আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

দক্ষিণ আফ্রিকায় অর্থ পাচারে পাঁচ বাংলাদেশির নাম

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

দক্ষিণ আফ্রিকায় টাকা পাচারে ৫ বাংলাদেশির নাম উঠে এসেছে। তাদের সবাইকে একসাথে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সানডে ওয়াল্ডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই বাংলাদেশি নাগরিককে জালিয়াতির মামলায় আদালতে হাজির করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ১১ মিলিয়ন রান্ড জালিয়াতির অভিযোগ করা হয়েছে। পরে আদালত তাদের ২০ হাজার রান্ডের বিনিময়ে জামিন দিয়েছেন। এ নিয়ে অর্থ জালিয়াতির মামলায় সম্পৃক্তদের সংখ্যা পাঁচজনে পৌঁছেছে।

অভিযুক্ত এ দুই বাংলাদেশি হলেন রিপন ইউনুস এবং আশরাফ গুলামমাহাদ প্যাটেল। বৃহস্পতিবার তাদের কিম্বার্লি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অপরাধ আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে আরও তিন বাংলাদেশিকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

নর্দার্ন কেপ হকসের মুখপাত্র কর্নেল তেবোগো থিবে জানান, বুধবার তাদের দুজনকে অর্থপাচারের অভিযোগে হকস বাহিনী আটক করেছিল। এ দুই ব্যক্তি গত ১ থেকে ৩ মার্চের মধ্যে নিজেদের দোকানের মাধ্যমে অর্থ জালিয়াতি করেছিলেন।

এ দুই বাংলাদেশি ছাড়াও অভিযুক্ত বাকি তিনজন হলেন আমিনুল ইসলাম, উল্লাহ ফোজি এবং আকতার আতিকা। তাদের তিনজনকে মার্চে কিম্বারলি বিমানবন্দর থেকে মার্চে আটক করা হয়েছিল। তারা জোহানেসবার্গ থেকে দুবাই হয়ে ঢাকা ফেরার চেষ্টা করছিলেন। তারা তখনও জামিন পাননি।

থিবে জানান, আদালত ইউনুস ও প্যাটেলের মামলা আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি করেছেন। এ সময়ে তাদের পাঁচজনকে একসাথে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




শুভ্র দেবের ‘একুশে পদক’ নিয়ে সমালোচনা!

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ নাগরিককে একুশে পদক-২০২৪ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত মঙ্গলবার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আইরীন ফারজানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর মধ্যে শিল্পকলায় সংগীত ক্যাটাগরিতে একুশে পদক পাচ্ছেন জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও শুভ্র দেব। আর নৃত্যকলায় একুশে পদক পাচ্ছেন শিবলী মোহাম্মদ, অভিনয়ে ডলি জহুর, এম এ আলমগীর, আবৃত্তিতে খান মো. মুস্তাফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী।

তবে নেটদুনিয়ায় কথা উঠেছে- শুভ্র দেবের একুশে পদক পাওয়া নিয়ে! যা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনাও। শুরুটা হয় বরেণ্য সুরকার ও সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদের একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে।

অনেকটা আক্ষেপ নিয়ে এই সুরস্রষ্টা বলেন, দেশের সংগীতে শুভ্র দেবের অবদান আছে। কিন্তু তার চেয়ে অনেক বেশি অবদান লাকী আখন্দ, আইয়ুব বাচ্চু, ফুয়াদ নাসের বাবু, নকিব খান, কুমার বিশ্বজিৎ, তপন চৌধুরী, হামিন আহমেদ, মাকসুদুল হক, মাহফুজ আনাম জেমস এবং প্রিয় গীতিকবি কাওসার আহমেদ চৌধুরী ও শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর। প্রিয় শুভ্র দেবের উচিত এই প্রসঙ্গে কথা বলা। নিজে পদক না গ্রহণ করে সত্যকার মেধাবীকে পদক দিতে বলার এই সংস্কৃতি এখনই শুরু হোক

