আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

হরতালে কঠোর থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর রোববার থেকে শুরু হওয়া দুদিনের হরতালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে। বিএনপি-জামায়াতসহ সমমনা রাজনৈতিক দল সরকারের পদত্যাগ ও তফশিল প্রত্যাখ্যান করে এ হরতাল আহ্বান করে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, বিরোধীদের দুদিনের এ হরতালকে কেন্দ্র করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় তারা জিরো টলারেন্স নীতিতে মাঠে থাকবেন। ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ছক তৈরি করেছেন তারা। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সারা দেশে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটকে কঠোর অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হরতালে র‌্যাবও কৌশলী অবস্থানে থাকবে। পুলিশের পাশাপাশি এপিবিএন, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা মাঠে থাকবেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) অপারেশন্স মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ২৮ অক্টোবরের আগ থেকেই আমরা মাঠে কাজ করছি, একইভাবে কার্যক্রম চলতে থাকবে। পুলিশের তৎপরতাও বাড়বে। যেখানে অপরাধের ঘটনা ঘটবে, সেখানেই পুলিশ যাবে।

এদিকে চলমান রাজনৈতিক সংকটে জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় কৌশলী অবস্থান নিয়েছে র‌্যাব। রোববার ও সোমবারের হরতালে টহল অভিযানের পাশাপাশি ছদ্মবেশেও রাজপথে অবস্থান করবেন বাহিনীর সদস্যরা।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, জনগণের জানমাল নিরাপত্তায় যত রকম ব্যবস্থা আছে আমরা তা নিশ্চিত করব। বাস, গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আমরা যাত্রীবেশেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবস্থান নেব। এর আগেও আমরা এভাবে ছদ্মবেশে অবস্থান নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ছদ্মবেশে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান, সাদা পোশাকে ও যাত্রীবেশে গণপরিবহণে অবস্থানের র‌্যাবের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। হামলা হতে পারে এমন স্থানগুলো শনাক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাস মালিকদের সঙ্গে বসে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

জানা যায়, রাজধানীবাসীর নিরাপত্তায় ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রায় ৪০ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। রাজধানীর ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট চিহ্নিত করে সেসব স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সাদা পোশাকে, ইউনিফর্মে, প্যাট্রল, মোবাইল- সবভাবেই অবস্থান করবে পুলিশ। বাসে অগ্নিকাণ্ড ঠেকাতে বাস মালিক ও যাত্রীদের সহায়তা চেয়েছে ডিএমপি।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ড. খ. মহিদ উদ্দিন শনিবার রাতে বলেন, যারা পরিবহণ সেক্টরে আছেন, তাদের বলা হয়েছে যতটা সম্ভব নিজস্ব লোক যেন গাড়িতে রাখেন। আমাদের পক্ষ থেকে গাড়ির ভেতর ছবি তোলা থেকে শুরু করে যা যা করা দরকার, আমরা সেগুলো করব।


আরও খবর



আমাদের দলের বিষয়ে মানুষের ধারণা ভালো নয় : জি এম কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাজনীতি ডেস্ক

Image

জাতীয় পার্টির বিষয়ে মানুষের ধারণা ভালো নয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জি এম কাদের)।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জি এম কাদের বলেন, অনেকে বলছে আমাদের দল ভাগ হয়ে যাবে। দল ভাগ হওয়ার সম্ভাবনা আমি এই মুহূর্তে দেখছি না। এরশাদ সাহেবের নাম ও আদর্শ দিয়ে আরও দশটি দল যে কেউ গঠন করতে পারে। কিন্তু আমাদের দল ভেঙে আরেকটি দল গঠন করার পরিবেশ পরিস্থিতি এই মুহূর্তে দেখছি না। তবে একটা জিনিস আমি বলতে চাই, আমাদের দলের ব্যাপারে মানুষের পারসেপশন (ধারণা) কিন্তু ভালো নয়।

