আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

হিলিতে জিরার দাম কমেছে কেজিতে ৪০০ টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

জেলার হিলি স্থলবন্দর বাজারে জিরার দাম কেজিতে ৪০০ টাকা কমেছে। ১ হাজার ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া জিরা বর্তমানে ৭২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দিনাজপুর হিলি স্থলবন্দর আমদানি রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুনুর রশিদ হারুন জানান, চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে সরকার মসলা আমদানির অনুমতি দেওয়ায়, মসলা ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে জিরা আমদানির কারণে দাম কমে গেছে। 

তিনি জানান, চলতি বছর ভারতে জিরার ফলন ভালো এবং আমদানি বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে। গত দুই মাসে পর্যায়ক্রমে জিরার দাম কমেছে কেজি প্রতি ৪০০ টাকা।

সোমবার সকালে হিলি স্থলবন্দর বাজার ঘুরে জানা যায়, গতবছর ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি হিসেবে প্রতি কেজি জিরা বিক্রি হয়েছে। ভারতে জিরার ফলন কম এবং আমদানি কমের অজুহাতে দাম বাড়তে থাকে। সর্বশেষ বিক্রি হচ্ছিল ১ হাজার ১২০ টাকা কেজি দরে। 

আরও পড়ুন>> জিআই অনুমোদন পেল আরও ৪ পণ্য

হিলি স্থলবন্দর বাজারে ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম জানান, গত দুদিন থেকে ভারতীয় আমদানিকৃত কাকা জিরা ৭২০ টাকা, বাবা জিরা ৭২০ টাকা, মধু জিরা ৭২০ টাকা, অমরিত জিরা ৭২০ টাকা, সোনা জিরা ৭৩০ টাকা ও ডিবিগোল্ড জিরা ৭৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, দাম কমে যাওয়ায় খুশি সাধারণ ক্রেতারা। মসলা কিনতে আসা আব্দুল খালেক বলেন, এক বছর ধরে জিরার দাম আকাশছোঁয়া। ১০০ গ্রাম জিরা ৪০ টাকা দিয়ে কিনেছিলাম। সেই জিরা কিনতে হয়েছিল ১০০ টাকায়। বর্তমানে দাম অনেকটা কমে গেছে। 

হিলি মসলা বাজারের ব্যবসায়ী সামসুল ইসলাম বলেন, গতবছর ভারতে জিরার ফলন কম এবং আমদানি কম হওয়ার কারণে জিরার দাম অতিরিক্ত বেড়ে গিয়েছিল। পবিত্র রমজান মাসকে উপলক্ষ করে হিলি স্থলবন্দর  কাস্টমস বিভাগ ও ব্যবসায়ীদের যৌথ প্রচেষ্টায়  বর্তমানে ভারত থেকে নতুন জিরা আমদানি হচ্ছে। তাই দাম কেজিতে প্রায় ৪০০ টাকা কমে গেছে। ৭১০ টাকা কেজি দরে কিনে ৭২০ টাকায় বিক্রি করছি। আশা করছি, আগামীতে জিরার দাম আরও কমবে।

হিলি স্থলবন্দর কাস্টমস বিভাগের যুগ্ম-কমিশনার মোহাম্মদ বায়জিদ হোসেন সোমবার দুপুরে মোবাইল ফোনে  বলেন, আগামী রমজান মাসের বাজার দর নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়ায় মসলার বাজার দর জনসাধারণ ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে ব্যবসায়ী ও কাস্টমস বিভাগ যৌথ প্রচেষ্টা চালিয়ে জিরার মূল্যসহ অন্যান্য মসলার বাজারদর নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা সফলভাবে চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি এই সফলতা অর্জিত হবে।


আরও খবর



গাইবান্ধায় সাঁওতাল-বাঙালি সাংস্কৃতিক উৎসব

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

Image

সাঁওতালসহ সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় শনিবার গাইবান্ধা নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থা উন্মুক্ত মঞ্চে সাঁওতাল-বাঙালি সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বর্ণাঢ্য একটি র‌্যালি গাইবান্ধা শহরের প্রধান প্রধান সড়কে প্রদক্ষিণ করে।

 এই ভূমির মানুষের সুকৃতি, আদিবাসী-বাঙালি সংস্কৃতি এই স্লোগানকে সামনে রেখে গাইবান্ধা নাগরিক সংগঠন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অবলম্বন উৎসবের আয়োজন করে। শতাধিক সাঁওতাল-উড়াওঁসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নারী-পুরুষরা অংশগ্রহণ করে।

র‌্যালি শেষে গানাসাস মিলনায়তনে জন-উদ্যোগের সদস্য সচিব প্রবীর চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন শিক্ষাবিদ মাজহারউল মান্নান, আদিবাসী বাঙালি সংহতি পরিষদের আহবায়ক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, নারী নেত্রী অঞ্জলী রানী দেবী, নাজমা বেগম, সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব হাসান মোর্শেদ দীপন, শিক্ষক আহাদুজ্জামান রিমু, অবলম্বনের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর এ.কে.এম. মাহবুব আলম মুকুল, সাঁওতাল নেত্রী মারিয়া মুর্মু, তেরেসা সরেন, ইয়ুথ নেতা সান্তনা রবিদাস প্রমুখ। সবশেষে বাঙালিসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শিল্পীরা এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশন করে।

