আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

জুমার দিনের আমল ও দোয়া কবুলের সময়

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ ডিসেম্বর ২০২১ | ৮২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইসলামের দৃষ্টিতে পবিত্র জুমা ও জুমাবারের রাত-দিন অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। জুমার গুরুত্ব আল্লাহ তায়ালার কাছে এত বেশি যে, কোরআনে জুমা নামে একটি স্বতন্ত্র সূরা নাজিল করা হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা কোরআনে ইরশাদ করেন, হে মুমিনগণ! জুমার দিন যখন নামাজের আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে (মসজিদে) এগিয়ে যাও এবং বেচা-কেনা (দুনিয়াবি যাবতীয় কাজকর্ম ছেড়ে দাও। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর; যদি তোমরা জানতে। (সূরা জুমা- ০৯)।

এ দিনের বিশেষ কিছু আমলে মহান আল্লাহ বান্দার গুনাহ ক্ষমা করে দেন। তবে আমলগুলোও করতে হয় বিশেষ মুহূর্তে। হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেসব বিশেষ মুহূর্ত ও বিশেষ আমলগুলো বর্ণনা করেছেন। সেই আমলগুলো কী?

মসজিদে আসা ও চুপ থাকা

হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি-

> জুমার দিন উত্তমরূপে গোসল করে;

> উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন (অজু) করে;

> তার উত্তম পোশাক পরে এবং

> আল্লাহ তার পরিবারের জন্য যে সুগন্ধির ব্যবস্থা করেছেন, তা শরীরে লাগায়;

> এরপর জুমার নামাজে এসে অনর্থক আচরণ না করে এবং

> দুই জনের মাঝে ফাঁক করে অগ্রসর হয় না।

তার (ওই ব্যক্তির) এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমার মধ্যবর্তী সময়ের (সগিরা) গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হয়। (মুসনাদে আহমাদ)

অনর্থক কথাবার্তা

এ হাদিসে অনর্থক কথাবার্তা বলতে মসজিদে এসে যে কোনো ধরনের কথা না বলাকে বোঝানো হয়েছে। বিশেষ করে খুতবাহ চলাকালীন সময়ে কথা না বলে মনোযোগের সঙ্গে খুতবাহ শোনার কথা বলা হয়েছে। এমনকি কেউ যদি ওই সময় কথা বলে তাকে চুপ থাক এমন কথা বলাও নিষেধ।

দুই জনের মাঝে ফাঁক করে অগ্রসর হওয়া

আবার দুইজনের মাঝে ফাঁক করে অগ্রসর হওয়ার মর্মার্থ হলো, মসজিদে শেষ এসে কাতারে বসা লোকদের ফাঁক করে সামনে যাওয়াকে নিষেধ করা হয়েছে। অর্থাৎ মসজিদে এসে যেখানে জায়গা পাবে সেখানেই বসে পড়া উদ্দেশ্য।

জুমার দিন দোয়া কবুলের সময়

জুমার দিন একটি সময় আছে, যখন মানুষ আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করেন। জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, জুমার দিন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে ভালো কিছুর দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দেন। তোমরা সময়টি আছরের পর অনুসন্ধান কোরো। (আবু দাউদ, হাদিস নম্বর : ১০৪৮)

জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিনের বারো ঘণ্টার মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যদি কোনো মুসলিম এ সময় আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তাহলে মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে দান করেন। এই মুহূর্তটি তোমরা আছরের শেষ সময়ে অনুসন্ধান কোরো। (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৮)

আবু দারদা ইবনে আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি জুমার দিনের বিশেষ মুহূর্তটি সম্পর্কে বলেছেন, ইমামের মিম্বরে বসার সময় থেকে নামাজ শেষ করা পর্যন্ত সময়টিই সেই বিশেষ মুহূর্ত। (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৯)

নিউজ ট্যাগ: জুমার দিন

আরও খবর



আ’লীগ নেতা জহিরুল হত্যা মামলার রায় আজ

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ ডিসেম্বর ২০২১ | ৫২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জগৎ বাজারের ব্যবসায়ী ও নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়ন ৫নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ শাখার সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক হত্যা মামলার রায় আজ।