তিনি আরও বলেন, শুভ্র দা আমার কাছের মানুষ। আমার ওপর রাগ করবেন কিন্তু সত্য বলছি, এই সত্য যদি স্বীকার করেন তাহলে শিল্পী হিসেবে তার জায়গা অনেক ওপরে থাকবে। এখানে শুভ্র দেব নামটি উপলক্ষ মাত্র। যিনি পদক পাচ্ছেন তিনি যদি উপলব্ধি করেন তার চেয়ে যোগ্যতর মানুষটি পদকের ক্ষেত্রে বঞ্চিত, তিনি তার কথা বলে যাবেন। সব ক্ষেত্রেই তা হওয়া উচিত। এই চর্চা থাকলে আরও বহু গুণী মানুষ পেতাম আমরা। যাই হোক, সত্যিকার মেধাবীকে পদক দিতে বলার এই সংস্কৃতি আজ থেকেই, এখনই শুরু হোক

প্রিন্স মাহমুদের এই কথাগুলোকে সমর্থন জানিয়েছেন সংগীতের বেশ কজন তারকা। এ নিয়ে নেটদুনিয়ায় যখন তুমুল আলোচনা-সমালোচনা, তখন বিষয়টি নিয়ে কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর পক্ষ থেকেও কথা বলা হয়।

গিটার লিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চুর ব্যান্ডদল এলআরবির ফেসবুক থেকে জানানো হয়, একটি বিষয় ক্লিয়ার করার প্রয়োজন বোধ করি, এই রাষ্ট্রীয় পুরস্কারগুলো মূলত রাষ্ট্র নিজ তৎপরতায় দেয় না। এর বেশির ভাগই কোনো না কোনোভাবে লবিং ও নীতিনির্ধারক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন সাপেক্ষে মনোনীত হয়। এখানে স্মরণ করা প্রয়োজন যে, আইয়ুব বাচ্চুর পরিবার ক্লিয়ারলি বিষয়টি আগেই জানিয়েছেন যে- এই প্রক্রিয়ায় কোনো পদক বা পুরস্কারের জন্য তারা আগ্রহী নয়। রাষ্ট্র যদি স্বউদ্যোগে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় তবে সেটা রাষ্ট্র কর্তৃপক্ষের স্বাধীন ভাবনা বলে বিবেচনা করা হবে। আরও জানা জরুরি যে, রাষ্ট্র আইয়ুব বাচ্চুকে একটা পুরস্কার দিয়ে খুব একটা সম্মানিত করতে পারবে বলে মনে হয় না। বরং এতে রাষ্ট্রের কিছু অগৌরব ঘোচার সমূহ সম্ভাবনা বিদ্যমান।

এদিকে একুশে পদক পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে এমন আলোচনা-সমালোচনা নজরে এসেছে শুভ্র দেবেরও। একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমার ক্যারিয়ার হয়ে গেছে ৩৯ বছর। ২৫ বছরের ওপরে বাংলা গান নিয়েই কাজ করেছি। বাংলা গান বিশ্ব দরবারে পৌছানোর জন্য আমি কাজ করে গেছি। এটা কোনো পুরস্কারের জন্য নয়।

তিনি আরও বলেন, আমাকে যারা চেনেন তারা অনেকেই বলেছেন, দেরিতে হলেও আপনি পেয়েছেন। আমি ইন্ডাস্ট্রিতে যা দিয়েছি এটা আসলে কম শিল্পীই। আমি আন্তর্জাতিক অনেক পুরস্কারই পেয়েছি। খালি তো গান গেলেই হয় না। অনেক সংগীত বোদ্ধারা আমাকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আবার কেউ ঈর্ষান্বিতও হয়েছে। যারা আমাকে নিয়ে কথা বলছেন, তারা কিন্তু আমার লেভেলের না।

