আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম
স্পেনের কারাগারে ম্যাকাফি অ্যান্টিভাইরাস আবিষ্কারকের ‘আত্মহত্যা’ আগস্টে মুক্তি পাচ্ছে চলচ্চিত্র ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে আরও ১৮ জনের মৃত্যু ‘আ.লীগ হীরার টুকরা, যতবার কেটেছে নতুন করে জ্যোতি ছড়িয়েছে’ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নামে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন স্বাক্ষর জালিয়াতি ও তথ্য গোপন করায় ছাত্র ইউনিয়নের দুই শীর্ষ নেতা বহিষ্কার ইতিহাসে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনা সমার্থক হয়ে থাকবে: : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী পরীমনির মামলায় সেই নাসির-অমি ৫ দিনের রিমান্ডে ৯ দেশে ছড়িয়েছে ডেলটা প্লাস ধরন বিধিনিষেধের মধ্যেও শনাক্ত ও মৃত্যু বাড়ছে

খুন করে কি বেহেশতে যাওয়া যায়, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন ?

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১০ জুন ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। কিন্তু কিছু লোক ধর্মের নামে জঙ্গিবাদের সৃষ্টি করছে। শুধু আমাদের দেশেই না, পুরো বিশ্বেই ধর্মের নামে মানুষ খুন করা, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বেড়ে গেছে বলে জানান প্রধামনন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সারাদেশে ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, মানুষ খুন করলেই নাকি বেহেশতে চলে যাবে। এখন আমার প্রশ্ন, যারা এ পর্যন্ত খুন করেছে তারা কে কে বেহেশতে গেছে? কেউ কি বলতে পারবে? কেউ পারবে না। কিন্তু সবচেয়ে সর্বনাশ করে গেছে শান্তির ধর্ম ইসলামের।

আমি বিশ্বাস করি পৃথিবীর শ্রেষ্ট ধর্ম ইসলাম। কিন্তু কিছু লোক জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে, খুন করে আমাদের এই পবিত্র ধর্মের বদনাম সৃষ্টি করছে। ফলে সারা বিশ্বে এই ধর্মের পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে। সাথে ইমেজটাও নষ্ট হচ্ছে। বিশ্বের কোথাও কিছু হলেই ইসলামের দোষ দেওয়া হয়।

এসময় নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমি আন্তর্জাতিক যেসব সম্মেলনে গেছি, সেখানে যখনই ইসলামকে হেয় করা হয়েছে আমি তার প্রতিবাদ করেছি। বলেছি, মুষ্টিমেয় মানুষের জন্য ইসলামের মতো একটা ধর্মকে অপরাধী করা যায় না। এজন্য জঙ্গিবাদের পথ থেকে যুব সমাজ থেকে শুরু করে সবাই যেন দূরে থাকে এ জন্য ইসলামী ব্যক্তিত্বসহ রাজনীবিদদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মানুষের সেবা করতে হবে, কল্যাণ করতে হবে। মানুষের ক্ষতি করে, হত্যা করে কেউ বেহেশতে যেতে পারবে না। এটা ভুল কথা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা লেবাস সর্বস্ব ইসলামে বিশ্বাসে নই, আমরা ইনসাফ ইসলামে বিশ্বাস করি। যে ইসলাম জগৎবাসীকে ন্যায় ও সৎ আদর্শের শিক্ষা দিয়েছে। সেই লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ইসলামিক ফাউন্ডেশন গঠন করেন।