জি এম কাদের বলেন, আমরা অন্য দলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়েছি, সেটা পার্শিয়ালি কারেক্ট। আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি। আমাদের দলের মধ্যে ব্যাপকভাবে সংশোধন হওয়ার দরকার আছে। আমরা যদি সেটা না করতে পারি তবে সামনের দিকে দল ভাঙবে না, তবে দলের অস্তিত্ব থাকবে না। দলকে মানুষ ভালোবাসবে না, দলের প্রতি মানুষের আস্থা থাকবে না।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, সরকারি দলের মন্ত্রীদের বক্তব্যে মনে হয় আমরা কি মধ্যযুগীয় ব্যবস্থায় চলে যাচ্ছে কি না। হয়ত সাধারণ মানুষ এটি খেয়াল করে না। শ্রদ্ধেয় আইনমন্ত্রী সেদিন একটি কথা বললেন, সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ১০৭ বার সময় নেওয়া হয়েছে, ১২ বছর চলে গেছে। তারপর উনি বলেছেন আরো ৫০ বছর লাগলে দিতে হবে। এটাকে আমি দেখেছি মধ্যযুগীয় ব্যবস্থার মতো। মধ্যযুগে পেশিশক্তির মাধ্যমে সবকিছু নির্ণয় করা হতো। অর্থাৎ জোর যার মুল্লুক তার। বিচারব্যবস্থা যদি বিলম্ব হয় তার মানে হচ্ছে, সে বিচার আর পাওয়া যাবে না। এই বিচার যদি আরো ৫০ বছর বিলম্ব হয় তাহলে এটি তো বিচারহীনতা হলো। তাহলে আমরা কি দেশকে বিচারাধীনতা উপহার দিতে যাচ্ছি?

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, এই নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ বিভ্রান্তিকর একটি স্টেটমেন্ট দিয়েছে। তারা বলেছে আওয়ামী লীগের ২৬টা সিট ছেড়ে দিলাম জাতীয় পার্টির ফেভারে। কিন্তু তারা সেসব ছাড়ে নাই, সব জায়গায় তাদের লোক দিয়ে রেখেছে। আমাদের অনেক প্রার্থী বিভ্রান্ত হয়েছে। অনেকে এটাকে মহাজোট বলেছেন, আবার অনেকে এটাকে সিট ভাগাভাগির কথা বলেছেন। আমি প্রথম দিন থেকে বলেছি, এটা মহাজোট হয়নি। সিট ভাগাভাগিও হয়নি। এটা বিভ্রান্তিকর, আওয়ামী লীগ ইচ্ছাকৃতভাবে করেছে। এটি না হলে আমাদের ফলাফল এর চেয়ে আরো ভালো হতো।

তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দলকে টেকাতে হলে সবাইকে এক লাইনে থাকতে হবে। আমরা যদি ব্যর্থ হই তবে দল মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। আমরা ভাঙন নিয়ে চিন্তিত নই। কিন্তু আমাদের নিজেদের মধ্যে যে ত্রুটি আছে সেগুলো সারিয়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মুজিবুল হক চুন্নু। উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেরীফা কাদের, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বা‌য়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তৈয়বুর রহমান, সদস্য সচিব মো. সুলতান আহমেদ সেলিম।


আরও খবর



ট্রান্সকম গ্রুপের দুই পরিচালকসহ শীর্ষ ৫ কর্মকর্তা গ্রেফতার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশের বৃহত্তম শিল্প প্রতিষ্ঠান ট্রান্সকম গ্রুপের দুই পরিচালকসহ পাঁচ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন- পিবিআই।

গ্রেপ্তার পাঁচ কর্মকর্তা হলেন- প্রতিষ্ঠানের আইন উপদেষ্টা ফখরুজ্জামান ভুইয়া, পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) কামরুল হাসান, পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) আব্দুল্লাহ আল মামুন, ম্যানেজার আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক এবং সহকারি কোম্পানি সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক।

পিবিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত লতিফুর রহমানের এক মেয়ে শাযরেহ হক বাদী হয়ে আজ গুলশান থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রুপটির পাঁচজন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ট্রান্সকম গ্রুপের ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল এবং অবৈধভাবে কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর করার অভিযোগ এনে শাযরেহ হক এই মামলা করেছেন।

দেশের অন্যতম বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ট্রান্সকম গ্রুপ। গ্রুপটির অধীনে পরিচালিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস, ট্রান্সকম বেভারেজেস, ট্রান্সকম ডিস্ট্রিবিউশন, ট্রান্সকম কনজিউমার প্রোডাক্টস, ট্রান্সকম ফুডস, ট্রান্সকম ইলেকট্রনিকস, ট্রান্সক্রাফট, মিডিয়াস্টার অন্যতম।


আরও খবর
ছুটির দিনেও ঢাকার বায়ু ‌‘অস্বাস্থ্যকর’

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ফেসবুকে ‘বলার ছিল অনেক কিছু’ লিখে ফাঁস নিল এসএসসি পরীক্ষার্থী

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
শরীয়তপুর প্রতিনিধি

Image

ফেসবুক স্টোরিতে বলার ছিলো অনেক কিছু, বলা হইলো না কিছু লিখে নিজের ঘরে ভেন্টিলেটরের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস নিয়েছে লামিসা জামান দিয়া নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শরীয়তপুরের ডামুড্যা পৌরসভার দক্ষিণ ডামুড্যা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

লামিসা জামান দিয়া (১৭) দক্ষিণ ডামুড্যা গ্রামের ইতালি প্রবাসী মনিরুজ্জামান বিপ্লব বেপারী ও লাকি বেগম দম্পত্তির মেয়ে। সে সরকারি ডামুড্যা মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক শাখা থেকে চলমান এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লামিসা জামান দিয়ার মা লাকি বেগম বাড়িতে ছিলেন না। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিজের রুমের দরজা বন্ধ করে দেয় লামিসা। অনেক সময় কেটে গেলেও দরজা না খুললে সন্দেহ হয় বাড়িতে থাকা অন্যদের। এরপর তার খালা ডাকাডাকি করলেও সে দরজা না খুললে প্রতিবেশীরা এসে দরজা ভেঙে দেখেন ভেন্টিলেটরের সঙ্গে ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে লামিসা জামান দিয়া ঝুলে রয়েছে। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সরকারি ডামুড্যা মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, লামিসা জামান দিয়ার সঙ্গে বৃহস্পতিবার পরীক্ষা শেষে কথা হয়েছে আমার। আমি জানতে চেয়েছিলাম পরীক্ষা কেমন হয়েছে? ও সুন্দর ভাবে জবাব দিয়েছিল পরীক্ষা ভালো হয়েছে। এতটুকুন বয়সে কেন যে এমন করল, কিছুই বুঝলাম না।

বিষয়টি নিয়ে ডামুড্যা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমারত হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, লামিসা আত্মহত্যা করেছে। তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মেডিকেল প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সিনেমা ছাড়া ক্যাটরিনা আরও যেসব উৎস থেকে আয় করেন

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

দর্শকপ্রিয় নায়িকা ক্যাটরিনা কাইফ বলিউড চলচ্চিত্রে প্রায় দুদশক কাটিয়ে দিয়েছেন। ২০০৫ সালে ম্যায়নে পেয়্যার কিউঁ কিয়া সিনেমার মাধ্যমে তিনি সবার নজরকাড়েন।

ক্যাটরিনা নিজের পরিশ্রম আর যোগ্যতা দিয়ে বলিউডে নিজের স্থান পাকাপোক্ত করেছেন। ওয়েলকাম, পার্টনার, নিউ ইয়র্ক, এক থা টাইগার ক্যাটরিনার ক্যারিয়ারের ঝুলিতে ব্যবসাসফল অনেক সিনেমা রয়েছে।