প্রিন্স মাহমুদ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ক্যারিয়ারের দিক থেকে প্রিন্স মাহমুদ আমার অনেক জুনিয়র। ও আমার পল্লবীর বাসায় বসে থাকত, আমাকে দিয়ে একটা গান করার জন্য। একটা মিক্সড অ্যালবামের জন্য ও আমার বাসায় কয়েকবার গেছে। আসলে প্রিন্স তো আমাদের লেভেলের না, অনেক জুনিয়র। আর সত্যি কথা বলতে আমি তাদেরকেই কাউন্ট করব যাদের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক বড় অবদান আছে। যারা কিছু করতে পেয়েছে তাদেরই আমি কাউন্ট করব। যাক কারও প্রতি আমার কোনো খারাপ চিন্তা-ভাবনা নাই।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অবশেষে নাভালনির মৃত্যুর কারণ জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পুতিনের সমালোচক রাশিয়ার বিরোধী দলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মৃত্যুর কারণ কারা কর্তৃপক্ষ। বিবিসির খবর অনুসারে, রাশিয়ার ইয়ামালো-নেনেতেস কারাগার কর্তৃপক্ষ কীভাবে নাভালনির মৃত্যু হয়েছে; সে বিষয়টি তার মাকে জানিয়েছে।

মৃত্যুর কারণ হিসেবে তারা সাডেন ডেথ সিন্ড্রোমকে উল্লেখ করেছে। যার অর্থ তার মৃত্যুটা আকস্মিকভাবে হয়েছে।

ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, সাডেন ডেথ সিন্ড্রোম হলো একটি বিশেষ অবস্থা। এই সময় আক্রান্ত ব্যক্তির হার্ট অ্যাটাক হয় এবং কোনো লক্ষণ ও কারণ ছাড়া মৃত্যু হয়। কিন্তু সাডেন ডেথ সিন্ড্রোম হলে হার্ট অ্যাটাকের কারণ জানা যায় না।

সাধারণত হার্ট অ্যাটাক হলে হার্টে ও শরীরে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং ব্রেন সজাগ থাকার জন্য কোনো অক্সিজেন পায় না।

রাশিয়ার প্রধান বিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনির জীবনের শেষ মুহূর্তের বিবরণ দিয়েছে ইয়ামালো-নেনেত্স কারা কর্তৃপক্ষ। এই কারাগারেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।


আরও খবর



রাজধানী রক্ষায় সাধারণ মানুষকে অস্ত্র দিচ্ছে মিয়ানমার জান্তা!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ে টিকতে না পেরে অস্ত্র ফেলে দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছে মিয়ানমারের অনেক সেনা। আবার অনেকে বিদ্রোহীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া হঠাৎ করেই বিদ্রোহীদের তৎপরতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্রোহীদের এমন তৎপরতায় হুমকির মুখে পড়েছে রাজধানী নেইপিদো। আশঙ্কা করা হচ্ছে রাজধানীতেও ঢুকে পড়তে পারে বিদ্রোহীরা।

এমন আশঙ্কা থেকে রাজধানীকে রক্ষায় পিপলস মিলিশিয়া নামের একটি মিলিশিয়া বা আধাসামরিক বাহিনী গঠন করেছে মিয়ানমারের জান্তা।

থাইল্যান্ড থেকে পরিচালিত মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইরাবতি বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ইয়াঙ্গুন, বাগো এবং তানিনথারি অঞ্চল এবং মুন রাজ্যেও মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করা হয়েছে। আর মিলিশিয়ায় যোগ দিতে উদ্বৃদ্ধ করতে সাধারণ মানুষকে অস্ত্র, নগদ অর্থ এবং খাবার দেওয়া হচ্ছে।

সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল নায়ুন্ত উইন সোয়ে এবং সাউদইস্টার্ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সো মিন গত বুধবার মিলিশিয়ার সদস্যদের হাতে অস্ত্র তুলে দেন।

এছাড়া জেনারেল থেট ফো এবং ইয়াঙ্গুনের কমান্ডার মেজর জেনারেল ঝ হৈ ইয়াঙ্গুনের হেলেগু এবং তাইক্কাই এলাকায় মিলিশিয়াদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছেন।

অন্যান্য জায়গাতেও মিলিশিয়া গঠন করা হয়েছে। এরমধ্যে রাজধানী নেইপিদোর পাশের অঞ্চল বাগোতে চার মাস আগে আধাসামরিক বাহিনী গঠিত হয়েছে। মূলত রাজধানীকে নিরাপদ রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

