আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ঈশ্বরদীতে শৈত্যপ্রবাহ ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জানুয়ারী ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
Image

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি: 

পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় বুধবার সকাল থেকেই কুয়াশায়, তার ওপর থেকে থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। ভোগান্তিতে পড়েন কাজে বের হওয়া শ্রমজীবী মানুষ।

ঈশ্বরদীতে গত কয়েকদিন থেকেই চলছিল কুয়াশার সঙ্গে সূর্যের লুকোচুরি। সকাল থেকেই সূর্য পুরোপুরি চলে যায় ঘন কুয়াশা আর মেঘের আড়ালে।

বুধবার সকাল থেকেই মেলেনি সূর্যের দেখা। ১২ টা থেকে শুরু হয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। সঙ্গে কনকনে হিমেল হাওয়া দুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষেরা। দিনমজুররা বলেন, সকালে কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলাম। কিন্তু আজ মহাজনেরা আসেননি। কাজ না পেয়ে আমার মতো আরও ৪০-৫০ জন ফিরে গেছে।

এদিকে রেলগেটে ফেরি করে সবজি বিক্রেতারা বলেন, সকালে কুয়াশায় কিছু দেখা যাচ্ছিল না। বেলা বাড়লেও কোন রোদের দেখা মেলেনি। এমন পরিস্থিতে বিক্রি কমে গেছে।

রিকশাচালকরা জানান এমনিতেই বইছে শৈত্যপ্রবাহ, তার ওপর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ায় মানুষজন খুব একটা বের হননি। ভাড়ারজন্য বৃষ্টিতে ভিজেই রাস্তায় থাকছি।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া দপ্তরের পর্যবেক্ষক নাজমুল হক জানান, বুধবার ভোর ৬টায় ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আরও খবর



রেলের পরীক্ষা বাতিল চান ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ওই পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন চাকরিপ্রত্যাশী ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সামনের রাস্তায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানান তারা।

সমাবেশে অংশ নেওয়া ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা বলেন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ রেলেওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ১০ম গ্রেডের গত ৫ তারিখে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা বাতিল করতে হবে। একইসঙ্গে প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও পুনরায় নিয়োগ পরীক্ষা দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।

এসময় তারা প্রশ্ন ফাঁসের পরীক্ষা, মানি না মানবো না, প্রশ্ন ফাঁসের পরীক্ষা, বাতিল চাই বাতিল চাই, রেলের পরীক্ষা, বাতিল চাই বাতিল চাই বলে স্লোগান দেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) দুই উপ-পরিচালক, দুই সহকারী পরিচালকসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডির মুখপাত্র (মিডিয়া) পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান জানান, গ্রেপ্তাররা ৫ জুলাই অনুষ্ঠিত রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত ছিলেন। তারা একাধিক নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসেও জড়িত বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে পিএসসির উপপরিচালক মো. আবু জাফর ও জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক এস এম আলমগীর কবির ও নিখিল চন্দ্র রায়, অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান ও সাজেদুল ইসলাম এবং সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী রয়েছেন।

এছাড়া আরও আছেন সাবেক সেনাসদস্য নোমান সিদ্দিকী, মিরপুরের ব্যবসায়ী আবু সোলায়মান মো. সোহেল, প্রিয়নাথ রায়, ঢাকার ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত মো. মামুনুর রশীদ, নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী শাহাদাত হোসেন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের টেকনিশিয়ান মো. নিয়ামুন হাসান, ব্যবসায়ী সহোদর সাখাওয়াত হোসেন ও সায়েম হোসেন, ব্যবসায়ী মো. জাহিদুল ইসলাম ও বেকার যুবক লিটন সরকার।

পিএসসির কোনো নিয়োগ পরীক্ষা এলেই এই চক্রের সদস্যরা প্রশ্নপত্র ফাঁস করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিতেন। ৫ জুলাই অনুষ্ঠিত রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করেন তারা। চক্রের সদস্যরা ওই পরীক্ষার আগের রাতে তাদের চুক্তি করা শিক্ষার্থীদের অজ্ঞাতনামা স্থানে রেখে ওই প্রশ্নপত্র ও তার উত্তর দিয়ে দেন।