তিনি বলেন, কাকরাইলের ছোট মসজিদটি তাবলিগ জামায়াতকে দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বিশ্ব ইজতেমা যাতে বাংলাদেশে হয় সে জন্য টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানও ইসলামের রাস্তায় দিয়ে দেন বঙ্গবন্ধু। তিনি ওআইসি সম্মেলনে যোগদান করে মুসলিম বিশ্বের সাথে সংযোগ স্থাপন করে দিয়ে যান বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বঙ্গবন্ধু ধর্মীয় স্বাধীনতা বিশ্বাস করতেন জানিয়ে তার কন্যা বলেন, তিনি ইসলামে বিশ্বাস করতেন বলেই সংবিধানে ধর্মীয় নিরপেক্ষতার কথা বলেছেন। এটার অর্থ হচ্ছে, যার যার ধর্ম সে সে স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবে। ধর্ম পালনের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন জাতির পিতা।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল সারাদেশে মডেল মসজিদ নির্মাণের। সে অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে সারাদেশে ৫৬০টি মসজিদ নির্মাণ করা হয়। যার উদ্দেশ্য ছিল, ইসলামের সঠিক বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এসব মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পবিত্র কোরআন-হাদিসের জ্ঞান অর্জনের জন্য কাজে লাগবে বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে একযোগে সারাদেশে ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মসজিদগুলো ঢাকার সাভার উপজেলা, ফরিদপুরের মধুখালী ও সালথা উপজেলা, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া ও কুলিয়ারচর উপজেলা, মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলা, রাজবাড়ী সদর উপজেলা, শরীয়তপুর সদর ও গোসাইহাট উপজেলা, বগুড়ার শারিয়াকান্দি, শেরপুর ও কাহালু উপজেলা, নওগাঁর সাপাহার ও পরশা উপজেলা সিরাজগঞ্জ জেলা ও সদর উপজেলা, পাবনার চাটমোহর উপজেলা, রাজশাহীর গোদাগাড়ি ও পাবা উপজেলা, দিনাজপুরের খানসামা ও বিরল উপজেলা, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা, পঞ্চগড় সদর ও দেবীগঞ্জ উপজেলা, রংপুর জেলা, সদর উপজেলা, মিঠাপুকুর, পীরগঞ্জ ও বদরগঞ্জ উপজেলা, ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা, নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা, ময়মনসিংহের গফরগাঁও ও তারাকান্দা উপজেলা, চট্টগ্রাম জেলা, লোহাগড়া, মীরসরাই ও সন্দ্বীপ উপজেলা, জামালপুর সদর ও ইসলামপুর উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও বিজয়নগর উপজেলা, ভোলা সদর, সিলেটের দক্ষিণসুরমা উপজেলা, কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা, খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলা, কুষ্টিয়া সদর, খুলনা জেলা, চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা, ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা এবং চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় নির্মিত হয়েছে।



আরও খবর



লিভারে চর্বি জমাজনিত সমস্যার সমাধান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৭ জুন ২০২১ | ১১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লিভারে চর্বি জমাজনিত সমস্যায় ভুগছেন এমন রোগী কম নয়।  এটিকে ফ্যাটি লিভার সমস্যাও বলা হয়ে থাকে। অ্যালকোহলিক ও নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ নামে দুই ধরনের হয়ে থাকে এটি।

মূলত অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণেই এ সমস্যাটি বেশিরভাগ মানুষের মাঝে দেখা দিয়ে থাকে। আবার অতিরিক্ত ওজনের কারণেও এই রোগের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। এ ছাড়া অতিমাত্রায় প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার কারণেও অনেক অল্প বয়সিদের এ সমস্যা হতে শুরু করে।

লিভারের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে যে ৫ খাবার নিয়মিত খাবেন

১. কফি

গবেষণামতে, ফ্যাটি লিভারের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত কফি পান করতে পারেন। নিয়মিত কফি পান করার ফলে লিভার তুলনামূলকভাবে ভালো থাকে। এটি লিভারের বিভিন্ন প্রদাহের বিরুদ্ধেও লড়াই করে। এ ছাড়া লিভারের স্বাস্থ্যকর এনজাইম উৎপাদন বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে এটি।

২. ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত খাবার

লিভারের রোগীদের জন্য ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত খাবার খাওয়া খুবই উপকারী। এটি লিভারে জমে থাকা চর্বি দূর করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ যেমন সালমন, সার্ডাইনস, টুনা এবং ট্রাউটের মতো ফ্যাটযুক্ত মাছে অনেক পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে।