আরও পড়ুন>> জাবিতে ধর্ষণের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার দুই

সেনাবাহিনীকে সহায়তা করতে ও বিরোধীদের দমন করতে মিলিশিয়াকে ব্যবহার করা হয়। মিয়ানমারে মিলিশিয়াদের রয়েছে কালো ইতিহাস।

সংবাদমাধ্যম ইরাবতি জানিয়েছে, ইয়াঙ্গুনের মিলিশিয়ারা বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে। ইউ ওয়াসাওয়া নামের এক বৌদ্ধ সন্ত্রাসীর নেতৃত্বে কান্তবালু বিভাগ, সাগাগিং অঞ্চলে একটি মিলিশিয়া বাহিনী রয়েছে। যা ওই অঞ্চলে কুখ্যাত বাহিনী হিসেবে পরিচিত।

বাগোর পুরুষদের বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে মিলিশিয়া বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। তাদের বেতন ও খাবারের অর্থ জোগাড়ে গ্রামবাসীর কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ নেওয়া হচ্ছে।

গত বছরের অক্টোবর থেকে মিয়ানমারের তিনটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী একত্রিত হয়ে ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স নামের একটি জোট গঠন করে। এরপরই তারা সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলা শুরু করে।


আরও খবর



পাকিস্তানে জোট গঠন নিয়ে যে ঘোষণা দিল পিটিআই

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভোটগ্রহণের পর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশিন। তবে এ নির্বাচনে এককভাবে সরকার গঠনের মতো আসন পায়নি কোনো রাজনৈতিক দলই। যদিও এককভাবে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই। ফলে জোটের ওপর নির্ভর করছে সরকার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানে ঘনিষ্ঠ ও মিডিয়া উপদেষ্টা জুলফি বুখারি জানিয়েছেন, পিটিআই খুব দ্রুতই দলীয় ব্যানারের নাম ঘোষণা করবে। এরপরই স্বতন্ত্র পার্থীদের এ জোটে যোগ দিতে বলা হবে। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিজেরা সরকার গঠন করতে পারে না। এজন্য তাদের কোনো দলের সঙ্গে জোট করতে হয়। সরকার গঠনের জন্য বিজয়ী হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের কোনো দলের মনোনয়ন নিতে হবে।

জুলফি বুখারি বলেন, আমাদের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কোথাও যাওয়ার ভয় নেই। কেননা এসব প্রার্থীরা গত ১৮ মাস ধরে সংগ্রাম করে আসছে। তারা সব ধরনের অত্যাচার ও নির্যাতন সহ্য করে এসেছে।

এর আগে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ আসমা ওয়াদুদ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো মূল লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিরোধীদের সঙ্গে জোট গঠন করে তাহলে তারা ভোটারদের থেকে বিচ্ছিন্নতার মুখোমুখি হবে।

আলজাজিরাকে তিনি বলেন, এর আগে যখন দলগুলো জোটের জন্য বিরোধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে তখনই এটা তাদের রাজনৈতিক আদর্শকে মারাত্মকভাবে আঘাত করেছে। ভোটাররা রাজনৈতিক দলের আচরণের কারণে হতাশ ও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। ফলে যদি আবারও এটি ঘটে তাদের সমস্যা আরও প্রকট হবে। রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মূলধন আরও হারিয়ে ফেলবে।

রাজনৈতিক এ গবেষক বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর এমন জোটের কারণে ইমরান খানের জনপ্রিয়তা ব্যাপকহারে বেড়েছে। ফলে তার দল পিটিআই সব রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৬৫টি আসনের ফল ঘোষণা করেছে ইসিপি। এতে সর্বোচ্চ ১০৪টি আসন পেয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তাদের মধ্যে ইমরান সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৯৫টি। নওয়াজ শরিফের পিএমএমএল-এন ৭৪টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে বিলাওয়াল ভুট্টোর দল পিপিপি। তারা পেয়েছে ৫৪টি আসন। বাকি আসনগুলো অন্যরা পেয়েছেন। এ ছাড়া একটি আসনের প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ায় ওই আসনে ভোট স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