আরও খবর



গাজায় জাতিসংঘের স্কুলে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১৬

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় জাতিসংঘের একটি স্কুলে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে নিহত হয়েছে অন্তত ১৬ জন। ফিলিস্তিনের কর্মকর্তারা বলেছেন, হামলায় আহত হয়েছে কয়েক ডজন। রোববার (৭ জুলাই) বিবিসির এক অনলাইন প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

হামাসের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের ওই স্কুল ভবনে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুর আশ্রয়স্থল ছিল।

তবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা আল-জাওনি স্কুলে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী কাঠামোতে হামলা চালিয়েছে।

বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শিশু ও বয়স্করা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন রাস্তায় চিৎকার করছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বিবিসিকে বলেছেন, স্কুলের উপরের তলা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এই স্কুলের পাশেই ছিল ব্যস্ততম এক বাজার।

বিবিসি বলছে, অন্তত সাত হাজার উদ্বাস্তু ভবনটি আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করত। বার্তাসংস্থা এএফপিকে এক নারী ইসরায়েলি হামলায় সেখানকার শিশুরা কীভাবে নিহত হয়েছে তার বর্ণনা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, শিশুরা কোরআন পড়ছিলেন, সেইসময় হামলা চালানো হয়। এ নিয়ে কোনো ধরনের সতর্ক ছাড়াই স্কুলটিতে চারবার হামলা চালানো হলো বলে জানান এই নারী।

গত বছরের অক্টোবর থেকে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। এতে এখন পর্যন্ত গাজায় নিহতের সংখ্যা ৩৮ হাজার ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছে ৯০ হাজারের বেশি।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




তিস্তার ১১০ পয়েন্টে নজিরবিহীন গণ-অবস্থান

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রংপুর প্রতিনিধি

Image

তিস্তা কর্তৃপক্ষ গঠন করে চলতি অর্থবছরেই পদ্মা সেতুর মতো নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবিতে নদীর দুই তীরে গণ-অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ।

শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত একযোগে তিস্তা অববাহিকার ১১০টি পয়েন্টে এই গণ-অবস্থান কর্মসূচিতে হাজারো মানুষ অংশ নেন।

গণ-অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্যের পাশাপাশি গণ-সংগীত, কবিতা, নাট্যাংশ মঞ্চায়নসহ তিস্তাপাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবনচিত্র তুলে ধরা হয়। এসময় তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শন করেন নদী পাড়ের মানুষজন।

সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমান বলেন, প্রতিবছর তিস্তাপাড়ে ১ লাখ কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। ২০ হাজার মানুষ উদ্বাস্তু হচ্ছেন। জীবন-জীবিকা বিপন্ন হচ্ছে। কৃষি-কৃষক লণ্ডভণ্ড হচ্ছে। অথচ কোনো সমাধান হচ্ছে না। আমরা কোনো ভূ-রাজনৈতিক দ্বৈরথ দেখতে চাই না। আমরা চাই চীনের সমীক্ষা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত তিস্তা মহা-প্রকল্পের কাজ চলতি অর্থবছর থেকেই শুরু করা হোক। আমরা আশা করি চীন ফেরত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দেবেন।

এখন ভারত থেকে নতুন করে সমীক্ষার কথা বলা। আমরা ভারত-চীনের রশি নিয়ে টানাটানি দেখতে চাই না। প্রয়োজনে তিস্তা কর্তৃপক্ষ গঠন করে পদ্মা সেতুর মতো দেশের টাকায় তিস্তা মহাপ্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানি বলেন, দেশের অন্য অংশে ৪ লাখ কোটি টাকার কাজ হচ্ছে। কিন্তু উত্তরাঞ্চলে কোনো মেগা প্রকল্প নেই। আমরা চাই প্রধানমন্ত্রী অবিলম্বে তিস্তা কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করবেন। এর মাধ্যমে পদ্মা সেতুর মতো নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা মহা-প্রকল্পের কাজ শুরুর ঘোষণা দেবেন। এটা এই অঞ্চলের ২ কোটি মানুষের জীবন জীবিকা বাঁচানোর প্রকল্প। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করতে হবে। তা করা না হলে রাজপথ, নৌ-পথ রেলপথ অবরোধসহ কঠোর আন্দোলন হবে।

তিস্তা নদী বেষ্টিত রংপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার তিস্তা অববাহিকার দুপাড়ে গণ-অবস্থান কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নিয়ে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন।