৩. আখরোট

লিভারের স্বাস্থ্যরক্ষা করতে আখরোট অনেক উপকারী ভূমিকা রাখে। এই বাদামটিতেও অনেক পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, এ বাদাম খেলে ফ্যাটি লিভার আক্রান্তদের লিভারের কার্যকারিতা বাড়ে।

৪. গ্রিন টি

লিভারের রোগীদের জন্য অন্যতম একটি আদর্শ পানীয় হচ্ছে গ্রিন টি। লিভারে জমে থাকা চর্বি কমাতে পারে এটি। এ ছাড়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও এটি অনেক কার্যকরী।

৫. অলিভ ওয়েল

অলিভ ওয়েল বা জলপাইয়ের তেল শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি থাকে। আর এ তেলটি অতিরিক্ত ওজন খুব দ্রুত কমাতে পারে। অতিরিক্ত ওজনের কারণে লিভারে চর্বি জমে। তাই জলপাই তেল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো।

নিউজ ট্যাগ: ফ্যাটি লিভার

আরও খবর
বাবার জন্য ভালোবাসা

রবিবার ২০ জুন ২০21




সানাইয়ের আক্ষেপ

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শুরু হয়েছিল বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে নাম লিখিয়ে। সেভাবেই আলোচনায় আসেন তিনি। তার মধ্যে ময়নার শেষ কথাছবির কাজটি কেবল শেষ করতে পেরেছেন। বলছি আলোচিত-সমালোচিত মডেল সানাই মাহবুবের কথা।

ফেসবুকে খোলামেলা ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে বিতর্কিত হয়েছেন বহুবার। সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনি সরব থাকতে পছন্দ করেন। কিন্তু সেই সানাইয়ের এখন কোনো ফেসবুক আইডি নেই।

সানাই মাহবুব একাধিক ফেসবুক আইডি ও পেজ হারিয়েছেন। এখন পড়েছেন চূড়ান্ত বিড়ম্বনায়। কারণ ফেসবুকে তার নামে নতুন কোনো আইডি খুলতে পারছেন না।

আক্ষেপ নিয়ে এই মডেল বলেন, আমি বেশ কয়েকটি ফেসবুক আইডি হারিয়েছি। এখন নতুন করে আমার নামে ফেসবুক আইডি খুলতে পারছি না। আমার নামে আইডি নিচ্ছে না ফেসবুক। এদিকে বেশকিছু ফেক আইডি আছে আমার নামে। এ নিয়ে যন্ত্রণায় আছি।

বর্তমানে নিজ এলাকা রংপুরে আছেন সানাই। সেখানে বাড়ি নির্মাণ করছেন তিনি। বাড়ির কাজ শেষ করে ঢাকায় ফিরবেন এমনটাই জানিয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: সানাই মাহবুব

আরও খবর



প্রথমবার পূর্ণমন্ত্রী হয়েই চমক দেখালেন যাঁরা

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | ২৮৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
করোনা সঙ্কটের সময় ডেইরি শিল্প, পোল্ট্রি শিল্পকে বাঁচানোর জন্য তার বিভিন্ন উদ্যোগ এবং উদ্যোগ সাড়া জাগিয়েছে। ডিম, দুধ, মৎস্য খামারিদের করোনার প্রথম ওয়েব মোকাবেলার সময় প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন

প্রথমবার মন্ত্রী হয়েই অনেকে দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন, ভালো কাজ করছেন। তাদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ড প্রশংসিত হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার। তিন দফায় তিনরকম মন্ত্রীসভা গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমবারের মন্ত্রীসভা ছিলো নবীন ও প্রবীণের মিশেলে। দ্বিতীয় দফার মন্ত্রীসভায় হেভীওয়েটদের প্রাধান্য ছিলো। আর তৃতীয় দফায় একেবারে নতুন মুখদের প্রাধান্য দিয়েছেন শেখ হাসিনা। এবারের মন্ত্রীসভায় বেশ কয়েকজন মন্ত্রী আছেন, যারা প্রথমবারই পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন। এদের কয়েকজন দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভালো কাজের জন্য। এরকম কয়েকজন হলেন:

১. শ ম রেজাউল করিম: অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম এবারই প্রথম সংসদ সদস্য হন। প্রথমবারই তাকে পূর্ণমন্ত্রী করা হয়। প্রচন্ড চাপ ও প্রলোভন উপেক্ষা করে দায়িত্ব পালন করতে পারেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। প্রথমবার গৃহায়ণ এবং গণপূর্ত মন্ত্রাণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে সেই মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি দমনে তাঁর কঠোর পদক্ষেপের কারণে আলোচিত হয়েছিলেন। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বালিশ দুর্নীতির ঘটনা তদন্ত করে ৩৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং সংবাদ সম্মেলন করে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের বিরল নজিরও স্থাপন করেছিলেন। সেবা খাতকে ভোগান্তিমুক্ত এবং সেবা সহজ করতে রাজউকর নকশা অনুমোদনের ১৬ স্তরের ছাড়পত্রের সংস্কার করে ৪ স্তরে আনা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নকশা অনুমোদনের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত প্রদান করেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ওঠে আসেন।

করোনা সঙ্কটের সময় ডেইরি শিল্প, পোল্ট্রি শিল্পকে বাঁচানোর জন্য তার বিভিন্ন উদ্যোগ এবং উদ্যোগ সাড়া জাগিয়েছে। ডিম, দুধ, মৎস্য খামারিদের করোনার প্রথম ওয়েব মোকাবেলার সময় প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। এবার আর্থিক প্রণোদনার পরিবর্তে ভিন্নভাবে মৎস্য ও পোল্ট্রি খামারিদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় খামারিদের রক্ষায় মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম দেশজুড়ে চালু করেছেন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র।

দেশের প্রতিটি জেলা উপজেলায় কর্মরত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র। এসব ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে সারাদেশের খামারিরা তাদের মৎস্য ও প্রাণিজ পণ্য ন্যায্যমূল্যেই বিক্রি করছেন। মন্ত্রীর উদ্যোগে প্রান্তিক খামারিরা উপকৃত হচ্ছেন। হাফ ছেড়ে বেঁচেছেন করোনায় জীবন-জীবিকা থমকে দাঁড়ানো স্বল্প আয়ের মানুষেরাও।

২. তাজুল ইসলাম: এবারের মন্ত্রীসভায় সবচেয়ে বড় চমক ছিলো তাজুল ইসলামের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হওয়াটা। দীর্ঘদিন ধরে ঐতিহ্য ছিলো যে ক্ষমতাশালী দলের সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই গত মেয়াদে এই প্রথা ভাঙ্গেন। দলের সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেনকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী করেন। এবার আওয়ামী লীগে গুরুত্বপূর্ণ নেতা না হয়েও তাজুল ইসলাম এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। মন্ত্রী হিসেবে প্রথম দিকে আড়ষ্ট হলেও আস্তে আস্তে নিজেকে মেলে ধরেছেন। তার কর্মতৎপরতা সকলের নজর কেড়েছে।

৩. ড. আবদুল মোমেন: ড. মোমেনও প্রথমবার এমপি, প্রথমবারেই পূর্ণ মন্ত্রী। কঠিন সময়ে স্পর্শকাতর ইস্যু বেশ সাফল্যের সংগেই মোকাবেলা করছেন এই ফাস্ট মিনিস্টার। বিশেষ করে টিকা কূটনীতিতে তার উদ্যোগ সব মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

৪. টিপু মুন্সী: টিপু মুন্সী দীর্ঘদিন আওয়ামী রাজনীতির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে থাকলেও এবারই প্রথম মন্ত্রী হন। মন্ত্রিত্বের শুরুটা ছিলো বেশ খারাপ। কিন্তু দ্রুত শিখে, ভুল সংশোধনের জন্য তিনি আলোচিত এবং প্রশংসিত।