নিউজ ট্যাগ: পিটিআই

আরও খবর



বাণিজ্যিক কাজে হাতি ব্যবহারে লাইসেন্স বন্ধের নির্দেশ

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

সারা দেশে সার্কাসসহ চাঁদাবাজির কাজে হাতির ব্যবহারে কোনও ব্যক্তির মালিকানায় লাইসেন্স দেওয়ার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে হাতির ওপর নির্যাতন ও নিষ্ঠুরতা বন্ধে কর্তৃপক্ষের নিস্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না এবং হাতিকে বিনোদনের কাজে ব্যবহারের জন্য ব্যক্তি মালিকানা নতুন করে লাইসেন্স ও লাইসেন্স নবায়ন কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে মামলার বিবাদীদের। রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার সাকিব।

এর আগে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বন্দি হাতির সার্কাস, হাতির পিঠে ভ্রমণ, বিয়ে বাড়িতে শোভাবর্ধন, বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের র‌্যালিতে বিজ্ঞাপনের মতো বিভিন্ন বিনোদন কাজে ব্যবহার করা এবং এই ব্যবহারের জন্য হাতিকে বাধ্য করতে নির্যাতনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ বন্ধ করতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।

অভিনেত্রী জয়া আহসান এবং প্রাণী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এ রিট দায়ের করে। আবেদনকারীদের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করছেন পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন স্থপতি রাকিবুল হক এমিল।

রিটকারীরা জানান, বাংলাদেশের ক্যাপ্টিভ হাতিকে নির্যাতনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ বন্ধে, তাদের বিনোদনের কাজে ব্যবহার এবং হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে সংগঠনটি বেশ কয়েক বছর ধরে নানা ধরণের কর্মসূচি দিয়ে আসছে। এর মাঝে দুবার বন ভবন ঘেরাও করে প্রাণী অধিকারকর্মীরা। এ সময় বন বিভাগের পক্ষ থেকে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পরে তার কোনও ফলপ্রসূ ভূমিকা দেখা যায়নি। নির্যাতিত হাতিদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে দফায় দফায় চিঠি দেওয়া হলেও কোনও উপযুক্ত জবাব আসেনি বিভাগটির পক্ষ থেকে।

তারা আরও জানান, নির্যাতনের শিকার হাতিরা প্রায়ই নিজের ভেতরের ক্ষোভ ও যন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। তারা লোকালয়ে তাণ্ডব ঘটিয়ে বিভিন্ন সময় অনেকেরই প্রাণহানি ঘটিয়েছে। কিছু অসৎ ব্যক্তির অনৈতিক ব্যবসা ও বেআইনি চাঁদা বাণিজ্যকে প্রশ্রয় দিতে গিয়ে জনগণের জানমালের এই ক্ষতি গ্রহণযোগ্য নয়। আইইউসিএনর লাল তালিকাভুক্ত প্রাণী হিসেবে এশিয়ান হাতি বর্তমানে মহা বিপদাপন্ন হওয়া সত্ত্বেও এই হাতিকে বনবিভাগ থেকে ব্যক্তিমালিকানায় সার্কাসের কাজে ব্যবহারের জন্য লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি বর্তমানে প্রশ্নবিদ্ধ। এই সার্কাস এবং চাঁদাবাজিতে বাধ্য করতে শৈশব থেকেই মা হাতির কাছ থেকে শাবককে ছাড়িয়ে নিয়ে অত্যাচারের মধ্য দিয়ে প্রশিক্ষিত করা হয়। হাতির মাহুত চাঁদাবাজির সময় একটি ধাতব হুক হাতে নিয়ে বসে থাকেন। সেটা দিয়ে হাতির শরীরের বিভিন্ন দুর্বল স্থানে আঘাত করে চাঁদাবাজিসহ মানুষের ওপর চড়াও হতে বাধ্য করেন। এই প্রক্রিয়াটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরপত্তা আইন, ২০১২ এবং প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৯ এর পরিপন্থি।


আরও খবর
জজ কোর্ট চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