রোববার (২৬ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন। ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবু আব্দুল্লাহ ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া উত্তর পৌরতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে জহিরুল হক নিজ গ্রাম পয়াগে ফিরছিলেন। পথে আসামি বসু মিয়া, হাবিবুর রহমান, শহিবুর রহমান ওরফে শুক্কি, কবির মিয়া, সাচ্চু মিয়া, মোখলেছ মিয়া, রুহান ওরফে বোরহান, শিথীল আহমেদ ওরফে ফাহিম আহমেদ, রহমত উল্লাহ ফারিয়াজসহ অন্য আসামিরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনাস্থলের পাশে অবস্থান করছিলেন। জহিরুল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুটি মোটরসাইকেলযোগে আসামিরা তার সিএনজি ব্যারিকেড দিয়ে আটকান। এসময় সিএনজিতে থাকা জহিরুলকে তারা আক্রমণ করে মারাত্মক জখম করেন। আসামিরা সিএনজিচালক গোলাপ মিয়াকেও আঘাত করেন।

ঘটনার সময় অন্যদিক থেকে আসা আরেকটি সিএনজির চালককে গোলাপ মিয়া বিষয়টি জানালে তিনি মোটরসাইকেল দুটি ধাওয়া করেন। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া উত্তর পৌরতলা সিএনজি স্ট্যান্ডে থাকা লোকজনের সহায়তায় মোটরসাইকেল দুটিসহ আসামি শিথীল ও ফারিয়াজকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়।

জহিরুল হক ওইদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই কবির হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২১ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার ১৬ আসামি কারাগারে এবং বাকি পাঁচ আসামি পলাতক।

নিউজ ট্যাগ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আরও খবর



বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে আগামী সংসদ নির্বাচন

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | ৩০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে মার্কিন বিদায়ী রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারকে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ড. মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাতে যান মার্কিন বিদায়ী রাষ্ট্রদূত। এ সময় এ কথা বলেন মোমেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ড. মোমেন রাষ্ট্রদূত মিলারকে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পাশাপাশি সদ্য অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জের সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়ে ব্রিফ করেন। তিনি জানান, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে এবং ভোটারের সংখ্যাও বেশি ছিল।

মোমেন-মিলার সাক্ষাতে মানবাধিকারের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজনসহ এ বিষয়ে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের সহযোগিতার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত জানান, যুক্তরাষ্ট্র নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমে মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায়।

তারা দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও বাড়ানোর উপায় নিয়েও আলোচনা করেন। বিদায়ী রাষ্ট্রদূত আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তার উত্তরসূরি তথা পরবর্তী রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিতে অবদান রাখবেন।

উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে যে, ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আগামী মাসে ধারাবাহিক সংলাপ ও সফর বিনিময় হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে তার মেয়াদে বাংলাদেশে সক্রিয় কাজের জন্য ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে টিকা সহায়তার পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন মোমেন।

ড. মোমেন দেশের দক্ষিণাঞ্চলে উপকূলীয় বাঁধ পুনরুদ্ধার এবং আরও উন্নয়নে বাংলাদেশকে সহায়তা করার মার্কিন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, ঢাকায় তার কর্মজীবনের সেরা সময়। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সব ধরনের সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান।


আরও খবর



করোনায় আক্রান্ত বলিউড তারকা নোরা ফতেহি

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলিউড তারকা নোরা ফতেহি। ২৮ ডিসেম্বর নোরার কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তখন থেকেই সব ধরনের সাবধানতা এবং কোভিড বিধি মেনে আপাতত  আইসোলেশনে আছেন তিনি।খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

নোরার মুখপাত্র একটি বিবৃতিতে বলেছেন, কোভিড বিধি মেনে এবং চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে নোরা  আইসোলেশনে  রয়েছেন।