৫. নুরুল ইসলাম সুজন: নুরুল ইসলাম সুজনও প্রথম মন্ত্রী। তার দপ্তরে সাফল্য ব্যর্থতা দুটোই আছে। কিন্তু একজন পরিশ্রমী মন্ত্রী হিসেবে তিনি আদৃত হচ্ছেন সব মহলে।


আরও খবর



ফাইজারের টিকা দেশে আসছে আজ

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ মে ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কোভ্যাক্সের পক্ষ থেকে ফাইজার বায়োএনটেকের টিকা দেশে আসছে আজ। রবিবার রাতে ফাইজারের এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা দেশে এসে পৌঁছবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক।

তিনি জানান, কোভ্যাক্সের পক্ষ থেকে রোববার রাত ১১টা ২০ মিনিটে কাতার এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ফাইজারের টিকাগুলো দেশে পৌঁছবে। তবে কাদের এবং কবে থেকে এই টিকা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান তিনি।

এর আগে গত ১৯ মে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, ২ জুন গ্যাভির কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটি থেকে ফাইজারের অন্তত এক লাখ ৬ হাজার টিকা বাংলাদেশে পাঠাবে।

এদিকে দেশের চতুর্থ টিকা হিসেবে জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পেয়েছে ফাইজারের টিকা। গত বৃহস্পতিবার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর মহাপরিচালক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পক্ষ থেকে গত ২৪ মে স্টিকার ইমারজেন্সি ইউজ অথরাইজেশনের জন্য আবেদন করা হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে অধিদপ্তরের ভ্যাকসিন দেওয়ার (ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে সিএমসি পার্ট রেগুলারিটি স্ট্যাটাস) পর্যবেক্ষণ করে ২৫ মে পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সির ক্ষেত্রে ওষুধ ইনভেস্টিগেশনাল ভ্যাকসিন এবং মেডিকেল ডিভাইস মূল্য নির্ধারণ কমিটির মতামতের জন্য উপস্থাপন করা হয়। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ২৭ মে টিকার অনুমোদন প্রদান করে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ফাইজারের টিকা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন করে। এই টিকা ১২ বছরের উপরের বয়সীদের ব্যবহারের উপযোগী এটি সংরক্ষণ করতে হিমাঙ্কের নিচে ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি তাপমাত্রা প্রয়োজন হয়। তবে ২ থেকে ৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ৫ দিন সংরক্ষণ করা সম্ভব।

দেশের করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এ নিয়ে চারটি টিকা ইমারজেন্সি ইউজ অথরাইজেশন প্রদান করেছে। প্রথমেই ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্র্যাজেনেকা টিকার অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে জরুরি ব্যবহারের জন্য রাশিয়ার উৎপাদিত টিকা স্পুটনিক-এর অনুমোদন দেওয়া হয়। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর তারপরেই অনুমোদন দেয় চীনের সিনোফার্মের টিকা।


নিউজ ট্যাগ: ফাইজারের টিকা

আরও খবর
করোনায় আরও ৭৬ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১




চীনে ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৯ শ্রমিকের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৪ জুন ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চীনের গানসু প্রদেশে শুক্রবার সকালে ট্রেন দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত হয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই রেলকর্মী।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, যাত্রীবাহী ট্রেনটি স্থানীয় সময় সকাল ৫টা ২৫ মিনিটে জিনচাং শহরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এটি উরুমকি থেকে হাঙজুতে যাচ্ছিল। খবর বিবিসির।

খবরে বলা হয়, উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য ঘটনাস্থলে মেডিকেল ও ইমার্জেন্সি টিম পাঠানো হয়েছে।

এ দুর্ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনায় মেতে উঠেছেন নেটিজেনরা।

চীনের মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ওয়েইবোতে একজন লিখেছেন শ্রমিকরা যদি রেললাইন সংস্কারের কাজ করে থাকেন, তবে ট্রেনের চালকদের এ সম্পর্কে জানা উচিত ছিল।  ৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।  এ দুর্ঘটনা কীভাবে ঘটল।


আরও খবর