শুধু তা-ই নয়, পারিশ্রমিকের দিক দিয়েও ক্যাটরিনা অনেককেই পেছনে ফেলেছেন। ক্যাটরিনাকে নায়িকা হিসেব নেওয়ার আগে প্রযোজক-পরিচালকদের কিছুটা চিন্তা-করতে হয়।

গত কয়েক বছর ধরে ক্যাটরিনার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২২৪ কোটি রুপি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৯৫ কোটি টাকারও বেশি। ক্যাটরিনা বার্ষিক যত অর্থ আয় করেন, তার বেশির ভাগেরই উৎস সিনেমা। কিন্তু সেটিও একমাত্র নয়। অভিনয় ছাড়া আরও ক্যাটরিনা অনেক কাজ করেন। যেখান থেকেও তিনি বিপুল পরিমাণ আয় করেন।

ক্যাটরিনার প্রসাধনী প্রতিষ্ঠান কে বিউটির কথা অনেকেরই জানা। এ প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালে প্রথম বাজারে তাদের কার্যক্রম শুরু করেন। ২০২২ সালের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মাত্র তিন বছরের মধ্যেই ১০০ কোটি রুপি অর্থ আয় করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ক্যাটরিনা নিজের প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়েও সম্প্রতি অন্য একটি সংস্থায় বিনিয়োগ করেছেন। সেখান থেকেও বছরে বিপুল পরিমাণ অর্থ তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়। এ ছাড়া ইনস্টাগ্রামে অন্যান্য সংস্থার হয়ে প্রচারও করেন ক্যাটরিনা।

প্রচারণামূলক কাজের জন্য ৮০ লাখ থেকে ১ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন ক্যাটরিনা। বেশ কিছু বড় প্রতিষ্ঠানের মডেল হিসেবে ক্যাটরিনা কাইফ কাজ করছেন। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে ৬ থেকে ৭ কোটি রুপি পান তিনি।

নিউজ ট্যাগ: ক্যাটরিনা কাইফ

আরও খবর
ফের বিয়ে করছেন অনুপম রায়, পাত্রী কে?

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জয়পুরহাটে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণসহ তিন পাচারকারী আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট

Image

জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্ত দিয়ে স্বর্ণ পাচারের চেষ্টা করার সময় জয়পুরহাট ২০ বিজিবি সদস্যরা এক অভিযান চালিয়ে ১ কেজি ১৬৬ দশমিক ৪০ গ্রাম ওজনের ১০টি স্বর্ণের বারসহ তিন চোরাকারবারীকে আটক করেছে। আটককৃত স্বর্ণের মূল্য ১ কোটি ১২ লাখ ৬ হাজার ৪১৯ টাকা।

বুধবার সন্ধ্যার আগে জয়পুরহাট ২০ বিজিবি'র অধিন হাটখোলা বিওপি'র টহল কমান্ডার নায়েব সুবেদার এনামুল হক খানের নেতৃত্বে একদল বিজিবি সদস্য সীমান্ত পিলার ২৮১/৪৭ থেকে ২৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পূর্ব উচনা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় রহিদুল ইসলাম (৪০), মঞ্জুর রহমান (৪২) ও ফরিদুল ইসলাম (৪৫) নামে তিন চোরাকারবারীকে ১০টি স্বর্ণের বারসহ আটক করা হয়।

আটককৃতদের কাছে থেকে ১০টি স্বর্ণের বারসহ একটি মোটর সাইকেল, তিনটি মোবাইল সেট, পাঁচটি সিম কার্ড এবং বাংলাদেশি ৪৯ হাজার ৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের মূল্য ১ কোটি ১২ লাখ ৬ হাজার ৪১৯ টাকা। স্বর্ণগুলো ভারতে পাচারের উদ্দ্যেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে জানায় বিজিবি। আটক তিনজনই জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার পূর্ব উচনা গ্রামের বাসিন্দা।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