সম্প্রতি নোরার একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কয়েকটি ছবি ঘুরপাক খাচ্ছিল নেটমাধ্যমে। সেই ছবিগুলি যে আসলে পুরনো, সে কথাও স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সেই বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিগত কয়েক দিন বাড়িতেই ছিলেন অভিনেত্রী।

নোরা নিজেও ভক্তদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন, দুর্ভাগ্যবশত আমি কোভিডের সঙ্গে লড়াই করছি। কোভিড আমাকে বড় ধাক্কা দিয়েছে। কয়েক দিন ধরে শয্যাশায়ী ছিলাম। আপাতত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আছি।

সকলে দয়া করে সাবধানে থাকুন। মাস্ক পড়ুন। যে কোনও মানুষেরই এই রোগটি হতে পারে। আমি সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করছি। নিজের স্বাস্থ্যকে সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। সকলে নিজের খেয়াল রাখুন, ভাল থাকুন।

বুধবার অর্জুন কাপুর, খুশি কাপুর এবং অংশুলা কাপুররের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। তার কয়েক দিন আগেই আক্রান্ত হয়েছিলেন কারিনা খান এবং অমৃতা অরোরা।

নিউজ ট্যাগ: নোরা ফতেহি

আরও খবর



বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি যেন হারিয়ে না যায়: শ ম রেজাউল করিম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৬৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অতি আধুনিকতার নামে বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি যেন হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

বৃহস্পতিবার (০৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সিনেমেকিং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২১ এর সমাপনী ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

চলচ্চিত্র উৎসবের প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক ড. মনোরঞ্জন ঘোষালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ও উৎসবের চেয়ারম্যান সালমা ডলি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান, উৎসবের কো-চেয়ারম্যান অপূর্ব রায়, উৎসব পরিচালক মনজুরুল ইসলাম মেঘ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, "আমাদের বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি, জারি, সারি, ভাটিয়ালী, নাটক, চলচ্চিত্র, যাত্রা, পালা গান যেন টিকে থাকে। যাতে আমরা বলতে পারি আমরা বাঙালি। চলচ্চিত্রে আমাদের বাঙালিত্ব যেন টিকে থাকে। অতি আধুনিকতার নামে আমরা যেন অস্তিত্ব বিকিয়ে না দেই"।

তিনি আরো বলেন, "জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেন্দ্র ক্ষণে বাংলাদেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম একটি ক্ষেত্র হচ্ছে সংস্কৃতি। আর সংস্কৃতির বড় অংশ জুড়ে রয়েছে চলচ্চিত্র। আকাশ সংস্কৃতির যুগে যখন সিনেমা হল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে, সেটা টিকিয়ে রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন। সিনেমা হলের আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করছেন। তিনি চান আমাদের দেশের শিল্প-সংস্কৃতি টিকে থাকুক"।

তিনি আরো বলেন, "জীবনঘনিষ্ঠ ঘটনাপ্রবাহকে আন্তরিকভাবে ফুটিয়ে তোলা অনবদ্য সৃষ্টি হচ্ছে চলচ্চিত্র। অভিনয়শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজকসহ কলাকুশলীরা হচ্ছেন সেই চলচ্চিত্রের আর্কিটেক্ট। তাদের সম্মিলিত প্রয়াসে যে চলচ্চিত্র নির্মিত হয় তা আমাদের জাতিকে পথ দেখায়। একজন অভিনেতা বা অভিনেত্রী অভিনয় দিয়ে মানুষের জীবনকে স্পর্শ করতে পারেন, যা সাধারণ মানুষ পারেন না। এ কারণে দেশ ও বিদেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের সম্মানিত করার আয়োজন অত্যন্ত প্রশংসনীয়"।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, "অনন্ত সময় ধরে টিকে থাকতে পারে এ জাতীয় জীবনঘনিষ্ঠ নাটক-সিনেমা নির্মাণ করতে হবে। বিদেশী অপসংস্কৃতির আগ্রাসনের মাঝেও এখনো আমাদের দেশে সুরুচির মানুষ আছে। সেই ভালো রুচির চলচ্চিত্র দেখতে চাই, যেখানে জীবনের বাস্তবতা প্রাঞ্জলভাবে উপস্থাপন করে অসাধারণ সৃষ্টি সামনে নিয়ে আসা যায়"।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক ড. মনোরঞ্জন ঘোষালকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা তুলে দেন প্রধান অতিথি। পরে তিনি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার প্রাপ্তদের ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন।

