের জন্য গর্বের। এবার বাংলাদেশ নামে একটি দ্বীপ গড়ে তোলার খবর পাওয়া গেছে। পারস্য উপসাগরে এটি নির্মাণ করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। বাংলাদেশ নামের এই দ্বীপকে বলা হচ্ছে 'বাংলাদেশ সিটি অব পিস' বা শান্তির শহর বাংলাদেশ। তবে খুব তাড়াতাড়ি এই দ্বীপে বসবাস কিংবা ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন না কেউ। আগ্রহীদের পুরো নির্মাণকাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

জানা গেছে, মূলত দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের চিন্তাপ্রসূত প্রকল্প এটি। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী বিশ্ব মানচিত্রের আদলে 'দ্য ওয়ার্ল্ড আইল্যান্ডস' নামের এই দ্বীপপুঞ্জ নির্মাণ শুরু করে দুবাই। ২০০৩ সালে নির্মাণ শুরু হয় ছোট ছোট কৃত্রিম দ্বীপের। একশ মিটার গড় দূরত্বের দ্বীপগুলোর আয়তন ১.৪ থেকে ৪.২ হেক্টর পর্যন্ত। ডিম্বাকৃতির দ্বীপপুঞ্জের দৈর্ঘ্য ৯ কিলোমিটার ও ৬ কিলোমিটার প্রস্থ।

এই দ্বীপপুঞ্জ ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, অ্যান্টার্কটিকা এবং ওশেনিয়া মহাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে সাতটি দ্বীপ নিয়ে গঠিত। দ্বীপগুলোর নামকরণ করা হয়েছে বিভিন্ন দেশ ও সেসব দেশের ল্যান্ডমার্ক বা অঞ্চলের নামানুসারে। যেমন- ফ্রান্স, ক্যালিফোর্নিয়া, মাউন্ট এভারেস্ট, অস্ট্রেলিয়া, নিউ মেক্সিকো, উর্নাভিক, বুয়েনেস আইরেস, নিউইয়র্ক, মেক্সিকো, সেন্ট পিটার্সবার্গ বা ইন্ডিয়া নামে।

ব্যয়বহুল প্রকল্পটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই উপকূলে অবস্থিত। এটি মূলত দুবাইয়ের অগভীর উপকূলীয় জলাশয় থেকে জলাবদ্ধ বালুর সমন্বয়ে গঠিত। প্রায় দুই দশক আগে কাজ শুরু হলেও ২০০৭-২০০৮ সালে বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের কারণে এর উন্নয়ন স্থগিত হয়ে যায়। ২০০৮ সাল পর্যন্ত ৬০% দ্বীপ বেসরকারি ঠিকাদারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তবে বেশিরভাগ দ্বীপের উন্নয়ন এখনও শুরু হয়নি। ২০১২ সাল পর্যন্ত মাত্র লেবানন দ্বীপটি উন্নত হয়েছিল এবং এটিই একমাত্র দ্বীপ এখন পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে যার উন্নয়ন হয়েছে।

ব্যক্তিগত ও করপোরেট ইভেন্ট এবং পাবলিক পার্টির জন্য সেটিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০১৩ সালের শেষের দিকে আরও দুটি দ্বীপের উন্নয়ন করা হয়েছে। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ক্লেইন্ডিয়েনস্ট গ্রুপ 'দ্য হার্ট অব ইউরোপ' প্রকল্প চালু করার ঘোষণা দেয়। এই সিরিজের দ্বীপগুলোর মধ্যে ইউরোপ, সুইডেন এবং জার্মানির উন্নয়নের কাজ করবে ক্লেইন্ডিয়েনস্ট গ্রুপ।

২০২০ সালের জুনে হার্ট অব ইউরোপ প্রকল্পের অংশ হিসেবে রেইনিং স্ট্রিট নামে একটি রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করলেই কৃত্রিম বৃষ্টিপাত তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: পারস্য উপসাগর

আরও খবর