বক্তারা বলেন, সাঁওতালসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষা হারিয়ে যেতে বসেছে। তাদের সংস্কৃতিও বিলুপ্ত হচ্ছে। এরা বাংলাদেশের দরিদ্রতম প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, অধিকাংশই ভূমিহীন। আদিবাসীদের ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় অবিলম্বে সরকারি উদ্যোগ নিতে হবে। অবিলম্বে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করে হলে আদিবাসী ও তাদের সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এটি তাদের জন্য খুবই হতাশাজনক যে,  বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ভাষায় রয়েছে অনেক গীত, ঝুমুর, গল্প; যা কালের পরিক্রমায় হারিয়ে যাচ্ছে। এই সকল ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ জরুরি। না হলে ভাষাগুলো গবেষণা ও পরিচর্যার অভাবে হারিয়ে যাবে। 


আরও খবর



মিয়ানমারে সংঘাত নিরসনে চীন ভূমিকা রাখলে বাংলাদেশ উপকৃত হবে: কাদের

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মিয়ানমারে সংঘাত নিরসনে চীন ভূমিকা রাখলে বাংলাদেশ উপকৃত হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে নয়, মিয়ানমারের আরাকানে অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ চলছে। এটা সীমান্তে চলে এসেছে। তবে গোলাগুলির কারণে ভয়ভীতি ছড়াচ্ছে।

আজ রোববার দুপুরে সচিবালয়ের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মিয়ানমার থেকে ১৪ জন সেনা সদস্য এসে বাংলাদেশের বান্দরবানে আশ্রয় নিয়েছেএ ব্যাপারে কাদের বলেন, আরাকান আর্মিদের সঙ্গে তাদের যে ইন্টারনাল কনফ্লিক্ট, সেটার কিছু কিছু প্রতিক্রিয়া আমাদের এখানেও হয়। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীন উদ্যোগী হওয়ার পরও কেন বিলম্বিত হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা যেভাবে বলার বলেছি। এসব সমস্যাগুলো আমাদের জন্য অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।

চীন-ভারত সম্পর্ক নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা চাই তারা বন্ধুসুলভ থাকুক। এখানে ভূ-রাজনৈতিক কৌশলে চীন-ভারত, এখানে একটা তো আছে শক্তি বলয়। তারা একমতের দেশ নয়। চীনের একটা দৃষ্টিভঙ্গি আছে। ভারত ও চীনের কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট আছে। ওটার মধ্যে আমরা নাক গলাতে চাই না। ওটা ভারত আর চীনের ব্যাপার। তারা তাদের কনফ্লিক্ট মীমাংসা করবে। আমরা আমাদের স্বার্থ নিয়ে বলবো। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমরা যেন তাদের ইন্টারনাল কনফ্লিক্টের শিকার না হই। আমাদের যেন কোনো ক্ষতি না হয়।

মন্ত্রী বলেন, এখন মিয়ানমারের আরাকান আর্মিদের সঙ্গে কনফ্লিক্টের জন্য আমরা ক্ষতিগ্রস্ত; কিছু কিছু ক্ষতি তো আমাদের হচ্ছে। কোনো কোনো সময় আমাদের আকাশসীমা তারা অতিক্রমও করছেএমন রিপোর্টও আছে। সে বিষয়গুলো তাদের আরেকটু বেশি মনোযোগ দেওয়া, তাদের ইন্টারনাল কনফ্লিক্টের সঙ্গে; যেহেতু মিয়ানমারের সঙ্গে চীনের একটা চমৎকার সম্পর্ক, সে জন্য চীন এখানে কোনো ভূমিকা পালন করতে পারে কি না এবং করলে আমরা উপকৃত হবো।

এ সময় যুক্তরাষ্ট্র প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তারা (যুক্তরাষ্ট্র) আমাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। আমরাও তাদের সঙ্গে কাজ করব। গায়ে পড়ে সম্পর্ক খারাপ করব না। সারা পৃথিবী এখন সংকটে, এখন গায়ে পড়ে সংকট বাধানোর কারো লাভ নেই। সম্পর্ক থাকুক, সামনে সম্পর্কের আরও উন্নয়ন হোক।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




একমাত্র দেশ হিসেবে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আলজেরিয়ার উত্থাপিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হয়। এতে নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে ১২ সদস্য পক্ষে ভোট দেয়। ভোট দান থেকে বিরত ছিল যক্তরাজ্য। আর একমাত্র দেশ হিসেবে এতে ভেটো দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের পাঁচটি দেশ স্থায়ী সদস্য। যাদের সবার যে কোনো প্রস্তাবে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।

১৫টি দেশের মধ্যে ১৩টি দেশের যুদ্ধবিরতির পক্ষে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলি বর্বরতা বন্ধ হোক এমনটি চাচ্ছে বিশ্বের সব দেশ।

গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে হামলা চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যা ও প্রায় ২৫০ জনকে ধরে গাজায় নিয়ে আসে।

এরপর গাজায় বর্বরতা শুরু করে ইসরায়েলি সেনারা। তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত এ উপত্যকায় ২৯ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৭০ হাজার।

হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার নিরাপত্তা পরিষদে ওঠা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় ভেটো।

আলজেরিয়ার তোলা এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্র ভেটো দেবে সেটি আগে থেকেই সবাই জানতেন। তবে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ যে যুদ্ধ বন্ধ চায়, সেটি দেখাতে নতুন এই প্রস্তাবটি নিরাপত্তা পরিষদে তোলা হয়েছিল।

যুদ্ধবিরতির এ প্রস্তাবটি নিরাপত্তা পরিষদে ওঠার আগে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের পক্ষ থেকে একটি পাল্টা প্রস্তাব দেয়। এতে বলা হয়, উপযুক্ত সময়ে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হবে এবং ত্রাণের ওপর থেকে সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নিতে হবে। এর বদলে হামাসকে ইসরায়েলের সব জিম্মিকে মুক্তি দিতে হবে।


আরও খবর



ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাল আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শহীদ মিনারের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, মোহাম্মদ ফারুক খান, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দীপু মণি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আলম মাহমুদ স্বপন, মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে জাতির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় অমর একুশের কালজয়ী গান আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি…’ বাজানো হয়।

এর আগে রাত ১১টা ৫১ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে এসে পৌঁছলে তাকে অভ্যর্থনা জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

রাত ১১টা ৫৩ মিনিটে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মিনার অঙ্গনে উপস্থিত হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ঢাবি উপাচার্য তাকে অভ্যর্থনা জানান।


আরও খবর



বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে জাহ্নবীর জয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

রূপের রানির রক্ত বইছে তার শরীরে। সেটার ছাপ যেন তার রূপেও স্পষ্ট। আবার মা যেমন অভিনয়ে সাফল্যের চূড়া ছুঁয়েছিলেন, তিনিও ধীর পায়ে এগোচ্ছেন সে দিকেই। নাম তার জাহ্নবী কাপুর। কিংবদন্তি তারকা শ্রীদেবীর কন্যা। ২০১৮ সালে ধড়ক ছবি দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয়েছে তার।

এরপর জাহ্নবীকে দেখা গেছে গুঞ্জন সাক্সেনা, রুহি, গুড লাক জেরি, মিলিবাওয়ালর মতো প্রশংসিত ছবিতে। বক্স অফিসে ছবিগুলো আহামরি ব্যবসা না করলেও জাহ্নবী তার প্রতিভা মেলে ধরতে মোটেও ভুল করেননি। তাই হিন্দির সীমানা পেরিয়ে জয় করেছেন দক্ষিণের ইন্ডাস্ট্রি। নাম লিখিয়েছেন তেলুগু ছবিতে। ইতোপূর্বে জুনিয়র এনটিআরের সঙ্গে দেবারা ছবির কাজ সেরেছেন।

সেই ছবি মুক্তির আগেই আরেক তেলুগু সুপারস্টারের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়েছেন জাহ্নবী। এবার তার নায়ক রাম চরণ। খবরটি অভিনেত্রীর বাবা, প্রযোজক বনি কাপুর নিশ্চিত করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, জুনিয়র এনটিআরের সঙ্গে জাহ্নবী ইতোমধ্যে একটি ছবি করেছে। শুটিংয়ের প্রতিটি মুহূর্ত ও উপভোগ করেছে। শিগগিরই সে রাম চরণের সঙ্গে একটি ছবির কাজ শুরু করবে। এই দুটো ছেলে (এনটিআর ও রামচরণ) খুবই ভালো কাজ করছে। কাজের জন্য এখন প্রচুর তেলুগু ছবি দেখছে জাহ্নবী। আশা করছি মুক্তি পেলে ছবিগুলো ভালো করবে এবং সে আরও কাজ পাবে।

রাম চরণের আগামী ছবিটি নির্মাণ করবেন বুচি বাবু সানা। সেখানেই নাকি দেখা যাবে জাহ্নবীকে। তবে নির্মাতা কিংবা প্রযোজক কারও পক্ষ থেকে নায়িকার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

এখানেই শেষ নয়, বনি জানালেন, দক্ষিণী সিনেমার আরেক তারকা সুরিয়ার সঙ্গেও নাকি একটি ছবিতে অভিনয় করবেন জাহ্নবী। এতেই বোঝা যায়, বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের দাপুটে পায়ের ছাপ ফেলছেন এই তরুণী।

কন্যার এমন পদচারণায় বনির ভাষ্য, আমার স্ত্রী (শ্রীদেবী) বিভিন্ন ভাষায় কাজ করেছে। আশা করি আমার মেয়েও সেই ধারা অব্যাহত রাখবে।

এদিকে হিন্দিতে জাহ্নবীর হাতে রয়েছে মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহিউলাঝ ছবির কাজ।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