উল্লেখ্য, সিনেমেকিং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ১২১টি দেশের ৬০০টি পূর্ণদৈর্ঘ্য, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও ডকুমেন্টারি ১১টি বিভাগে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে।

নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম

আরও খবর



সৈয়দ আশরাফ ছিলেন অকুতোভয়: হানিফ

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জানুয়ারী ২০২২ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন অত্যন্ত সজ্জন, সৃজনশীল মানুষ ছিলেন। তার আচরণ, কথাবার্তা ছিলো পরিশিলীত। দুঃসময়ে তিনি ছিলেন অকুতোভয়।

সোমবার (৩ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে কখনো কারো মনে আঘাত দিয়ে কথা বলা, কাউকে কোনো কটূক্তির নজির ছিলো না। একজন মানুষের মধ্যে যে সভ্য আচার-আচরণ, সেগুলো সৈয়দ আশরাফের কাছ থেকে অনুকরণীয় ছিলো। জাতির অনেক ক্রান্তিলগ্নে সৈয়দ আশরাফের ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিশেষ করে ওয়ান ইলেভেনের সময় ২০০৭ সালে তত্তাববধায়ক সরকারের সময় যখন দুই নেত্রীকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে যখন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিলো সেই সময়ে সৈয়দ আশরাফের ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের তাণ্ডবের সময় সৈয়দ আশরাফের কঠোর ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব হেফাজতের ভীত কাপিয়ে দিয়েছিলো। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সময়োপযোগী দায়িত্বশীল কর্মকাণ্ডের মধ্যে রাজনীতিতে সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করেন। সব শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে অত্যন্দ জনপ্রিয় ছিলেন। তিনি সারাজীবন অনুকরণীয় হয়ে থাকবেন।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের আহবান করেছেন। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তারা একক ক্ষমতাবলে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছিল। কারো সঙ্গে আলাপের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেনি। কিন্তু আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি বিধায় রাষ্ট্রপতি সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেই রাজনৈতিক দলের মতামত ও পরামর্শ নিয়ে সার্চ কমিটির মাধ্যমে একটা ভালো নির্বাচন কমিশন গঠন করার জন্য সংলাপ আহ্বান করেছেন। সেই সংলাপে যদি কেউ অংশ না নেয়, সেটি তাদের দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেবে। আমার বিশ্বাস সকলেই অংশ নেবে। এক্ষেত্রে দুই একটি দল যদি সংলাপে অংশ না নেয় তাও রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন কমিশন গঠন করতেই হবে সাংবিধানিক বাধ্য বাধকতার কারণে। এতে সংকট সৃষ্টি হবে না। হয়তো সকলের অংশগ্রহণ থাকলে যেটা সর্বজনীন হতো তা হয়তো কিছুটা ঘাটতি দেখা যেতে পারে। নির্বাচন কমিশন গঠন হবে সাংবিধানিক বাধ্যতা অনুযায়ী।

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরাও চাই বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রীই নন, সাধারণ মানুষ হিসেবেও অসুস্থতা থেকে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরুক। তবে এটাও মনে রাখতে হবে আইন সবার জন্য সমান। কোনো ব্যক্তি বিশেষের জন্য আইন হয়নি বা বাংলাদেশে সেই বিধানও নেই। আইন পরিবর্তনেরও সুযোগ নেই। তার বিদেশে চিকিৎসার জন্য একটা পথ খোলা আছে; আইনের মাধ্যমে সেটা হচ্ছে তিনি যদি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। দণ্ড মওকুপ হলে তিনি বিদেশ যেতে পারবেন।

এসময় আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ও সৈয়দ আশরাফের বোন সৈয়দা জাকিয়া নূর, শাহজাদা মহিউদ্দিন, রাশেদুল মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: আওয়ামী লীগ

আরও খবর