গণ-অবস্থান কর্মসূচি থেকে বক্তারা তিস্তা নদী সুরক্ষায় বিজ্ঞানসম্মতভাবে তিস্তা মহা-পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন, অভিন্ন নদী হিসেবে ভারতের সঙ্গে ন্যায্য হিস্যার ভিত্তিতে তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন, তিস্তা নদীতে সারা বছর পানির প্রবাহ ঠিক রাখতে জলাধার নির্মাণ, তিস্তা নদীর শাখা-প্রশাখা ও উপশাখাগুলোর সঙ্গে নদীর পূর্বেকার সংযোগ স্থাপন ও নৌ চলাচল পুনরায় চালু করা, ভূমি দস্যুদের হাত থেকে অবৈধভাবে দখলকৃত তিস্তাসহ তিস্তার শাখাপ্রশাখা দখলমুক্ত করার দাবি জানান।

নদীর বুকে ও তীরে গড়ে ওঠা সমস্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান বক্তারা। এছাড়াও তিস্তা ভাঙন, বন্যা ও খরায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ, নদী ভাঙনের শিকার ভূমিহীন, গৃহহীন ও মৎস্যজীবীদের নদী ভাঙনে উদ্বাস্তু মানুষের পুনর্বাসনের দাবি জানান। তিস্তা মহা-পরিকল্পনায় তিস্তা নদী ও তীরবর্তী কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষায় কৃষক সমবায় এবং কৃষিভিত্তিক কলকারখানা গড়ে তোলা এবং মহা-পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তাপাড়ের মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করারও দাবি জানান তারা।


আরও খবর



দেশে ফিরেছেন প্রায় ৫২ হাজার হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৬০

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৫১ হাজার ৯৮১ হাজি দেশে ফিরেছেন। মারা গেছেন ৬০ জন। শুক্রবার (৫ জুলাই) হজ পোর্টালের সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

সৌদি থেকে ১২৭টি ফ্লাইটে এসব হাজি বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৫৩টি ফ্লাইটে ২১ হাজার ১৬১ জন, সৌদি এয়ারলাইনসের ৪৮টি ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৪৮২ এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৬টি ফ্লাইটে ৯ হাজার ৭১৫ হাজি দেশে ফিরেছেন।

চলতি বছর হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৬০ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ৪৭ এবং মহিলা ১৩ জন।

হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।

এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৭ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে পুুরুষ ৩৬ এবং মহিলা ১১ জন।

এদিকে, আগামী বছর (২০২৫) বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি আরব।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম জানান, নির্ধারিত সংখ্যার মধ্যে কতজন সরকারি ব্যবস্থাপনায় আর কতজন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাবেন তা বাংলাদেশ সরকার পরে নির্ধারণ করে দেবে।


আরও খবর
রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪

আজ পবিত্র আশুরা

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে বিএনপি জড়িত নয়: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে বিএনপি জড়িত নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, আমরা খুব স্পষ্ট কণ্ঠে বলতে চাই, এই আন্দোলনের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা সরাসরি জড়িত। আমরা এই আন্দোলনের সঙ্গে কখনোই সরাসরি জড়িত নই। তাদের নৈতিক সমর্থন দিয়েছি। সেই নৈতিক সমর্থন আমরা দিয়ে যাবো। কারণ আমরা মনে করি যে তাদের এই আন্দোলন যুক্তিসঙ্গত।

বুধবার (১৭ জুলাই) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম মসজিদে গায়েবানা জানাজার পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্ধের নিন্দাও জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব হল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। এটা সরকার ইচ্ছা থাকলে করতে পারত, কিন্তু তাদের সেই ইচ্ছাটাই নাই।

তিনি বলেন, ছয়টি তাজা প্রাণ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। একজন শিক্ষার্থী সাঈদকে রংপুরে কীভাবে সরাসরি গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এরকম ভয়াবহ ঘটনা আমাদের জীবনে কখনো দেখিনি। এই ধরনের দমননীতি, এ ধরনের নির্যাতন, এই ধরনের হত্যা-গুম করে সরকার আজকে জোর করে ক্ষমতায় টিকে আছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের পুলিশি অভিযানের নিন্দা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সম্পূর্ণ আগের মতো নাটক সাজিয়ে বিএনপি অফিসে কতগুলো ককটেল বোমা, লাঠিসোঁঠা রেখে দিয়ে সেখানে ছবি তুলে আবার বিএনপিকে দোষারোপ করার চেষ্টা চলছে।


আরও খবর
ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